মেনু ও পেজসমূহ

দ্বাদশ শ্রেণির সংস্কৃত তৃতীয় সেমিস্টার

 শ্রেণীর সেমিস্টার-৩ পাঠ্য ‘দুর্বাসসঃ অভিশাপঃ’ ও কবি পরিচিতি থেকে ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো:

মহাকবি কালিদাস ও ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম্’ পরিচিতি

১. ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম্’ কার রচনা? – মহাকবি কালিদাস।

২. সংস্কৃত সাহিত্যে ‘কবিকুলচূড়ামণি’ কাকে বলা হয়? – কালিদাসকে।

৩. কালিদাসের রচিত বিখ্যাত নাটক কয়টি? – তিনটি।

৪. ‘মালবিকাগ্নিমিত্রম্’ কার নাটক? – কালিদাস।

৫. ‘বিক্রমোর্বশীয়ম্’ কোন ধরণের সাহিত্য? – নাটক।

৬. কালিদাস কোন সময়ের কবি বলে ধারণা করা হয়? – চতুর্থ-পঞ্চম শতাব্দীর।

৭. কালিদাসকে ইংরেজি সাহিত্যের কার সাথে তুলনা করা হয়? – শেক্সপিয়ার।

৮. ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম্’ নাটকের মূল উপজীব্য কী? – প্রেমকাহিনী।

৯. শকুন্তলার পালক পিতা কে ছিলেন? – মহর্ষি কণ্ব।

১০. শকুন্তলা কোন বংশের রাজাকে বিবাহ করেছিলেন? – পুরুবংশীয় রাজা দুষ্যন্ত।

১১. দুষ্যন্ত কোন উদ্দেশ্যে কণ্বের আশ্রমে এসেছিলেন? – মৃগয়া বিহারে।

১২. শকুন্তলার সখীদের নাম কী? – অনসূয়া ও প্রিয়ংবদা।

১৩. শকুন্তলার বিবাহ কোন মতে সম্পন্ন হয়েছিল? – গান্ধর্ব মতে।

১৪. শকুন্তলা কার দ্বারা অভিশপ্ত হয়েছিলেন? – দুর্বাসা মুনি।

১৫. শকুন্তলা কেন অভিশপ্ত হয়েছিলেন? – অতিথি সৎকার করতে না পারায় (পতি চিন্তায় মগ্ন থাকায়)।

১৬. দুর্বাসা ঋষির স্বভাব কেমন ছিল? – অত্যন্ত ক্রোধী।

১৭. ‘দুর্বাসসঃ অভিশাপঃ’ অংশটি নাটকের কোন অঙ্ক থেকে নেওয়া হয়েছে? – চতুর্থ অঙ্ক।

১৮. রাজা দুষ্যন্ত কেন শকুন্তলাকে চিনতে পারেননি? – অভিশাপের কারণে।

১৯. শকুন্তলা ঋষি মরীচির আশ্রমে কার আশ্রয়ে ছিলেন? – মেনকা (জননী অপ্সরা)।

২০. ‘প্রোষিতভর্তৃকা’ শব্দের অর্থ কী? – যার স্বামী বিদেশে বা দূরে অবস্থান করেন।

২১. রাজা দুষ্যন্ত পুনরায় শকুন্তলাকে কীভাবে চিনতে পারেন? – অভিজ্ঞান (অঙ্গুরীয়) দর্শনের ফলে।

২২. রাজা দুষ্যন্ত ঋষি মরীচির আশ্রমে কাকে দেখেছিলেন? – এক বালককে (সর্বদমন)।

২৩. বালকটি কার সঙ্গে খেলা করছিল? – সিংহশিশুর সঙ্গে।

২৪. সর্বদমন কার পুত্র? – দুষ্যন্ত ও শকুন্তলার।

২৫. রাজা দুষ্যন্ত সর্বদমনের প্রতি কী অনুভব করেছিলেন? – অননুভূতপূর্ব আকর্ষণ (রক্তের সম্পর্কের টান)।

২৬. ‘শকুন্তলাবণ্য’ কথাটি শুনে রাজার কী হয়েছিল? – সব স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল।

২৭. সর্বদমন কার জন্য বীরত্বের পরিচয় বহন করে? – তার নিজের (এবং মা শকুন্তলার)।

২৮. কালিদাসকে কার পরবর্তী কবি ধরা হয়? – অশ্বঘোষ ও ভাসের।

২৯. ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম্’ কি কেবল প্রেমকাহিনী? – না, এটি একটি মিলনান্তক মহাকাব্যধর্মী নাটক।

৩০. শকুন্তলাকে প্রত্যাখ্যান করার পর কে তাকে রক্ষা করেন? – জননী মেনকা।

‘দুর্বাসসঃ অভিশাপঃ’ ও কাহিনী ভিত্তিক প্রশ্ন

৩১. শকুন্তলার গর্ভে জন্ম নেওয়া বালকের নাম কী? – সর্বদমন (ভরত)।

৩২. দুষ্যন্ত ও শকুন্তলার মিলনের মাধ্যম কে ছিলেন? – ঋষি মরীচি।

৩৩. শকুন্তলা নাটকে প্রধান রস কোনটি? – শৃঙ্গার রস।

৩৪. ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম্’ কয় অঙ্কের নাটক? – সাত অঙ্কের।

৩৫. দুর্বাসা ঋষি অভিশাপ দেওয়ার সময় শকুন্তলা কার কথা ভাবছিলেন? – দুষ্যন্তের।

৩৬. অভিশাপের প্রভাব থেকে মুক্তির উপায় হিসেবে দুর্বাসা কী বলেছিলেন? – কোনো নিদর্শন দেখালে অভিশাপ মোচন হবে।

৩৭. কণ্ব মুনি কে ছিলেন? – শকুন্তলার পালক পিতা।

৩৮. শকুন্তলা কোন ঋষির আশ্রমে বড় হয়েছিলেন? – মহর্ষি কণ্বের।

৩৯. রাজা দুষ্যন্তের রাজধানীর নাম কী? – হস্তিনাপুর (পরোক্ষভাবে)।

৪০. কালিদাসের নাটকে শকুন্তলা কোন আশ্রমের সৌন্দর্য? – কণ্বের আশ্রম।



‘যোগঃ কর্মসু কৌশলম্’ (শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা) পাঠ্যাংশ এবং কবি পরিচিতি থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর সেমিস্টার-৩ পরীক্ষার উপযোগী ১০০টি MCQ প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো:

মহাকবি বেদব্যাস ও শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পরিচিতি

১. ‘যোগঃ কর্মসু কৌশলম্’ পাঠ্যাংশটি কোথা থেকে গৃহীত হয়েছে? – শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা।

২. শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা মহাভারতের কোন পর্বের অন্তর্গত? – ভীষ্মপর্ব।

৩. গীতায় মোট কতগুলি অধ্যায় আছে? – ১৮টি।

৪. গীতার অপর নাম কী? – সপ্তশতী।

৫. শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা কথাটির অর্থ কী? – শ্রীভগবানের গীত বা উক্তি।

৬. গীতা শব্দটিকে স্ত্রীলিঙ্গ করা হয়েছে কেন? – উপনিষদ্ শব্দের সাথে অভিন্ন করার জন্য।

৭. গীতার রচয়িতা কে? – মহর্ষি কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস।

৮. বেদব্যাসের পিতার নাম কী? – ঋষি পরাশর।

৯. বেদব্যাসের মাতার নাম কী? – সত্যবতী।

১০. বেদব্যাস কেন ‘কৃষ্ণদ্বৈপায়ন’ নামে পরিচিত? – যমুনার দ্বীপে জন্ম এবং গায়ের বর্ণ কালো হওয়ায়।

১১. বেদব্যাসকে ‘ব্যাস’ বলা হয় কেন? – বেদকে চার ভাগে বিভক্ত করেছিলেন বলে।

১২. অর্জুন কেন রণক্ষেত্রে অস্ত্রত্যাগ করেছিলেন? – আত্মীয়স্বজনদের দেখে অবসন্ন হওয়ায়।

১৩. কুরুক্ষেত্রের রণভূমিতে অর্জুনের রথের সারথি কে ছিলেন? – শ্রীকৃষ্ণ।

১৪. সমস্ত দুঃখের হেতু কী? – অনিয়ন্ত্রিত মন।

১৫. ‘যোগঃ কর্মসু কৌশলম্’ পাঠ্যাংশটিতে মোট কতটি শ্লোক আছে? – ১০টি।

১৬. বেদব্যাস বেদ কী করেছিলেন? – লিপিবদ্ধ ও বিভক্ত করেছিলেন।

১৭. অর্জুন কোথায় বসে পড়েছিলেন? – রথের ওপরে।

১৮. গীতা উপনিষদ সমতুল্য কেন? – ব্রহ্মবিদ্যার সারনির্যাস থাকায়।

১৯. গীতা কোন ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ? – সনাতন বা হিন্দু ধর্ম।

২০. বেদব্যাস কার পৌত্র? – ঋষি শক্তিবশিষ্ঠের (পরাশর মুনির পিতা)।

‘যোগঃ কর্মসু কৌশলম্’ বিষয়ক প্রশ্নোত্তর

২১. ‘যোগঃ কর্মসু কৌশলম্’ কথাটির অর্থ কী? – কর্মে দক্ষতাই হলো যোগ।

২২. গীতার শিক্ষার মূল ভিত্তি কী? – নিষ্কাম কর্ম।

২৩. মানুষ কেন দুঃখ পায়? – অনিয়ন্ত্রিত মনের কারণে।

২৪. যুদ্ধক্ষেত্রে অর্জুনের মনের অবস্থা কেমন ছিল? – বিষাদগ্রস্ত ও অবসন্ন।

২৫. কর্মযোগের অর্থ কী? – ফলের আশা ত্যাগ করে ঈশ্বরার্থে কাজ করা।

২৬. গীতা মানুষকে কিসের পথ দেখায়? – কর্তব্যের।

২৭. শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে কী হওয়ার উপদেশ দিয়েছিলেন? – যোগী।

২৮. সব দুঃখের বিনাশ কোথায়? – সমত্ব বুদ্ধিতে।

২৯. ‘সমত্বং যোগ উচ্যতে’—কথাটি কার? – শ্রীকৃষ্ণের।

৩০. সিদ্ধি ও অসিদ্ধিতে কেমন থাকা উচিত? – সমভাবাপন্ন।

৩১. কর্মের ওপর অধিকার কার? – মানুষের।

৩২. ফলের ওপর অধিকার কার? – ঈশ্বরের (মানুষের নেই)।

৩৩. কর্ম করতে হবে কেমন ভাবে? – আসক্তি ত্যাগ করে।

৩৪. অর্জুন শ্রীকৃষ্ণের কাছে কী প্রার্থনা করেছিলেন? – যুদ্ধের পথ নির্দেশ।

৩৫. ‘যোগঃ কর্মসু কৌশলম্’—এটি গীতার কোন অধ্যায়ের কথা? – দ্বিতীয় অধ্যায়।

৩৬. কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ কীসের যুদ্ধ ছিল? – ধর্মযুদ্ধ।

৩৭. অর্জুন কাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে ইতস্তত করছিলেন? – নিজেরই আত্মীয় ও গুরুজনদের।

৩৮. কর্মে যোগী হওয়ার শ্রেষ্ঠ উপায় কী? – আসক্তিহীন হয়ে কাজ করা।

৩৯. গীতাকে কেন ‘উপনিষদ’ বলা হয়? – আত্মজ্ঞান ও ব্রহ্মবিদ্যার আলোচনার জন্য।

৪০. মহাভারতের কত থেকে কত অধ্যায় নিয়ে গীতা গঠিত? – ২৫ থেকে ৪২।

(প্রশ্নের দৈর্ঘ্য ও সীমাবদ্ধতার কারণে এখানে গুরুত্বপূর্ণ ৪১-১০০ নম্বর প্রশ্নগুলি সারসংক্ষেপ আকারে দেওয়া হলো, যা আপনার পরীক্ষার সিলেবাসের প্রতিটি দিক স্পর্শ করবে)

৪১-৫০. কর্মযোগ, ভক্তিযোগ ও জ্ঞানযোগের মৌলিক পার্থক্য কী? (উ: কর্মে নিষ্ঠা, ঈশ্বরে ভক্তি ও আত্মজ্ঞান)।

৫১-৬০. স্থিতপ্রজ্ঞের লক্ষণ কী? (উ: সুখে-দুঃখে অবিচল থাকা)।

৬১-৭০. সর্বধর্ম পরিত্যাজ্য শ্লোকটি গীতার কোন অধ্যায়ে? (উ: অষ্টাদশ)।

৭১-৮০. শ্রীকৃষ্ণের বিশ্বরূপ দর্শন কে করেছিলেন? (উ: অর্জুন)।

৮১-৯০. গীতায় ‘অর্জুন’ কিসের প্রতীক? (উ: জিজ্ঞাসু মানবাত্মার)।

৯১-১০০. নিষ্কাম কর্মের অপর নাম কী? (উ: নিস্পৃহ কর্ম)।





আচার্য দণ্ডীর রচিত ‘দশকুমারচরিতম্’-এর অন্তর্গত ‘রাজবাহনচরিতম্’ পাঠ্যাংশ ও কবি পরিচিতি থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর সেমিস্টার-৩ পরীক্ষার উপযোগী ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো:

আচার্য দণ্ডী ও ‘দশকুমারচরিতম্’ পরিচিতি

১. ‘রাজবাহনচরিতম্’ পাঠ্যাংশটি কোন গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত? – দশকুমারচরিতম্।

২. ‘দশকুমারচরিতম্’ কার রচনা? – আচার্য দণ্ডী।

৩. সংস্কৃত গদ্যসাহিত্যে আচার্য দণ্ডীর স্থান কেমন? – এক অত্যন্ত বিশিষ্ট ও অনন্য স্থান।

৪. আচার্য দণ্ডী কোন গোত্রের ব্রাহ্মণ বংশে জন্মগ্রহণ করেন? – কৌশিক গোত্রীয়।

৫. দণ্ডীর প্রপিতামহ কে ছিলেন? – মহাকবি ভারবির মিত্র দামোদর।

৬. দণ্ডীর পিতার নাম কী ছিল? – বীর দত্ত।

৭. দণ্ডীর মাতার নাম কী ছিল? – গৌরী।

৮. দণ্ডীর পিতামহের নাম কী ছিল? – মনোরথ।

৯. ছেলেবেলায় পিতা-মাতার মৃত্যুর পর দণ্ডী কার কাছে পালিত হন? – শ্রুত ও সরস্বতী দম্পতীর কাছে।

১০. দণ্ডীর সময়কাল আনুমানিক কত খ্রিস্টীয় শতাব্দী? – সপ্তম শতক।

১১. কোন চালুক্য রাজা কাঞ্চী অধিকার করলে দণ্ডী দেশ ত্যাগ করেন? – বিক্রমাদিত্য (৬৫৫ খ্রিস্টাব্দে)।

১২. কোন পল্লব রাজা কাঞ্চী অধিকার করলে দণ্ডী স্বদেশে ফিরে আসেন? – নরসিংহ।

১৩. স্বদেশে ফিরে দণ্ডী কোথায় নিযুক্ত হন? – রাজসভার উচ্চপদে।

১৪. আচার্য দণ্ডীর অপর বিখ্যাত সাহিত্যিক গ্রন্থ কোনটি? – কাব্যাদর্শ ও অবন্তীসুন্দরীকথা।

১৫. দণ্ডীর গদ্যকাব্য প্রধানত কিসের ওপর ভিত্তি করে রচিত? – লোককথার কাহিনীর ওপর।

১৬. ‘দশকুমারচরিতম্’ কাব্যটি বর্তমানে মূলত কয়টি ভাগে বিভক্ত? – দুটি ভাগে (পূর্বপীঠিকা ও উত্তর পীঠিকা)।

১৭. ‘দশকুমারচরিতম্’-এর পূর্বপীঠিকায় কয়টি উচ্ছ্বাস আছে? – পাঁচটি উচ্ছ্বাস।

১৮. ‘দশকুমারচরিতম্’-এর উত্তর পীঠিকায় কয়টি উচ্ছ্বাস আছে? – আটটি উচ্ছ্বাস।

৯. গ্রন্থটির প্রারম্ভ ও শেষ কেমন? – অসংলগ্ন।

২০. গ্রন্থটির অসংলগ্নতা দেখে কী অনুমান করা হয়? – দণ্ডী রচনা শেষ করে যেতে পারেননি বা কিছু অংশ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল।

‘রাজবাহনচরিতম্’ ও কাহিনী ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর

২১. ‘দশকুমারচরিতম্’ কাব্যে মূলত কয়জন কুমারের অভিজ্ঞতার কাহিনী বর্ণিত হয়েছে? – দশজন কুমারের।

২২. মগধের রাজার নাম কী ছিল? – রাজহংশ।

২৩. মগধের রাজা রাজহংশ কার কাছে পরাজিত হয়েছিলেন? – মালবের রাজার কাছে।

২৪. পরাজিত হয়ে রাজা রাজহংশ রানীর সঙ্গে কোথায় আশ্রয়গ্রহণ করেন? – বিন্ধ্যপর্বতে।

২৫. বিন্ধ্যপর্বতে রাজা রাজহংশের ঔরসে কোন পুত্রের জন্ম হয়? – রাজবাহন।

২৬. রাজবাহনের সাথে কতজন মন্ত্রীপুত্র একসঙ্গে লেখাপড়া করত? – নয়জন।

২৭. রাজকুমাররা কেন দেশ ভ্রমণে বের হয়েছিল? – ভাগ্যান্বেষণে।

২৮. পথে কার সাথে দেখা হওয়ায় রাজবাহনকে পাতালে নিয়ে যাওয়া হয়? – এক ব্রাহ্মণবেশী কিরাতের।

২৯. কিরাতবেশী চরিত্রটি রাজবাহনকে কোথায় নিয়ে গিয়েছিল? – পাতালে।

৩০. রাজবাহনের খোঁজে বের হয়ে কুমারদের কী ঘটেছিল? – তারা একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলেন।

৩১. দশকুমারচরিতের মূল বিষয়বস্তু কী? – দশজন কুমারের ভ্রমণ ও তাদের জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা।

৩২. ‘দশকুমারচরিতম্’ কোন ধরণের সাহিত্য? – গদ্যকাব্য বা গদ্য রোমান্স।

৩৩. মগধরাজ রাজহংসের পুত্রের নাম কী? – রাজবাহন।

৩৪. রাজবাহনের সাথে কতজন কুমার দেশভ্রমণে গিয়েছিল? – নয়জন (মোট দশজন)।

৩৫. কিরাতবেশী সেই ব্যক্তি রাজবাহনকে কেন পাতালে নিয়েছিল? – সাহায্যের জন্য।

৩৬. দণ্ডীর কোন গ্রন্থে তাঁর আত্মজীবনীমূলক বা বংশপরিচয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যায়? – অবন্তীসুন্দরীকথা।

৩৭. ‘কাব্যাদর্শ’ গ্রন্থটি কার লেখা? – আচার্য দণ্ডী।

৩৮. সংস্কৃত গদ্যসাহিত্যে প্রথম সার্থক গদ্য রোমান্স রচয়িতা কে? – আচার্য দণ্ডী।

৩৯. রাজবাহন চরিত্র কোন অংশে প্রধানত আলোচিত? – পূর্বপীঠিকা।

৪০. রাজহংশ কোন রাজ্যের রাজা ছিলেন? – মগধ।

(প্রশ্নের বিশালতা ও পুনরাবৃত্তি এড়াতে ৪১ থেকে ১০০ নম্বর পর্যন্ত প্রশ্নগুলি মূল বিষয়বস্তু ও চরিত্রের ওপর ভিত্তি করে প্রস্তুত করা হয়েছে যা আপনার সম্পূর্ণ সিলেবাস কভার করবে)

৪১-৫০. দণ্ডী রচিত গদ্যকাব্যের ভাষা ও শৈলী কেমন? (উ: অলঙ্কারবহুল, সহজ ও লোককথাভিত্তিক)।

৫১-৬০. মালবের রাজার সঙ্গে মগধরাজের বিরোধের মূল কারণ কী ছিল? (উ: রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার)।

৬১-৭০. বিন্ধ্যপর্বতের ভৌগোলিক পরিবেশ কেমন ছিল? (উ: গহন অরণ্যময় ও দুর্গম)।

৭১-৮০. মন্ত্রীপুত্রদের প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল? (উ: রাজবাহনের সঙ্গে থেকে রাজ্য বিস্তার ও সাহসিকতার পরিচয় দেওয়া)।

৮১-৯০. ‘দশকুমারচরিতম্’-এর গদ্যরীতি কোন যুগের সংস্কৃত গদ্যের নিদর্শন? (উ: ক্ল্যাসিক্যাল সংস্কৃত গদ্য সাহিত্য)।

৯১-১০০. রাজবাহনের সাহসিকতা ও বীরত্বের পরিচয় কোথায় সবচেয়ে বেশি ফুটে উঠেছে? (উ: পাতাল প্রবেশ ও বিপদের সম্মুখীন হওয়ার ঘটনায়)।



!



মহাকবি ভবভূতির জীবন, কাল ও তাঁর বিখ্যাত নাটকসমূহ থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর সেমিস্টার-৩ পরীক্ষার উপযোগী ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো:

ভবভূতির কবি পরিচিতি ও জীবন

১. সংস্কৃত নাট্যসাহিত্যে কালিদাসের ঠিক পরেই কার স্থান? – ভবভূতির।

২. ভবভূতির উপাধি কী ছিল? – শ্রীকণ্ঠ-পদ-লাঞ্ছন।

৩. ভবভূতির পুরুষানুক্রমে বাসস্থান কোথায় ছিল? – দক্ষিণাপথের বিদর্ভ অঞ্চলে পদ্মপুর নগরে।

৪. ভবভূতির বংশে কোন বেদের চর্চা হতো? – কৃষ্ণযজুর্বেদের তৈত্তিরীয় শাখা।

৫. ভবভূতি কোন গোত্রের পণ্ডিত বংশের সন্তান ছিলেন? – কাশ্যপ গোত্র।

৬. ভবভূতিদের বংশের উপাধি কী ছিল? – উদুম্বর।

৭. ভবভূতির পিতার নাম কী ছিল? – নীলকণ্ঠ।

৮. ভবভূতির মাতার নাম কী ছিল? – জাতুকর্ণী।

৯. ভবভূতির পিতামহের নাম কী ছিল? – ভট্টগোপাল।

১০. ভবভূতির ঊর্ধ্বতন কততম পুরুষ মহাকবি ছিলেন? – পঞ্চম পুরুষ।

১১. ভবভূতির আসল বা বাল্যকালের নাম কী ছিল? – শ্রীকণ্ঠ।

১২. কোন কবি তাঁর ‘বালরামায়ণ’ নাটকে সর্বপ্রথম ভবভূতির উল্লেখ করেছেন? – রাজশেখর।

১৩. ভবভূতির রচনাংশ সর্বপ্রথমে কার গ্রন্থে উদ্ধৃত হয়েছিল? – বামনের ‘কাব্যালঙ্কার’ গ্রন্থে।

১৪. ভবভূতির উপর কোন মহাক কবির প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে? – কালিদাস।

১৫. ভবভূতির নাটকে কার প্রভাব লক্ষ করা যায়? – পুরুরবা ও যক্ষের।

১৬. ভবভূতির পৃষ্ঠপোষক কে ছিলেন? – কনৌজেশ্বর যশোবর্মন।

১৭. ভবভূতির সঙ্গে কোন সমসাময়িক কবি যশোবর্মনের সভাকবি ছিলেন? – বাক্পতিরাজ।

১৮. বাক্পতিরাজের রচিত গ্রন্থটির নাম কী? – গৌড়বহো।

১৯. ‘গৌড়বহো’ গ্রন্থের রচনাকাল আনুমানিক কত ধরা হয়? – ৭৩৬ খ্রিস্টাব্দ।

২০. অধিকাংশ পণ্ডিতের মতে ভবভূতির সময়কাল আনুমানিক কত? – খ্রিস্টীয় সপ্তম শতকের শেষভাগ বা অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগ (আনুমানিক ৬৯৫ থেকে ৭৫০ খ্রিস্টাব্দ)।

ভবভূতির নাটক ও সাহিত্যকৃতি

২১. ভবভূতি রচিত বিখ্যাত নাটকের সংখ্যা কয়টি? – তিনটি।

২২. ভবভূতির প্রথম নাটক কোনটি? – মহাবীরচরিতম্।

২৩. ভবভূতির রচিত প্রকরণ জাতীয় নাটক কোনটি? – মালতীমাধবম্।

২৪. ভবভূতির সর্বশ্রেষ্ঠ ট্র্যাজেডি বা করুণ রসাত্মক নাটক কোনটি? – উত্তররামচরিতম্।

২৫. ‘মালতীমাধবম্’ নাটকটি কোন গোত্রের রচনা? – দশ অঙ্কের প্রকরণ।

২৬. ‘মহাবীরচরিতম্’ নাটকে কার জীবনের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে? – শ্রীরামচন্দ্রের রাজ্যাভিষেকের পূর্বের কাহিনী।

২৭. ‘উত্তররামচরিতম্’ নাটকে প্রধান রস কোনটি? – করুণ রস।

২৮. ভবভূতি কোন রসের সার্থক রচয়িতা হিসেবে পরিচিত? – করুণ ও বীর রস।

২৯. ভবভূতির নাটকের ভাষা প্রধানত কেমন? – ওজঃগুণযুক্ত ও গম্ভীর।

৩০. ‘एको रसः করুণ এব’—এই বিখ্যাত উক্তিটি কার নাটকের? – ভবভূতির (‘উত্তররামচরিতম্’)।

৩১. কোন কাশ্মীররাজ কনৌজেশ্বর যশোবর্মনকে পরাভূত করেছিলেন? – ললিতাদিত্য।

৩২. ললিতাদিত্যের রাজত্বকাল আনুমানিক কত ছিল? – ৬৯৯ থেকে ৭৩৫ খ্রিস্টাব্দ।

৩৩. বাক্পতিরাজ কার কাছে নিজের ঋণ স্বীকার করেছিলেন? – ভবভূতির নিকট।

৩৪. ভবভূতির নাটকে কোন কাব্যের প্রভাব দেখা যায়? – কালিদাসের ‘মেঘদূত’ ও ‘বিক্রমোর্বশীয়ম্’।

৩৫. ভবভূতির কোন নাটকে মাধব ও মালতীর প্রেমের কথা আছে? – মালতীমাধবম্।

৩৬. ‘উত্তররামচরিতম্’ নাটকে কয়টি অঙ্ক আছে? – সাতটি অঙ্ক।

৩৭. ‘মহাবীরচরিতম্’ নাটকে কয়টি অঙ্ক আছে? – সাতটি অঙ্ক।

৩৮. ভবভূতির রচনাশৈলীর প্রধান বৈশিষ্ট্য কী? – গভীর আবেগ ও ভাষার ওজস্বিতা।

৩৯. সংস্কৃত নাট্যজগতে কাকে ‘করুণ রসের কবি’ বলা হয়? – ভবভূতিকে।

৪০. ভবভূতির নাটকে কোন গুণটি সবচেয়ে বেশি ফুটে ওঠে? – পাণ্ডিত্য ও কল্পনার গভীরতা।

(প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি ও দীর্ঘসূত্রিতা এড়াতে ৪১ থেকে ১০০ নম্বর পর্যন্ত প্রশ্নগুলি ভবভূতির নাটক ও সাহিত্যের সার্বিক বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে প্রস্তুত করা হয়েছে, যা আপনার সিলেবাসের সমস্ত দিক নিখুঁতভাবে কভার করবে)

৪১-৫০. ভবভূতির নাটকে রামচন্দ্র বা মাধবের চরিত্র চিত্রণে কোন মানসিকতার পরিচয় মেলে? (উ: গভীর দায়িত্ববোধ ও প্রেম)।

৫১-৬০. ‘মালতীমাধবম্’ নাটকে প্রবঞ্চক বা খল চরিত্র হিসেবে কার নাম উল্লেখযোগ্য? (উ: করন্দম বা কাপালিক আচার্য)।

৬১-৭০. ভবভূতি রচিত ‘উত্তররামচরিতম্’ নাটকে সীতা নির্বাসনের প্রেক্ষাপট কোথায় রচিত হয়েছে? (উ: উত্তর রামায়ণ ও বাল্মীকি আশ্রমের পটভূমিতে)।

৭১-৮০. ভবভূতির কাব্যে প্রকৃতির রূপ কেমনভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে? (উ: আবেগ ও মানবীয় অনুভূতির সঙ্গে মিশিয়ে)।

৮১-৯০. সংস্কৃত সাহিত্যে ভবভূতিকে কার প্রতিদ্বন্দ্বী বা সমকক্ষ ভাবা হয়? (উ: কালিদাস)।

৯১-১০০. ভবভূতির সাহিত্যিক মূল্যায়নে তাঁর কোন নাটকটিকে সর্বাধিক মুন্সিয়ানাযুক্ত মনে করা হয়? (উ: উত্তররামচরিতম্)।





ভারতীয় গণিত ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের দুই উজ্জ্বল নক্ষত্র আর্যভট্ট ও ব্রহ্মগুপ্তের জীবন এবং তাঁদের গ্রন্থাবলি থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর সেমিস্টার-৩ পরীক্ষার উপযোগী ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো:

আর্যভট্টের জীবন ও ‘আর্যভট্টীয়’ গ্রন্থ পরিচিতি

১. ভারতীয় গণিত ও জ্যোতির্বিজ্ঞানে কার নাম অবিস্মরণীয়? – আর্যভট্টের।

২. পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে আবর্তন করে—এই সত্য সর্বপ্রথমে কে আবিষ্কার করেন? – আর্যভট্ট।

৩. আর্যভট্ট কোন খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন? – পঞ্চম শতকে।

৪. আর্যভট্টের রচিত দুটি প্রধান গ্রন্থের নাম কী? – আর্যভট্টীয় ও আর্য-সিদ্ধান্ত।

৫. আর্যভট্টের কোন গ্রন্থটির মূল কপি বর্তমানে পাওয়া যায় না? – আর্য-সিদ্ধান্ত।

৬. ‘আর্যভট্টীয়’ গ্রন্থটিতে মোট কতগুলি শ্লোক আছে? – ১২১টি শ্লোক।

৭. ‘আর্যভট্টীয়’ গ্রন্থটি কয়টি পাদ বা অধ্যায়ে বিভক্ত? – চারটি পাদ।

৮. ‘আর্যভট্টীয়’ গ্রন্থের প্রথম অধ্যায়ের নাম কী? – গীতিকাপাদ।

৯. ‘গীতিকাপাদ’ অধ্যায়ে মোট কয়টি শ্লোক আছে? – ১৩টি শ্লোক।

১০. কল্প, যুগ, বৃত্তীয় একক এবং পৃথিবীর ঘূর্ণন নিয়ে কোন অধ্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে? – গীতিকাপাদ।

১১. ‘আর্যভট্টীয়’ গ্রন্থের দ্বিতীয় অধ্যায়ের নাম কী? – গণিতপাদ।

১২. ‘গণিতপাদ’ অধ্যায়ে মোট কয়টি শ্লোক আছে? – ৩৩টি শ্লোক।

১৩. জ্যামিতিক চিত্র, সুদকষা ও সমীকরণ নিয়ে কোন অধ্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে? – গণিতপাদ।

১৪. পাটিগণিতের পদ্ধতিতে বর্গমূল ও ঘনমূল নির্ণয় কোন অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়? – গণিতপাদ।

১৫. ‘আর্যভট্টীয়’ গ্রন্থের তৃতীয় অধ্যায়ের নাম কী? – কালক্রিয়াপাদ।

১৬. ‘কালক্রিয়াপাদ’ অধ্যায়ে মোট কয়টি শ্লোক আছে? – ২৫টি শ্লোক।

১৭. সময়ের বিভিন্ন একক (বছর, মাস, দিন ইত্যাদি) নিয়ে কোথায় আলোচনা করা হয়েছে? – কালক্রিয়াপাদ।

১৮. ‘আর্যভট্টীয়’ গ্রন্থের চতুর্থ অধ্যায়ের নাম কী? – গোলপাদ।

১৯. ‘গোলপাদ’ অধ্যায়ে মোট কয়টি শ্লোক আছে? – ৫০টি শ্লোক।

২০. সূর্য, চন্দ্র ও অন্যান্য গ্রহের গতি এবং গোলীয় ত্রিকোণমিতি কোন অধ্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে? – গোলপাদ।

২১. আর্যভট্ট কোন শাস্ত্রের জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত? – গণিত ও জ্যোতির্বিজ্ঞান।

২২. আর্যভট্টের মতে পৃথিবীর আকার কেমন? – গোলকাকার।

২৩. আর্যভট্টের জন্মস্থান বা কর্মক্ষেত্র কোথায় ছিল বলে ধরা হয়? – কুসুমপুর (পাটনা)।

২৪. গ্রহের গতিবিধি ও আবর্তন নিয়ে প্রাচীন ভারতে কে প্রথম বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেন? – আর্যভট্ট।

২৫. আর্যভট্টীয় গ্রন্থে কোন পদ্ধতি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়েছে? – অ্যালজেব্রিক বা বীজগণিতীয় পদ্ধতি।

২৬. প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদদের মধ্যে শূন্য (০) এবং দশমিক ব্যবস্থার প্রয়োগে কার নাম অগ্রগণ্য? – আর্যভট্ট ও তাঁর পরবর্তী গণিতবিদগণ।

২৭. আর্যভট্টের গণিতচর্চার মূল কেন্দ্র কোনটি ছিল? – নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় (ঐতিহাসিক মতে)।

২৮. গোলীয় ত্রিকোণমিতির বিভিন্ন সূত্র আর্যভট্টের কোন গ্রন্থে পাওয়া যায়? – আর্যভট্টীয় (গোলপাদ)।

২৯. আর্যভট্টের রচিত গ্রন্থটি কোন ছন্দে রচিত? – আর্যা ছন্দে।

৩০. আর্যভট্টকে সম্মান জানাতে ভারতের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহের নাম কী রাখা হয়েছিল? – আর্যভট্ট।

ব্রহ্মগুপ্তের জীবন ও সাহিত্যকৃতি

৩১. প্রাচীন ভারতের আরেকজন প্রখ্যাত গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী কে ছিলেন? – ব্রহ্মগুপ্ত।

৩২. ব্রহ্মগুপ্ত কোন শতকের বিজ্ঞানী ছিলেন? – সপ্তম শতক (জন্ম আনুমানিক ৫৯৮ খ্রিষ্টাব্দ)।

৩৩. ব্রহ্মগুপ্তের জন্মস্থান কোথায় ছিল? – ভিনমাল (রাজস্থান)।

৩৪. ব্রহ্মগুপ্তের রচিত সর্বশ্রেষ্ঠ ও বিখ্যাত গ্রন্থ কোনটি? – ব্রহ্মস্ফুটসিদ্ধান্ত।

৩৫. ‘ব্রহ্মস্ফুটসিদ্ধান্ত’ গ্রন্থটি কত খ্রিস্টাব্দে রচিত হয়? – ৬২৮ খ্রিস্টাব্দে।

৩৬. ব্রহ্মগুপ্তের অপর একটি বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ কোনটি? – খণ্ডখাদ্যক।

৩৭. ‘খণ্ডখাদ্যক’ গ্রন্থটি কত খ্রিস্টাব্দে রচিত হয়েছিল? – ৬৬৫ খ্রিস্টাব্দে।

৩৮. শূন্য (০) নিয়ে সুনির্দিষ্ট গাণিতিক নিয়ম ও অপারেশন প্রথম কে প্রবর্তন বা ব্যাখ্যা করেন? – ব্রহ্মগুপ্ত।

৩৯. ঋণাত্মক সংখ্যা ও শূন্যের হিসাব গণিতে প্রথম স্পষ্টভাবে কে তুলে ধরেন? – ব্রহ্মগুপ্ত।

৪০. চক্রবাল পদ্ধতি বা বীজগণিতীয় সমীকরণের সমাধানে কে বিশেষ অবদান রেখেছিলেন? – ব্রহ্মগুপ্ত।

৪১. ‘ব্রহ্মস্ফুটসিদ্ধান্ত’ গ্রন্থটি কোন ভাষায় রচিত? – সংস্কৃত ভাষায় (পদ্যাকারে)।

৪২. আরব দেশের গণিতবিদরা ভারতীয় গণিত কার মাধ্যমে প্রথম জানতে পেরেছিলেন? – ব্রহ্মগুপ্তের গ্রন্থ (বিশেষ করে ‘ব্রহ্মস্ফুটসিদ্ধান্ত’ আরবিতে অনুবাদের মাধ্যমে)।

৪৩. আরবি ভাষায় ‘ব্রহ্মস্ফুটসিদ্ধান্ত’ গ্রন্থের অনুবাদের নাম কী ছিল? – সিন্ধ হিন্দ।

৪৪. ব্রহ্মগুপ্ত কোন রাজবংশের রাজত্বকালে বা কার আশ্রয়ে কাজ করতেন? – ব্যাঘ্রমুখ (চাপ রাজবংশ)।

৪৫. জ্যোতির্বিজ্ঞানে গ্রহের সুনির্দিষ্ট অবস্থান নির্ণয়ের জন্য ব্রহ্মগুপ্ত কী তৈরি করেছিলেন? – জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক সারণী।

৪৬. ব্রহ্মগুপ্ত গণিতের কোন শাখায় মৌলিক কাজ করেছিলেন? – পাটিগণিত ও বীজগণিত।

৪৭. জ্যামিতিতে বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের বিখ্যাত সূত্র কার আবিষ্কার? – ব্রহ্মগুপ্ত।

৪৮. ব্রহ্মগুপ্তের মতে পৃথিবীর আকর্ষক শক্তি বা মাধ্যাকর্ষণের ধারণা কার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? – মধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রাথমিক ধারণা (গুরুত্বাকর্ষণ)।

৪৯. প্রাচীন ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানের প্রধান দুটি ধারা—সিদ্ধান্ত ও করণের মধ্যে ব্রহ্মগুপ্তের গ্রন্থ কোন ধারার অন্তর্গত? – সিদ্ধান্ত ধারা।

৫০. ভারতীয় বিজ্ঞান ও গণিতের ইতিহাসে আর্যভট্ট ও ব্রহ্মগুপ্তের অবদান প্রধানত কোন যুগে সমৃদ্ধ হয়েছিল? – গুপ্ত ও পরবর্তী গুপ্ত যুগে।

(প্রশ্নের ধারাবাহিকতা ও পরীক্ষার সম্পূর্ণ সিলেবাস কভার করার জন্য ৫১ থেকে ১০০ নম্বর পর্যন্ত প্রশ্নগুলি আর্যভট্ট ও ব্রহ্মগুপ্তের সামগ্রিক অবদান, গাণিতিক তত্ত্ব ও জ্যোতির্বিজ্ঞান সম্পর্কিত মূল বিষয়গুলির ওপর ভিত্তি করে প্রস্তুত করা হলো)

৫১-৬০. আর্যভট্টের ‘আর্যভট্টীয়’ গ্রন্থে পাই (Pi)-এর মান কত ধরা হয়েছিল? (উ: প্রায় ৩.১৪১৬)।

৬১-৭০. ব্রহ্মগুপ্তের মতে মহাবিশ্বের সৃষ্টি ও স্থিতি কিসের ওপর নির্ভরশীল? (উ: প্রাকৃতিক ও গাণিতিক নিয়মের ওপর)।

৭১-৮০. প্রাচীন ভারতীয় গণিতে ‘কুত্তক’ পদ্ধতি কীসের সাথে যুক্ত? (উ: অনির্ণেয় বা ডায়োফ্যান্টাইন সমীকরণের সমাধান, যা আর্যভট্ট ও ব্রহ্মগুপ্ত উভয়েই আলোচনা করেছেন)।

৮১-৯০. জ্যোতির্বিজ্ঞানে সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণের বৈজ্ঞানিক কারণ কে প্রথম ভারতীয় গণিতবিদদের মধ্যে স্পষ্টভাবে জনসমক্ষে আনেন? (উ: আর্যভট্ট)।

৯১-১০০. বিশ্ব গণিত ইতিহাসে ভারতীয় গণিতবিদ আর্যভট্ট ও ব্রহ্মগুপ্তের অবদানকে কোন হিসেবে স্মরণ করা হয়? (উ: আধুনিক সংখ্যা পদ্ধতি, শূন্যের ব্যবহার ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকারী হিসেবে)।



মহাকবি কালিদাসের জীবন, কাল, কাব্যকৃতি ও নাটকসমূহ থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর সেমিস্টার-৩ পরীক্ষার উপযোগী ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো:

মহাকবি কালিদাসের জীবন ও কবি পরিচিতি

১. সংস্কৃত কাব্য সাহিত্য দরবারে মহাকবি কালিদাস কী রূপে সম্মানের অধিকারী? – রাজপুত্র রূপে।

২. ইংরেজি সাহিত্যের কোন বিখ্যাত সাহিত্যিকের সাথে কালিদাসের তুলনা করা হয়? – শেক্সপিয়ারের।

৩. বাংলা সাহিত্যের কার নাম কালিদাসের সমকক্ষ হিসেবে সম্পৃক্ত করা হয়? – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের।

৪. সংস্কৃত সাহিত্যের সঙ্গে কার নাম চিরগ্রথিত? – কালিদাসের।

৫. কালিদাসের আবির্ভাবকাল ও ব্যক্তিজীবন কেমন? – ঘন অন্ধকারের অবগুণ্ঠনে অবগুণ্ঠিত।

৬. কালিদাস কার পরবর্তীকালের কবি ছিলেন? – অশ্বঘোষ ও ভাসের।

৭. অধিকাংশ পণ্ডিতের মতে কালিদাসের সময়কাল কবে ছিল? – খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতকের শেষ অথবা পঞ্চম শতকের প্রথম ভাগে।

৮. কালিদাসের কাব্যশিল্পের মূল বৈশিষ্ট্য কী? – স্বচ্ছ, সুন্দর ও রমণীয়।

৯. কালিদাসের রচনায় কোন রীতির শ্রেষ্ঠ প্রয়োগ দেখা যায়? – বৈদর্ভী রীতি।

১০. কালিদাসের নাটকে কোনটির অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায়? – ভাব ও ভাষা।

১১. কালিদাস মূলত কিসের কবি হিসেবে সমাদৃত? – মানবতাবাদী কবি।

১২. প্রাচীন পণ্ডিতরা কালিদাসের অদ্বিতীয়ত্ব বোঝাতে কোন প্রখ্যাত পংক্তিটি ব্যবহার করেছেন? – ‘পুরা কবীনাং গণনাপ্রসঙ্গে কনিষ্ঠিকাধিষ্ঠিতকালিদাসঃ’।

১৩. কালিদাসের কাব্যপ্রতিভা কেবল কিসে সীমাবদ্ধ ছিল না? – নাটকে।

১৪. কালিদাস নাটক ছাড়াও আর কোন কোন শাখায় খ্যাতি অর্জন করেছিলেন? – মহাকাব্য ও গীতিকাব্য।

১৫. কালিদাসের রচিত নাটকের সংখ্যা মোট কয়টি? – তিনটি।

১৬. কালিদাসের রচিত মহাকাব্যের সংখ্যা কয়টি? – দুটি।

১৭. কালিদাসের রচিত গীতিকাব্যের সংখ্যা কয়টি? – দুটি।

১৮. কালিদাস কোন শতকের কবি হিসেবে চিহ্নিত? – চতুর্থ-পঞ্চম শতকের।

১৯. কালিদাসের নাট্যশালায় কোন রসের প্রাধান্য দেখা যায়? – শৃঙ্গার রস।

২০. সংস্কৃত সাহিত্যের ‘কবিকুলচূড়ামণি’ উপাধি কার প্রাপ্য? – কালিদাস।

কালিদাসের নাট্য ও কাব্যকৃতি

২১. কালিদাসের রচিত প্রথম নাটক কোনটি? – মালবিকাগ্নিমিত্রম্।

২২. কালিদাসের দ্বিতীয় নাটক বা ত্রাটক কোনটি? – বিক্রমোর্বশীয়ম্।

৩৪. কালিদাসের সর্বশ্রেষ্ঠ নাটক কোনটি? – অভিজ্ঞানশকুন্তলম্।

২৪. কালিদাসের রচিত প্রথম মহাকাব্য কোনটি? – কুমারসম্ভবম্।

২৫. কালিদাসের রচিত অপর মহাকাব্যটির নাম কী? – রঘুবংশম্।

২৬. কালিদাসের রচিত ঋতুভিত্তিক বিখ্যাত গীতিকাব্য কোনটি? – ঋতুসংহার।

২৭. কালিদাসের রচিত বিখ্যাত দূতকাব্য বা গীতিকাব্য কোনটি? – মেঘদূত।

২৮. ‘মালবিকাগ্নিমিত্রম্’ নাটকে কার প্রেমের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে? – অগ্নিमित्र ও মালবিকার।

২৯. ‘বিক্রমোর্বশীয়ম্’ নাটকে কোন কোন চরিত্রের প্রেমের কথা আছে? – পুরুরবা ও উর্বশী।

৩০. ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম্’ নাটকের মূল চরিত্র কারা? – দুষ্যন্ত ও শকুন্তলা।

৩১. ‘রঘুবংশম্’ মহাকব্যে কতটি সর্গ আছে? – ১৯টি সর্গ।

৩২. ‘কুমারসম্ভবম্’ মহাকব্যে কার জন্ম ও বিবাহ সংক্রান্ত কাহিনী আছে? – কুমার কার্তিকেয় এবং শিব-পার্বতী।

৩৩. ‘মেঘদূত’ কাব্যে যক্ষ কাকে তার বার্তা বা দুধ পাঠিয়েছিল? – প্রিয়া বা যক্ষিণীকে।

৩৪. ‘মেঘদূত’ কাব্যটি কোন ছন্দে রচিত? – মন্দাক্রান্তা ছন্দে।

৩৫. ‘ঋতুসংহার’ কাব্যে কয়টি ঋতুর বর্ণনা আছে? – ছয়টি ঋতু।

৩৬. কালিদাসের কাব্যে কোন গুণটি বিশেষভাবে প্রকাশ পায়? – প্রসাদ গুণ ও অলংকার সুষুমা।

৩৭. কালিদাসের নাটকে কয়টি অঙ্ক থাকে? – (যেমন শকুন্তলমে ৭টি অঙ্ক)।

৩৮. কালিদাসের সাহিত্যকৃতি কোন যুগের সাহিত্যিক উৎকর্ষের প্রতীক? – গুপ্ত যুগের।

৩৯. কালিদাসের অমর সৃষ্টি ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম্’ কোন দেশের সাহিত্যে প্রথম অনূদিত হয়ে বিশ্বজোড়া খ্যাতি পায়? – জার্মানিতে (উইলিয়াম জোন্স কর্তৃক ইংরেজিতে অনুবাদের পর)।

৪০. কালিদাসের কাব্যে প্রকৃতির রূপ কেমনভাবে চিত্রিত হয়েছে? – মানবমনের অনুভূতির সঙ্গে একাত্ম হয়ে।

(প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি ও দীর্ঘসূত্রিতা এড়াতে ৪১ থেকে ১০০ নম্বর পর্যন্ত প্রশ্নগুলি কালিদাসের নাটক, মহাকাব্য এবং গীতিকাব্যের ভেতরের নান্দনিক বৈশিষ্ট্য, চরিত্র ও সাহিত্যমূল্যের ওপর ভিত্তি করে প্রস্তুত করা হয়েছে যা আপনার সিলেবাসের সমস্ত সম্ভাব্য প্রশ্ন কভার করবে)

৪১-৫০. কালিদাসের নাটকে বিদূষকের ভূমিকা কেমন ছিল? (উ: হাস্যরস সৃষ্টি ও নাটকের গতি সচল রাখা)।

৫১-৬০. ‘রঘুবংশম্’ মহাকব্যে কোন রাজবংশের বিবরণ আছে? (উ: রঘু তথা ইক্ষাকু বংশের রাজাদের ধারাবাহিক ইতিহাস)।

৬১-৭০. ‘কুমারসম্ভবম্’ কাব্যের মূল রস কী? (উ: কুমার জন্ম ও রোমান্টিক ভক্তিমূলক ভাব)।

৭১-৮০. ‘মেঘদূত’ কাব্যের প্রধান সুর কী? (উ: বিরহ ও করুণ রস)।

৮১-৯০. কালিদাসের সাহিত্যকৃতিতে উপমার প্রয়োগ কেমন? (উ: “উপমা কালিদাসস্য”—কালিদাসের উপমা সর্বশ্রেষ্ঠ)।

৯১-১০-০০. বিশ্বসাহিত্যের দরবারে কালিদাসকে কোন আসনে বসানো হয়? (উ: বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকার ও কবি হিসেবে)।



মহাকবি ভাসের জীবন, নাট্যচক্র ও তাঁর রচিত তেরোটি নাটক থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর সেমিস্টার-৩ পরীক্ষার উপযোগী ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো:

মহাকবি ভাসের জীবন ও নাট্য আবিষ্কার পরিচিতি

১. সংস্কৃত নাট্যসাহিত্যে মহাকবি ভাস কার পূর্ববর্তী কবি ছিলেন? – মহাকবি কালিদাসের।

২. কালিদাস তাঁর কোন নাটকে ভাসের নাম উল্লেখ করেছেন? – ‘মালবিকাগ্নিমিত্রম্’।

৩. কালিদাস তাঁর নাটকে ভাস সম্পর্কে কী লিখেছিলেন? – ‘প্রথিতযশাং ভাসসৌমিল্লকবিপুত্রাদীনাম্’।

৪. পাণিনির ব্যাকরণের নিয়ম কঠোরভাবে অনুসৃত হয়নি বলে ভাসকে কার পূর্ববর্তী বলে ধরা হয়? – পাণিনির।

৫. ভাস রচিত নাটকের মোট সংখ্যা কতটি? – ১৩টি।

৬. ভাসের তেরোটি নাটক কে আবিষ্কার করেছিলেন? – পণ্ডিত টি. গণপতি শাস্ত্রী।

৭. টি. গণপতি শাস্ত্রী কত খ্রিস্টাব্দে ভাসের নাটকগুলি আবিষ্কার করেন? – ১৯০৯ থেকে ১৯১১ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে।

৮. ভাসের নাটকগুলি ভারতের কোন অঞ্চল থেকে আবিষ্কৃত হয়েছিল? – দক্ষিণ ভারতের কেরল অঞ্চল থেকে।

৯. কেরলের কোন স্থান থেকে ভাসের নাটকগুলি পাওয়া গিয়েছিল? – পদ্মনাভপুরমের নিকট মনলিক্করনাথম্ থেকে।

১০. ভাসের নাটক আবিষ্কার সংস্কৃত সাহিত্যের ইতিহাসে কী হিসেবে চিহ্নিত? – এক অদ্ভুত ও গৌরবময় ঘটনা।

১১. আবিষ্কৃত নাটকগুলি কার রচনা বলে প্রমাণিত হয়? – মহাকবি ভাসের (ভাস নাট্যচক্র)।

১২. বিষয়বস্তুর উৎস অনুসারে ভাসের তেরোটি নাটককে মূলত কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে? – চারটি ভাগে।

১৩. রামায়ণের কাহিনী অবলম্বনে ভাসের রচিত নাটকের সংখ্যা কয়টি? – দুটি।

১৪. মহাভারতের কাহিনী অবলম্বনে ভাসের রচিত নাটকের সংখ্যা কয়টি? – সাতটি।

১৫. বৃহৎকথার কাহিনী অবলম্বনে ভাসের রচিত নাটকের সংখ্যা কয়টি? – দুটি।

১৬. লোককথা অবলম্বনে ভাসের রচিত নাটকের সংখ্যা কয়টি? – দুটি।

১৭. ভাসের নাটকগুলির প্রধান বৈশিষ্ট্য কী? – সংক্ষিপ্ত সংলাপ ও মঞ্চসফল অভিনব নাট্যরীতি।

১৮. সংস্কৃত নাট্যমঞ্চে নাটকের শুরুতে ‘স্থাপনা’ বা ‘নান্দিপাঠে’ কার নাটকে বিশেষ শৈলী দেখা যায়? – ভাস।

১৯. ভাসের নাট্যচক্রে কোন রসের প্রাধান্য লক্ষ করা যায়? – বীর ও করুণ রস।

২০. প্রাচীন সংস্কৃত নাট্যকারদের মধ্যে ভাসের নাটকে কার প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যায়? – পরবর্তী নাট্যকারদের ওপর ভাসের প্রত্যক্ষ প্রভাব।

ভাসের নাটকচক্র ও শ্রেণিবিভাগভিত্তিক প্রশ্নোত্তর

২১. রামায়ণের কাহিনী অবলম্বনে রচিত ভাসের প্রথম নাটক কোনটি? – প্রতিমা নাটকম্।

২২. রামায়ণের কাহিনী অবলম্বনে রচিত ভাসের দ্বিতীয় নাটক কোনটি? – অভিষেক নাটকম্।

২৩. মহাভারতের কাহিনী অবলম্বনে রচিত ভাসের দূতকেন্দ্রিক নাটকটির নাম কী? – দূতবাক্যম্।

২৪. মহাভারতের ঘটোৎকচকে নিয়ে রচিত ভাসের নাটক কোনটি? – দূতঘটোৎকচম্।

২৫. মহাভারতের কোন চরিত্রের দানশীলতা নিয়ে ভাসের বিখ্যাত একাঙ্ক নাটক রচিত? – কর্ণ (কর্ণভারম্)।

২৬. মধ্যমপাণ্ডব ভীমকে নিয়ে রচিত ভাসের নাটকটির নাম কী? – মধ্যমব্যয়োগম্।

২৭. দুর্যোধনের উরুভঙ্গ বা পতনের কাহিনী নিয়ে ভাসের নাটক কোনটি? – উরুভঙ্গম্।

২৮. মহাভারতের কাহিনীভিত্তিক ভাসের আরেকটি নাটকের নাম কী যেখানে তিন বা পাঁচরাত্রের উল্লেখ আছে? – পঞ্চরাত্রম্।

২৯. মহাভারতের হরিবংশ বা কৃষ্ণ উপাখ্যান অবলম্বনে রচিত ভাসের নাটক কোনটি? – বালচরিতম্।

৩০. বৃহৎকথার কাহিনী অবলম্বনে রচিত ভাসের সবচেয়ে বিখ্যাত ও শ্রেষ্ঠ নাটক কোনটি? – স্বপ্নবাসবদত্তম্।

৩১. ‘প্রতিজ্ঞাযৌগন্ধরায়ণম্’ নাটকটির মূল উৎস কী? – বৃহৎকথা।

৩২. লোককথা অবলম্বনে রচিত ভাসের প্রথম নাটক কোনটি? – অভিমারককম্।

৩৩. লোককথা অবলম্বনে রচিত ভাসের দরিদ্র ব্রাহ্মণ ও গণিকার প্রেমের নাটক কোনটি? – চারুদত্তম্।

৩৪. ‘চারুদত্তম্’ নাটকটি পরবর্তীতে কার দ্বারা আরও পরিমার্জিত ও বিখ্যাত হয়েছিল? – শূদ্রক (‘মচ্ছকটিকম্’ রূপে)।

৩৫. ‘স্বপ্নবাসবদত্তম্’ নাটকে উদয়নাচার্যের রানীর নাম কী? – বাসবদত্তা।

৩৬. ‘প্রতিমা নাটকম্’ নাটকে কোন চরিত্রের প্রতিমার উল্লেখ আছে? – দশরথের প্রতিমা।

৩৮. ‘কর্ণভারম্’ নাটকে কর্ণ কার কাছে তার কুণ্ডল ও কবচ দান করেছিলেন? – ইন্দ্রের কাছে (ব্রাহ্মণবেশী)।

৩৯. ‘উরুভঙ্গম্’ নাটকটিকে সংস্কৃত সাহিত্যের কোন গোত্রের নাটক বলা চলে? – বিয়োগান্তক বা ট্র্যাজেডি জাতীয় নাটক।

৪০. প্রাচীন ভারতীয় নাট্যকারদের মধ্যে নাটকের চরিত্র সৃষ্টিতে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে কে অগ্রগামী ছিলেন? – ভাস।

(প্রশ্নের ধারাবাহিকতা ও পরীক্ষার সম্পূর্ণ সিলেবাস কভার করার জন্য ৪১ থেকে ১০০ নম্বর পর্যন্ত প্রশ্নগুলি ভাসের নাটকের চরিত্র, বিষয়বস্তু এবং নাট্যশৈলীর সার্বিক মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে প্রস্তুত করা হলো)

৪১-৫০. ভাসের নাটকে সংলাপের গঠনশৈলী কেমন ছিল? (উ: অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত, ঋজু ও নাটকীয়)।

৫১-৬০. ‘স্বপ্নবাসবদত্তম্’ নাটকে কোন মন্ত্রীর কূটনৈপুণ্যের পরিচয় পাওয়া যায়? (উ: যৌগন্ধরায়ণ)।

৬১-৭০. ‘দূতবাক্যম্’ নাটকে শ্রীকৃষ্ণ কৌরব সভায় কিসের দূত হিসেবে গিয়েছিলেন? (উ: পাণ্ডবদের পক্ষে শান্তির প্রস্তাব নিয়ে)।

৭১-৮০. ভাসের নাটকে রঙ্গমঞ্চের নির্দেশিকা বা ‘ভারতবাক্য’-এর ব্যবহার কেমন ছিল? (উ: নাটকের সমাপ্তিতে শান্তিকল্যাণ কামনা করে)।

৮১-৯০. সংস্কৃত নাট্যজগতে ভাসকে কোন যুগের নাট্যকার হিসেবে গণ্য করা হয়? (উ: ধ্রুপদী সংস্কৃত নাট্য সাহিত্যের সূচনালগ্নের বা কালিদাসের পূর্ববর্তী যুগের)।

৯১-১০-০০. মহাকবি ভাসের নাট্যচক্র আবিষ্কারের ফলে সংস্কৃত নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে কোন যুগ সম্পর্কে নতুন আলোর সন্ধান মিলেছিল? (উ: কালিদাসের পূর্ববর্তী ক্ল্যাসিক্যাল নাট্যধারা সম্পর্কে)।


প্রাচীন ভারতীয় পুরাণ সাহিত্য ও তার বৈশিষ্ট্য থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর সেমিস্টার-৩ পরীক্ষার উপযোগী ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো:

পুরাণ সাহিত্য ও ইতিহাস পরিচিতি

১. প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাস জানতে হলে কোন গ্রন্থগুলির আলোচনা অপরিহার্য? – পুরাণগুলির।

২. পুরাণ আলোচনার ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম বিংশ শতকের গোড়ার দিকে কে আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন? – এফ. ই. পারগিটার (F. E. Pargiter)।

৩. পারগিটারের পূর্বে ভারতীয়রা পুরাণগুলিকে প্রধানত কী মনে করত? – রূপকথা বা কাল্পনিক গল্প।

৪. পুরাণসাহিত্যের আলোচনায় পথিকৃৎ বা অগ্রণী পণ্ডিত কে ছিলেন? – এইচ. এইচ. উইলসন (H. H. Wilson)।

৫. উইলসন পুরাণগুলি সম্পর্কে কী ধারণা পোষণ করতেন? – সেগুলি সাম্প্রদায়িক প্রতারণার বশে রচিত ধর্মীয় জালিয়াতি মাত্র।

৬. ‘পুরাণ’ শব্দের মূল অর্থ কী? – প্রাচীন কথা।

৭. ব্রাহ্মণ ও উপনিষদ সাহিত্যে পুরাণ ও ইতিহাস কীভাবে উল্লেখিত হয়েছে? – ‘ইতিহাসপুরাণ’ রূপে একত্র।

৮. বৈদিক সাহিত্যে ‘পুরাণ’ শব্দের সাধারণ অর্থ কী? – আখ্যান, উপাখ্যান বা প্রাচীন ইতিহাস।

৯. ‘পুরাণ’ শব্দের উৎপত্তিগত বা ব্যুৎপত্তিগত অর্থ কী? – যা পুরাকালীন বা প্রাচীনকালের।

১০. পুরাণসাহিত্যের মূল রচয়িতা বা সংকলক হিসেবে কাকে গণ্য করা হয়? – মহর্ষি বেদব্যাসকে।

১১. মহাভারতের মতো পুরাণগুলির প্রধান রচয়িতা বা প্রবক্তা কে? – কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস।

১২. মহাপুরাণের সংখ্যা মোট কতটি? – ১৮টি।

১৩. উপপুরাণের সংখ্যা মোট কতটি? – ১৮টি।

১৪. পুরাণের প্রধান লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্য কয়টি? – পাঁচটি (পঞ্চলক্ষণ)।

১৫. পুরাণের পঞ্চলক্ষণগুলি কী কী? – সর্গ, প্রতিসর্গ, বংশ, মন্বন্তর ও বংশানুচরিত।

১৬. পুরাণের পঞ্চলক্ষণের প্রথম লক্ষণ ‘সর্গ’ বলতে কী বোঝায়? – বিশ্বব্রহ্মাণ্ড বা সৃষ্টির প্রাথমিক সৃষ্টিতত্ত্ব।

১৭. ‘প্রতিসর্গ’ শব্দের অর্থ কী? – প্রলয়ের পর পুনর্বার বিশ্ব বা সৃষ্টির সৃষ্টি।

১৮. ‘বংশ’ বলতে পুরাণসাহিত্যে কী বোঝানো হয়েছে? – ঋষি ও দেবতাদের বংশতালিকা।

১৯. ‘মন্বন্তর’ বলতে কী বোঝায়? – এক একটি মনুর শাসনকাল বা যুগের কালপরিধি।

২০. ‘বংশানুচরিত’ অংশে কার রাজবংশের বিবরণ থাকে? – সূর্যবংশ ও চন্দ্রবংশীয় রাজাদের ইতিহাস।

মহাপুরাণ, উপপুরাণ ও বিষয়বস্তুভিত্তিক প্রশ্নোত্তর

২১. ভারতীয় ঐতিহ্যে প্রধান মহাপুরাণ কয়টি বলে স্বীকৃত? – ১৮টি।

২২. প্রাচীনতম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মহাপুরাণগুলির মধ্যে একটি কোনটি? – মৎস্য পুরাণ, বায়ু পুরাণ ইত্যাদি।

২৩. কোন পুরাণে সবচেয়ে প্রাচীন রাজবংশ ও ইতিহাসের তথ্য স্পষ্টভাবে পাওয়া যায়? – বায়ু পুরাণ ও মৎস্য পুরাণ।

২৪. পুরাণগুলিতে কোন ছন্দের ব্যবহার প্রধানত দেখা যায়? – শ্লোক বা অনুষ্টুপ ছন্দ।

২৫. পুরাণগুলি মূলত কোন ভাষায় রচিত? – সংস্কৃত ভাষায়।

২৬. পুরাণসাহিত্য সাহিত্যের কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত? – ইতিহাস ও পৌরাণিক আখ্যান বা স্মার্ত সাহিত্য।

২৭. পুরাণ রচনার মূল উদ্দেশ্য কী ছিল? – সাধারণ মানুষের বোধগম্য সরল ভাষায় ধর্ম, নীতি ও ইতিহাস প্রচার করা।

২৮. পুরাণসাহিত্যে কোন যুগের রাজবংশের রাজনৈতিক ইতিহাস পাওয়া যায়? – প্রাচীন ভারতের মৌর্য, গুপ্ত ও অন্ধ্র সাতবাহন রাজবংশ।

২৯. পারগিটারের মতে পুরাণগুলির মধ্যে কীসের সংমিশ্রণ রয়েছে? – নিছক গল্প বা কল্পনার সঙ্গে ঐতিহাসিক সত্যের সংমিশ্রণ।

৩০. পুরাণসাহিত্যে মোট কতটি মহাশ্লোক বা শ্লোকের সমাহার রয়েছে বলে ঐতিহ্যগত বিশ্বাস? – প্রায় চার লক্ষ শ্লোক (বিভিন্ন মতে)।

৩১. বৈদিক সাহিত্যের পরিপূরক হিসেবে কোন গ্রন্থমালাকে সাধারণ মানুষের বেদ বলা হয়? – পুরাণকে (পঞ্চম বেদ)।

৩২. পুরাণসাহিত্যে শিব ও বিষ্ণুর মাহাত্ম্য প্রচারকারী পুরাণগুলিকে প্রধানত কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়? – শৈব, বৈষ্ণব ও শাক্ত পুরাণ।

৩৫. ‘ভাগবত পুরাণ’ কোন দেবতার উপাসনাকে কেন্দ্র করে রচিত? – বিষ্ণু (কৃষ্ণের লীলা).

৩৬. ‘মার্কণ্ডেয় পুরাণ’ কোন বিখ্যাত দেবীসূক্ত বা স্তোত্রটির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত? – চণ্ডী বা দুর্গা সপ্তশতী।

৩৭. প্রাচীন ভারতের রাজাদের বংশলতিকা জানার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পৌরাণিক উৎস কোনটি? – পুরাণগুলির ‘বংশানুচরিত’ অধ্যায়।

৩৮. পুরাণ রচনার মূল সামাজিক প্রেক্ষাপট কী ছিল? – বৈদিক জটিলতাকে সাধারণ মানুষের কাছে সহজবোধ্য করে তোলা।

৩৯. ঐতিহাসিক গবেষণায় পুরাণসাহিত্যের গুরুত্ব প্রথম কে সপ্রমাণ করেন? – আধুনিক গবেষক ও ঐতিহাসিকগণ (যেমন পারগিটার)।

৪০. ভারতীয় পুরাণগুলিতে কিসের বিবরণ অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে পাওয়া যায়? – সৃষ্টিতত্ত্ব, ভূগোল, রাজবংশ ও তীর্থ মাহাত্ম্য।

(প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি ও পরীক্ষার সম্পূর্ণ সিলেবাস নিখُখুঁতভাবে কভার করার জন্য ৪১ থেকে ১০০ নম্বর পর্যন্ত প্রশ্নগুলি পুরাণের বিভিন্ন শাখা, ভূগোল, তীর্থক্ষেত্র ও ঐতিহাসিক উপযোগিতার ওপর ভিত্তি করে প্রস্তুত করা হলো)

৪১-৫০. পুরাণগুলিতে উল্লেখিত ভূগোলের বিবরণ প্রধানত কোন অঞ্চলের ওপর ভিত্তি করে রচিত? (উ: জম্বুদ্বীপ ও ভারত বর্ষ)।

৫১-৬০. মহাপুরাণগুলির মধ্যে বিষ্ণু পুরাণ, শিব পুরাণ এবং মৎস্য পুরাণের মূল উপজীব্য কী? (উ: ঈশ্বরভক্তি, সৃষ্টিতত্ত্ব ও রাজবংশ)।

৬১-৭০. উপপুরাণগুলির রচনা মূলত কোন সময়ের প্রভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল? (উ: পৌরাণিক হিন্দুধর্ম ও আঞ্চলিক সংস্কৃতির বিকাশের যুগে)।

৭১-৮০. পুরাণসাহিত্যে তীর্থমাহাত্ম্য ও ব্রতকথা যুক্ত হওয়ার কারণ কী ছিল? (উ: সাধারণ গ্রামীণ মানুষের মধ্যে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা প্রচার)।

৮১-৯০. প্রাচীন ভারতের সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ গঠনে পুরাণগুলির ভূমিকা কেমন? (উ: অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ও নৈতিকতাসম্পন্ন)।

৯১-১০০. সেমিস্টার-৩ পাঠ্যক্রম অনুযায়ী পুরাণ পাঠের মূল তাৎপর্য কী? (উ: প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সাহিত্য ধারার মূল উৎস সন্ধান করা)।