সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

মিলের সহপরিবর্তন পদ্ধতি আলোচনাকরো। [সংজ্ঞা, আকার, দৃষ্টান্ত, সুবিধা দুটি,| অসুবিধা দুটি]

উত্তর:
মিল প্রদত্ত সহপরিবর্তন পদ্ধতির সংজ্ঞা:
"যদি কোনো একটি ঘটনা কোনো-না-কোনোভাবে
পরিবর্তিত হয়, তখনই যদি অন্য একটি ঘটনা কোনো-
না-কোনোভাবে (বিশেষভাবে) পরিবর্তিত হয় তবে সেই
ঘটনাটি অন্য ঘটনাটির কারণ বা কার্য বা কোনো-না-
কোনোভাবে কার্য-কারণ সম্বন্ধে যুক্ত।”
মিল প্রদত্ত সহপরিবর্তন পদ্ধতির আকার:
পূর্ববর্তী ঘটনা                পরবর্তী ঘটনা
ABC                                      abc
A1BC                                   a1bc
A2BC                                   a2bc
A3BC                                   a3bc
:: A হল a-এর কারণ।
সহপরিবর্তন পদ্ধতির দৃষ্টান্ত (বাস্তব উদাহরণ):
পূর্ববর্তী ঘটনা                    পরবর্তী ঘটনা
উত্তাপ স্বাভাবিক (A)  
উত্তাপ বাড়ানো হল (A1)
উত্তাপ ক্রমশ বাড়ানো
হল (A2)
উত্তাপ ক্রমশ বাড়ানো
হল (A3)
---নিচের অংশটি পরবর্তী ঘটনা অংশে হবে-
পারদস্তম্ভের উচ্চতা
স্বাভাবিক (a)
পারদস্তম্ভের উচ্চতা
বাড়ছে (a1)
পারদস্তম্ভের উচ্চতা
ক্রমশ বাড়ছে (a2)
পারদস্তম্ভের উচ্চতা
ক্রমশ বাড়ছে (a3)
:. উত্তাপ বৃদ্ধি (A) হল পারদস্তম্ভের উচ্চতা বৃদ্ধির (a)
কারণ।
সহপরিবর্তন পদ্ধতির দুটি সুবিধা:
[১] এই পদ্ধতির সাহায্যে কার্য-কারণের পরিমাণগত
হ্রাসবৃদ্ধির পরিমাপ নির্ণয় করা যায়। যেমন—
[ক] পরীক্ষণের ক্ষেত্রে এই পরিবর্তনের হার
সমানুপাতিক। [খ] পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে এই
পরিবর্তনের হার সমানুপাতিক নয়।
[২] বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার ও সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে
এই পদ্ধতির প্রয়োগ মূল্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেমন,
বৈজ্ঞানিক পাস্কাল. এই পদ্ধতির সাহায্যে প্রমাণ
করেছিলেন যে, ব্যারোমিটারের পারদস্তম্ভের
উচ্চতা বায়ুস্তরের ওজনের ওপর নির্ভর করে।
সহপরিবর্তন পদ্ধতির দুটি অসুবিধা:
[১] পরিমাণগত হ্রাসবৃদ্ধির উচ্চ ও নিম্ন সীমার
পরিসরের মধ্যে এই পদ্ধতি সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ
করতে পারে। কিন্তু এই পরিসরের বাইরে ভুল
সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করতে পারে। যেমন, 4°-100°
পর্যন্ত জলের উত্তাপ যত বৃদ্ধি পায় তার আয়তন
তত বৃদ্ধি পায়। সুতরাং, সব অবস্থাতেই জলের
উত্তাপ বৃদ্ধি তার আয়তন বৃদ্ধির কারণ | এইরূপ
সিদ্ধান্ত করলে মিথ্যা হবে। কেননা পরীক্ষায় দেখা
যায় যে, 0°-4° পর্যন্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে
আয়তন বৃদ্ধি না পেয়ে বরং হ্রাস পায় |
[২] এই পদ্ধতি একটিমাত্র আবশ্যিক শর্তকে সমগ্র
কারণ বলে ভুল করতে পারে | যেমন উত্তাপ বৃদ্ধি
করলে পদার্থের আয়তন বাড়ে ৷ এখানে চাপের শর্ত
উল্লেখ করা হয়নি।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

কারক নির্ণয় ।

                                                        কারক   কারক নির্ণয় প্রায় সব শ্রেনিতেই থাকে তাই এটি প্রত্যেক ছাত্র ছাত্রীর শেখা বাধ্যতামূলক । একটু পরিশ্রম করলেই খুব সহজেই তারা এটি করতে পারে। কিন্তু আমি বেশিরভাগ ছাত্র ছাত্রীদের এই কারকেও ভয় পেতে দেখেছি । আমার প্রিয় ছাত্র ছাত্রী, তোমাদের আর কারকে ভয় পাবার দরকার নেই।  তোমাদের আমি সহাজ সরল পদ্ধতির মাধ্যমে কারক বুঝিয়ে দেবো, যার পর তোমদের আর কখনই কারক ভুল হবেনা।  আমি একটা কবিতার মাধ্যমে তোমাদের কারক নির্ণয় শিখিয়ে দেব।                কারক নির্ণয়ের কবিতা  কারক নির্ণয় যদি মনে প্রাণে কর      তাহলে সবার আগে ক্রিয়াপদ ধর।   ক্রিয়াকে প্রশ্ন কর নিম্নরূপ ভাবে       ক্রিয়াই বলিয়া দেবে কোন কারক হবে।                   কে > কর্ত...

W.B.B.S.E মাধ্যমিক পরীক্ষার সমস্ত জ্যামিতিক প্রয়োগের প্রশ্ন

 মাধ্যমিক পরীক্ষার সমস্ত গুরুত্বপূণ প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হল।

পরীক্ষার প্রস্তুতির সেরা ১০টি কৌশল

পরীক্ষার প্রস্তুতির সেরা ১০টি কৌশল ভূমিকা: পরীক্ষায় ভালো ফল করতে শুধু কঠোর পরিশ্রম করলেই হয় না, দরকার সঠিক পরিকল্পনা ও কৌশল । আজ আমরা জানব পরীক্ষার প্রস্তুতির ১০টি কার্যকরী টিপস , যা আপনাকে আরও ভালো নম্বর পেতে সাহায্য করবে। ১০টি পরীক্ষার প্রস্তুতির টিপস: 1️⃣ একটি স্টাডি প্ল্যান তৈরি করুন – কোন বিষয়ে কত সময় দেবেন তা নির্ধারণ করুন। 2️⃣ নোটস তৈরি করুন – গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো ছোট ছোট নোট আকারে লিখুন। 3️⃣ সময়ের যথাযথ ব্যবহার করুন – নির্দিষ্ট সময়ে পড়া শেষ করার অভ্যাস করুন। 4️⃣ পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্নপত্র সমাধান করুন – পরীক্ষার ধরণ বুঝতে সাহায্য করবে। 5️⃣ স্বাস্থ্য ঠিক রাখুন – ভালো ঘুম এবং পুষ্টিকর খাবার খান। 6️⃣ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আগে পড়ুন – কঠিন বিষয়গুলো আগে শেষ করুন। 7️⃣ রিভিশন নিন – পরীক্ষার আগের দিন শুধুমাত্র রিভিশন করুন, নতুন কিছু পড়বেন না। 8️⃣ সম্ভাব্য প্রশ্ন সাজিয়ে নিন – নিজেই পরীক্ষার প্রশ্ন তৈরি করে উত্তর লিখুন। 9️⃣ গ্রুপ স্টাডি করুন – অন্যদের সঙ্গে পড়লে বিষয়গুলো আরও পরিষ্কার হবে। 🔟 পজিটিভ থাকুন ও আত্মবিশ্বাস বজায় রাখুন – মানসিক চাপ এড়িয়ে আত্মবিশ...