মেনু ও পেজসমূহ

উচ্চ মাধ্যমিক ২০২৬ mcq পরিবেশবিদ্যা

পরিবেশ বিদ্যা 3rd semester 2026
Link এ ক্লিক করে পরীক্ষা দাও ও নিজেকে যাচাই করো।

কারক নির্ণয় ।

                         
                             কারক 
কারক নির্ণয় প্রায় সব শ্রেনিতেই থাকে তাই এটি প্রত্যেক ছাত্র ছাত্রীর শেখা বাধ্যতামূলক । একটু পরিশ্রম করলেই খুব সহজেই তারা এটি করতে পারে। কিন্তু আমি বেশিরভাগ ছাত্র ছাত্রীদের এই কারকেও ভয় পেতে দেখেছি । আমার প্রিয় ছাত্র ছাত্রী, তোমাদের আর কারকে ভয় পাবার দরকার নেই। 
তোমাদের আমি সহাজ সরল পদ্ধতির মাধ্যমে কারক বুঝিয়ে দেবো, যার পর তোমদের আর কখনই কারক ভুল হবেনা। 
আমি একটা কবিতার মাধ্যমে তোমাদের কারক নির্ণয় শিখিয়ে দেব। 

              কারক নির্ণয়ের কবিতা
 কারক নির্ণয় যদি মনে প্রাণে কর 
    তাহলে সবার আগে ক্রিয়াপদ ধর। 
 ক্রিয়াকে প্রশ্ন কর নিম্নরূপ ভাবে 
     ক্রিয়াই বলিয়া দেবে কোন কারক হবে। 
                 কে > কর্তা 
                  কী > কর্ম
              দ্বারা, দিয়া > করণ 
         হইতে , থেকে > অপাদান 
               কোথায় > অধিকরণ 
    শর্ত ত্যাগের দ্বারা নিমিত্ত কারক হয়। 
            সুস্থ্য মনে কর তোমরা কারক নির্ণয়। 

             এবার আসি প্রশ্ন ও উত্তরে

 ১। কারক কাকে বলে? ইহা কত প্রকার ও কি কি?  
কারকঃ ক্রিয়াপদের সঙ্গে বাক্যে অবস্থিত বিশেষ্য, বিশেষণ , সর্বনাম ইত্যাদি পদের সম্পর্ককে কারক বলে। 
প্রকারভেদঃ বাংলা ভাষায় কারক ছয় রকম। যথা- ১। কর্তৃ কারক , ২। কর্ম কারক, ৩। করণ কারক, ৪। নিমিত্ত কারক, ৫। অপাদান কারক, ৬। অধিকরণ কারক
 ২। কর্তৃ কারক কাকে বলে ? উদাহরন দাও । 
উঃ যে পদ বাক্যের ক্রিয়াটি সম্পাদন করে তাকে কর্তৃ কারক বলে। 
উদাহরণঃ রাজু খেলতে গেল।
              বুল্বুলিতে ধান খেয়েছে। 
              রাজা ভাত খায়। 

৩। কর্ম কারক কাকে বলে ? উদাহরণ দাও। 
উঃ বাক্যে কর্তা যে কাজটি করে বা ক্রিয়ার যে বিষয় তাকে কর্ম বলে । আর যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দ্বারা ক্রিয়ার কর্ম বোঝায় তা কর্মকারক। উদাঃ দিনু বাজনা বাজায়। 
         শুভ ঘুরি ওড়ায় । 
        দাদা ভূগোল পড়ায়।

 ৪। করণকারক কাকে বলে ? উদাহরণ দাও।
 উঃ- কর্তা যার দ্বারা কাজটি সম্পন্ন করে তাকে করণ কারক বলে। 
উদাহরনঃ আলোয় মাঠ ভরে গেছে। 
              সে নৌকায় নদী পার হল। 
            ছুরিতে পেনসিল কাটা হল। 
 ৫। নিমিত্ত কারক কাকে বলে? উদাহরন দাও। 
উঃ- ক্রিয়াকে কে, কী জন্য বা কী নিমিত্ত দিয়ে প্রশ্ন করলে যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ পাওয়া যায় , তাকে নিমিত্ত কারক বলে। 
উদাহরণঃ- জগদীশ্চন্দ্র গবেষণার জন্য অর্থব্যয় করেছিলেন। 
            ত্রাণের জন্য অন্ন ও বস্ত্র দিয়েছে সবাই।                উচ্চশিক্ষায় সে বিদেশে পাড়ি দিল। 
 ৬। অপাদান কারক কাকে বলে? উদাহরন দাও। উঃ- যা থেকে কোনো কিছু হওয়া বা ঘটা বোঝায় তাকে অপাদান এবং যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দ্বারা এই ঘটা বা হওয়া কাজটি বোঝায় তাকে অপাদান কারক বলে। 
 উদাহরনঃ চোখ দিয়ে জল পড়ছে । 
                 বিপদে মোরে রক্ষা করো । 
                  সে নৌকা থেকে পড়ে গেল। 
 ৭। অধিকরণ কারক কাকে বলে ? উদাহরণ দাও। উঃ ক্রিয়ার আধারকে ( স্থান, কাল, পাত্র )বলা হয় অধিকরণ কারক। 
 উদাহরণঃ গ্রীষ্মকালে আম হয়।
                ছাত্রটি ইংরাজিতে কাঁচা । 
                ট্রেন হাওড়া পৌছাল । 

এতক্ষণ তোমরা যে সমস্ত লেখাগুলো ও উদাহরণ গুলো পড়লে সেগুলো ভালো করে বিশ্লেষণ করে দেখো আমার যে কবিতাটি প্রথমেই দেওয়া আছে সেখান থেকেই সমস্ত উত্তর তোমরা খুঁজে পাবে। আর কোনদিনও কারক করতে গিয়ে তোমাদের অসুবিধায় পড়তে হবেনা। তবে আরও কিছু বিষয় আছে যা না জানলে কারক শেখাটা অসম্পূর্ণ থেকে যায় । আমি তা নিম্নে সংক্ষেপে আলোচনা করছি ।

 ১। বিভক্তি কাকে বলে ? উদাহরণ দাও। 
উঃ - অর্থবোধক শব্দ সমষ্টি প্রকাশ করতে শব্দের সঙ্গে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয় , তাকে বিভক্তি বলে। 
 উদাহরনঃ- র, তে , য়ে ,কে ,এ ইত্যাদি।
 ২। সম্বন্ধ পদ কাকে বলে ? উদাহরন দাও। 
 উঃ ক্রিয়া পদের সঙ্গে যে পদের যোগ থাকে না , অথচ বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে যোগ থাকে , সেই পদকে সম্বন্ধ পদ বলে। 
 উদাহরনঃ খাঁচার পাখী ছিল খাঁচার । 
               বনের পাখী ছিল বনে । 
              ছেলেদের জন্য লজেন্স এনো । 
৩। সম্বোধন পদ কাকে বলে ? উদাহরণ দাও।
 উঃ সম্বোধন বা আহ্বান করে যে পদ ব্যাবহার করা হয় তাই সম্বোধন পদ। 
 উদাহরণঃ অহে! কোথায় চললে ? 
             ওরে বাদল , এদিকে আয়। 
             কাকাবাবু, কি যেন বললে । 
 আশা রাখি এবার তোমরা সকলেই খুব ভালোভাবে কারক নির্ণয় করতে পারবে। 

এছাড়াও যেকোনো সাহায্যের জন্য আমার টেলিগ্রাম চ্যানেলে যোগ দিতে পারো।
 নিচে লিঙ্ক দেওয়া হল----- 
telegram TELEGRAM

 এছাড়াও বিষয়টি আরও ভালোভাবে বুঝতে ও অন্যান্য শিক্ষণীয় ভিডিও দেখতে আমার ইউটিউব চ্যানেলটি দেখতে পারো । 
নিচে লিঙ্ক দেওয়া হল।----
youtube


*****************ধন্যবাদ *******************

এপ্রিল ফুল (April Fool's Day) নামের উৎপত্তি ও পেছনের ঘটনা

এপ্রিল ফুল (April Fool's Day) নামের উৎপত্তি ও পেছনের ঘটনা

এপ্রিল ফুলের সঠিক উৎস সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা কঠিন, তবে এর পেছনে বেশ কিছু জনপ্রিয় ব্যাখ্যা রয়েছে।

১. ক্যালেন্ডার পরিবর্তন তত্ত্ব

একটি বহুল প্রচলিত ব্যাখ্যা হলো, ১৬৮২ সালে ফ্রান্সের রাজা নবম চার্লস গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে নববর্ষের দিন ১ জানুয়ারি নির্ধারণ করেন। তবে আগের জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে নববর্ষ উদযাপিত হতো ২৫ মার্চ থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত
অনেক মানুষ তখনও পুরনো পদ্ধতি মেনে ১ এপ্রিলেই নববর্ষ পালন করত। তাদের ‘বোকার মতো’ মনে করা হতো, এবং অন্যরা মজা করে তাদের ঠকাত। এখান থেকেই এপ্রিল ফুলের ধারণা জন্ম নেয়।

২. হেলারিয়া উৎসব (Hilaria Festival, রোমান উৎসব)

প্রাচীন রোমানরা হেলারিয়া (Hilaria) নামে একটি উৎসব পালন করত, যা ২৫ মার্চে অনুষ্ঠিত হতো। এতে মানুষ মিথ্যা গল্প বানিয়ে ও ছদ্মবেশ ধারণ করে অন্যদের বোকা বানাত। অনেকে মনে করেন, এখান থেকেই এপ্রিল ফুলের ধারণা এসেছে।

৩. মাছ ধরা নিয়ে ফরাসি তত্ত্ব (Poisson d'Avril)

ফ্রান্সে এপ্রিলের প্রথম দিকে মাছ ধরা তুলনামূলক সহজ ছিল না। এ সময় অনেকে কাঁচা হাতে মাছ ধরার চেষ্টা করত, এবং অভিজ্ঞ মৎস্যজীবীরা তাদের নিয়ে ঠাট্টা করত। এ কারণেও ‘এপ্রিল ফুল’ বা Poisson d'Avril (এপ্রিলের মাছ) শব্দের উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

৪. ব্রিটিশ গণমাধ্যমের প্রচারণা

১৭০০-এর দশকে ব্রিটেন ও স্কটল্যান্ডে এপ্রিল ফুল ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে গণমাধ্যম বিভিন্ন মিথ্যা খবর প্রকাশ করে সাধারণ মানুষকে বোকা বানানো শুরু করে, যা এই দিনটির গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দেয়।


যদিও এপ্রিল ফুলের প্রকৃত ইতিহাস নিয়ে মতভেদ রয়েছে, তবে এটি বিশ্বব্যাপী একটি মজার ও হাস্যরসাত্মক দিন হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। অনেক দেশেই এই দিনে মানুষ মজার ছলে একে অপরকে বোকা বানানোর চেষ্টা করে।

সমাস নির্ণয়ের সহজ পদ্ধতি


সমাস

১/ সাধারণ কর্মধারায় সমাস।

SK:-সমাসবদ্ধ পদটিকে ভাঙ্গানোর পর  যা …….. তাই। যিনি ……… তিনি বসাতে হবে।

২/ সাধারণ কর্মধারায় সমাস।

SK:-সমাসবদ্ধ পদটি ভাঙ্গানোর পর মাঝে যে বসাতে হবে।

৩/ উপমান কর্মধারায় সমাস ।

Sk:-সমাসবদ্ধ পদটিকে ভাঙ্গানোর পর শেষে ন্যায় বা মতো যুক্ত করতে হবে।

৪/ উপমিত কর্মধারায় সমাস।

SK:- সমাসবদ্ধ পদটিকে ভাঙ্গানোর পর শেষে মতো বা ন্যায় যুক্ত করো।

৫/রূপক কর্মধারায় সমাস ।

SK:-সমাসবদ্ধ পদটি ভাঙ্গানোর পর মাঝে রূপ কথা-টি বসাতে হবে।

৬/ কর্ম তৎপুরুষ সমাস।

SK:-সমাসবদ্ধ পদটি ভাঙ্গানোর পর প্রথম পদের সঙ্গে কে যুক্ত করো।

৭/করন তৎপুরুষ।

SK:-সমাসবদ্ধ পদটি ভাঙ্গানোর পর প্রথম পদের সঙ্গে র,আর,দের যুক্ত করার পর দ্বারা/ দিয়ে যুক্ত করো।

৮/ নিমিত তৎপুরুষ সমাস।

SK:-সমাসবদ্ধ পদটি ভাঙ্গানোর পর প্রথম পদের সঙ্গে র,আর,দের যুক্ত করো তারপর নিমিত্ত/ জন্য বসাও।

৯/ অপাদান তৎপুরুষ।

SK:-সমাসবদ্ধ পদটি ভাঙ্গানোর পর মাঝে ইহতে/ থেকে কোনো একটি বসাও।

১০/ সম্মন্ধ তৎপুরুষ সমাস।

SK:-সমাসবদ্ধ পদটি ভাঙ্গানোর পর প্রথম পদের সঙ্গে র বা এর যুক্ত করো।

১১/ আধিকারন তৎপুরুষ।

SK:-সমাসবদ্ধ পদটি ভাঙ্গানোর পর প্রথম পদের সঙ্গে ে বা য় বসাতে হবে।

১২/ নয়া তৎপুরুষ।

SK:-সমাসবদ্ধ পদটি ভাঙ্গানোর পর প্রথম পদটি তুলে দিয়ে সেই স্তানে ন্য/নেই/ নায় মানান সই আকারে বসাতে হাবে।

১৩/ উপপদ তৎপুরুষ।

SK:-সমাসবদ্ধ পদটি ভাঙ্গানোর পর শেষে যে বসাও।

১৪/ ব্যাপ্তি তৎপুরুষ।

SK:-সমাসবদ্ধ পদটি ভাঙ্গানোর পর মাঝে কাল বা ব্যাপিয়া বসাতে হবে।

১৫/ দ্বন্দ্ব সমাস।

SK:-সমাসবদ্ধ পদটি ভাঙ্গানোর পর শেষে পদের আগে ও আসাও।

১৬/ নিগু সমাস।

SK:-সমাসবদ্ধ পদটি ভাঙ্গানোর পর শেষে সমাহার যুক্ত করো।

১৭/ নিত্য সমাস।

SK:-সমাসবদ্ধ পদটি ভাঙ্গানোর পর দ্বিতীয় পদটি তুলে দিয়ে প্রথম পদের আগে অন্য কথাটি আনতে হবে।

   

পরীক্ষার প্রস্তুতির সেরা ১০টি কৌশল

পরীক্ষার প্রস্তুতির সেরা ১০টি কৌশল

ভূমিকা:

পরীক্ষায় ভালো ফল করতে শুধু কঠোর পরিশ্রম করলেই হয় না, দরকার সঠিক পরিকল্পনা ও কৌশল। আজ আমরা জানব পরীক্ষার প্রস্তুতির ১০টি কার্যকরী টিপস, যা আপনাকে আরও ভালো নম্বর পেতে সাহায্য করবে।

১০টি পরীক্ষার প্রস্তুতির টিপস:

1️⃣ একটি স্টাডি প্ল্যান তৈরি করুন – কোন বিষয়ে কত সময় দেবেন তা নির্ধারণ করুন।
2️⃣ নোটস তৈরি করুন – গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো ছোট ছোট নোট আকারে লিখুন।
3️⃣ সময়ের যথাযথ ব্যবহার করুন – নির্দিষ্ট সময়ে পড়া শেষ করার অভ্যাস করুন।
4️⃣ পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্নপত্র সমাধান করুন – পরীক্ষার ধরণ বুঝতে সাহায্য করবে।
5️⃣ স্বাস্থ্য ঠিক রাখুন – ভালো ঘুম এবং পুষ্টিকর খাবার খান।
6️⃣ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আগে পড়ুন – কঠিন বিষয়গুলো আগে শেষ করুন।
7️⃣ রিভিশন নিন – পরীক্ষার আগের দিন শুধুমাত্র রিভিশন করুন, নতুন কিছু পড়বেন না।
8️⃣ সম্ভাব্য প্রশ্ন সাজিয়ে নিন – নিজেই পরীক্ষার প্রশ্ন তৈরি করে উত্তর লিখুন।
9️⃣ গ্রুপ স্টাডি করুন – অন্যদের সঙ্গে পড়লে বিষয়গুলো আরও পরিষ্কার হবে।
🔟 পজিটিভ থাকুন ও আত্মবিশ্বাস বজায় রাখুন – মানসিক চাপ এড়িয়ে আত্মবিশ্বাসী থাকুন।

উপসংহার:

এই টিপসগুলো অনুসরণ করলে আপনি পরীক্ষার জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারবেন। শেয়ার করুন এবং অন্যদের সাহায্য করুন!

নবম শ্রেণির জন্য ভারতের সম্পদ থেকে সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

নবম শ্রেণির জন্য ভারতের সম্পদ থেকে সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

১. প্রশ্ন: সম্পদ কী?

✅ উত্তর: মানুষের প্রয়োজন মেটাতে যে সমস্ত প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট উপাদান ব্যবহার করা হয়, তাকে সম্পদ বলে।

২. প্রশ্ন: সম্পদের প্রধান দুই শ্রেণি কী কী?

✅ উত্তর:

1. প্রাকৃতিক সম্পদ (যেমন—মাটি, জল, খনিজ)


2. মানবসম্পদ (যেমন—শিক্ষা, প্রযুক্তি, দক্ষ শ্রম)



৩. প্রশ্ন: ভারতের প্রধান খনিজ সম্পদ কোনটি?

✅ উত্তর: কয়লা, লোহা, বক্সাইট, স্বর্ণ, তামা, পেট্রোলিয়াম, চুনাপাথর ইত্যাদি।

৪. প্রশ্ন: ভারতে কয়লার প্রধান খনি কোথায় অবস্থিত?

✅ উত্তর: ঝাড়খণ্ড (জারিয়া), ছত্তিশগড় (কোরবা), পশ্চিমবঙ্গ (রাণীগঞ্জ)।

৫. প্রশ্ন: ভারতের বৃহত্তম তেলক্ষেত্রের নাম কী?

✅ উত্তর: বোম্বে হাই (আরব সাগরে অবস্থিত)।

৬. প্রশ্ন: ভারতের প্রধান কৃষিজ সম্পদ কী কী?

✅ উত্তর: ধান, গম, আখ, তুলা, চা, কফি, ডাল, তেলবীজ ইত্যাদি।

৭. প্রশ্ন: নবীকরণযোগ্য সম্পদের উদাহরণ দাও।

✅ উত্তর: জল, বায়ু, সূর্যালোক, জৈব জ্বালানি, বন।

৮. প্রশ্ন: ভারতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত শক্তির উৎস কী?

✅ উত্তর: কয়লা (থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্টে ব্যবহৃত হয়)।

৯. প্রশ্ন: ভারতের সবচেয়ে বড় লোহার আকরিক খনি কোথায়?

✅ উত্তর: ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ ও কেনঝর জেলায়।

১০. প্রশ্ন: ভারতে সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন কোন উৎস থেকে হয়?

✅ উত্তর: কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে।

১১. প্রশ্ন: কোন সম্পদ পুনরুদ্ধার করা যায় না?

✅ উত্তর: অ-পুনরুজ্জীবনযোগ্য সম্পদ (যেমন—পেট্রোলিয়াম, কয়লা, খনিজ)।

১২. প্রশ্ন: ভারতের প্রধান জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নাম লেখো।

✅ উত্তর: ভাকড়া নাঙ্গাল (হিমাচল প্রদেশ), টেহরি (উত্তরাখণ্ড), সরদার সরোবর (গুজরাট)।

১৩. প্রশ্ন: পরিবেশবান্ধব শক্তির উৎস কী কী?

✅ উত্তর: সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, জলবিদ্যুৎ, জিওথার্মাল শক্তি।

১৪. প্রশ্ন: ভারতে সবুজ বিপ্লবের ফলে কোন ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে?

✅ উত্তর: গম ও ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।

১৫. প্রশ্ন: ভারতের বৃহত্তম স্বর্ণখনির নাম কী?

✅ উত্তর: কোলার স্বর্ণখনি (কর্ণাটক)।

এই প্রশ্নোত্তরগুলো নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ভারতের সম্পদ অধ্যায়টি ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করবে।


সমাস কাকে বলে? এটি কত প্রকার ও কী কী? প্রত্যেক প্রকার সমাসের উদাহরণ সহ সংজ্ঞা দাও।

সমাস কী?

দুই বা ততোধিক পদের সংযোগে যদি একটি নতুন পদ গঠিত হয় এবং সেই পদের মধ্যে থাকা অব্যয় বা বিভক্তি লোপ পায়, তখন তাকে সমাস বলে। সমাসের ফলে বাক্য সংক্ষিপ্ত হয় এবং অর্থ গম্ভীর হয়।

সমাসের প্রকারভেদ:

সমাস প্রধানত চার প্রকার
১. দ্বন্দ্ব সমাস
2. তৎপুরুষ সমাস
3. দ্বিগু সমাস
4. বহুব্রীহি সমাস

এছাড়াও অব্যয়ীভাব সমাস এবং কর্মধারয় সমাসও গুরুত্বপূর্ণ।


১. দ্বন্দ্ব সমাস

যে সমাসে দুই বা ততোধিক পদের প্রত্যেকটি সমান গুরুত্ব পায় এবং তাদের অর্থ বজায় থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।

উদাহরণ:

  • পিতা-মাতা (পিতা ও মাতা)
  • রাম-লক্ষ্মণ (রাম এবং লক্ষ্মণ)
  • হরি-হর (হরি ও হর)

২. তৎপুরুষ সমাস

যে সমাসে পূর্বপদ পরপদকে বিশেষণ বা বিশেষ্য রূপে বোঝায় এবং পরপদ প্রধান থাকে, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। এটি আবার কয়েকটি ভাগে বিভক্ত:

(ক) কারক তৎপুরুষ

যে সমাসে কোনো কারকের বিভক্তি লোপ পায়, তাকে কারক তৎপুরুষ বলে।
উদাহরণ:

  • রাজপুত্র (রাজার পুত্র) → ষষ্ঠী তৎপুরুষ
  • অন্নজল (অন্ন ও জল) → দ্বিতীয়া তৎপুরুষ

(খ) উপপদ তৎপুরুষ

যেখানে প্রথম পদ দ্বিতীয় পদের অর্থ ব্যাখ্যা করে এবং সাধারণত ক্রিয়াপদের সঙ্গে যুক্ত থাকে।
উদাহরণ:

  • সংসারত্যাগী (সংসার ত্যাগ করে যে)
  • জলপান (জল পান করা)

৩. দ্বিগু সমাস

যে সমাসে সংখ্যাসূচক পদ প্রথমে বসে এবং সংখ্যার সাথে সম্পর্কিত কিছু বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
উদাহরণ:

  • ত্রিলোক (তিনটি লোক বা জগৎ)
  • ষোড়শী (ষোলো বছরের কিশোরী)
  • সপ্তর্ষি (সাত ঋষির দল)

৪. বহুব্রীহি সমাস

যে সমাসে সমস্তপদের অর্থ ভিন্ন হয় এবং তা অন্য কিছুকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
উদাহরণ:

  • দশানন (যার দশটি আনন বা মুখ আছে, অর্থাৎ রাবণ)
  • চতুরঙ্গ (যার চারটি অঙ্গ আছে, অর্থাৎ সেনাবাহিনী)
  • নীলকণ্ঠ (যার গলা নীল, অর্থাৎ শিব)

৫. অব্যয়ীভাব সমাস

যে সমাসে প্রথম পদটি অব্যয় এবং তা পরের পদের অর্থ ব্যাখ্যা করে, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
উদাহরণ:

  • অতীতকাল (অতীত সময়)
  • সদাসুখী (যে সদা সুখে থাকে)
  • নিশিদিন (রাত-দিন)

৬. কর্মধারয় সমাস

যে সমাসে প্রথম পদ দ্বিতীয় পদের বিশেষণ বা বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
উদাহরণ:

  • নীলকমল (নীল রঙের কমল)
  • সদগুরু (সৎ গুরু)
  • সুবর্ণমুদ্রা (সোনা নির্মিত মুদ্রা)

উপসংহার

সমাস বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও অর্থবহ করে তোলে। বিভিন্ন প্রকার সমাস বিভিন্ন ধরনের বাক্যগঠনে ব্যবহৃত হয়, যা ভাষাকে সুন্দর ও সহজবোধ্য করে।