দ্বাদশ শ্রেণির বাংলা তৃতীয় সেমিস্টার
দ্বাদশ শ্রেণির প্রথম সেমিস্টার (বা তৃতীয় সেমিস্টার) বাংলা সিলেবাস (পূর্ণমান: ৪০)
এই সেমিস্টারে সাধারণত বহুনির্বাচনী বা MCQ প্রশ্ন থাকে। নিচে এর মূল বিষয়গুলি দেওয়া হলো: [1]
- গল্প: আদরিনী (প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়)
- কবিতা: অন্ধকার লেখাগুচ্ছ (শ্রীজাত), দিগ্বিজয়ের রূপকথা (নবনীতা দেবসেন)
- প্রবন্ধ: বাঙ্গালা ভাষা (স্বামী বিবেকানন্দ)
- ভারতীয় গল্প: পোটরাজ (শঙ্কর রাও খারাট)
- অনুবাদ সাহিত্য: তার সঙ্গে (পাবলো নেরুদা)
- ভাষা: ভাষাবিজ্ঞান ও তার শাখা-প্রশাখা, ধ্বনিতত্ত্ব, শব্দার্থতত্ত্ব
- বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি: বাংলা গানের ইতিহাস, বাঙালির বিজ্ঞানচর্চা, বাঙালির ক্রীড়া সংস্কৃতি [1]
--------------------আদরিণী---------------------------
১. 'আদরিণী' গল্পের লেখকের নাম কী?
উঃ প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়।
২. প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
উঃ ৩রা ফেব্রুয়ারি, ১৮৭৩ সালে।
৩. লেখকের জন্মস্থান কোথায়?
উঃ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার ধাত্রীগ্রাম।
৪. প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের প্রথম গল্পের নাম কী?
উঃ 'কুড়ানি'।
৫. লেখকের প্রধান পরিচয় কী ছিল?
উঃ তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন শ্রেষ্ঠ কথাসাহিত্যিক ও ছোটগল্পকার।
৬. 'আদরিণী' গল্পের প্রধান চরিত্র কে?
উঃ জয়রাম মুখোপাধ্যায়।
৭. জয়রাম মুখোপাধ্যায় পেশায় কী ছিলেন?
উঃ তিনি একজন মোক্তার (আইনজীবী) ছিলেন।
৮. জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের প্রিয় পোষা প্রাণীটির নাম কী ছিল?
উঃ আদরিণী।
৯. আদরিণী আসলে কোন প্রাণী ছিল?
উঃ একটি হাতি।
১০. জয়রাম বাবু কত টাকা দিয়ে আদরিণীকে কিনেছিলেন?
উঃ 2000 টাকা।
১১. হাতিটিকে কোথা থেকে কেনা হয়েছিল?
উঃ বীরপুরের জমিদার উমাচরণ লাহিড়ী থেকে।
১২. আদরিণীকে কেনার সময় তার বয়স কত ছিল?
উঃ প্রায় পাঁচ-ছয় বছর।
১৩. জয়রাম বাবুর পরিবারের সদস্য সংখ্যা কত ছিল?
উঃ তিনি, তাঁর স্ত্রী, তিন পুত্র এবং তাদের সন্তানরা।
১৪. জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের বড় ছেলের নাম কী?
উঃ গদাধর।
১৫. জয়রাম বাবুর প্রিয় নাতনির নাম কী?
উঃ কল্যাণী।
১৬. জয়রাম বাবু কোথায় ওকালতি করতেন?
উঃ মহকুমা শহর বা ছোট আদালতে।
১৭. আদরিণীকে কার সাথে তুলনা করা হয়েছে গল্পের শুরুতে?
উঃ গৃহলক্ষ্মীর সঙ্গে।
১৮. জয়রাম বাবু আদরিণীর জন্য মাসে কত টাকা খরচ করতেন?
উঃ প্রায় পঁচিশ-ত্রিশ টাকা (তৎকালীন সময়ে অনেক বেশি)।
১৯. আদরিণীর মাহুতের নাম কী ছিল?
উঃ হীরামন।
২০. হীরামন আদরিণীকে কী বলে ডাকত?
উঃ 'বেটি' বলে সম্বোধন করত।
২১. জয়রাম বাবুর আর্থিক অবস্থার অবনতি কেন হয়েছিল?
উঃ বয়সের কারণে পসার কমে যাওয়া এবং বড় পরিবারের খরচ মেটাতে।
২২. কল্যাণীর বিয়ের সময় পাত্রপক্ষ কত টাকা পণ চেয়েছিল?
উঃ দু-হাজার টাকা।
২৩. জয়রাম বাবু কল্যাণীর বিয়ের টাকা জোগাড় করতে কী বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেন?
উঃ হাতিটিকে (আদরিণীকে)।
২৪. আদরিণীকে কেনার জন্য প্রথমে কে প্রস্তাব দিয়েছিলেন?
উঃ পাড়ার এক জমিদার।
২৫. আদরিণীকে শেষ পর্যন্ত কার কাছে বিক্রি করার কথা হয়েছিল?
উঃ উত্তরপাড়ার জমিদারের কাছে।
২৬. আদরিণীকে কত টাকায় বিক্রি করার কথা হয়েছিল?
উঃ বারোশো টাকা।
২৭. কেন জয়রাম বাবু আদরিণীকে বিক্রি করতে বাধ্য হলেন?
উঃ নাতনির বিয়ের খরচ ও ঋণের দায় মেটাতে।
২৮. আদরিণীকে বিক্রি করার কথা শুনে জয়রাম বাবুর স্ত্রীর প্রতিক্রিয়া কী ছিল?
উঃ তিনি মনে মনে খুশি হয়েছিলেন কিন্তু মুখে কিছু বলেননি।
২৯. আদরিণী কি সহজেই বিদায় নিতে চেয়েছিল?
উঃ না, সে বারবার ফিরে আসছিল।
৩০. আদরিণীকে নিয়ে যাওয়ার জন্য মাহুত কী করেছিল?
উঃ অনেক সাধ্য-সাধনা এবং কড়াকড়ি করেছিল।
৩১. আদরিণী যখন বাড়ি থেকে বিদায় নিচ্ছিল, তখন জয়রাম বাবুর মানসিক অবস্থা কেমন ছিল?
উঃ তিনি ডুকরে কেঁদে উঠেছিলেন এবং ঘরের ভেতর গিয়ে খিল দিয়েছিলেন।
৩২. কল্যাণীর বিয়েতে আদরিণীকে কি আবার আনা হয়েছিল?
উঃ হ্যাঁ, নাতনির আবদারে।
৩৩. আদরিণীকে যখন আবার আনা হয়, তখন তার শারীরিক অবস্থা কেমন ছিল?
উঃ সে অনেকটা শীর্ণ ও অসুস্থ হয়ে পড়েছিল।
৩৪. আদরিণীর অসুস্থতার কারণ কী ছিল?
উঃ শোকে ঠিকমতো না খাওয়া এবং নতুন জায়গার প্রতি অনীহা।
৩৫. কল্যাণীর শ্বশুরবাড়ি কোথায় ছিল?
উঃ ভাগলপুর জেলার কোনো এক গ্রামে।
৩৬. বিয়ে বাড়িতে হাতি পাঠানোর সময় খরচ কে বহন করেছিল?
উঃ জয়রাম বাবু নিজে।
৩৭. আদরিণীকে নিয়ে যাওয়ার পথে সে কোথায় বসে পড়েছিল?
উঃ গ্রামের সীমানায় একটি বড় অশ্বত্থ গাছের নিচে।
৩৮. হাতিটি কেন আর উঠতে চাইছিল না?
উঃ প্রচণ্ড শারীরিক দুর্বলতা এবং জ্বরের কারণে।
৩৯. খবর পেয়ে জয়রাম বাবু কী করেছিলেন?
উঃ তিনি দৌড়ে অশ্বত্থ গাছের তলায় গিয়েছিলেন।
৪০. আদরিণী জয়রাম বাবুকে দেখে কী করেছিল?
উঃ তার শুঁড় তুলে শেষবারের মতো প্রণাম বা আদর জানানোর চেষ্টা করেছিল।
৪১. আদরিণী গল্পের মূল সুর কী?
উঃ মানুষ ও পশুর মধ্যে নিবিড় মমতা ও ভালোবাসার সম্পর্ক।
৪২. 'আদরিণী' ছোটগল্পটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
উঃ 'প্রবাসী' পত্রিকায় (১৩১৭ বঙ্গাব্দ)।
৪৩. জয়রাম বাবুর পৈতৃক ভিটে কোথায় ছিল?
উঃ খণ্ডঘোষ গ্রামে।
৪৪. আদরিণীকে কেন 'শুভলক্ষ্মী' বলা হত?
উঃ সে আসার পর জয়রাম বাবুর পসার অনেক বেড়ে গিয়েছিল।
৪৫. জয়রাম বাবু আদরিণীকে কী খাওয়াতেন?
উঃ কলার গাছ, আখের ছিবড়ে এবং বিশেষ দিনে গুড়-মুড়ি।
৪৬. হীরামন মাহুত কতদিন জয়রাম বাবুর কাছে কাজ করছিল?
উঃ আদরিণী আসার দিন থেকে।
৪৭. আদরিণীর জন্য কী ধরনের ঘর বানানো হয়েছিল?
উঃ একটি বড় চালাঘর বা ফিলখানা।
৪৮. আদরিণীকে বিদায় দেওয়ার সময় জয়রাম বাবু তাকে কী খাইয়েছিলেন?
উঃ একটি বড় লাল চিনি মাখানো মন্ডা।
৪৯. গল্পের শেষে আদরিণীর ভাগ্যে কী ঘটেছিল?
উঃ সে মারা গিয়েছিল।
৫০. আদরিণীর মৃত্যুতে জয়রাম বাবুর শেষ উক্তি কী ছিল?
উঃ "আদরিণী আমায় ছেড়ে চলে গেল।"
৫১. 'আদরিণী' গল্পে কোন ঋতুর উল্লেখ আছে?
উঃ গ্রীষ্ম ও বর্ষা।
৫২. নাতনির বিয়ের জন্য জয়রাম বাবু কার কাছে টাকা ধার চেয়েছিলেন?
উঃ মহাজনের কাছে, কিন্তু পাননি।
৫৩. হাতিটি কার জন্য সবচেয়ে বেশি শোকাতুর ছিল?
উঃ জয়রাম বাবুর জন্য।
৫৪. জয়রাম বাবুর মেজ ছেলের নাম কী ছিল?
উঃ বিনোদ।
৫৫. বিনোদ কোথায় চাকরি করত?
উঃ কলকাতায়।
৫৬. আদরিণীকে নতুন মালিকের কাছে নিয়ে যাওয়ার সময় সে কবার দাঁড়িয়ে পড়েছিল?
উঃ অসংখ্যবার।
৫৭. হীরামন মাহুত কি আদরিণীর মৃত্যুতে কেঁদেছিল?
উঃ হ্যাঁ, সে পাগলের মতো হয়ে গিয়েছিল।
৫৮. আদরিণীকে কবর দেওয়া হয়েছিল কোথায়?
উঃ সেই অশ্বত্থ গাছের কাছাকাছি নদীর ধারে।
৫৯. জয়রাম বাবুর বয়স গল্পের সময় কত ছিল?
উঃ প্রায় সত্তর বছর।
৬০. জয়রাম বাবু কেন আর নতুন হাতি কেনেননি?
উঃ তাঁর আর্থিক সঙ্গতি ছিল না এবং আদরিণীর শোক তিনি ভুলতে পারেননি।
৬১. জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের ছোট ছেলের নাম কী?
উঃ উপেন।
৬২. উপেন কী করত?
উঃ সে ভবঘুরে বা বেকার ছিল।
৬৩. কল্যাণীর বিয়ের দিন কেন জয়রাম বাবু আনমনা ছিলেন?
উঃ আদরিণীর অভাব বোধ করায়।
৬৪. আদরিণীকে নিয়ে যাওয়ার জন্য উত্তরপাড়া থেকে কে এসেছিলেন?
উঃ জমিদারের সরকার মশাই।
৬৫. আদরিণী কি রাগলে বিপজ্জনক হয়ে উঠত?
উঃ না, সে ছিল শান্ত প্রকৃতির।
৬৬. জয়রাম বাবু আদরিণীর সাথে কীভাবে কথা বলতেন?
উঃ যেন সে তার নিজের সন্তান।
৬৭. আদরিণী বিদায় নেওয়ার সময় জয়রাম বাবু তাকে কী আশীর্বাদ করেছিলেন?
উঃ "সুখে থাকিস বাছা।"
৬৮. বিয়ের আসরে হাতি দেখে কল্যাণীর শ্বশুরমশাই কী বলেছিলেন?
উঃ তিনি খুব খুশি হয়েছিলেন এবং জয়রাম বাবুর আভিজাত্যের প্রশংসা করেছিলেন।
৬৯. আদরিণীকে বিদায় দেওয়ার পর জয়রাম বাবুর বাড়ির পরিবেশ কেমন ছিল?
উঃ নিস্তব্ধ এবং বিষণ্ণ।
৭০. হাতিটি যখন ফিরতি পথে আসছিল, তখন তাকে কে শনাক্ত করেছিল?
উঃ গ্রামের কিশোররা।
৭১. আদরিণীর পায়ের শিকল কেন খুলে দেওয়া হয়েছিল?
উঃ কারণ সে অত্যন্ত অসুস্থ হয়ে পড়েছিল।
৭২. জয়রাম বাবু শেষ সময়ে আদরিণীর মাথায় কী হাত বুলিয়েছিলেন?
উঃ হ্যাঁ, তিনি তার মাথায় হাত রেখে সান্ত্বনা দিচ্ছিলেন।
৭৩. 'আদরিণী' গল্পের ট্র্যাজেডি কোথায়?
উঃ অবলা প্রাণীর নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও পরিস্থিতির চাপে তার মৃত্যুর মধ্যে।
৭৪. প্রভাতকুমারের লেখনীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য কী?
উঃ হাস্যরস ও করুন রসের সুনিপুণ মিশ্রণ।
৭৫. কল্যাণী তার দাদামশাইয়ের কাছে কী আবদার করেছিল?
উঃ তার বিয়েতে যেন আদরিণী থাকে।
৭৬. জয়রাম বাবুর জীবনে আদরিণী কিসের প্রতীক ছিল?
উঃ তাঁর ফেলে আসা গৌরবময় দিনের ও আভিজাত্যের।
৭৭. আদরিণী যখন অসুস্থ হয়ে পড়েছিল, তখন ডাক্তার ডাকা হয়েছিল কি?
উঃ হ্যাঁ, পশুবৈদ্য ডাকা হয়েছিল।
৭৮. উত্তরপাড়ার জমিদার কেন হাতিটি ফেরত দিয়েছিলেন?
উঃ তিনি ফেরত দেননি, জয়রাম বাবু বিয়ের জন্য ধার চেয়ে এনেছিলেন।
৭৯. আদরিণীকে নিয়ে যাওয়ার সময় হীরামন কেন বারবার পিছনে তাকাচ্ছিল?
উঃ সে বুঝতে পারছিল আদরিণীর কষ্ট হচ্ছে।
৮০. জয়রাম বাবু হাতিটিকে কী নামে ডাকতেন?
উঃ আদরী।
৮১. আদরিণী মারা যাওয়ার সময় কোন সময় ছিল?
উঃ শেষ রাত্রি।
৮২. গ্রামের লোকেরা আদরিণীকে কী মনে করত?
উঃ জয়রাম বাবুর পরিবারের একজন সদস্য।
৮৩. জয়রাম বাবুর স্ত্রী কেন আদরিণীকে পছন্দ করতেন না?
উঃ হাতি পোষার অতিরিক্ত খরচের জন্য।
৮৪. আদরিণীর জন্য জয়রাম বাবু কত টাকা ঋণী হয়েছিলেন?
উঃ প্রায় কয়েকশো টাকা।
৮৫. হাতিটিকে কি অন্য কোনো নামে ডাকা হত?
উঃ না, আদরিণীই তার একমাত্র নাম।
৮৬. প্রভাতকুমারের গল্পের ভাষা কেমন?
উঃ সহজ, সরল এবং ঝরঝরে।
৮৭. কল্যাণীর বিয়েতে আদরিণীকে সাজানো হয়েছিল কি?
উঃ হ্যাঁ, অল্প করে সাজানো হয়েছিল।
৮৮. আদরিণীকে নিয়ে যাওয়ার পথে সে জল পান করেছিল কি?
উঃ না, সে জলস্পর্শও করেনি।
৮৯. জয়রাম বাবুর বাড়িতে আদরিণী কত বছর ছিল?
উঃ দীর্ঘ কুড়ি-বাইশ বছর।
৯০. আদরিণীর মৃত্যুর পর জয়রাম বাবু কি গ্রামে ছিলেন?
উঃ হ্যাঁ, তবে তিনি খুব ভেঙে পড়েছিলেন।
৯১. নাতনি কল্যাণী কি আদরিণীর মৃত্যুর কথা জানতে পেরেছিল?
উঃ পরে জেনেছিল।
৯২. হাতিটির চোখ দিয়ে কি জল পড়ছিল বিদায় বেলায়?
উঃ হ্যাঁ, লেখক বর্ণনা করেছেন হাতিটির অশ্রুসজল চোখের কথা।
৯৩. আদরিণী গল্পে জয়রাম বাবু একজন কেমন মানুষ?
উঃ অত্যন্ত আবেগপ্রবণ এবং প্রাণীপ্রেমী।
৯৪. হাতিটি কি তার নতুন মালিকের বাড়িতে অশান্তি করেছিল?
উঃ না, সে কেবল মনমরা হয়ে থাকত।
৯৫. জয়রাম বাবুর পেশাগত উন্নতির মূল কারণ কী ছিল?
উঃ তাঁর সততা এবং পরিশ্রম, যদিও তিনি হাতিকে ভাগ্য মনে করতেন।
৯৬. আদরিণীকে নিয়ে যাওয়ার সময় কি বাদ্যযন্ত্র বেজেছিল?
উঃ না, বিদায় ছিল অত্যন্ত করুণ।
৯৭. জয়রাম বাবুর জমিজমা কেমন ছিল?
উঃ সামান্য কিছু জমি ছিল যা থেকে সংসার চলত না।
৯৮. হীরামন মাহুত কি আদরিণীর কবরের পাশে ছিল?
উঃ হ্যাঁ, সে অনেকক্ষণ সেখানে বসে ছিল।
৯৯. 'আদরিণী' গল্পের মাধ্যমে লেখক কী বার্তা দিতে চেয়েছেন?
উঃ পশুরা মানুষের ভালোবাসা বোঝে এবং তারাও বিরহে প্রাণ ত্যাগ করতে পারে।
১০০. গল্পটির শেষ বাক্যটির ভাবার্থ কী?
উঃ আদরিণীর মৃত্যু জয়রাম বাবুর জীবনের একটি বড় অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটিয়েছিল।
------------------------------------বাঙ্গালা ভাষা -------------------------------------------------------
স্বামী বিবেকানন্দের **'বাঙ্গালা ভাষা'** প্রবন্ধ থেকে ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো। এতে কোনো অপশন রাখা হয়নি, সরাসরি প্রশ্ন ও উত্তর প্রদান করা হলো:
১. প্রশ্ন: 'বাঙ্গালা ভাষা' প্রবন্ধটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত পত্র থেকে উদ্ধৃত হয়েছে?
উত্তর: 'উদ্বোধন' পত্রিকা।
২. প্রশ্ন: স্বামী বিবেকানন্দ কোন্ দেশ থেকে 'উদ্বোধন' পত্রিকার সম্পাদককে পত্রটি লিখেছিলেন?
উত্তর: আমেরিকা থেকে।
৩. প্রশ্ন: স্বামী বিবেকানন্দ আমেরিকা থেকে কত খ্রিস্টাব্দের কত তারিখে পত্রটি লিখেছিলেন?
উত্তর: ১৯০০ খ্রিস্টাব্দের ২০শে ফেব্রুয়ারি।
৪. প্রশ্ন: আমাদের দেশে প্রাচীনকাল থেকে সমস্ত বিদ্যা কোন্ ভাষায় থাকার দরুন বিদ্বান ও সাধারণের মধ্যে একটা অপার সমুদ্র দাঁড়িয়ে গেছে?
উত্তর: সংস্কৃত ভাষায়।
৫. প্রশ্ন: প্রাচীনকালে সংস্কৃতে সমস্ত বিদ্যা থাকার ফলে কাদের মধ্যে একটি অপার সমুদ্র দাঁড়িয়ে গেছে?
উত্তর: বিদ্বান এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে।
৬. প্রশ্ন: বুদ্ধ থেকে চৈতন্য রামকৃষ্ণ পর্যন্ত যাঁরা লোকহিতায় এসেছেন, তাঁরা সকলেই সাধারণ মানুষকে কোন্ ভাষায় শিক্ষা দিয়েছেন?
উত্তর: সাধারণ মানুষের ভাষায়।
৭. প্রশ্ন: পাণ্ডিত্য অবশ্যই উৎকৃষ্ট, কিন্তু কোন্ ভাষাকে অপ্রাকৃতিক ও কল্পিত মাত্র বলা হয়েছে?
উত্তর: কটমট ভাষাকে।
৮. প্রশ্ন: কটমট ভাষাকে স্বামীজি কী বলে অভিহিত করেছেন?
উত্তর: অপ্রাকৃতিক ও কল্পিত মাত্র।
৯. প্রশ্ন: চলিত ভাষায় কি আর কী করা সম্ভব নয়—এ কথা স্বামীজি বলেছেন?
উত্তর: শিল্পনৈপুণ্য।
১০. প্রশ্ন: স্বাভাবিক ভাষা ছেড়ে একটা কেমন ভাষা তৈরি করার কথা বলা হয়েছে যার বিরোধিতা করা হয়েছে?
উত্তর: অস্বাভাবিক ভাষা।
১১. প্রশ্ন: ঘরে যে ভাষায় কথা কও, তাতে তো সমস্ত কী মনে মনে কর?
উত্তর: পাণ্ডিত্য গবেষণা।
১২. প্রশ্ন: লেখবার বেলা একটা কী কিম্ভুতকিমাকার উপস্থিত করা হয়?
উত্তর: ভাষা।
১৩. প্রশ্ন: যে ভাষায় নিজের মনে দর্শন-বিজ্ঞান চিন্তা কর, দশজনে বিচার কর—সে ভাষা কী লেখবার ভাষা নয়?
উত্তর: দর্শন-বিজ্ঞান।
১৪. প্রশ্ন: স্বাভাবিক যে ভাষায় মনের ভাব প্রকাশ করি, যে ভাষায় কী কী জানাই, তার চেয়ে উপযুক্ত ভাষা হতেই পারে না?
উত্তর: ক্রোধ, দুঃখ, ভালবাসা ইত্যাদি।
১৫. প্রশ্ন: ভাষার কেমন জোর থাকা উচিত?
উত্তর: যেমন সাফ ইস্পাত, মুচড়ে মুচড়ে যা ইচ্ছে কর—আবার যে-কে-সেই।
১৬. প্রশ্ন: ইস্পাতের মতো ভাষা দিয়ে এক চোটে কী কেটে দেওয়া যায়, অথচ দাঁত পড়ে না?
উত্তর: পাথর।
১৭. প্রশ্ন: আমাদের ভাষা সংস্কৃতের কোন্ চাল নকল করে অস্বাভাবিক হয়ে উঠছে?
উত্তর: গদাই-লস্করি চাল।
১৮. প্রশ্ন: ভাষা মানুষের কিসের প্রধান উপায় ও লক্ষণ?
উত্তর: উন্নতির প্রধান উপায় ও লক্ষণ।
১৯. প্রশ্ন: যদি বল কথাটি বেশ, তবে বাঙ্গালা দেশের স্থানে স্থানে রকমারি ভাষা—কোন্টি গ্রহণ করতে হবে?
উত্তর: যেটি প্রাকৃতিক নিয়মে বলবান হচ্ছে এবং ছড়িয়ে পড়ছে, অর্থাৎ কলকাতার ভাষা।
২০. প্রশ্ন: প্রাকৃতিক নিয়মে কোন্ ভাষাটি বলবান হয়ে ছড়িয়ে পড়ছে?
উত্তর: কলকাতার ভাষা।
২১. প্রশ্ন: পূর্ব-পশ্চিম, যে দিক হতেই আসুক না কেন, একবার কলকাতার হাওয়া খেলেই লোকে কোন্ ভাষা কয়?
উত্তর: সেই কলকাতার ভাষাই।
২২. প্রশ্ন: যত রেল এবং গতাগতির সুবিধা হবে, তত কোন্ ভেদ উঠে যাবে?
উত্তর: পূর্ব-পশ্চিমী ভেদ।
২৩. প্রশ্ন্য: চট্টগ্রাম হতে বৈদ্যনাথ পর্যন্ত কোন ভাষা অল্পদিনেই সমস্ত বাঙ্গালা দেশের ভাষা হয়ে যাবে?
উত্তর: কলকাতার ভাষা।
২৪. প্রশ্ন: কোন জেলার ভাষা সংস্কৃতের বেশি নিকট, সে কথা হচ্ছে না—কোন্টি দেখতে হবে?
উত্তর: কোন্ ভাষা জিতছে।
২৫. প্রশ্ন: যদি পুস্তকের ভাষা এবং ঘরে কথা-কওয়া ভাষা এক করতে হয়, তবে বুদ্ধিমানেরা কাকে ভিত্তিস্বরূপ গ্রহণ করবেন?
উত্তর: কলকাতার ভাষাকে।
২৬. প্রশ্ন: কলকাতার ভাষাকে ভিত্তিস্বরূপ গ্রহণ করার সময় কোন ঈর্ষাটিকে জলে ভাসান দিতে হবে?
উত্তর: গ্রাম্য ঈর্ষাটিকে।
২৭. প্রশ্ন: সমস্ত দেশের যাতে কল্যাণ, সেথা তোমার কোনটির প্রাধান্য ভুলে যেতে হবে?
উত্তর: জেলা বা গ্রামের প্রাধান্যটি।
২৮. প্রশ্ন: ভাষা কিসের বাহক?
উত্তর: ভাবের বাহক।
২৯. প্রশ্ন: ভাবই প্রধান, তার পরে কে আসে?
উত্তর: ভাষা।
৩০. প্রশ্ন: হীরেমতির সাজ-পরানো ঘোড়ার উপর কাকে বসালে ভালো দেখায় না?
উত্তর: বাঁদরকে।
৩১. প্রশ্ন: ব্রাহ্মণের সংস্কৃত, শবরস্বামীর কী, এবং পতঞ্জলির মহাভাষ্য দেখতে বলা হয়েছে?
উত্তর: মীমাংসাভাষ্য।
৩২. প্রশ্ন: পতঞ্জলির কী দেখতে বলা হয়েছে?
উত্তর: মহাভাষ্য।
৩৩. প্রশ্ন: শবরস্বামীর মীমাংসাভাষ্য, পতঞ্জলির মহাভাষ্য এবং শেষ কার ভাষ্য দেখতে বলা হয়েছে?
উত্তর: আচার্য শঙ্করের ভাষ্য।
৩৪. প্রশ্ন: যখন মানুষ বেঁচে থাকে, তখন কেমন কথা কয়?
উত্তর: জেন্ত-কথা কয়।
৩৫. প্রশ্ন: মরে গেলে মানুষ কেমন ভাষা কয়?
উত্তর: মরা-ভাষা কয়।
৩৬. প্রশ্ন: যত মরণ নিকট হয়, নূতন চিন্তাশক্তির যত ক্ষয় হয়, ততই দু-একটা পচা ভাব কী দিয়ে ছাপাবার চেষ্টা হয়?
উত্তর: রাশীকৃত ফুল-চন্দন দিয়ে।
৩৭. প্রশ্ন: দশপাতা লম্বা লম্বা বিশেষণের পর দুম করে কী লেখা থাকে?
উত্তর: 'রাজা আসীৎ'।
৩৮. প্রশ্ন: পচা ভাব ছাপানোর সময় কেমন বিশেষণ ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: প্যাঁচওয়া বিশেষণ।
৩৯. প্রশ্ন: দেশটা উৎসন্ন যেতে আরম্ভ হলে কোন্ সব চিহ্ন উদয় হয়েছিল?
উত্তর: এই সমস্ত পচা লক্ষণ ও প্যাঁচওয়া বিশেষণ।
৪০. প্রশ্ন: ভাষা ছাড়াও আর কিসের মধ্যে এই সমস্ত পচা লক্ষণ এসে পড়েছিল?
উত্তর: সকল শিল্পতেই।
৪১. প্রশ্ন: বাড়ির না আছে ভাব, না আছে কী?
উত্তর: ভঙ্গি।
৪২. প্রশ্ন: বাড়ির থামগুলোকে কী করে ফেলা হয়েছিল?
উত্তর: কুঁদে কুঁদে সারা করে দেওয়া হয়েছিল।
৪৩. প্রশ্ন: গয়নাটা নাক ফুঁড়ে ঘাড় ফুঁড়ে কী বানিয়ে দেওয়া হয়েছিল?
উত্তর: ব্রহ্মরাক্ষসী।
৪৪. প্রশ্ন: গান হচ্ছে, কি কান্না হচ্ছে, কি ঝগড়া হচ্ছে—তার ভাব বা উদ্দেশ্য কে বুঝতে পারেন না?
উত্তর: ভরত ঋষি।
৪৫. প্রশ্ন: গানের মধ্যে কিসের ধুম দেখা যায়?
উত্তর: প্যাঁচের ধুম।
৪৬. প্রশ্ন: গানের মধ্যে কেমন ডামাডোল থাকে?
উত্তর: আঁকাবাঁকা ডামাডোল ও ছত্রিশ নাড়ীর টান।
৪৭. প্রশ্ন: মুসলমান ওস্তাদের নকলে দাঁতে দাঁত চেপে, কার মধ্য দিয়ে গানের আবির্ভাব হয়?
উত্তর: নাকের মধ্য দিয়ে।
৪৮. প্রশ্ন: জাতীয় জীবনে যেমন যেমন বল আসবে, তেমন তেমন ভাষা শিল্প সংগীত কী হয়ে দাঁড়াবে?
উত্তর: ভাবময় প্রাণপূর্ণ।
৪৯. প্রশ্ন: দুটো চলিত কথায় যে কী আসবে, তা দু-হাজার ছাঁদি বিশেষণেও নাই?
উত্তর: ভাবরাশি।
৫০. প্রশ্ন: দেবতার মূর্তি দেখলেই মানুষের কী হবে?
উত্তর: ভক্তি হবে।
৫১. প্রশ্ন: গহনা-পরা মেয়েমাত্রই কী বলে বোধ হবে?
উত্তর: দেবী বলে।
৫২. প্রশ্ন: বাড়ি ঘর দোর সব কিসে ডগমগ করবে?
উত্তর: প্রাণস্পন্দনে।
৫৩. প্রশ্ন: স্বামী বিবেকানন্দের জন্ম কত খ্রিস্টাব্দের কত তারিখে হয়েছিল?
উত্তর: ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দের ১২ই জানুয়ারি।
৫৪. প্রশ্ন: স্বামী বিবেকানন্দ কলকাতার কোন্ পরিবারের জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: শিমুলিয়ার দত্ত পরিবারে।
৫৫. প্রশ্ন: স্বামী বিবেকানন্দের পিতার নাম কী ছিল?
উত্তর: বিশ্বনাথ দত্ত।
৫৬. প্রশ্ন: স্বামী বিবেকানন্দের পিতা পেশায় কী ছিলেন?
উত্তর: বিখ্যাত আটর্নি।
৫৭. প্রশ্ন: স্বামী বিবেকানন্দের মাতার নাম কী ছিল?
উত্তর: ভুবনেশ্বরী দেবী।
৫৮. প্রশ্ন: শৈশবে স্বামী বিবেকানন্দের ডাক নাম কী ছিল?
উত্তর: বীরেশ্বর বা বিলে।
৫৯. প্রশ্ন: স্বামী বিবেকানন্দ মাত্র কত বছর বয়সে প্রবেশিকা পরীক্ষায় পাশ করেন?
উত্তর: চোদ্দ বছর বয়সে।
৬০. প্রশ্ন: স্বামী বিবেকানন্দ কোন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রবেশিকা বা মেট্রোপলিটন পরীক্ষায় পাশ করেন?
উত্তর: মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউশন থেকে।
৬১. প্রশ্ন: স্বামী বিবেকানন্দ কোন কলেজ থেকে বি.এ. পাশ করেন?
উত্তর: জেনারেল অ্যাসেমব্লিজ ইনস্টিটিউশন থেকে (বর্তমান স্কটিশ চার্চ কলেজ)।
৬২. প্রশ্ন: কার অকাল মৃত্যুর পরংসারিক দায়দায়িত্ব স্বামীজির কাঁধে এসে পড়েছিল?
উত্তর: পিতার অকাল মৃত্যুর পর।
৬৩. প্রশ্ন: স্বামী বিবেকানন্দ কার সংস্পর্শে এসেছিলেন?
উত্তর: শ্রী রামকৃষ্ণদেবের।
৬৪. প্রশ্ন: রামকৃষ্ণের কাছ থেকে স্বামী বিবেকানন্দ কীসে দীক্ষা নিয়েছিলেন?
উত্তর: মানবসেবায়।
৬৫. প্রশ্ন: ঠাকুরের মৃত্যুর পর স্বামী বিবেকানন্দ কী রূপে সারা ভারত ভ্রমণ করেন?
উত্তর: পরিব্রাজক রূপে।
৬৬. প্রশ্ন: স্বামী বিবেকানন্দ কোন্ ধর্ম মহাসভায় যোগদানের জন্য আমেরিকা যাত্রা করেছিলেন?
উত্তর: শিকাগো ধর্ম মহাসভায়।
৬৭. প্রশ্ন: শিকাগো ধর্ম মহাসভায় বক্তৃতা দিয়ে স্বামী বিবেকানন্দ কাকে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরেছিলেন?
উত্তর: ভারতকে।
৬৮. প্রশ্ন: স্বামী বিবেকানন্দের রচিত একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনির নাম কী?
উত্তর: 'পরিব্রাজক'।
৬৯. প্রশ্ন: স্বামী বিবেকানন্দের রচিত সমাজচিন্তামূলক একটি গ্রন্থের নাম কী?
উত্তর: 'বর্তমান ভারত'।
৭০. প্রশ্ন: স্বামী বিবেকানন্দের রচিত অপর দুটি প্রবন্ধগ্রন্থের নাম কী?
উত্তর: 'ভাববার কথা' ও 'প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য'।
৭১. প্রশ্ন: স্বামী বিবেকানন্দ কোন কোন পত্রিকায় লিখেছেন?
উত্তর: 'উদ্বোধন', 'মাসিক বসুমতী' ইত্যাদি।
৭২. প্রশ্ন: স্বামী বিবেকানন্দ কত সালে 'রামকৃষ্ণ মিশন' প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর: ১৮৯৭ সালে।
৭৩. প্রশ্ন: স্বামী বিবেকানন্দ কত সালে 'বেলুড় মঠ' প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর: ১৮৯৯ সালে।
৭৪. প্রশ্ন: স্বামী বিবেকানন্দের মহাপ্রয়াণ বা জীবনাবসান কত খ্রিস্টাব্দের কত তারিখে হয়েছিল?
উত্তর: ১৯০২ খ্রিস্টাব্দের ৪ঠা জুলাই।
৭৫. প্রশ্নপ্রবন্ধে কোন কোন মহাপুরুষের নাম উল্লেখ করা হয়েছে যাঁরা সাধারণ মানুষের ভাষায় সাধারণকে শিক্ষা দিয়েছেন?
উত্তর: বুদ্ধ, চৈতন্য ও রামকৃষ্ণ।
৭৬. প্রশ্ন: স্বামীজির মতে ভাষার রূপ কেমন হওয়া উচিত?
উত্তর: সাফ ইস্পাতের মতো।
৭৭. প্রশ্ন: ভাষার কাজ কী?
উত্তর: মনের ভাব প্রকাশ করা এবং ভাবের বাহক হওয়া।
৭৮. প্রশ্ন: লেখক কোন শহরের ভাষাকে সমগ্র বাঙ্গালার দেশের ভাষা হিসেবে গ্রহণ করার কথা বলেছেন?
উত্তর: কলকাতার ভাষা।
৭৯. প্রশ্ন: মরে গেলে মানুষ কেমন ভাষা কয়?
উত্তর: মরা-ভাষা।
৮০. প্রশ্ন: প্রাচীন ও অর্বাচীন কালের মধ্যে কার সংস্কৃতের তুলনা টানা হয়েছে?
উত্তর: ব্রাহ্মণের সংস্কৃত।
৮১. প্রশ্ন: দেশ উৎসন্ন যাওয়ার সময় কোন শিল্পে কুঁদে কুঁদে সারা করে দেওয়া হয়েছিল?
উত্তর: বাড়ি তৈরির থামগুলো।
৮২. প্রশ্ন: গান গাওয়ার সময় কার বা কার ওস্তাদের নকল করা হয়?
উত্তর: মুসলমান ওস্তাদের।
৮৩. প্রশ্ন: জাতীয় জীবনে বল আসলে ভাষা, শিল্প, সংগীত কেমন হয়ে দাঁড়াবে?
উত্তর: ভাবময় প্রাণপূর্ণ।
৮৪. প্রশ্ন: দু-হাজার ছাঁদি বিশেষণেও কার তুলনা হয় না?
উত্তর: দুটো চলিত কথার ভাবরাশির।
৮৫. প্রশ্ন: গহনা-পরা মেয়েমাত্রই কী বলে বোধ হবে?
উত্তর: দেবী।
৮৬. প্রশ্ন: বাড়ি-ঘর-দোর কিসে ডগমগ করবে?
উত্তর: প্রাণস্পন্দনে।
৮৭. প্রশ্ন: স্বামীজির পিতার পেশা কী ছিল?
উত্তর: আটর্নি।
৮৮. প্রশ্ন: স্বামীজির ডাকনাম 'বিলে' ছাড়াও আর কী ছিল?
উত্তর: বীরেশ্বর।
৮৯. প্রশ্ন: স্বামীজির কলেজ জীবনের নামাঙ্কিত বর্তমান প্রতিষ্ঠানের নাম কী?
উত্তর: স্কটিশ চার্চ কলেজ।
৯০. প্রশ্ন: কোন মহাসভায় যোগ দিয়ে স্বামীজি বিশ্বজয় করেছিলেন?
উত্তর: শিকাগো ধর্ম মহাসভায়।
৯১. প্রশ্ন: স্বামীজির জন্মতারিখ ইংরেজি হিসেবে কত?
উত্তর: ১২ই জানুয়ারি, ১৮৬৩।
৯২. প্রশ্ন: স্বামীজির প্রয়াণতারিখ ইংরেজি হিসেবে কত?
উত্তর: ৪ঠা জুলাই, ১৯০২।
৯৩. প্রশ্ন: 'উদ্বোধন' পত্রিকা কোথায় থেকে প্রকাশিত হতো বা কার সম্পাদনার সাথে এটি যুক্ত ছিল?
উত্তর: কলকাতা (স্বামীজির প্রেরণা ও রামকৃষ্ণ মঠ-মিশনের মুখপত্র)।
৯৪. প্রশ্ন: কোন ভাষার গদাই-লস্করি চাল নকল করে আমাদের ভাষা অস্বাভাবিক হচ্ছে?
উত্তর: সংস্কৃতের।
৯৫. প্রশ্ন: মানুষ যখন বেঁচে থাকে তখন সে কেমন কথা কয়?
উত্তর: জেন্ত-কথা।
৯৬. প্রশ্ন: বরেণ্য লেখকদের ভাষায় পচা ভাব কিসের দ্বারা ছাপানোর চেষ্টা হয়?
উত্তর: রাশীকৃত ফুল-চন্দন দিয়ে।
৯৭. প্রশ্ন: ভরত ঋষি কী বুঝতে পারেন না বলে প্রবন্ধে উল্লেখ আছে?
উত্তর: গান হচ্ছে, কি কান্না হচ্ছে, কি ঝগড়া হচ্ছে—তার ভাব বা উদ্দেশ্য।
৯৮. প্রশ্ন: স্বামীজির প্রতিষ্ঠিত মঠটির নাম কী?
উত্তর: বেলুড় মঠ।
৯৯. প্রশ্ন: স্বামীজির প্রতিষ্ঠিত মিশনের নাম কী?
উত্তর: রামকৃষ্ণ মিশন।
১০০. প্রশ্ন: স্বামী বিবেকানন্দের মতে ভাষার প্রধান কাজ বা বাহক কী?
উত্তর: ভাব।
-----------------------------------------পোটরাজ'-----------------------------------------------------
শঙ্কররাও খারাট-এর **'পোটরাজ'** ছোটগল্প থেকে ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো। আপনার নির্দেশ অনুযায়ী কোনো অপশন রাখা হয়নি, সরাসরি প্রশ্ন ও উত্তর প্রদান করা হলো:
১. প্রশ্ন: 'পোটরাজ' গল্পটির মূল রচয়িতা কে?
উত্তর: শঙ্কররাও খারাট।
২. প্রশ্ন: 'পোটরাজ' গল্পটি বাংলায় কে অনুবাদ করেছেন?
উত্তর: সুনন্দন চক্রবর্তী।
৩. প্রশ্ন: পোটরাজ দামার বাড়ির আবহাওয়া কেমন ছিল?
উত্তর: ভারী।
৪. প্রশ্ন: দামার বাড়ির লোকেরা কীভাবে বসেছিল?
উত্তর: হাঁটুর উপর মাথা রেখে।
৫. প্রশ্ন: কার চোখ জলে ভরা ছিল এবং শাড়ির আঁচল দিয়ে চোখ মুছছিল?
উত্তর: দামার বৌয়ের (দুরপতের)।
৬. প্রশ্ন: পাড়ার বৌ-ঝিরা এসে কী করছিল?
উত্তর: একটুক্ষণ থেকে চলে যাচ্ছিল।
৭. প্রশ্ন: লোকে এসে দুরপতের কাছে কী শুধোচ্ছিল?
উত্তর: 'দুরপত, পোটরাজ কেমন আছে?'
৪. প্রশ্ন: দুরপত করুণ মুখে লোকজনকে কী জবাব দিচ্ছিল?
উত্তর: 'এখনও প্রাণটুকু আছে খালি, বাবা।'
৯. প্রশ্ন: গ্রামের প্রায় প্রত্যেক বাড়িতেই কার কী অবস্থা ছিল?
উত্তর: প্রত্যেকের বাড়িতেই কমপক্ষে একজন বিছানায় শোয়া ছিল।
১০. প্রশ্ন: কারু যাওয়ার সময় হলে সে যাবে এবং যার সময় হয়নি তার যা-ই রোগ হোক না কেন সে কী হবে?
উত্তর: টিকে যাবে।
১১. প্রশ্ন: এখন কার মুখে চাওয়ার সময় বলে লোকজনের সান্ত্বনা দিচ্ছিল?
উত্তর: ঠাকুরের মুখে।
১২. প্রশ্ন: দুরপতের বাড়ির সামনের নিমগাছে হঠাৎ কী এসে চেঁচিয়ে ওঠে?
উত্তর: একটা কাক।
১৩. প্রশ্ন: কাকটা চেঁচিয়ে উঠলে দুরপত কী বলেছিল?
উত্তর: 'এই বাচ্চারা! মার বেজন্মাকে। পোটরাজকে ডাকে রে।'
১৪. প্রশ্ন: দুরপতের ছেলে কার দিকে ঢিল ছুড়েছিল?
উত্তর: কাকটার দিকে।
১৫. প্রশ্ন: দুরপত গজগজ করে আপনমনে কাকটা সম্পর্কে কী বলত?
উত্তর: 'সবসময় বেজন্মাটা আমাদের শাপমণ্যি করছে।'
১৬. প্রশ্ন: গল্পে কোন মাসের আবহাওয়ার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: আষাঢ় মাস।
১৭. প্রশ্ন: আষাঢ় মাসের আকাশ কেমন ছিল?
উত্তর: সারা আকাশ মেঘে ঢাকা।
১৮. প্রশ্ন: আষাঢ় মাসে আকাশ থেকে কেমন বৃষ্টি পড়ছিল?
উত্তর: সমানে ঝিরঝিরিয়ে বৃষ্টি পড়ছিল।
১৯. প্রশ্ন: বৃষ্টির কারণে মাটি কেমন হয়ে উঠেছিল?
উত্তর: কাদায় আঠাল হয়ে এসেছিল।
২০. প্রশ্ন: আষাঢ় মাসের আবহাওয়া কেমন ছিল?
উত্তর: গুমোট।
২১. প্রশ্ন: গাছের পাতাগুলো আষাঢ় মাসে কেমন ছিল?
উত্তর: একটুও নড়ছিল না, স্থির ছিল।
২২. প্রশ্ন: স্থির গাছগুলো থেকে কীভাবে জল ঝরছিল?
উত্তর: ফোঁটায় ফোঁটায়।
২৩. প্রশ্ন: দামার বাড়ির দরজায় কে টানা চিৎকার জুড়ে দিয়েছিল?
উত্তর: একটা কুকুর।
২৪. প্রশ্ন: কুকুরের টানা চিৎকার শুনে কার প্রাণ শুকিয়ে গিয়েছিল?
উত্তর: দুরপতের।
২৫. প্রশ্ন: কুকুরের চিৎকার শুনে দুরপতের পাশের বসা বৌটি কী বলেছিল?
উত্তর: 'ছেড়ে দাও। ভবিষ্যতের কথা বলছে গো।'
২৬. প্রশ্ন: দুরপতের অন্য পাশে বসা মহিলাটির নাম কী ছিল?
উত্তর: বঞ্চলা (বা বঞ্চলাবাঈ)।
২৭. প্রশ্ন: বঞ্চলা দুরপতকে কী জিজ্ঞেস করেছিল?
উত্তর: 'দুরপা, মারী-আই-এর যাত্রায় গিয়েছিলি তো?'
২৮. প্রশ্ন: দুরপত মারী-আই-এর যাত্রায় যাওয়ার বিষয়ে কী বলেছিল?
উত্তর: 'যেতে ভুলি কী ক'রে?'
২৯. প্রশ্ন: দেবী মারী-আই যদি নিদয়াও হন, তবে তাঁকে কী দিতেই হবে?
উত্তর: কিছু দিতেই হবে।
৩০. প্রশ্ন: কার সাধ্য আছে সমস্ত দেবতার মধ্যে দেবীকে তুচ্ছ করে?
উত্তর: মারী-আই-কে।
৩১. প্রশ্ন: দেবী মারী-আই-এর কী বর্ণনা বা কল্পনার বাইরে?
উত্তর: ক্রোধ।
৩২. প্রশ্ন: দামা কে ছিল?
উত্তর: মায়ের পোটরাজ বা ভক্ত।
৩৩. প্রশ্ন: দামা নিয়মিত কী করত?
উত্তর: মায়ের পুজো করত।
৩৪. প্রশ্ন: দুরপতের মতে সে এই বাড়িতে বৌ হয়ে আসার পর থেকে কার সামনে পিদিম (প্রদীপ) দিয়েছে?
উত্তর: মারী-আই-এর সামনে।
৩৫. প্রশ্ন: দুরপত মারী-আই-এর উদ্দেশ্যে কোন কোন বারে উপোস করত?
উত্তর: মঙ্গলবার ও শুক্রবার।
৩৬. প্রশ্ন: দুরপত দেবীকে কীসে স্নান করাত?
উত্তর: দুধে ও দইতে।
৩৭. প্রশ্ন: দুরপত দেবীকে কোন রঙের শাড়ি পরাত?
উত্তর: সবুজ শাড়ি।
৩৮. প্রশ্ন: দুরপত দেবীর কপালে কী দিত?
উত্তর: হলুদ ও কুমকুম।
৩৯. প্রশ্ন: দুরপত দেবীর সুমুখে কী ভোগ ও কী দিত?
উত্তর: ভোগ দিত এবং নারকেল দিত।
৪০. প্রশ্ন: প্রতি আষাঢ়ে অমাবস্যায় স্নানের পর ভেজা শাড়িতে দুরপত কী করত?
উত্তর: গড়ান দিত।
৪১. প্রশ্ন: ছাগল দিতে না পারলে দুরপত দেবীকে কী দিত?
উত্তর: কুকুরো (মোরগ বা মুরগি)।
৪২. প্রশ্ন: দুরপত দেবীর দোরে কিসের ছড়া দিত?
উত্তর: রক্তের ছড়া।
৪৩. প্রশ্ন: দুরপত মারী-আই-এর মন্দিরের দিকে মুখ করে হাত জোড় করে কী প্রার্থনা করেছিল?
উত্তর: সোয়ামিকে বাঁচানোর জন্য এবং হাগা বমি বন্ধ করার জন্য।
৪৪. প্রশ্নর রাতে বাড়ির চারিদিকে চক্কর দিতে-দিতে তীক্ষ্ণ চিৎকারে অন্ধকারকে চেরে কে?
উত্তর: একটা ফেউ।
৪৫. প্রশ্ন: ফেউয়ের চিৎকার শুনে কার বুকের ধুকধুকি পলকের জন্য থমকাত?
উত্তর: দুরপতের।
৪৬. প্রশ্ন: পরের দিন আকাশে কীভাবে মেঘ ঘন করে আসে?
উত্তর: চারদিক অন্ধকার, খাঁ-খাঁ লাগে।
৪৭. প্রশ্ন: পোটরাজের বাড়িতে কে দুয়ারে এসে হাজির হয়েছিল?
উত্তর: গাঁয়ের মোড়ল ও তার চেলা।
৪৮. প্রশ্ন: মোড়ল দরজায় এসে চেঁচিয়ে কাকে ডাক দিয়েছিল?
উত্তর: দামাকে।
৪৯. প্রশ্ন: পোটরাজের বাড়ি থেকে কোনো জবাব না আসায় মোড়ল কী করেছিল?
উত্তর: গলা চড়িয়েছিল।
৫০. প্রশ্ন: মোড়লের গলা চড়ানোর পর উঁকি দিয়ে কারা চারজন লোককে দেখতে পেয়েছিল?
উত্তর: বাড়ির একজন।
৫১. প্রশ্ন: গ্রামমণ্ডলের লোকেরা এসে কী দেখতে চেয়েছিল?
উত্তর: পোটরাজ কেমন আছে।
৫২. প্রশ্ন: পোটরাজ কয়দিন ধরে রোদে বের হয় না?
উত্তর: তিনদিন।
৫৩. প্রশ্ন: দুরপত কার সামনে দাঁড়িয়ে আঁচল দিয়ে চোখ মুছেছিল?
উত্তর: মোড়লের সামনে।
৫৪. প্রশ্ন: মোড়ল দুরপতের অবস্থা দেখে দামা কোথায় আছে বলে জানতে চেয়েছিল?
উত্তর: ঘরে বিছানায়।
৫৫. প্রশ্ন: দামা বিছানায় আছে শোনার পর মোড়ল অবাক হয়ে কী বলেছিল?
উত্তর: 'বলো কী, মা নিজের ভক্তকেই হেনেছেন?'
৫৬. প্রশ্ন: দেবীর চক্কর যখন শুরু হয়েছে, তখন কে কোপে পড়বে আর কে পড়বে না—তার কী নেই?
উত্তর: ঠিক নেই।
৫৭. প্রশ্ন: মোড়ল দুরপতকে কী করার কথা বলেছিল?
উত্তর: আরেকবার যাত্রা করতেই হবে।
৫৮. প্রশ্ন: মারী-আইকে কোথায় নিয়ে যেতে হবে বলে মোড়ল জানিয়েছিল?
উত্তর: গাঁয়ের সীমানায়।
৫৯. প্রশ্ন: দেবীকে গাঁয়ের সীমানার বাইরে রেখে না এলে কী কাটবে না?
উত্তর: গাঁয়ের উপর থেকে মার চক্কর কাটবে না।
৬০. প্রশ্ন: পোটরাজ বিছানায় পড়ে থাকলে মোড়লের মাথায় কী বুদ্ধি এসেছিল?
উত্তর: দামার বড়ো ছেলেকে পোটরাজের জায়গায় 'যাত্রা' করতে পাঠানোর কথা।
৬১. প্রশ্ন: দুরপতের বড়ো ছেলের নাম কী?
উত্তর: আনন্দ।
৬২. প্রশ্ন: আনন্দ কোথায় পড়াশোনা করত?
উত্তর: হাইস্কুলে।
৬৩. প্রশ্ন: আনন্দ হাইস্কুলে কোন ভাষা পড়ছিল?
উত্তর: ইংরেজি।
৬৪. প্রশ্ন: বাবার জায়গায় আনন্দকে পোটরাজ বানিয়ে 'যাত্রা' করানোর কথা কে বলেছিল?
উত্তর: মোড়ল।
৬৫. প্রশ্ন: শুধু বাক্যিতে কি পোটরাজ হয়, তার জন্য কী দরকার?
উত্তর: 'যাত্রা' করা এবং দেবীর কাছে কিছু মানত করা।
৬৬. প্রশ্ন: পোটরাজের কাজ বা মায়ের দায়িত্ব সারা জীবন বয়ে বেড়াতে হবে ভেবে কার রাগ হচ্ছিল?
উত্তর: আনন্দের।
৬৭. প্রশ্ন: আনন্দের নিঃশ্বাস কেমন হয়ে এসেছিল?
উত্তর: ঘন হয়ে এসেছিল।
৬৮. প্রশ্ন: মোড়লের সঙ্গে আসা একরোখা গোছের লোক কর্কশভাবে কী বলেছিল?
উত্তর: ওকে পোটরাজের পোশাক পড়িয়ে পাঠাচ্ছিস কি না?
৬৯. প্রশ্ন: ধমকানোর সুর শুনে আনন্দ কী করেছিল?
উত্তর: রাগে কাঁপতে শুরু করেছিল এবং লাফিয়ে উঠে হাত মুঠি করেছিল।
৭০. প্রশ্ন: গ্রামের লোকেরা ভয় দেখিয়ে চলে যাওয়ার পর দুরপত কী করেছিল?
উত্তর: ঘরে গিয়ে কপাল চাপড়ে মেঝেতে পড়েছিল।
৭১. প্রশ্ন: দামা শূন্যদৃষ্টিতে কার দিকে তাকিয়ে ছিল?
উত্তর: বৌ-এর দিকে।
৭২. প্রশ্ন: আনন্দ দৌড়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে কোথায় গিয়েছিল?
উত্তর: মারী-আই-এর থানের দিকে।
৭৩. প্রশ্ন: আনন্দ মারী-আই-এর থানের দিকে যাওয়ার সময় দুরপত তাকে কীভাবে ডেকেছিল?
উত্তর: 'আনন্দ, আনন্দ' বলে চেঁচিয়ে ডেকেছিল।
৭৪. প্রশ্ন: পরের দিন সকালে চান করে এসে আনন্দ কার পাশে বসেছিল?
উত্তর: বাবার পাশে।
৭৫. প্রশ্ন: লোকে কী বলে আলোচনা করছিল?
উত্তর: মা নিজের গাঁয়ের ধারে গিয়ে বসে আছেন।
৭৬. প্রশ্ন: মা নতুন কী শাড়ি পরে বসে আছেন বলে লোকে বলেছিল?
উত্তর: সবুজ শাড়ি।
৭৭. প্রশ্ন: মারী-আইয়ের গলায় কীসের তৈরি নতুন হার ছিল?
উত্তর: সবুজ বালা দিয়ে তৈরি।
৭৮. প্রশ্ন: মারী-আইয়ের সামনে কী জ্বলছিল?
উত্তর: রুপোর চক্ষু সামনে চেয়ে আছে (বা পুজো হচ্ছিল)।
৭৯. প্রশ্ন: মারী-আই গাঁয়ের ধারে চলে যাওয়ায় দামার ভক্তির জোরে এটা হয়েছে বলে কার খুশি ধরছিল না?
উত্তর: দুরপতের।
৮০. প্রশ্ন: দামার শূন্য চোখে কিসের বল ফিরে এসেছিল?
উত্তর: দেহের বল।
৮১. প্রশ্ন: দামা উঠে বসে খাওয়ার জন্য কী চেয়েছিল?
উত্তর: জল।
৮২. প্রশ্ন: জল খাওয়ার পর দামা একটু কী খেয়েছিল?
উত্তর: গরম ভাতের পায়েস।
৮৩. প্রশ্ন: ভক্তেরা থালায় কী আর নিভোদ নিয়ে গাঁয়ের ধারে চলেছে?
উত্তর: নারকোল।
৮৪. প্রশ্ন: দামা পোটরাজের বাড়ির সামনে মিছিল পৌঁছানোর সময় কী বাজছিল?
উত্তর: ঢাক ও ঘণ্টা বাজছিল।
৮৫. প্রশ্ন: ভক্তেরা উল্লাসে চেঁচিয়ে কী স্লোগান দিচ্ছিল?
উত্তর: 'মারী-আই কি জয়!'
৮৬. প্রশ্ন: মিছিল থেকে একজন এগিয়ে এসে দামার গলায় কী পরিয়ে দিয়েছিল?
উত্তর: হলুদ ফুলের মালা।
৮৭. প্রশ্ন: মিছিলের লোকজন দামার নামে কী জয়ধ্বনি দিয়েছিল?
উত্তর: 'দামা পোটরাজ কি জয়!'
৮৮. প্রশ্ন: দামার মুখ আলো হয়ে যাওয়ার পর আনন্দ কোথায় দাঁড়িয়েছিল?
উত্তর: দরজায়।
৮৯. প্রশ্ন: আনন্দ মায়ের কাছে এসে ফিশফিশ করে কী বলেছিল?
উত্তর: 'মা, মারী-আই-কে আমি গাঁয়ের ধারে রেখে এসেছি।'
৯০. প্রশ্ন: আনন্দের কথা শুনে দুরপত কীভাবে চমকে উঠেছিল?
উত্তর: গভীর আতঙ্কে।
৯১. প্রশ্ন: দুরপত আতঙ্কিত হয়ে আনন্দকে কীসের দিব্যি দিয়েছিল?
উত্তর: মাথার দিব্যি।
৯২. প্রশ্ন: দুরপত আনন্দকে কী নিষেধ করেছিল?
উত্তর: কাউকে কখনো যেন সে এই কথা না বলে।
৯৩. প্রশ্ন: মারী-আইকে গাঁয়ের ধারে রেখে আসার কথা শোনার পর কে হেসেছিল?
উত্তর: আনন্দ।
৯৪. প্রশ্ন: 'পোটরাজ' গল্পটির অনুবাদক কে?
উত্তর: সুনন্দন চক্রবর্তী।
৯৫. প্রশ্ন: শঙ্কররাও খারাট কত খ্রিস্টাব্দের কত তারিখে জন্মগ্রহণ করেছিলেন?
উত্তর: ১৯২১ খ্রিস্টাব্দের ১১ই জুলাই।
৯৬. প্রশ্ন: শঙ্কররাও খারাট প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর কোন ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন?
উত্তর: বৌদ্ধ ধর্ম।
৯৭. প্রশ্ন: শঙ্কররাও খারাট কার সাথে যুক্ত ছিলেন?
উত্তর: ড. বি. আর. আম্বেদকারের সাথে।
৯৮. প্রশ্ন: শঙ্কররাও খারাট কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন?
উত্তর: মারাঠওয়াড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের।
৯৯. প্রশ্ন: শঙ্কররাও খারাটের সবচেয়ে বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাসটির নাম কী?
উত্তর: 'তারাল অন্তরাল'।
১০০. প্রশ্ন: শঙ্কররাও খারাটের লেখার মূলত কোন সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনের কথা প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তর: দলিত সম্প্রদায়ের মানুষের।
------------------------------**'তার সঙ্গে'** -----------------------------------------
পাবলো নেরুদা রচিত এবং শক্তি চট্টোপাধ্যায় অনূদিত **'তার সঙ্গে'** কবিতাটি থেকে গুরুত্বপূর্ণ ১০০টি প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো। আপনার নির্দেশ অনুযায়ী কোনো অপশন রাখা হয়নি, সরাসরি প্রশ্ন ও উত্তর প্রদান করা হলো:
১. প্রশ্ন: 'তার সঙ্গে' কবিতাটির রচয়িতা কে?
উত্তর: পাবলো নেরুদা।
২. প্রশ্ন: 'তার সঙ্গে' কবিতাটি বাংলায় কে অনুবাদ করেছেন?
উত্তর: শক্তি চট্টোপাধ্যায়।
৩. প্রশ্ন: কবির মতে সময়টা কেমন ছিল না?
উত্তর: খুব সুবিধের না।
৪. প্রশ্ন: সময়টা খুব সুবিধের না হওয়ায় কার জন্যে অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে?
উত্তর: কবির জন্যে।
৫. প্রশ্ন: দুজনে মিলে খুব সমঝে কাকে পার করতে হবে?
উত্তর: সময়টাকে।
৬. প্রশ্ন: কাকে কার হাতে রাখতে বলা হয়েছে?
উত্তর: ছোট্ট দুটি হাতকে কবির হাতে।
৭. প্রশ্ন: কষ্টেসৃষ্টেও কী করতে হবে বলে কবি জানিয়েছেন?
উত্তর: উঠে দাঁড়াবো।
৮. প্রশ্ন: কষ্টেসৃষ্টে উঠে দাঁড়িয়ে কী করার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: ব্যাপারটা বুঝবো, আহ্লাদ করবো।
৯. প্রশ্ন: কবির আবার কেমন জুড়ি রয়েছে?
উত্তর: যার স্থানে-অস্থানে বেঁচেবর্তে এসেছে।
১০. প্রশ্নকারা কোথায় ফাটলেও বাসা বানাতে আটকায়নি?
উত্তর: পাথরে-ফাটলেও।
১১. প্রশ্ন: সময়টা মোটেই সুবিধের না বলে কী করতে বলা হয়েছে?
উত্তর: রোসো, আমার জন্যে দাড়াও।
১২. প্রশ্ন: কাঁকে কী নিতে বলা হয়েছে?
উত্তর: ঝুড়ি নাও।
১৩. প্রশ্ন: ঝুড়ির সঙ্গে আর কী নিতে বলা হয়েছে?
উত্তর: শাবল নাও।
১৪. প্রশ্ন: ঝুড়ি ও শাবল নেওয়ার পর আর কী পরতে বলা হয়েছে?
উত্তর: জুতো পরো।
১৫. প্রশ্ন: জুতোর পরে আর কী সঙ্গে নিতে বলা হয়েছে?
উত্তর: কাপড়চোপড় সঙ্গে নিয়ে নাও, যা পারো।
১৬. প্রশ্ন: এখন আমাদের একে অপরকে কেন লাগবে?
উত্তর: শুধু কারণেশন ফুলের জন্যে না, মধু তালাসের জন্যেও না।
১৭. প্রশ্ন: আমাদের দুজনের হাতগুলোই কেন লাগবে?
উত্তর: ধুয়ে মুছে আগুন বানাবার জন্যে।
১৮. প্রশ্ন: এই যে সুবিধের-নয়-সময় মাথা যতোই উঁচু করুক, আমরা কী করব?
উত্তর: আমরা আমাদের চার হাত চার চোখে একে যুঝবোই।
১৯. প্রশ্ন: পাবলো নেরুদা কত খ্রিস্টাব্দের কত তারিখে জন্মগ্রহণ করেছিলেন?
উত্তর: ১৯০৪ খ্রিস্টাব্দের ১২ই জুলাই।
২০. প্রশ্নপ্রকৃত নাম কী ছিল?
উত্তর: নেফতালি রিকার্দো রেয়েস বাসোয়ালতো।
২১. প্রশ্ন: পাবলো নেরুদা পেশাগতভাবে কী ছিলেন?
উত্তর: চিলির বিখ্যাত কবি, কূটনীতিক ও রাজনীতিবিদ।
২২. প্রশ্ন: ছেলেবেলা থেকেই তাঁর কীসের সূত্রপাত হয়েছিল?
উত্তর: কবিতা রচনার।
২৩. প্রশ্ন: তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'Twenty love poems and a Song of Despair' কত খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে।
২৪. প্রশ্ন: পাবলো নেরুদা কত খ্রিস্টাব্দে কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন?
উত্তর: ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দে।
২৫. প্রশ্ন: প্রতিবাদী কবিতা রচনার পাশাপাশি তিনি আর কী লিখেছেন?
উত্তর: পরাবাস্তববাদী কবিতা ও রাজনৈতিক ইস্তাহার।
২৬. প্রশ্ন: পাবলো নেরুদা কত খ্রিস্টাব্দে আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার পান?
উত্তর: ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে।
২৭. প্রশ্নপ্রদান করা হয়েছিল?
উত্তর: ১৯৭১ সালে।
২৮. প্রশ্ন: 'তার সঙ্গে' কবিতাটি কার অনূদিত কোন গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
উত্তর: শক্তি চট্টোপাধ্যায় অনূদিত 'পাবলো নেরুদার শ্রেষ্ঠ কবিতা' থেকে।
২৯. প্রশ্ন: কবিতায় কার সঙ্গে অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে?
উত্তর: কবির সঙ্গে।
৩০. প্রশ্ন: কার ছোট্ট দুটি হাত হাতে রাখতে বলা হয়েছে?
উত্তর: যার উদ্দেশ্যে কবিতাটি লেখা হয়েছে (তোমার)।
৩১. প্রশ্ন: কষ্টেসৃষ্টে কী করার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: উঠে দাঁড়ানো।
৩২. প্রশ্ন: কার স্থানে-অস্থানে বেঁচেবর্তে আসার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: জুড়ির।
৩৩. প্রশ্ন: কোথায় বাসা বানাতে আটকায়নি?
উত্তর: পাথরে-ফাটলেও।
৩৪. প্রশ্ন: কাঁধে নেওয়ার জন্য কোন পাত্রের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: ঝুড়ি।
৩৫. প্রশ্ন: ঝুড়ির সঙ্গে নেওয়ার জন্য কোন যন্ত্রের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: শাবল।
৩৬. প্রশ্ন: পায়ের জন্য কী পরতে বলা হয়েছে?
উত্তর: জুতো।
৩৭. প্রশ্ন: জুতোর পাশাপাশি আর কী সঙ্গে নিতে বলা হয়েছে?
উত্তর: কাপড়চোপড়।
৩৮. প্রশ্ন: কার জন্যে হাতগুলো লাগবে না বলে উল্লেখ আছে?
উত্তর: কারণেশন ফুলের জন্যে বা মধু তালাসের জন্যে।
৩৯. প্রশ্ন: হাতগুলো ধুয়ে মুছে কী বানাবার জন্য লাগবে?
উত্তর: আগুন।
৪০. প্রশ্ন: সুবিধের-নয়-সময় মাথা যতই উচু করুক, আমরা কটি হাত দিয়ে যুঝব?
উত্তর: চার হাত।
৪১. প্রশ্ন: সুবিধের-নয়-সময় মাথা যতই উঁচু করুক, আমরা কটি চোখ দিয়ে যুঝব?
উত্তর: চার চোখে।
৪২. প্রশ্ন: নেরুদার প্রকৃত নাম কী ছিল?
উত্তর: নেফতালি রিকার্দো রেয়েস বাসোয়ালতো।
৪৩. প্রশ্ন: নেরুদা কোন দেশের কবি ছিলেন?
উত্তর: চিলি।
৪৪. প্রশ্ন: নেরুদার জন্মসাল কত?
উত্তর: ১৯০৪ খ্রিস্টাব্দ।
৪৫. প্রশ্ন: নেরুদার প্রয়াণ সাল কত?
উত্তর: ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দ (২৩শে সেপ্টেম্বর)।
৪৬. প্রশ্ন: নেরুদা নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন কত সালে?
উত্তর: ১৯৭১ সালে।
৪৭. প্রশ্ন: 'তার সঙ্গে' কবিতাটির অনুবাদক কে?
উত্তর: শক্তি চট্টোপাধ্যায়।
৪৮. প্রশ্ন: কবিতাটিতে সময়কে কেমন বলা হয়েছে?
উত্তর: সুবিধের না।
৪৯. প্রশ্ন: ঝুড়ি আর শাবল নিয়ে কার প্রস্তুত হতে বলা হয়েছে?
উত্তর: প্রিয়জনকে বা সঙ্গীকে।
৫০. প্রশ্ন: আগুন বানানোর জন্য কী ধুয়ে মুছে নিতে হবে?
উত্তর: হাতগুলো।
৫১. প্রশ্ন: পাথরের ফাটলে কাদের বাসা বানাতে আটকায়নি?
উত্তর: যাদের কথা কবি জুড়ি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
৫২. প্রশ্ন: নেরুদা কত সালে আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার পান?
উত্তর: ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে।
৫৩. প্রশ্ন: নেরুদার রাজনৈতিক দল হিসেবে কোন পার্টির নাম পাওয়া যায়?
উত্তর: কমিউনিস্ট পার্টি।
৫৪. প্রশ্ন: শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের অনুবাদে নেরুদার কোন শ্রেষ্ঠ কবিতা থেকে এটি নেওয়া হয়েছে?
উত্তর: 'পাবলো নেরুদার শ্রেষ্ঠ কবিতা'।
৫৫. প্রশ্ন: কবিতায় কার দুটি ছোট হাত নিজের হাতে রাখতে বলা হয়েছে?
উত্তর: সঙ্গীর বা প্রিয়ার।
৫৬. প্রশ্ন: উঠে দাঁড়িয়ে কোন কাজটি করার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: ব্যাপারাবোধ করা ও আহ্লাদ করা।
৫৭. প্রশ্ন: ঝুড়ি ও শাবল নিয়ে কী করতে বলা হয়েছে?
উত্তর: প্রস্তুত হতে ও সঙ্গে থাকতে।
৫৮. প্রশ্ন: কারণেশন ফুল বা কিসের জন্য তাদের হাত লাগবে না?
উত্তর: মধু তালাসের জন্য।
৫৯. প্রশ্ন: চার হাত ও চার চোখে কাকে যুঝতে বলা হয়েছে?
উত্তর: সুবিধের-নয়-সময়কে।
৬০. প্রশ্ন: নেফতালি রিকার্দো রেয়েস বাসোয়ালতো কার প্রকৃত নাম?
উত্তর: পাবলো নেরুদার।
৬১. প্রশ্ন: পাবলো নেরুদা কোন দেশের কূটনীতিক ছিলেন?
উত্তর: চিলি।
৬২. প্রশ্ন: নেরুদা কত বছর বয়সে মারা যান?
উত্তর: ৬৯ বছর বয়সে (১৯০৪ থেকে ১৯৭৩)।
৬৩. প্রশ্ন: নেরুদার জন্মতারিখ কত?
উত্তর: ১২ই জুলাই।
৬৪. প্রশ্ন: নেরুদার মৃত্যুতারিখ কত?
উত্তর: ২৩শে সেপ্টেম্বর।
৬৫. প্রশ্ন: নেরুদার রাজনৈতিক পরিচয় ছাড়াও তিনি আর কী ছিলেন?
উত্তর: কবি ও কূটনীতিক।
৬৬. প্রশ্ন: নেরুদার পরাবাস্তববাদী কবিতার পাশাপাশি আর কী লেখার উল্লেখ আছে?
উত্তর: রাজনৈতিক ইস্তাহার।
৬৭. প্রশ্ন: কবিতাটিতে কার জুড়ির কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: কবির নিজের এক জুড়ির।
৬৮. প্রশ্ন: পাথরের ফাটলেও যাদের কী আটড়ায়নি?
উত্তর: বাসা বানাতে।
৬৯. প্রশ্ন: কাঁকে কী নিতে বলা হয়েছে?
উত্তর: ঝুড়ি।
৭০. প্রশ্ন: কাঁধের ঝুড়ির সঙ্গে আর কী নেওয়ার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: শাবল।
৭১. প্রশ্ন: পরিধানের জন্য কী পরতে বলা হয়েছে?
উত্তর: জুতো।
৭২. প্রশ্ন: সঙ্গে আর কী নিতে বলা হয়েছে?
উত্তর: কাপড়চোপড়।
৭৩. প্রশ্ন: হাতগুলো ধুয়ে মুছে কী বানাতে হবে?
উত্তর: আগুন।
৭৪. প্রশ্ন: সুবিধের-নয়-সময় মাথা কী করবে?
উত্তর: যতোই উঁচু করুক।
৭৫. প্রশ্ন: আমরা আমাদের কটি হাত ও চোখে যুঝব?
উত্তর: চার হাত চার চোখে।
৭৬. প্রশ্ন: কবিতাটিতে কোন ফুলের নাম উল্লেখ আছে?
উত্তর: কারণেশন ফুল।
৭৭. প্রশ্ন: মধু তালাসের জন্য কী লাগবে না?
উত্তর: দুজনের হাত।
৭৮. প্রশ্ন: সময়টা মোটেই কেমন নয়?
উত্তর: সুবিধের না।
৭৯. প্রশ্ন: কবির জন্য অপেক্ষা করার সময় কী করতে বলা হয়েছে?
উত্তর: রোসো, দাঁড়াও।
৮০. প্রশ্ন: কষ্টেসৃষ্টেও কার উঠে দাঁড়ানোর কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: কবি নিজে।
৮১. প্রশ্ন: জুড়িদের জীবন কোথায় বেঁচেবর্তে এসেছে?
উত্তর: স্থানে-অস্থানে।
৮২. প্রশ্ন: পাথরের ফাটলেও কাদের বাসা বানাতে আটকায়নি?
উত্তর: সেই জুড়িদের।
৮৩. প্রশ্ন: নেরুদার কোন কাব্যগ্রন্থটি ১৯৪৩ সালে প্রকাশিত হয়?
উত্তর: 'Twenty love poems and a Song of Despair'।
৮৪. প্রশ্ন: নেরুদা কোন সালে কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন?
উত্তর: ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দে।
৮৫. প্রশ্ন: নেরুদার সাহিত্যে নোবেল প্রাপ্তির সাল কত?
উত্তর: ১৯৭১ সাল।
৮৬. প্রশ্ন: 'তার সঙ্গে' কবিতাটির অনুবাদক কোন বিখ্যাত বাঙালি কবি?
উত্তর: শক্তি চট্টোপাধ্যায়।
৮৭. প্রশ্ন: কবিতায় সময়কে অতিক্রম করার জন্য কীভাবে হাত রাখতে বলা হয়েছে?
উত্তর: ছোট্ট দুটি হাত হাতে রাখতে বলা হয়েছে।
৮৮. প্রশ্ন: সময়কে পার করার জন্য দুজনকে কীভাবে তা করতে হবে?
উত্তর: খুব সমঝে।
৮৯. প্রশ্ন: ঝুড়ি ও শাবল নেওয়ার পর আর কী সঙ্গে নিতে বলা হয়েছে?
উত্তর: কাপড়চোপড়, যা পারো।
৯০. প্রশ্ন: কারণেশন ফুলের সঙ্গে কোনটির অন্বেষণের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: মধু তালাসের।
৯১. প্রশ্ন: আগুন বানানোর জন্য হাতগুলোকে কী করতে হবে?
উত্তর: ধুয়ে মুছে নিতে হবে।
৯২. প্রশ্ন: সুবিধের-নয়-সময় মাথা উঁচু করলে কিসের সাহায্যে তা যুঝতে হবে?
উত্তর: চার হাত চার চোখ।
৯৩. প্রশ্ন: পাবলো নেরুদার জন্মস্থান কোথায়?
উত্তর: চিলি।
৯৪. প্রশ্ন: নেরুদার আসল নাম কয়টি শব্দে গঠিত?
উত্তর: চারটি (নেফতালি রিকার্দো রেয়েস বাসোয়ালতো)।
৯৫. প্রশ্ন: 'তার সঙ্গে' কবিতার মূল সুর কীসের ওপর ভিত্তি করে রচিত?
উত্তর: প্রতিকূল সময়কে একসঙ্গে অতিক্রম করার লড়াই ও সংহতি।
৯৬. প্রশ্ন: শক্তি চট্টোপাধ্যায় অনূদিত গ্রন্থটির নাম কী?
উত্তর: 'পাবলো নেরুদার শ্রেষ্ঠ কবিতা'।
৯৭. প্রশ্ন: জুতো পরে আর কী সঙ্গে নিতে বলা হয়েছে?
উত্তর: কাপড়চোপড়।
৯৮. প্রশ্ন: পাথরের ফাটলে কী করা আটকায়নি?
উত্তর: বাসা বানাতে।
৯৯. প্রশ্ন: কার জুড়ির স্থানে-অস্থানে বেঁচেবর্তে আসার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: কবির।
১০০. প্রশ্ন: 'তার সঙ্গে' কবিতায় কার কার সম্মিলিত লড়াইয়ের ইঙ্গিত রয়েছে?
উত্তর: কবি ও তাঁর সঙ্গীর।
------------------------------------------------
উচ্চমাধ্যমিক (Class 12) তৃতীয় সেমিস্টারের নতুন পাঠ্যক্রম অনুযায়ী কবি শ্রীজাতর ‘ধর্ম’ কবিতাটির গুরুত্বপূর্ণ
কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'ধর্ম' (মূল কাব্যগ্রন্থে 'অন্ধকার লেখাগুচ্ছ ১৪') কবিতাটি নিচে দেওয়া হলো, যেখানে বিভিন্ন মহামানব ও প্রকৃতির অনুষঙ্গে প্রকৃত ধর্মের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। কবিতাটি প্রকৃত ধর্ম হিসেবে সৃষ্টি, সাধনা ও সম্প্রীতিকে তুলে ধরে এবং দখলের রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করে।
ধর্ম
— শ্রীজাত
আবদুল করিম খাঁ-র ধর্ম ছিল গান।
আইনস্টাইনের ধর্ম দিগন্ত পেরনো।
কবীরের ধর্ম ছিল সত্যের বয়ান।
বাতাসের ধর্ম শুধু না-থামা কখনও।
আইনস্টাইনের ধর্ম দিগন্ত পেরনো।
কবীরের ধর্ম ছিল সত্যের বয়ান।
বাতাসের ধর্ম শুধু না-থামা কখনও।
ভ্যান গঘের ধর্ম ছিল উন্মাদনা। আঁকা।
গার্সিয়া লোরকা-র ধর্ম কবিতার জিত।
লেনিনের ধর্ম ছিল নতুন পতাকা।
আগুনের ধর্ম আজও ভস্মের চরিত।
গার্সিয়া লোরকা-র ধর্ম কবিতার জিত।
লেনিনের ধর্ম ছিল নতুন পতাকা।
আগুনের ধর্ম আজও ভস্মের চরিত।
এত এত ধর্ম কিন্তু একই গ্রহে থাকে।
এ-ওকে, সে-তাকে আরও জায়গা করে দেয়।
তবে কেন অন্য পথ ভাবায় তোমাকে?
তোমার ধর্মের পথে কেন অপব্যয়?
এ-ওকে, সে-তাকে আরও জায়গা করে দেয়।
তবে কেন অন্য পথ ভাবায় তোমাকে?
তোমার ধর্মের পথে কেন অপব্যয়?
যে তোমাকে শিখিয়েছে দখলের কথা —
জেনো সে ধর্মই নয়। প্রাতিষ্ঠানিকতা।
জেনো সে ধর্মই নয়। প্রাতিষ্ঠানিকতা।
ধর্ম’ হলো সমসাময়িক আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি সুপরিচিত ও ভাবগম্ভীর কবিতা, যা দ্বাদশ শ্রেণির নতুন পাঠ্যসূচির (সেমিস্টার ৩) অন্তর্ভুক্ত। কবি এই কবিতায় প্রচলিত প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের গণ্ডি পেরিয়ে মানুষের ব্যক্তিগত সৃজনশীলতা, কর্ম, উদারতা এবং মুক্তচেতনাকে প্রকৃত 'ধর্ম' হিসেবে তুলে ধরেছেন।
কবিতার মূল পাঠ (কবিতাংশ)"আবদুল করিম খাঁ-র ধর্ম ছিল গান।আইনস্টাইনের ধর্ম দিগন্ত পেরনো।কবীরের ধর্ম ছিল সত্যের বয়ান।বাতাসের ধর্ম শুধু না-থামা কখনও।ভ্যান গঘের ধর্ম ছিল উন্মাদনা। আঁকা।গার্সিয়া লোরকা-র ধর্ম কবিতার জিত।লেনিনের ধর্ম ছিল নতুন পতাকা।আগুনের ধর্ম আজও ভস্মের চরিত।এত এত ধর্ম কিন্তু একই গ্রহে থাকে।এ-ওকে, সে-তাকে আরও জায়গা করে দেয়।তবে কেন অন্য পথ ভাবায় তোমাকে?তোমার ধর্মের পথে কেন..."কবিতার মূল ভাববস্তু ও বিশ্লেষণকবি শ্রীজাত এই কবিতায় ধর্মের এক সম্পূর্ণ নতুন এবং প্রগতিশীল সংজ্ঞা তৈরি করেছেন:সৃজনশীলতা ও সাধনাই প্রকৃত ধর্ম: কবির চোখে কোনো মানুষের পেশা, শিল্প বা সাধনাই তার আসল পরিচয়। যেমন— উস্তাদ আবদুল করিম খাঁ-র ধর্ম গান, বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের ধর্ম অজানাকে চেনা (দিগন্ত পেরনো) আর চিত্রশিল্পী ভ্যান গঘের ধর্ম ছবি আঁকা।প্রকৃতির নিয়ম: মানুষের পাশাপাশি প্রকৃতির উপাদানগুলোরও নিজস্ব ধর্ম রয়েছে। যেমন— বাতাসের ধর্ম চিরকাল বয়ে চলা এবং আগুনের ধর্ম পুড়িয়ে ছাই করা।সহাবস্থান ও সম্প্রীতি: পৃথিবীতে এত বৈচিত্র্যময় মানুষের নিজস্ব চিন্তাভাবনা ও কর্মধারা থাকা সত্ত্বেও তারা একই গ্রহে পরম শান্তিতে একে অপরকে জায়গা করে দিয়ে সহাবস্থান করে।সংকীর্ণতার বিরুদ্ধে প্রশ্ন: কবিতার শেষাংশে কবি সেইসব মানুষদের দিকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন, যারা ধর্মকে সংকীর্ণ আচার-অনুষ্ঠান বা বিভেদের রাজনীতি হিসেবে ব্যবহার করে হানাহানি সৃষ্টি করে।
MCQ প্রশ্ন ও উত্তর
১. 'ধর্ম' কবিতাটি কার লেখা?
উত্তর: শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়।
২. কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
উত্তর: 'অন্ধকার লেখাগুচ্ছ'।
৩. এটি উক্ত কাব্যগ্রন্থের কত সংখ্যক কবিতা?
উত্তর: ১৪ সংখ্যক কবিতা।
৪. আব্দুল করিম খাঁ-র ধর্ম কী ছিল?
উত্তর: গান।
৫. আব্দুল করিম খাঁ কে ছিলেন?
উত্তর: একজন প্রখ্যাত ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী।
৬. আইনস্টাইনের ধর্ম কী ছিল?
উত্তর: দিগন্ত পেরনো।
৭. আইনস্টাইন কে ছিলেন?
উত্তর: বিশ্বখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী।
৮. 'দিগন্ত পেরনো' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: অজানাকে জানা বা নতুন নতুন বৈজ্ঞানিক সত্যের উন্মোচন।
৯. কবীরের ধর্ম কী ছিল?
উত্তর: সত্যের বয়ান।
১০. কবীর কে ছিলেন?
উত্তর: মধ্যযুগের ভারতের একজন বিখ্যাত মরমী কবি ও সন্ত।
১১. কবীরের ধর্মের মূল ভিত্তি কী?
উত্তর: সত্য কথা বা সত্যের আদর্শ।
১২. বাতাসের ধর্ম কী?
উত্তর: কখনও না-থামা।
১৩. বাতাসের এই গতি কীসের প্রতীক?
উত্তর: নিরবচ্ছিন্ন প্রাণশক্তি এবং গতির।
১৪. ভ্যান গঘের ধর্ম কী ছিল?
উত্তর: উন্মাদনা ও আঁকা।
১৫. ভ্যান গঘ কে ছিলেন?
উত্তর: বিশ্ববিখ্যাত ওলন্দাজ চিত্রশিল্পী।
১৬. ভ্যান গঘের ক্ষেত্রে 'উন্মাদনা' শব্দটির প্রয়োগ কেন করা হয়েছে?
উত্তর: কারণ তিনি শিল্পের জন্য চরম উন্মাদনা এবং মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে গেছেন।
১৭. গার্সিয়া লোরকার ধর্ম কী ছিল?
উত্তর: কবিতার জিত।
১৮. গার্সিয়া লোরকা কোন দেশের কবি?
উত্তর: স্পেন (স্প্যানিশ কবি)।
১৯. লোরকার কাছে ধর্ম আসলে কী?
উত্তর: কবিতার জয় বা বিজয়গাথা।
২০. লেনিনের ধর্ম কী ছিল?
উত্তর: নতুন পতাকা।
২১. লেনিন কে ছিলেন?
উত্তর: বলশেভিক বিপ্লবের নেতা এবং আধুনিক রাশিয়ার জনক।
২২. 'নতুন পতাকা' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: নতুন সমাজব্যবস্থা বা বিপ্লবের আদর্শ।
২৩. আগুনের ধর্ম কী?
উত্তর: ভস্মের চরিত।
২৪. 'ভস্মের চরিত' বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়ার কাজ বা ইতিহাস।
২৫. এতগুলো ধর্ম কোথায় অবস্থান করে?
উত্তর: একই গ্রহে (পৃথিবীতে)।
২৬. ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের মানুষরা একে অপরের জন্য কী করে?
উত্তর: জায়গা করে দেয়।
২৭. কবিতাটিতে 'এ-ওকে, সে-তাকে' বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: ভিন্ন ভিন্ন মতাদর্শ বা ধর্মের মানুষদের।
২৮. কবি মানুষের প্রতি কী প্রশ্ন রেখেছেন?
উত্তর: কেন অন্য পথ তোমাকে ভাবায়?
২৯. 'অন্য পথ' বলতে এখানে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: হানাহানি, বিদ্বেষ বা বিভেদের পথ।
৩০. কবির মতে ধর্মের পথে কী হচ্ছে?
উত্তর: অপব্যয়।
৩১. 'অপব্যয়' শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: অনর্থক খরচ বা অপচয়।
৩২. কবি কাকে ধর্ম হিসেবে অস্বীকার করেছেন?
উত্তর: যা দখলের কথা শেখায়।
৩৩. 'দখল' শব্দটির তাৎপর্য কী?
উত্তর: পররাজ্য বা পরের অধিকার গ্রাস করা।
৩৪. দখলের ধর্মকে কবি কী নামে অভিহিত করেছেন?
উত্তর: প্রাতিষ্ঠানিকতা।
৩৫. 'প্রাতিষ্ঠানিকতা' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: ধর্মের বাহ্যিক আচার-অনুষ্ঠান বা ক্ষমতার কাঠামো।
৩৬. 'বয়ান' শব্দের আভিধানিক অর্থ কী?
উত্তর: বক্তব্য বা বর্ণনা।
৩৭. কবি প্রকৃতি ও মানুষকে কীভাবে মিলিয়েছেন?
উত্তর: প্রকৃতির উপাদানের (বাতাস, আগুন) মতো মানুষেরও নিজস্ব কর্মই তার ধর্ম।
৩৮. এই কবিতায় প্রকৃত ধর্ম হিসেবে কাকে দেখা হয়েছে?
উত্তর: সৃষ্টি, সাধনা ও সম্প্রীতিকে।
৩৯. লোরকার পুরো নাম কী?
উত্তর: ফেদেরিকো গার্সিয়া লোরকা।
৪০. লোরকাকে কোন ধর্মের অনুসারী বলা হয়েছে?
উত্তর: কবিতার।
৪১. 'অন্ধকার লেখাগুচ্ছ' কত সালে প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ২০১৫ সালে।
৪২. শ্রীজাত কোন যুগের কবি?
উত্তর: আধুনিক যুগের।
৪৩. কবিতায় উল্লিখিত আগুনের বিশেষণ কী?
উত্তর: আজন্ম বা আজও।
৪৪. 'একই গ্রহে' বলতে কোন গ্রহের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: পৃথিবী।
৪৫. 'অপব্যয়' কেন হয়?
উত্তর: মানুষ যখন সংকীর্ণ স্বার্থে ধর্মকে ব্যবহার করে।
৪৬. কবি কি এখানে প্রচলিত ধর্মমতের কথা বলেছেন?
উত্তর: না, তিনি কর্ম ও আদর্শের ধর্মকে বুঝিয়েছেন।
৪৭. 'জিত' শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: জয়।
৪৮. 'চরিত' শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: চরিত্র বা জীবনকাহিনী।
৪৯. ভ্যান গঘের প্রধান পরিচয় কী?
উত্তর: তিনি একজন অমর চিত্রশিল্পী।
৫০. কবীর ও লোরকার মধ্যে মিল কোথায়?
উত্তর: দুজনেই শিল্পের মাধ্যমে সত্য ও অধিকারের কথা বলেছেন।
৫১. আগুনের ধর্ম কি পরিবর্তিত হয়েছে?
উত্তর: না, আগুনের ধর্ম আজও একই আছে।
৫২. 'জায়গা করে দেয়'—কথাটির মাধ্যমে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: পরমতসহিষ্ণুতা।
৫৩. কবিতাটি কোন স্বরে লেখা?
উত্তর: প্রতিবাদী এবং প্রশ্নমুখর।
৫৪. 'দখল' করার মানসিকতা কার?
উত্তর: যারা প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম পালন করে।
৫৫. 'তুমি' বলতে কবি কাকে সম্বোধন করেছেন?
উত্তর: সাধারণ মানুষকে বা পাঠককে।
৫৬. আইনস্টাইন কেন দিগন্ত পেরনোর কথা ভাবেন?
উত্তর: কারণ বিজ্ঞান কোনো সীমানা মানে না।
৫৭. বাতাসের ধর্মের সাথে আগুনের ধর্মের পার্থক্য কী?
উত্তর: বাতাস গতিশীল আর আগুন দহনকারী।
৫৮. কবির মতে কার ধর্ম সবচেয়ে বেশি সহিষ্ণু?
উত্তর: যারা একে অন্যকে জায়গা করে দেয়।
৫৯. শ্রীজাতের জন্ম কবে?
উত্তর: ২১শে ডিসেম্বর ১৯৭৫।
৬০. লেনিনের পুরো নাম কী?
উত্তর: ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন।
৬১. লোরকা কেন বিখ্যাত?
উত্তর: তার কবিতা এবং বীরত্বপূর্ণ জীবনের জন্য।
৬২. 'ভস্ম' বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: ছাই।
৬৩. কবীরের পদগুলোকে কী বলা হয়?
উত্তর: দোঁহা।
৬৪. 'অন্য পথ' ভাবার কারণ কী?
উত্তর: লোভ, হিংসা এবং ভুল শিক্ষা।
৬৫. প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম ও প্রকৃত ধর্মের প্রধান পার্থক্য কী?
উত্তর: প্রকৃত ধর্ম মেলায়, প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম বিভেদ তৈরি করে।
৬৬. আব্দুল করিম খাঁ কোন সংগীত ধারার গায়ক?
উত্তর: হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীত (কেরানা ঘরানা)।
৬৭. উন্মাদনা কি কেবল নেতিবাচক?
উত্তর: না, শিল্পীর ক্ষেত্রে তা সৃষ্টিশীলতার চরম পর্যায়।
৬৮. 'নতুন পতাকা' কীসের ইঙ্গিত দেয়?
উত্তর: সাম্য ও পরিবর্তনের।
৬৯. 'ধর্ম' শব্দের আক্ষরিক অর্থ এখানে কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে?
উত্তর: বৈশিষ্ট্য বা স্বভাব।
৭০. কবিতাটির মূল বার্তা কী?
উত্তর: মানবতার জয়গান।
৭১. কবিতায় উল্লিখিত ব্যক্তিরা কি সবাই একই পেশার?
উত্তর: না, বিভিন্ন পেশা ও ক্ষেত্রের।
৭২. বিজ্ঞানীর ধর্ম কী হওয়া উচিত?
উত্তর: নতুন সত্য আবিষ্কার।
৭৩. সমাজ সংস্কারকের ধর্ম কী?
উত্তর: নতুন পথ দেখানো (লেনিন)।
৭৪. শিল্পীর ধর্ম কী?
উত্তর: নিজের সৃষ্টির মধ্যে ডুবে থাকা (ভ্যান গঘ)।
৭৫. আগুনের চরিত্র আজও পাল্টায়নি কেন?
উত্তর: কারণ তা প্রকৃতির শাশ্বত নিয়ম।
৭৬. মানুষ কেন নিজের ধর্মের পথে অপব্যয় করে?
উত্তর: অন্ধ গোঁড়ামির কারণে।
৭৭. 'দখলের কথা' কে শিখিয়েছে?
উত্তর: স্বার্থান্বেষী সমাজ বা প্রতিষ্ঠান।
৭৮. কেন একই গ্রহে থেকে মানুষ আলাদা পথ খোঁজে?
উত্তর: ক্ষমতার আস্ফালনে।
৭৯. 'জিত' শব্দটি লোরকার সাথে কেন যুক্ত?
উত্তর: তার কবিতা ও আদর্শ আজও মানুষের মনে জয়ী হয়ে আছে।
৮০. আব্দুল করিম খাঁ-র জীবন কীসের সাধনা ছিল?
উত্তর: সুরের ও গানের।
৮১. আইনস্টাইন কোন বিষয়ের জন্য বিশ্বখ্যাত?
উত্তর: আপেক্ষিকতাবাদ তত্ত্ব (Theory of Relativity)।
৮২. বাতাসের ধর্মকে কবি কেন কখনও না-থামা বলেছেন?
উত্তর: কারণ থামা মানেই মৃত্যু বা স্থবিরতা।
৮৩. 'ভস্মের চরিত' কী ধরনের শব্দগুচ্ছ?
উত্তর: আলঙ্কারিক প্রয়োগ।
৮৪. 'অপব্যয়' শব্দটি কীসের বিপরীতার্থক হিসেবে বসেছে?
উত্তর: সুব্যবহার বা সার্থকতার।
৮৫. কেন প্রাতিষ্ঠানিকতাকে ধর্ম বলা হয় না?
উত্তর: কারণ তা মানুষের স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি হরণ করে।
৮৬. কবির কাছে মানুষের শ্রেষ্ঠ ধর্ম কোনটি?
উত্তর: সহাবস্থান।
৮৭. কবীর কোন ধর্মের প্রচারক ছিলেন?
উত্তর: মানবধর্মের।
৮৮. লোরকাকে কেন হত্যা করা হয়েছিল?
উত্তর: তার মুক্তচিন্তা ও রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে।
৮৯. লেনিন কোন আন্দোলনের মুখ ছিলেন?
উত্তর: শ্রমিক আন্দোলন ও সমাজতন্ত্র।
৯০. 'ধর্ম' কবিতায় কি কোনো বিশেষ উপাসনার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: না।
৯১. 'সাঁঝবাতি' কাব্যগ্রন্থটি কার?
উত্তর: শ্রীজাতের (এটি অন্য তথ্য, তবে কবির পরিচয় হিসেবে)।
৯২. কবিতাটি কোন পটভূমিতে লেখা?
উত্তর: সমকালীন ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার প্রেক্ষাপটে।
৯৩. 'অন্য পথ' বলতে কি নেতিবাচক ইঙ্গিত রয়েছে?
উত্তর: হ্যাঁ, বিভেদের পথ হিসেবে।
৯৪. ধর্মের পথে ‘অপব্যয়’ কীসের প্রতীক?
উত্তর: নৈতিক অবক্ষয়ের।
৯৫. ভ্যান গঘের আঁকা কি সহজ ছিল?
উত্তর: না, তা ছিল তীব্র যন্ত্রণার ফসল।
৯৬. 'চরিত' শব্দের আক্ষরিক অর্থ কী?
উত্তর: জীবনচরিত বা কর্মধারা।
৯৭. 'না-থামা' কীসের পরিচয় দেয়?
উত্তর: প্রবাহমানতার।
৯৮. 'একই গ্রহে' শব্দবন্ধটি কীসের ওপর জোর দেয়?
উত্তর: ঐক্যবদ্ধ বাসস্থানের ওপর।
৯৯. দখলের রাজনীতি কীসের পরিপন্থী?
উত্তর: প্রকৃত ধর্মের।
১০০. শেষ লাইনের গুরুত্ব কী?
উত্তর: এটি কবিতার মূল সুর বা নির্যাস, যা ভণ্ড ধর্মকে চিহ্নিত করে।
-----------------------------------------দিগ্বিজয়ের রূপকথা-------------------------------------------------
১. 'দিগ্বিজয়ের রূপকথা' কবিতাটির কবি কে?
উঃ নবনীতা দেবসেন।
২. নবনীতা দেবসেন কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
উঃ ১৩ই জানুয়ারি, ১৯৩৮ সালে।
৩. কবির মৃত্যু কবে হয়?
উঃ ৭ই নভেম্বর, ২০১৯ সালে।
৪. নবনীতা দেবসেন কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উঃ দক্ষিণ কলকাতার হিন্দুস্থান পার্কের 'ভালোবাসা' গৃহে।
৫. কবির পিতার নাম কী ছিল?
উঃ নরেন্দ্র দেব।
৬. কবির মাতার নাম কী ছিল?
উঃ রাধারাণী দেবী।
৭. নবনীতা দেবসেনের বাবা-মা দুজনেই কী ছিলেন?
উঃ বিশিষ্ট কবি দম্পতি।
৮. কবি কোন স্কুলে পড়াশোনা শুরু করেন?
উঃ গোখেল মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল।
৯. তিনি কোন কলেজে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন?
উঃ লেডি ব্রেবোর্ন এবং প্রেসিডেন্সি কলেজ।
১০. তিনি ভারতের কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেছেন?
উঃ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়।
১১. কবির বিদেশের ডিগ্রি কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নেওয়া?
উঃ হার্ভার্ড ও কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়।
১২. নবনীতা দেবসেন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন?
উঃ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের।
১৩. তিনি কোন বিভাগে অধ্যাপনা করতেন?
উঃ তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগে।
১৪. কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কী?
উঃ 'প্রথম প্রত্যয়'।
১৫. 'প্রথম প্রত্যয়' কত সালে প্রকাশিত হয়?
উঃ ১৯৫৯ সালে।
১৬. কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
উঃ 'দেশ' পত্রিকায়।
১৭. নবনীতা দেবসেনের প্রথম উপন্যাসের নাম কী?
উঃ 'আমি অনুপম'।
১৮. 'আমি অনুপম' উপন্যাসটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
উঃ ১৯৭৬ সালে।
১৯. নবনীতা দেবসেন মোট কতগুলি গ্রন্থ রচনা করেছেন?
উঃ আটত্রিশটি।
২০. কবি কত সালে 'পদ্মশ্রী' সম্মান লাভ করেন?
উঃ ২০০০ সালে।
২১. 'দিগ্বিজয়ের রূপকথা' কবিতাটি কোন গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
উঃ 'নবনীতা দেবসেনের শ্রেষ্ঠ কবিতা'।
২২. কবিতার শুরুতে বক্তা নিজেকে রক্তে কী বলেছেন?
উঃ রাজপুত্র।
২৩. জননীকে কবি কী বিশেষণে ভূষিত করেছেন?
উঃ দুঃখিনী।
২৪. রাজপুত্রকে কোথায় যেতে হবে?
উঃ দিগ্বিজয়ে।
২৫. কে রাজপুত্রকে সাজিয়ে দিলেন?
উঃ দুয়োরানী।
২৬. কবির কাছে রাজপুত্রের চিরাচরিত কোন সরঞ্জাম ছিল না?
উঃ কবচকুণ্ডল।
২৭. যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে রাজপুত্রের কাছে কী ছিল না?
উঃ ধনুক ও তৃণীর।
২৮. মাথায় পরার মতো কী ছিল না রাজপুত্রের?
উঃ শিরস্ত্রাণ।
২৯. রাজপুত্রের কাছে কয়টি সরঞ্জাম ছিল?
উঃ দুটি।
৩০. এই সরঞ্জাম দুটি কেমন ছিল?
উঃ আশীর্বাদী এবং জাদুসমৃদ্ধ।
৩১. প্রথম সরঞ্জামটির নাম কী?
উঃ জাদু-অশ্ব।
৩২. জাদু-অশ্ব মরুপথে কিসের রূপ ধারণ করে?
উঃ উট।
৩৩. আকাশে জাদু-অশ্ব কী হিসেবে ওড়ে?
উঃ পুষ্পক রথ।
৩৪. সিন্ধুজলে জাদু-অশ্ব কিসে রূপান্তরিত হয়?
উঃ সপ্তডিঙ্গা।
৩৫. তেপান্তরে জাদু-অশ্বের নাম কী হয়?
উঃ পক্ষীরাজ।
৩৬. কবি এই জাদু-অশ্বের আসল নাম কী রেখেছেন?
উঃ 'বিশ্বাস'।
৩৭. দ্বিতীয় সরঞ্জামটি কী?
উঃ মন্ত্রপূতঃ অসি (তলোয়ার)।
৩৮. এই অসি বা তলোয়ারটি কোথায় রাখা ছিল?
উঃ হৃদয়ের খাপে।
৩৯. অসিটি কী দিয়ে তৈরি?
উঃ শাণিত ইস্পাত খণ্ড।
৪০. অসিটির বৈশিষ্ট্য কী?
উঃ এটি অভঙ্গুর বা যা ভেঙে ফেলা যায় না।
৪১. কবি এই অসির নাম কী রেখেছেন?
উঃ 'ভালোবাসা'।
৪২. রাজপুত্রের লক্ষ্যস্থল বা গন্তব্য কোথায়?
উঃ তৃয়াহর খজুরের দ্বীপ।
৪৩. 'দিগ্বিজয়' শব্দের অর্থ কী?
উঃ চতুর্দিক জয় করা।
৪৪. 'অসি' শব্দের অর্থ কী?
উঃ তলোয়ার বা খড়গ।
৪৫. 'তৃণীর' বলতে কী বোঝায়?
উঃ বাণ রাখার আধার।
৪৬. 'শিরস্ত্রাণ' শব্দের অর্থ কী?
উঃ হেলমেট বা মাথার রক্ষা কবচ।
৪৭. 'মন্ত্রপূতঃ' শব্দের অর্থ কী?
উঃ মন্ত্র দ্বারা পবিত্র করা হয়েছে এমন।
৪৮. 'পুষ্পক' বলতে প্রাচীন মতে কোন যানকে বোঝানো হয়?
উঃ পুষ্পক বিমান বা রথ।
৪৯. 'তেপান্তর' বলতে কী বোঝানো হয়?
উঃ তিনটি প্রান্তরের সমাহার বা বিশাল মাঠ।
৫০. 'খাপ' বলতে কী বোঝায়?
উঃ তলোয়ার রাখার আধার।
৫১. রাজপুত্রের জননীকে 'দুঃখিনী' বলা হয়েছে কেন?
উঃ রাজপুত্র হয়েও তাঁর সম্পদের অভাব প্রকাশ করতে।
৫২. 'কবচকুণ্ডল' কোন বীরের সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে যুক্ত?
উঃ বীর কর্ণ।
৫৩. 'সপ্তডিঙ্গা' কোন প্রাচীন গল্পের কথা মনে করিয়ে দেয়?
উঃ চাঁদ সওদাগরের বাণিজ্য তরী।
৫৪. 'পক্ষীরাজ' কোন গল্পের অনুষঙ্গ?
উঃ রূপকথার গল্পের ডানাওয়ালা ঘোড়া।
৫৫. 'বিশ্বাস' কার নাম?
উঃ জাদু-অশ্বের।
৫৬. 'ভালোবাসা' কার নাম?
উঃ মন্ত্রপূতঃ অসির।
৫৭. কবি কেন তলোয়ারটিকে 'হৃদয়ের খাপে' রেখেছেন?
উঃ কারণ ভালোবাসা হৃদয় থেকেই জন্মায়।
৫৮. 'অভঙ্গুর' শব্দটি কেন ব্যবহার করা হয়েছে?
উঃ ভালোবাসা যে অবিনশ্বর তা বোঝাতে।
৫৯. 'শাণিত ইস্পাত' কিসের প্রতীক?
উঃ দৃঢ়তা এবং স্বচ্ছতার প্রতীক।
৬০. রাজপুত্র গন্তব্যে পৌঁছানোর ব্যাপারে কতটা নিশ্চিত?
উঃ তিনি সম্পূর্ণ নিশ্চিত।
৬১. 'তৃয়াহর খজুরের দ্বীপ'— এখানে 'খজুর' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উঃ খেজুর গাছ।
৬২. 'দুয়োরানী' শব্দটি রূপকথার কোন প্রেক্ষাপট তুলে ধরে?
উঃ অবহেলিত অথচ মমতাময়ী রানীর কথা।
৬৩. এই কবিতায় 'মরুপথ' কিসের প্রতীক?
উঃ জীবনের কঠিন বা রুক্ষ সময়ের প্রতীক।
৬৪. 'সিন্ধুজল' কিসের প্রতীক?
উঃ জীবনের অনিশ্চিত গভীরতার প্রতীক।
৬৫. কবির বাবা নরেন্দ্র দেব কোন যুগের কবি ছিলেন?
উঃ রবীন্দ্র-উত্তর যুগের বিশিষ্ট কবি।
৬৬. কবির মা রাধারাণী দেবীর সাহিত্যিক নাম কী ছিল?
উঃ রাধারাণী দেবী (তিনিও বিশিষ্ট কবি ছিলেন)।
৬৭. নবনীতা দেবসেনের লেখা কয়েকটি গদ্যগ্রন্থের কথা কবিতায় উল্লেখ আছে কি?
উঃ না, শুধু প্রবন্ধ, রম্যরচনা, ভ্রমণকাহিনি ও উপন্যাসের সংখ্যার কথা বলা আছে।
৬৮. কবির জন্মস্থানের নাম কী ছিল?
উঃ 'ভালোবাসা' গৃহ।
৬৯. 'প্রথম প্রত্যয়' কাব্যগ্রন্থটি কোন সালে প্রকাশিত হয়?
উঃ ১৯৫৯ সালে।
৭০. নবনীতা দেবসেন কোন সম্মান দ্বারা ভারত সরকার থেকে ভূষিত হন?
উঃ পদ্মশ্রী।
৭১. কবিতায় রাজপুত্র কোন সরঞ্জাম নিয়ে রওনা হয়েছেন?
উঃ বিশ্বাস ও ভালোবাসা।
৭২. 'কবচকুণ্ডল নেই'— লাইনটি কী প্রকাশ করে?
উঃ বাহ্যিক সুরক্ষার অভাব।
৭৩. 'মন্ত্রপূতঃ অসি' কোথায় থাকে?
উঃ হৃদয়ের খাপে।
৭৪. 'আশীর্বাদী দুটি সরঞ্জাম'— সরঞ্জাম দুটি কে দিয়েছেন?
উঃ জননী ও দুয়োরানী (আশীর্বাদস্বরূপ)।
৭৫. রাজপুত্রের সাজ কে ঠিক করে দিয়েছেন?
উঃ দুয়োরানী।
৭৬. 'সপ্তডিঙ্গা' কোথায় সাজে?
উঃ সিন্ধুজলে।
৭৭. 'মরুপথে সেই হয় উট'— এখানে 'সেই' বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
উঃ জাদু-অশ্ব বা বিশ্বাসকে।
৭৮. কবির জন্ম তারিখ কোনটি?
উঃ ১৩ই জানুয়ারি।
৭৯. কবি কত বছর বেঁচে ছিলেন?
উঃ প্রায় ৮১ বছর।
৮০. নবনীতা দেবসেনের পৈত্রিক আবাস কোথায় ছিল?
উঃ দক্ষিণ কলকাতা।
৮১. তিনি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার সাথে যুক্ত ছিলেন?
উঃ হার্ভার্ড ও কেমব্রিজ।
৮২. কবিতায় উল্লিখিত দ্বীপটির নাম কী?
উঃ তৃয়াহর খজুরের দ্বীপ।
৮৩. 'অভঙ্গুর' শব্দটির বিপরীত শব্দ কী?
উঃ ভঙ্গুর।
৮৪. 'অশ্ব' শব্দের একটি প্রতিশব্দ লেখো।
উঃ ঘোড়া বা ঘোটক।
৮৫. 'অসি' শব্দের একটি প্রতিশব্দ লেখো।
উঃ কৃপাণ বা খড়গ।
৮৬. 'তৃণীর' শব্দের একটি সমার্থক শব্দ কী?
উঃ নিসঙ্গ।
৮৭. 'শিরস্ত্রাণ' কোথায় পরা হয়?
উঃ মাথায়।
৮৮. 'পুষ্পক' কোথায় ওড়ে?
উঃ আকাশে।
৮৯. 'দুঃখিনী জননী'— এখানে 'জননী' শব্দের অর্থ কী?
উঃ মা।
৯০. কবির মোট প্রকাশিত গ্রন্থ সংখ্যা কত?
উঃ ৩৮টি।
৯১. নবনীতা দেবসেন কোন বিষয় নিয়ে অধ্যাপনা করতেন?
উঃ তুলনামূলক সাহিত্য।
৯২. 'দিগ্বিজয়ের রূপকথা' কোন জাতীয় কবিতা?
উঃ রূপকধর্মী আধুনিক কবিতা।
৯৩. কবিতায় 'বিশ্বাস' এবং 'ভালোবাসা' এই দুটি কিসের রূপক?
উঃ মানুষের মানসিক শক্তির রূপক।
৯৪. জীবনের পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য কবি কোনটিকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন?
উঃ বিশ্বাস এবং ভালোবাসাকে।
৯৫. 'জাদু-অশ্ব' শব্দটি কিসের ইঙ্গিত দেয়?
উঃ অলৌকিক বা অসীম ক্ষমতার।
৯৬. 'ইস্পাত খণ্ড' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উঃ অতিশয় কঠিন ধাতু।
৯৭. 'নিশ্চিত পৌঁছুবো'— এখানে রাজপুত্রের কী প্রকাশ পেয়েছে?
উঃ আত্মবিশ্বাস।
৯৮. 'খাপ' শব্দের একটি সমার্থক শব্দ কী?
উঃ কোষ।
৯৯. 'দিগ্বিজয়' যাত্রা কার অনুপ্রেরণায় সফল হয়?
উঃ মায়ের আশীর্বাদ এবং নিজের বিশ্বাসের জোরে।
১০০. কবিতার শেষে কোন অনুভূতির জয়গান গাওয়া হয়েছে?
উঃ মানবীয় গুণাবলী ও দৃঢ় সংকল্পের।
------------------------------------------------------------------------------------------------------
পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ (সেমিস্টার-৩)
বিষয়: বাংলা (ভাষা)
অধ্যায়: ভাষাবিজ্ঞান ও তার শাখা-প্রশাখা
প্রশ্ন ১: ভাষাবিজ্ঞান কাকে বলে?
উত্তর: ভাষার গঠন ও প্রকৃতি নিয়ে বিজ্ঞানসম্মত চর্চাকেই বলা হয় ভাষাবিজ্ঞান।
প্রশ্ন ২: আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানের জনক কাকে বলা হয়?
উত্তর: সুইজারল্যান্ডের ভাষাবিজ্ঞানী ফার্দিনান্দ দ্য সোস্যুর-কে আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
প্রশ্ন ৩: ভাষাবিজ্ঞানের প্রধান শাখা কয়টি ও কী কী?
উত্তর: ভাষাবিজ্ঞানের প্রধান শাখা তিনটি— বর্ণনামূলক ভাষাবিজ্ঞান, ঐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞান এবং তুলনামূলক ভাষাবিজ্ঞান।
প্রশ্ন ৪: বর্ণনামূলক ভাষাবিজ্ঞান কাকে বলে?
উত্তর: কোনো নির্দিষ্ট সময়ের ভাষার গঠনরীতির বিজ্ঞানসম্মত আলোচনাকে বর্ণনামূলক ভাষাবিজ্ঞান বলা হয়।
প্রশ্ন ৫: ঐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞান কী নিয়ে আলোচনা করে?
উত্তর: ভাষার বিবর্তন বা সময়ের সাথে ভাষার যে পরিবর্তন ঘটে, তার আলোচনা করে ঐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞান।
প্রশ্ন ৬: তুলনামূলক ভাষাবিজ্ঞানের সূত্রপাত কে করেছিলেন?
উত্তর: স্যার উইলিয়াম জোনস ১৭৮৬ সালে তুলনামূলক ভাষাবিজ্ঞানের সূত্রপাত করেন।
প্রশ্ন ৭: ফলিত ভাষাবিজ্ঞান (Applied Linguistics) কাকে বলে?
উত্তর: ভাষাবিজ্ঞানের তত্ত্ব যখন সমাজবিদ্যার অন্যান্য শাখার (যেমন— সমাজবিজ্ঞান, মনস্তত্ত্ব ইত্যাদি) সাথে যুক্ত হয়ে আলোচনা করা হয়, তখন তাকে ফলিত ভাষাবিজ্ঞান বলে।
প্রশ্ন ৮: সমাজভাষাবিজ্ঞানের প্রধান আলোচ্য বিষয় কী?
উত্তর: ভাষা এবং সমাজের পারস্পরিক সম্পর্ক ও প্রভাব নিয়ে আলোচনা করাই সমাজভাষাবিজ্ঞানের প্রধান কাজ।
প্রশ্ন ৯: মনোভাষাবিজ্ঞান কাকে বলে?
উত্তর: মানুষের মস্তিষ্ক কীভাবে ভাষা গ্রহণ করে এবং কীভাবে তা প্রকাশ করে, অর্থাৎ ভাষার সঙ্গে মনের সম্পর্ক নিয়ে যে বিজ্ঞান আলোচনা করে, তাকে মনোভাষাবিজ্ঞান বলে।
প্রশ্ন ১০: স্নায়ুভাষাবিজ্ঞানের (Neurolinguistics) কাজ কী?
উত্তর: মানুষের মস্তিষ্কের স্নায়ুতন্ত্রের সঙ্গে ভাষার সম্পর্ক ও ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করা।
প্রশ্ন ১১: নৃতাত্ত্বিক ভাষাবিজ্ঞান কী?
উত্তর: আদিম বা কোনো জনগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতির পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে যে শাখা আলোচনা করে, তাকে নৃতাত্ত্বিক ভাষাবিজ্ঞান বলে।
প্রশ্ন ১২: শৈলীবিজ্ঞান (Stylistics) কাকে বলে?
উত্তর: সাহিত্যের ভাষার বিশেষত্ব বা লেখকের নিজস্ব লিখনভঙ্গি নিয়ে যে বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা করা হয়, তাকে শৈলীবিজ্ঞান বলে।
প্রশ্ন ১৩: অভিধান বিজ্ঞান কাকে বলে?
উত্তর: অভিধান সংকলন ও রচনার তত্ত্বগত আলোচনাকে অভিধান বিজ্ঞান বলা হয়।
প্রশ্ন ১৪: সংজ্ঞামূলক ভাষাবিজ্ঞান বা কম্পিউটেশনাল লিঙ্গুইস্টিকস কী?
উত্তর: কম্পিউটার বা যন্ত্রের সাহায্যে মানুষের ভাষাকে অনুধাবন ও বিশ্লেষণের প্রযুক্তিগত চর্চাকে সংজ্ঞামূলক ভাষাবিজ্ঞান বলে।
প্রশ্ন ১৫: 'ল্যাং' (Langue) ও 'পারোল' (Parole)-এর ধারণা কে দিয়েছেন?
উত্তর: ভাষাবিজ্ঞানী ফার্দিনান্দ দ্য সোস্যুর।
প্রশ্ন ১৬: তুলনামূলক ভাষাবিজ্ঞান প্রধানত কী করে?
উত্তর: সমগোত্রীয় একাধিক ভাষার মধ্যে তুলনা করে তাদের আদি উৎস বা মূল ভাষারূপটি খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করে।
প্রশ্ন ১৭: উপভাষা চর্চা ভাষাবিজ্ঞানের কোন শাখার অন্তর্ভুক্ত?
উত্তর: সমাজভাষাবিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত।
প্রশ্ন ১৮: বর্ণনামূলক ভাষাবিজ্ঞানের প্রধান চারটি বিষয় কী কী?
উত্তর: ধ্বনিবিজ্ঞান ও ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব এবং শব্দার্থতত্ত্ব।
প্রশ্ন ১৯: কোড (Code) ও মিশ্রিত কোড কী?
উত্তর: কোনো বিশেষ সংকেত পদ্ধতি বা ভাষাকে কোড বলে। যখন কোনো ব্যক্তি কথা বলার সময় এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় দ্রুত পরিবর্তন করেন, তখন তাকে মিশ্রিত কোড বলা হয়।
প্রশ্ন ২০: শৈলীবিজ্ঞানের আলোচনার প্রধান কেন্দ্রবিন্দু কী?
উত্তর: অলংকার ও ভাষার বিচিত্র ব্যবহার।
পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের (সেমিস্টার-৩) সিলেবাস অনুযায়ী ভাষা অংশের **'দ্বিতীয় অধ্যায় : ধ্বনিতত্ত্ব'** থেকে ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর নিচে দেওয়া হলো।
ধ্বনিতত্ত্ব ১০০ প্রশ্নোত্তর
বিষয়: বাংলা (ভাষা)
অধ্যায়: দ্বিতীয় অধ্যায় (ধ্বনিতত্ত্ব)
১. প্রশ্ন: ধ্বনিতত্ত্ব বা ফনোলজি কাকে বলে?
উত্তর: কোনো নির্দিষ্ট ভাষায় ধ্বনির বিন্যাস, ব্যবহার ও তার নিয়ম নিয়ে আলোচনাকে ধ্বনিতত্ত্ব বলে।
২. প্রশ্ন: ধ্বনিমূল (Phoneme) কাকে বলে?
উত্তর: ভাষার যে ক্ষুদ্রতম ধ্বনিগত একক অর্থের পার্থক্য তৈরি করতে পারে।
৩. প্রশ্ন: সহধ্বনি (Allophone) কী?
উত্তর: একই ধ্বনিমূলের বিভিন্ন উচ্চারণ বৈচিত্র্য যা অর্থের পার্থক্য ঘটায় না।
৪. প্রশ্ন: ন্যূনতম শব্দজোড় (Minimal Pair) বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: একজোড়া শব্দ যাদের উচ্চারণে মাত্র একটি ধ্বনির পার্থক্য থাকে এবং তার ফলে অর্থ বদলে যায় (যেমন— কাল ও খাল)।
৫. প্রশ্ন: বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি?
উত্তর: ৭টি।
৬. প্রশ্ন: বাংলা ভাষার সাতটি মৌলিক স্বরধ্বনি কী কী?
উত্তর: অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা।
৭. প্রশ্ন: পরিপূরক অবস্থান (Complementary Distribution) কী?
উত্তর: যখন একটি ধ্বনির উচ্চারণ স্থানে অন্য কোনো ধ্বনি উচ্চারিত হতে পারে না।
৮. প্রশ্ন: মুক্ত বৈচিত্র্য (Free Variation) কাকে বলে?
উত্তর: অর্থের পরিবর্তন না ঘটিয়ে যখন একটি ধ্বনির জায়গায় অন্য ধ্বনি উচ্চারিত হতে পারে।
৯. প্রশ্ন: অবিভাজ্য ধ্বনি (Supra-segmental Phoneme) কী?
উত্তর: যেসব ধ্বনিকে কৃত্রিমভাবেও খণ্ড করা যায় না এবং যা মূল ধ্বনির সঙ্গে উচ্চারিত হয়।
১০. প্রশ্ন: অবিভাজ্য ধ্বনির প্রধান চারটি ভাগ কী কী?
উত্তর: দৈর্ঘ্য, বলঘাত, সুরতরঙ্গ ও যতি।
১১. প্রশ্ন: বলঘাত বা স্ট্রেস (Stress) কাকে বলে?
উত্তর: একাধিক দলযুক্ত শব্দের কোনো একটি দলকে বেশি জোর দিয়ে উচ্চারণ করা।
১২. প্রশ্ন: সুরতরঙ্গ (Intonation) বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: বাক্যের অর্থের পার্থক্য ঘটানোর জন্য কণ্ঠস্বরের যে ওঠানামা হয়।
১৩. প্রশ্ন: দৈর্ঘ্য (Length) ধ্বনিতত্ত্বে কীভাবে কাজ করে?
উত্তর: কোনো ধ্বনির উচ্চারণের সময়ের হ্রাস-বৃদ্ধি যখন অর্থের পার্থক্য ঘটায়।
১৪. প্রশ্ন: যতি (Juncture) কী?
উত্তর: দল বা শব্দের সীমানায় যে ক্ষুদ্র ছেদ পড়ে তাকে যতি বলে।
১৫. প্রশ্ন: গুচ্ছধ্বনি (Consonant Cluster) কাকে বলে?
উত্তর: যখন দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি পাশাপাশি থাকে কিন্তু তাদের মাঝে কোনো স্বরধ্বনি থাকে না এবং তারা আলাদা দলে থাকে।
১৬. প্রশ্ন: বাংলা ভাষায় গুচ্ছধ্বনির সংখ্যা কয়টি?
উত্তর: প্রায় ২০০টির বেশি।
১৭. প্রশ্ন: যুক্তধ্বনি (Conjunct Consonant) কাকে বলে?
উত্তর: দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি স্বরধ্বনি ছাড়াই যুক্ত হয়ে যখন একটি দলের শুরুতে থাকে।
১৮. প্রশ্ন: মূর্ধন্য ধ্বনি কোনগুলো?
উত্তর: ট, ঠ, ড, ঢ।
১৯. প্রশ্ন: দন্ত্য ধ্বনি কোনগুলো?
উত্তর: ত, থ, দ, ধ।
২০. প্রশ্ন: ওষ্ঠ্য ধ্বনি কোনগুলো?
উত্তর: প, ফ, ব, ভ, ম।
২১. প্রশ্ন: কন্ঠ্য ধ্বনি কোনগুলো?
উত্তর: ক, খ, গ, ঘ, ঙ।
২২. প্রশ্ন: তালব্য ধ্বনি কোনগুলো?
উত্তর: চ, ছ, জ, ঝ।
২৩. প্রশ্ন: নাসিক্য ধ্বনি কাকে বলে?
উত্তর: যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় বায়ু নাক দিয়ে বের হয় (যেমন— ঙ, ঞ, ণ, ন, ম)।
২৪. প্রশ্ন: উষ্ম ধ্বনি কোনগুলো?
উত্তর: শ, ষ, স, হ।
২৫. প্রশ্ন: কম্পিত ধ্বনি কোনটি?
উত্তর: র।
২৬. প্রশ্ন: তাড়িত ধ্বনি কোনগুলো?
উত্তর: ড়, ঢ়।
২৭. প্রশ্ন: পার্শ্বিক ধ্বনি কোনটি?
উত্তর: ল।
২৮. প্রশ্ন: ঘোষ ধ্বনি কী?
উত্তর: যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী বেশি অনুরণিত হয় (বর্গের ৩য় ও ৪র্থ ধ্বনি)।
২৯. প্রশ্ন: অঘোষ ধ্বনি কী?
উত্তর: যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কম অনুরণিত হয় (বর্গের ১ম ও ২য় ধ্বনি)।
৩০. প্রশ্ন: অল্পপ্রাণ ধ্বনি কী?
উত্তর: যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় নিঃশ্বাস জোরে বের হয় না (বর্গের ১ম ও ৩য় ধ্বনি)।
৩১. প্রশ্ন: মহাপ্রাণ ধ্বনি কী?
উত্তর: যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় নিঃশ্বাস সজোরে বের হয় (বর্গের ২য় ও ৪র্থ ধ্বনি)।
৩২. প্রশ্ন: ধ্বনিমূলকে প্রকাশ করার জন্য কোন বন্ধনী ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: স্ল্যাশ বা তির্যক বন্ধনী ( / / )।
৩৩. প্রশ্ন: সহধ্বনিকে প্রকাশ করার জন্য কোন বন্ধনী ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: থার্ড ব্র্যাকেট বা বর্গাকার বন্ধনী ( [ ] )।
৩৪. প্রশ্ন: দ্বিস্বরধ্বনি বা যৌগিক স্বরধ্বনি কয়টি?
উত্তর: ২৫টি (লিখন হিসেবে ২টি— ঐ, ঔ)।
৩৫. প্রশ্ন: সম্মুখ স্বরধ্বনি কোনগুলো?
উত্তর: ই, এ, অ্যা।
৩৬. প্রশ্ন: পশ্চাৎ স্বরধ্বনি কোনগুলো?
উত্তর: উ, ও, অ।
৩৭. প্রশ্ন: সংবৃত স্বরধ্বনি কোনটি?
উত্তর: ই, উ।
৩৮. প্রশ্ন: বিবৃত স্বরধ্বনি কোনটি?
উত্তর: আ।
৩৯. প্রশ্ন: অর্ধ-সংবৃত স্বরধ্বনি কোনগুলো?
উত্তর: এ, ও।
৪০. প্রশ্ন: অর্ধ-বিবৃত স্বরধ্বনি কোনগুলো?
উত্তর: অ, অ্যা।
৪১. প্রশ্ন: 'অ্যা' ধ্বনিটি বাংলায় কী ধরনের স্বরধ্বনি?
উত্তর: মৌলিক ও সম্মুখ স্বরধ্বনি।
৪২. প্রশ্ন: দল (Syllable) কাকে বলে?
উত্তর: এক নিঃশ্বাসে বা এক চেষ্টায় শব্দের যতটুকু অংশ উচ্চারিত হয়।
৪৩. প্রশ্ন: দল কয় প্রকার?
উত্তর: দুই প্রকার (মুক্ত দল ও রুদ্ধ দল)।
৪৪. প্রশ্ন: মুক্ত দল (Open Syllable) কী?
উত্তর: যে দলের শেষে স্বরধ্বনি থাকে।
৪৫. প্রশ্ন: রুদ্ধ দল (Closed Syllable) কী?
উত্তর: যে দলের শেষে ব্যঞ্জনধ্বনি থাকে।
৪৬. প্রশ্ন: বাংলা ব্যঞ্জনধ্বনিতে কয়টি বর্গ আছে?
উত্তর: ৫টি (ক, চ, ট, ত, প)।
৪৭. প্রশ্ন: অন্তস্থ ধ্বনি কোনগুলো?
উত্তর: য, র, ল, ব।
৪৮. প্রশ্ন: অর্ধস্বরধ্বনি কোনগুলো?
উত্তর: ই, উ, এ, ও (যখন এরা অন্য স্বরের সাথে যুক্ত হয়)।
৪৯. প্রশ্ন: স্বরভক্তি বা বিপ্রকর্ষ কেন ঘটে?
উত্তর: উচ্চারণ সহজ করার জন্য যুক্তব্যঞ্জনের মাঝে স্বরধ্বনি আনা।
৫০. প্রশ্ন: সমীভবন বা অ্যাসিমিলেশন কী?
উত্তর: পাশাপাশি থাকা দুটি ভিন্ন ধ্বনি যখন একে অপরের প্রভাবে একই রকম হয়ে যায়।
৫১. প্রশ্ন: ধ্বনিমূল ও সহধ্বনির মধ্যে সম্পর্ক কী?
উত্তর: সহধ্বনি হলো ধ্বনিমূলের বাস্তব রূপ।
৫২. প্রশ্ন: ধ্বনি পরিবর্তনের প্রধান কারণ কী?
উত্তর: ভৌগোলিক, সামাজিক ও উচ্চারণের সুবিধা।
৫৩. প্রশ্ন: বিষমীভবন কী?
উত্তর: দুটি সমধ্বনির একটির পরিবর্তন হওয়া (যেমন— শরীর > শরীল)।
৫৪. প্রশ্ন: অভিশ্রুতি কী?
উত্তর: অপিনিহিতির ফলে সৃষ্ট ই-কার বা উ-কার যখন পূর্ববর্তী স্বরের সাথে মিশে যায়।
৫৫. প্রশ্ন: অপিনিহিতি কী?
উত্তর: পরের ই-কার বা উ-কার আগে উচ্চারিত হওয়ার প্রবণতা।
৫৬. প্রশ্ন: শব্দের শুরুতে 'হ' ধ্বনির লোপ পাওয়াকে কী বলে?
উত্তর: হ-কার লোপ।
৫৭. প্রশ্ন: নাসিক্য ভবন কী?
উত্তর: কোনো নাসিক্য ব্যঞ্জন লোপ পেয়ে তার পূর্ববর্তী স্বরধ্বনিকে অনুনাসিক করা।
৫৮. প্রশ্ন: স্বরসঙ্গতি কী?
উত্তর: একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে অন্য স্বরধ্বনির পরিবর্তন।
৫৯. প্রশ্ন: মধ্যস্বরলোপ বা 'সিনকোপ' কী?
উত্তর: শব্দের মাঝখানের স্বরধ্বনি লোপ পাওয়া।
৬০. প্রশ্ন: অন্ত্যস্বরলোপ বা 'অ্যাপোকোপ' কী?
উত্তর: শব্দের শেষের স্বরধ্বনি লোপ পাওয়া।
৬১. প্রশ্ন: ধ্বনিবিজ্ঞান ও ধ্বনিতত্ত্বের মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী?
উত্তর: ধ্বনিবিজ্ঞান উচ্চারণের ভৌত দিক আলোচনা করে, ধ্বনিতত্ত্ব নিয়ম নিয়ে।
৬২. প্রশ্ন: একটি তিন ব্যঞ্জনের যুক্তধ্বনির উদাহরণ দাও।
উত্তর: স + ত + র (স্ত্রী)।
৬৩. প্রশ্ন: অর্ধস্বর ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় কী ঘটে?
উত্তর: এদের উচ্চারণ পূর্ণ স্বরধ্বনির চেয়ে কম সময়ের হয়।
৬৪. প্রশ্ন: আশ্রিত ব্যঞ্জন কোনগুলো?
উত্তর: ং, ঃ, ঁ।
৬৫. প্রশ্ন: বাংলায় কয়টি মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি আছে?
উত্তর: ৩০টি।
৬৬. প্রশ্ন: জিহ্বামূলীয় ধ্বনি কোনগুলো?
উত্তর: ক, খ, গ, ঘ।
৬৭. প্রশ্ন: পরাগত সমীভবন কী?
উত্তর: পরের ধ্বনির প্রভাবে আগের ধ্বনির পরিবর্তন।
৬৮. প্রশ্ন: প্রগত সমীভবন কী?
উত্তর: আগের ধ্বনির প্রভাবে পরের ধ্বনির পরিবর্তন।
৬৯. প্রশ্ন: অনন্য সমীভবন কী?
উত্তর: যখন উভয় ধ্বনিই পরিবর্তিত হয়ে নতুন রূপ নেয়।
৭০. প্রশ্ন: শ্রুতিধ্বনি কী?
উত্তর: দুটি স্বরের মাঝে উচ্চারণের সুবিধার্থে যে বাড়তি অন্তস্থ ধ্বনি আসে।
৭১. প্রশ্ন: 'ল' ধ্বনিকে পার্শ্বিক বলা হয় কেন?
উত্তর: কারণ এটি উচ্চারণের সময় জিভের দুপাশ দিয়ে বাতাস বের হয়।
৭২. প্রশ্ন: 'র' ধ্বনিকে কম্পিত বলা হয় কেন?
উত্তর: কারণ এটি উচ্চারণের সময় জিভের অগ্রভাগ কাঁপে।
৭৩. প্রশ্ন: 'ড়' ও 'ঢ়' কে তাড়িত বলা হয় কেন?
উত্তর: কারণ উচ্চারণের সময় জিভের তলা দিয়ে মাড়িতে আঘাত বা তাড়া করা হয়।
৭৪. প্রশ্ন: বাকযন্ত্রের সবচেয়ে সক্রিয় অংশ কোনটি?
উত্তর: জিহ্বা।
৭৫. প্রশ্ন: কোমল তালু ধ্বনি উচ্চারণে কী ভূমিকা রাখে?
উত্তর: এটি কণ্ঠ্য ধ্বনি উচ্চারণে সাহায্য করে।
৭৬. প্রশ্ন: স্বরতন্ত্রী বা Vocal Cord কোথায় থাকে?
উত্তর: ল্যারিংস বা উপজিহ্বায়।
৭৭. প্রশ্ন: ফুসফুস থেকে আসা বাতাস কোথায় বাধাপ্রাপ্ত হয়ে ধ্বনি সৃষ্টি করে?
উত্তর: বাগযন্ত্রের বিভিন্ন অংশে।
৭৮. প্রশ্ন: বাংলায় 'ঞ' ধ্বনিটি কী ধরনের?
উত্তর: তালব্য নাসিক্য।
৭৯. প্রশ্ন: 'ঙ' ধ্বনিটি কোথায় ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: শব্দের মাঝে বা শেষে (শুরুতে হয় না)।
৮০. প্রশ্ন: অবিভাজ্য ধ্বনিগুলো কি স্বতন্ত্রভাবে উচ্চারিত হতে পারে?
উত্তর: না, এরা বিভাজ্য ধ্বনির আশ্রয়ে উচ্চারিত হয়।
৮১. প্রশ্ন: সুরতরঙ্গ মূলত কোথায় দেখা যায়?
উত্তর: পূর্ণ বাক্যের উচ্চারণে।
৮২. প্রশ্ন: বলঘাত সাধারণত কোথায় পড়ে?
উত্তর: শব্দের প্রথম দলে।
৮৩. প্রশ্ন: দৈর্ঘ্য কোনো শব্দের অর্থ কীভাবে বদলে দেয়?
উত্তর: বাংলায় দৈর্ঘ্য সাধারণত অর্থের পার্থক্য ঘটায় না, শুধু ভাবের পরিবর্তন আনে।
৮৪. প্রশ্ন: যতি ভুল জায়গায় পড়লে কী হয়?
উত্তর: বাক্যের অর্থ বদলে যেতে পারে।
৮৫. প্রশ্ন: গুচ্ছধ্বনির দুটি ব্যঞ্জনের মাঝে কী থাকে না?
উত্তর: স্বরধ্বনি।
৮৬. প্রশ্ন: যুক্তধ্বনির ব্যঞ্জনগুলো কোন দলে থাকে?
উত্তর: একই দলে।
৮৭. প্রশ্ন: বাংলা মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনির তালিকায় 'য়' এর অবস্থান কী?
উত্তর: এটি মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি নয়, এটি একটি অন্তস্থ শ্রুতি।
৮৮. প্রশ্ন: বর্ণ ও ধ্বনির মধ্যে মূল পার্থক্য কী?
উত্তর: ধ্বনি কানে শোনার বিষয়, বর্ণ চোখে দেখার (লৈখিক)।
৮৯. প্রশ্ন: স্বরবর্ণ কয়টি?
উত্তর: ১১টি।
৯০. প্রশ্ন: ব্যঞ্জনবর্ণ কয়টি?
উত্তর: ৪০টি।
৯১. প্রশ্ন: বাংলা ভাষায় মোট ধ্বনিমূলের সংখ্যা কত?
উত্তর: ৩৭টি (৭টি স্বরধ্বনি + ৩০টি ব্যঞ্জনধ্বনি)।
৯২. প্রশ্ন: কেন্দ্রীয় স্বরধ্বনি কোনটি?
উত্তর: আ।
৯৩. প্রশ্ন: উচ্চ স্বরধ্বনি কোনগুলো?
উত্তর: ই, উ।
৯৪. প্রশ্ন: নিম্ন স্বরধ্বনি কোনটি?
উত্তর: আ।
৯৫. প্রশ্ন: সংবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণে মুখগহ্বর কেমন থাকে?
উত্তর: খুব সংকীর্ণ।
৯৬. প্রশ্ন: বিবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণে মুখগহ্বর কেমন থাকে?
উত্তর: সবচেয়ে বেশি উন্মুক্ত।
৯৭. প্রশ্ন: অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ ধ্বনির পার্থক্য কিসের ওপর নির্ভর করে?
উত্তর: বাতাসের চাপের ওপর।
৯৮. প্রশ্ন: ঘোষ ও অঘোষ ধ্বনির পার্থক্য কিসের ওপর নির্ভর করে?
উত্তর: স্বরতন্ত্রীর কম্পনের ওপর।
৯৯. প্রশ্ন: ধ্বনিমূলের অবস্থান নির্ণয়ের একটি পদ্ধতির নাম লেখো।
উত্তর: ন্যূনতম শব্দজোড় পদ্ধতি।
১০০. প্রশ্ন: ধ্বনিতত্ত্বের আলোচনার মূল উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: ভাষার ধ্বনি কাঠামোর নিয়মগুলো উদ্ঘাটন করা।
পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের (সেমিস্টার-৩) সিলেবাস অনুযায়ী ভাষা অংশের **'তৃতীয় অধ্যায় : শব্দার্থতত্ত্ব'** থেকে ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর নিচে দেওয়া হলো।
১. প্রশ্ন: শব্দার্থতত্ত্ব বা সেমান্টিক্স (Semantics) কাকে বলে?
উত্তর: ভাষাবিজ্ঞানের যে শাখায় শব্দ, বাক্য বা পদের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে শব্দার্থতত্ত্ব বলে।
২. প্রশ্ন: 'Semantics' শব্দটি কোন শব্দ থেকে এসেছে?
উত্তর: গ্রিক শব্দ 'Semantikos' থেকে।
৩. প্রশ্ন: 'Semantikos' শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: তাৎপর্যপূর্ণ বা অর্থপূর্ণ।
৪. প্রশ্ন: শব্দার্থতত্ত্বের মূল আলোচ্য বিষয় কী?
উত্তর: শব্দের অর্থের রূপান্তর, অর্থের প্রসারণ, সংকোচন এবং অর্থের পরিবর্তন।
৫. প্রশ্ন: শব্দার্থের পরিবর্তন প্রধানত কয়টি শ্রেণিতে বিভক্ত?
উত্তর: তিনটি (অর্থের প্রসার, অর্থের সংকোচন এবং অর্থের রূপান্তর বা অবনতি-উন্নতি)।
৬. প্রশ্ন: অর্থের প্রসার (Broadening/Extension of Meaning) কাকে বলে?
উত্তর: যখন কোনো শব্দের সংকীর্ণ অর্থ কালক্রমে আরও ব্যাপক বা বিস্তৃত অর্থ প্রকাশ করে।
৭. প্রশ্ন: অর্থের প্রসারের একটি ধ্রুপদী উদাহরণ দাও।
উত্তর: 'মেশিন' শব্দটি আগে শুধু ইঞ্জিন বা কলকব্জা বোঝাতে ব্যবহৃত হলেও বর্তমানে এটি যেকোনো জটিল যন্ত্র বা ব্যবস্থা অর্থে প্রসারিত হয়েছে (বা যেমন 'রুপোর টাকা' অর্থে কেবল 'টাকা')।
৮. প্রশ্ন: অর্থের সংকোচন (Narrowing/Restriction of Meaning) কী?
উত্তর: যখন কোনো বিস্তৃত বা সাধারণ অর্থবোধক শব্দ কালক্রমে একটি বিশেষ বা নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করতে শুরু করে।
৯. প্রশ্ন: অর্থের সংকোচনের একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: 'পঙ্কজ' শব্দের আক্ষরিক অর্থ 'পঙ্কে জন্মে যা' (যেকোনো কিছু), কিন্তু বর্তমানে এটি কেবল 'পদ্মফুল' অর্থেই সংকুচিত হয়েছে।
১০. প্রশ্ন: 'মৃগ' শব্দটির আদি ও বর্তমান অর্থের পরিবর্তনকে কী বলা যায়?
উত্তর: অর্থের সংকোচন (আদি অর্থ যেকোনো পশু, বর্তমান অর্থ কেবল হরিণ)।
১১. প্রশ্ন: অর্থের রূপান্তর বা অর্থসঞ্চার (Shift of Meaning) কাকে বলে?
উত্তর: যখন কোনো শব্দের আদি অর্থ সম্পূর্ণ পাল্টে গিয়ে একটি নতুন বা ভিন্ন অর্থ ধারণ করে।
১২. প্রশ্ন: অর্থের রূপান্তরের একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: 'নূতনের হাত ধরে বাংলা সাহিত্যের রূপান্তর ঘটেছে'—এখানে রূপান্তর বা অর্থের পরিবর্তন।
১৩. প্রশ্ন: শব্দার্থের রূপান্তর কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
উত্তর: মূলত দুটি— অর্থের উন্নতি এবং অর্থের অবনতি।
১৪. প্রশ্ন: অর্থের উন্নতি (Amelioration) কী?
উত্তর: যখন কোনো সাধারণ বা মন্দ অর্থবোধক শব্দ কালক্রমে ভালো বা উচ্চ মর্যাদা সম্পন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
১৫. প্রশ্ন: অর্থের উন্নতির একটি ধ্রুপদী উদাহরণ দাও।
উত্তর: 'গোবর্ধন' বা 'মহাজন' (মহৎ যে জন)।
১৬. প্রশ্ন: অর্থের অবনতি (Pejoration) কাকে বলে?
উত্তর: যখন কোনো ভালো বা নিরপেক্ষ শব্দ কালক্রমে ঘৃণা, অবহেলা বা মন্দ অর্থ প্রকাশ করতে শুরু করে।
১৭. প্রশ্ন: অর্থের অবনতির একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: 'শঠ' বা 'বেহায়া' বা 'বদমাইশ'।
১৮. প্রশ্ন: সমার্থকতা (Synonymy) কাকে বলে?
উত্তর: যখন ভিন্ন শব্দ বা রূপের ধ্বনি কিন্তু তাদের অর্থ একই বা প্রায় সমান হয়।
১৯. প্রশ্ন: বিপরীতার্থক শব্দ (Antonymy) কী?
উত্তর: যে শব্দগুলো পরস্পর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
২০. প্রশ্ন: বহুার্থক শব্দ (Polysemy) কাকে বলে?
উত্তর: একটি মাত্র শব্দের যখন একাধিক ভিন্ন কিন্তু সম্পর্কিত অর্থ থাকে।
২১. প্রশ্ন: সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ (Homonymy) কী?
উত্তর: যাদের উচ্চারণ বা বানান এক কিন্তু অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা।
২২. প্রশ্ন: অভিধানতত্ত্ব বা লেক্সিকোগ্রাফি (Lexicography) শব্দার্থতত্ত্বের সাথে কীভাবে জড়িত?
উত্তর: অভিধানে শব্দের অর্থ ও তার ব্যবহারিক রূপ নিয়ে কাজ করায় এটি শব্দার্থতত্ত্বের ঘনিষ্ঠ ক্ষেত্র।
২৩. প্রশ্ন: শব্দার্থের পরিবর্তনের ধারাগুলোকে কে প্রথম বৈজ্ঞানিকভাবে শ্রেণিবদ্ধ করেন?
উত্তর: ফরাসি ভাষাবিজ্ঞানী মিশেল ব্রিয়াল (Michel Bréal)।
২৪. প্রশ্ন: 'Semantics' পরিভাষাটি প্রথম কে ব্যবহার করেন?
উত্তর: মিশেল ব্রিয়াল (১৮৮৩ সালে)।
২৫. প্রশ্ন: রূপমূল (Morpheme) ও শব্দার্থের সম্পর্ক কী?
উত্তর: রূপমূল হলো অর্থের ক্ষুদ্রতম একক, যা শব্দার্থের উপাদান গঠনে সাহায্য করে।
২৬. প্রশ্ন: দ্যোতনা বা আভিধানিক অর্থ (Denotation) কী?
উত্তর: শব্দের প্রাথমিক, শাব্দিক বা অভিধানসম্মত সরাসরি অর্থ।
২৭. প্রশ্ন: লক্ষণা বা ব্যঞ্জনা বা তাৎপর্যার্থ (Connotation) কী?
উত্তর: শব্দের আভিধানিক অর্থের বাইরে তার অন্তর্নিহিত ভাবালুতা বা গুণগত অর্থ।
২৮. প্রশ্ন: একটি শব্দের অনুমেয় অর্থকে কী বলা হয়?
উত্তর: অন্তর্নিহিত অর্থ বা লক্ষণার্থ।
২৯. প্রশ্ন: বাগধারা (Idiom) শব্দার্থতত্ত্বে কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: কারণ বাগধারার শব্দগুলোর আক্ষরিক অর্থ ও সামগ্রিক রূপান্তর অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা হয়।
৩০. প্রশ্ন: 'ডুমুরের ফুল' বাগধারাটির অর্থ কী?
উত্তর: অদৃশ্য বা দুর্লভ বস্তু।
৩১. প্রশ্ন: শব্দের অর্থ পরিবর্তনের একটি মনস্তাত্ত্বিক কারণ কী?
উত্তর: মানুষের আবেগ, কল্পনা ও সংস্কার।
৩২. প্রশ্ন: শব্দের অর্থ পরিবর্তনের সামাজিক কারণ কী?
উত্তর: সমাজের পরিবর্তন, সংস্কৃতির আদান-প্রদান ও নতুন প্রযুক্তির আগমন।
৩৩. প্রশ্ন: শব্দের অর্থ পরিবর্তনের ভাষিক কারণ কী?
উত্তর: উচ্চারণগত সুবিধা বা ব্যাকরণগত পরিবর্তনের প্রভাব।
৩৪. প্রশ্ন: 'তৈল' শব্দটির অর্থের রূপান্তর বা সংকোচন কীভাবে ঘটেছে?
উত্তর: তিল থেকে উৎপন্ন যেকোনো স্নেহ পদার্থ থেকে কেবল সরিষার তেল অর্থে।
১৫. প্রশ্ন: 'অন্ন' শব্দের আদি অর্থ কী ছিল?
উত্তর: যেকোনো খাদ্য।
৩৬. প্রশ্ন: বর্তমানে 'অন্ন' শব্দের অর্থ কী হয়েছে?
উত্তর: কেবল ভাত (অর্থের সংকোচন)।
৩৭. প্রশ্ন: 'রক্ষা' শব্দটির অর্থ পরিবর্তন কোন ধারার অন্তর্গত?
উত্তর: অর্থের রূপান্তর।
৩৮. প্রশ্ন: 'সন্দেশ' শব্দের আদি অর্থ কী ছিল?
উত্তর: সংবাদ বা খবর।
৩৯. প্রশ্ন: 'সন্দেশ' শব্দের বর্তমান অর্থ কী?
উত্তর: এক ধরণের মিষ্টি (অর্থের রূপান্তর)।
৪০. প্রশ্ন: 'বিষম' শব্দের আদি অর্থ কী ছিল?
উত্তর: যা সমান নয় (বিষম ত্রিভুজ)।
৪১. প্রশ্ন: 'বিষম' শব্দের বর্তমান অর্থ কী হয়েছে?
উত্তর: ভয়ানক বা কঠিন (যেমন- বিষম বিপদ)।
৪২. প্রশ্ন: 'भद्र' (ভদ্র) শব্দটির অর্থের ক্ষেত্রে কী পরিবর্তন এসেছে?
উত্তর: এটি মূলত সভ্য বা কুলীন বোঝাতে ব্যবহৃত হতো, যার অর্থের উন্নতি বা অবনতি উভয়ই ঘটে।
৪৩. প্রশ্ন: 'গোঁসাই' শব্দটির উৎপত্তি কোথা থেকে এবং এর অর্থ কী?
উত্তর: গোস্বামী থেকে, যার অর্থ গো-সমূহের স্বামী বা আধ্যাত্মিক গুরু।
৪৪. প্রশ্ন: 'বর্ধিষ্ণু' শব্দটির অর্থ কী?
উত্তর: যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৪৫. প্রশ্ন: শব্দার্থের গতিপ্রকৃতি আলোচনা করার জন্য কোন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: ঐতিহাসিক শব্দার্থবিজ্ঞান।
৪৬. প্রশ্ন: রূপক বা মেটাফরের (Metaphor) মাধ্যমে শব্দের অর্থ কীভাবে পরিবর্তিত হয়?
উত্তর: সাদৃশ্য বা তুলনার মাধ্যমে এক বস্তুর অর্থ অন্য বস্তুতে আরোপিত হয়।
৪৭. প্রশ্ন: লক্ষণা বা মেট্রোনিমি (Metonymy) কী?
উত্তর: কার্যকারণা বা সান্নিধ্যের সম্পর্কের ভিত্তিতে এক শব্দের অর্থ অন্য অর্থে ব্যবহার করা।
৪৮. প্রশ্ন: 'সিনেমা হল দর্শক ভরিয়ে তুলেছে'—এখানে 'দর্শক' শব্দটির কোন ধরনের অর্থ ব্যবহার হয়েছে?
উত্তর: মেট্রোনিমি বা সান্নিধ্যসূচক অর্থ (দর্শক বলতে দর্শকদের ধারণক্ষমতা বা আসন বোঝানো)।
৪৯. প্রশ্ন: শব্দার্থের পরিবর্তনে 'লোকঋণ' (Popular Etymology) কী?
উত্তর: অপরিচিত কোনো বিদেশি শব্দকে নিজেদের চেনা শব্দের আদলে বদলে ফেলা এবং তার অর্থ জুড়ে দেওয়া।
৫০. প্রশ্ন: শব্দার্থের তাত্ত্বিক আলোচনায় 'অর্থের উপাদান বিশ্লেষণ' (Componential Analysis) কে প্রবর্তন করেন?
উত্তর: কাঠামবাদী ভাষাবিজ্ঞানীরা।
৫১. প্রশ্ন: শব্দার্থতত্ত্বের মূল লক্ষ্য কী?
উত্তর: ভাষার মাধ্যমে মানুষ কীভাবে অর্থ প্রকাশ করে এবং তা কীভাবে গৃহিত হয় তার নিয়ম খুঁজে বের করা।
৫২. প্রশ্ন: কোনো শব্দের অর্থ নির্ধারণে কিসের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি?
উত্তর: Context বা প্রসংগ বা পরিস্থিতি।
৫৩. প্রশ্ন: 'কালী' শব্দের অর্থ কী হতে পারে?
উত্তর: কাল রঙের নারী বা দেবী কালী (বহুার্থক শব্দের উদাহরণ)।
৫৪. প্রশ্ন: রূপমূল তত্ত্বের সাথে শব্দার্থতত্ত্বের সম্পর্ক কোথায়?
উত্তর: শব্দ গঠনে রূপমূলের অর্থ কীভাবে যুক্ত হয় তা শব্দার্থতত্ত্ব ব্যাখ্যা করে।
৫৫. প্রশ্ন: ভাষার কোন স্তরে অর্থের বিচার করা হয়?
উত্তর: শব্দার্থের স্তর বা সেমান্টিক লেভেলে।
৫৬. প্রশ্ন: বাক্যের অর্থের বিজ্ঞানসম্মত আলোচনাকে কী বলে?
উত্তর: বাক্যার্থতত্ত্ব বা সিনট্যাক্টিক সেমান্টিক্স।
৫৭. প্রশ্ন: সমার্থক শব্দের নিখুঁত বা হুবহু মিল কি সবসময় থাকে?
উত্তর: না, প্রায়শই সামান্য সূক্ষ্ম অর্থের পার্থক্য থাকে।
৫৮. প্রশ্ন: 'অশ্ব' ও 'ঘোড়া' কী ধরনের শব্দ?
উত্তর: সমার্থক শব্দ।
৫৯. প্রশ্ন: 'পবিত্র' ও 'পাপী' কী ধরনের শব্দ?
উত্তর: বিপরীতার্থক শব্দ।
৬০. প্রশ্ন: 'কর' শব্দটির বিভিন্ন অর্থ কী হতে পারে?
উত্তর: হাত, কর বা ট্যাক্স, এবং করা ক্রিয়ার রূপ (বহুার্থক)।
৬১. প্রশ্ন: 'ফল' শব্দের অর্থ কী কী হতে পারে?
উত্তর: গাছের ফল, পরীক্ষার ফল, কর্মের ফল।
৬২. প্রশ্ন: শব্দার্থের প্রসারের আরেকটি নাম কী?
উত্তর: অর্থের ব্যাপ্তি বৃদ্ধি বা বিস্তার।
৬৩. প্রশ্ন: শব্দার্থের সংকোচনের ইংরেজি পরিভাষা কী?
উত্তর: Narrowing of meaning.
৬৪. প্রশ্ন: শব্দার্থের রূপান্তরের ইংরেজি পরিভাষা কী?
উত্তর: Shift of meaning.
৬৫. প্রশ্ন: অর্থের উন্নতির ইংরেজি পরিভাষা কী?
উত্তর: Amelioration.
৬৬. প্রশ্ন: অর্থের অবনতির ইংরেজি পরিভাষা কী?
উত্তর: Pejoration.
৬৭. প্রশ্ন: 'বাবু' শব্দটির অর্থের অবনতি কীভাবে ঘটেছে?
উত্তর: আগে এটি অত্যন্ত সম্মানীয় ব্যক্তি বা জমিদারদের বোঝাতে ব্যবহৃত হলেও বর্তমানে অনেক সময় বিদ্রূপ বা সাধারণ অর্থে ব্যবহার হয়।
৬৮. প্রশ্ন: 'মাস্টার' শব্দের আদি ও বর্তমান রূপের পরিবর্তন কোন পর্যায়ভুক্ত?
উত্তর: অর্থের রূপান্তর বা বিস্তার।
৬৯. প্রশ্ন: ভাষার পরিবর্তনশীলতার সাথে কার ওতপ্রোত সম্পর্ক রয়েছে?
উত্তর: শব্দার্থের পরিবর্তন।
৭০. প্রশ্ন: শব্দার্থের আলোচনায় 'প্রসঙ্গ' (Context) কেন অপরিহার্য?
উত্তর: প্রসংগ ছাড়া অনেক শব্দের সঠিক অর্থ বোঝা অসম্ভব।
৭১. প্রশ্ন: 'মুখ' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ ছাড়াও আর কী অর্থ হতে পারে?
উত্তর: ভাষার মুখ, ঘরের মুখ, বা কোনো কিছুর সামনের অংশ (বহুার্থক)।
৭২. প্রশ্ন: রূপকধর্মী শব্দার্থ পরিবর্তন কোন প্রক্রিয়ায় ঘটে?
উত্তর: উপমা বা সাদৃশ্যের মাধ্যমে।
৭৩. প্রশ্ন: অতিশয়োক্তি বা হাইপারবোল (Hyperbole) শব্দার্থকে কীভাবে প্রভাবিত করে?
উত্তর: বাড়িয়ে বলার মাধ্যমে অর্থের মাত্রা বদলে যায়।
৭৪. প্রশ্ন: শব্দার্থের পরিবর্তনে 'কমিউনিকেশন গ্যাপ' বা যোগাযোগের ব্যবধান কী ভূমিকা রাখে?
উত্তর: এটি অর্থের রূপান্তর ঘটাতে সাহায্য করে।
৭৫. প্রশ্ন: বাংলা ভাষায় 'বৌদি' বা 'দাদা' শব্দগুলোর সম্বোধনে কী ধরনের অর্থের বিস্তার দেখা যায়?
উত্তর: আত্মীয়তা থেকে সর্বজনীন সম্বোধনে রূপান্তর বা প্রসার।
৭৬. প্রশ্ন: 'হাটে হাঁড়ি ভাঙা' বাগধারার অর্থ কী?
উত্তর: গোপন কথা প্রকাশ করে দেওয়া।
৭৭. প্রশ্ন: শব্দার্থতত্ত্বে 'লক্ষণাত্মক অর্থ' বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: যা সরাসরি না বুঝিয়ে গুণ বা বৈশিষ্ট্যকে নির্দেশ করে।
৭৮. প্রশ্ন: 'কুলীন' শব্দের অর্থ সময়ের সাথে কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে?
উত্তর: কুল বা বংশমর্যাদা সম্পন্ন থেকে এর অর্থে আভিজাত্য বা উৎকর্ষ বোঝানো হয়েছে (উন্নতি)।
৭৯. প্রশ্ন: 'গ্রাম্য' শব্দটির অর্থের অবনতি কীভাবে হয়েছে?
উত্তর: এর আদি অর্থ 'গ্রামের সম্পর্কিত' হলেও বর্তমানে এটি অনেক সময় 'অমার্জিত' অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৮০. প্রশ্ন: শব্দার্থের পরিবর্তন কি একটি স্বতঃস্ফূর্ত প্রক্রিয়া?
উত্তর: হ্যাঁ, এটি ভাষা ব্যবহারের মাধ্যমে প্রাকৃতিকভাবে ঘটে।
৮১. প্রশ্ন: ব্যঞ্জনাসমৃদ্ধ শব্দ কোনগুলো?
উত্তর: যে শব্দগুলোর আক্ষরিক অর্থের চেয়ে ভাবার্থ বা ইশারা বেশি শক্তিশালী হয়।
৮২. প্রশ্ন: 'পা' শব্দের বহুার্থক রূপ কী?
উত্তর: মানুষের পা, টেবিলের পা, পাহাড়ের পা (পদদেশ)।
৮৩. প্রশ্ন: শব্দার্থের বিচারে 'হাঁস' ও 'বুলবুলি' কী জাতীয় শব্দ?
উত্তর: বিশেষ বিশেষ প্রাণীবাচক শব্দ, যার অর্থের সংকোচন বা প্রসার ঘটে না কিন্তু নির্দিষ্ট প্রজাতি বোঝায়।
৮৪. প্রশ্ন: ভাষা বিজ্ঞানে 'সেমান্টিক ফিল্ড' (Semantic Field) বা শব্দক্ষেত্র বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: সমগোত্রীয় বা সম্পর্কিত শব্দগুলোর একটি সমষ্টি (যেমন— রঙের নাম বা আত্মীয়তার পদের ক্ষেত্র)।
৮৫. প্রশ্ন: শব্দার্থের ক্ষেত্রে 'হাইপোনিমির' (Hyponymy) অর্থ কী?
উত্তর: বিশেষ থেকে সাধারণ বা সাধারণের অধীনে বিশেষ পদের অন্তর্ভুক্তির সম্পর্ক (যেমন— আম ও জাম হলো 'ফল'-এর হাইপোনিম)।
৮৬. প্রশ্ন: বিপরীতার্থক সম্পর্কের অপর নাম কী?
উত্তর: অ্যানোনিমি (Antonymy)।
৮৭. প্রশ্ন: শব্দার্থতত্ত্বে 'অ্যাম্বিগুইটি' (Ambiguity) বা দ্ব্যর্থকতা কী?
উত্তর: যখন একটি বাক্য বা শব্দের একাধিক অর্থ দাঁড় করাতে গিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়।
৮৮. প্রশ্ন: দ্ব্যর্থক শব্দ বা বাক্যের উপস্থিতি ভাষার জন্য কেমন?
উত্তর: এটি কখনো কখনো শৈল্পিক সৌন্দর্য বাড়ায়, আবার কখনো যোগাযোগে জটিলতা তৈরি করে।
৮৯. প্রশ্ন: 'চোখ রাখা' বাগধারাটির অর্থ কী?
উত্তর: গভীর নজর রাখা বা মনোযোগ দেওয়া।
৯০. প্রশ্ন: শব্দার্থের প্রসারণের আরেকটি চমৎকার উদাহরণ কী হতে পারে?
উত্তর: 'ক্যারেজ' বা 'টিকিট' জাতীয় শব্দের ব্যবহারিক পরিধি বৃদ্ধি পাওয়া।
৯১. প্রশ্ন: ঐতিহাসিক শব্দার্থবিজ্ঞান মূলত কী নিয়ে গবেষণা করে?
উত্তর: কালক্রমে শব্দের অর্থের ঐতিহাসিক বিবর্তন নিয়ে।
৯২. প্রশ্ন: সমার্থক শব্দের ইংরেজি পরিভাষা কী?
উত্তর: Synonym.
৯৩. প্রশ্ন: বর্ণনামূলক শব্দার্থতত্ত্ব (Descriptive Semantics) কী নিয়ে কাজ করে?
উত্তর: বর্তমান সময়ের ভাষায় শব্দ কীভাবে অর্থ বহন করছে তার বিবরণ দেয়।
৯৪. প্রশ্ন: শব্দের অর্থ নির্ধারণে ব্যাকরণের নিয়ম কতখানি সাহায্য করে?
উত্তর: এটি পদের পারস্পরিক সম্পর্ক ও অর্থ গঠনে সরাসরি সাহায্য করে।
৯৫. প্রশ্ন: 'গৃহিণী' শব্দের আদি অর্থ কী ছিল?
উত্তর: ঘরের মালিক বা কর্ত্রী।
৯৬. প্রশ্ন: 'গীতিকবিতা' বা 'মহাকাব্য' শব্দগুলো কোন তত্ত্বের অন্তর্গত?
উত্তর: সাহিত্য ও শব্দার্থের মেলবন্ধন।
৯৭. প্রশ্ন: ভাষার মাধুর্য বাড়াতে শব্দার্থতত্ত্ব কীভাবে সাহায্য করে?
উত্তর: শব্দের সঠিক ও উপযুক্ত প্রয়োগ শিখিয়ে।
৯৮. প্রশ্ন: বাংলা শব্দভাণ্ডারে বিদেশি শব্দের প্রবেশ শব্দার্থকে কীভাবে প্রভাবিত করেছে?
উত্তর: অর্থের নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে এবং বহুার্থক শব্দের সংখ্যা বাড়িয়েছে।
৯৯. প্রশ্ন: রূপক অর্থে 'পাথর' শব্দটির ব্যবহার কী নির্দেশ করে?
উত্তর: কঠোরতা বা নির্দয়তা (যেমন— পাথরের বুক)।
১০০. প্রশ্ন: শব্দার্থতত্ত্ব পাঠের মূল উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: শব্দের সঠিক অর্থ উদ্ধার, তার পরিবর্তনের কারণ অনুধাবন এবং ভাষার গভীরে প্রবেশ করা।
পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের (সেমিস্টার-৩) সিলেবাস অনুযায়ী বাংলা শিল্প-সাহিত্যের ইতিহাস অংশের **'ইউনিট ৬ - প্রথম অধ্যায় : বাংলা গানের ইতিহাস — সংক্ষিপ্ত রূপরেখা'** থেকে ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর নিচে দেওয়া হলো।
---
১. প্রশ্ন: চর্যাপদের গানগুলোকে কোন ধারার আদি রূপ বলা হয়?
উত্তর: বাংলা গানের আদি রূপ বা বাংলা কীর্তন ও পদাবলীর পূর্বসূরি।
২. প্রশ্ন: চর্যাপদের গানগুলোতে মূলত কোন ধর্মের কথা প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তর: বৌদ্ধ সহজিয়া ধর্মসাধনা ও দর্শন।
৩. প্রশ্ন: চর্যাপদের গানগুলোর মূল সুর বা রাগ কিসের ওপর ভিত্তি করে রচিত হতো?
উত্তর: ধ্রুপদী রাগ-রাগিণীর ওপর ভিত্তি করে।
৪. প্রশ্ন: মধ্যযুগের বাংলা গানের প্রধান ধারাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ধারা কোনটি?
উত্তর: পদাবলী কীর্তন ও মঙ্গলকাব্য।
৫. প্রশ্ন: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে কোন ধরনের গানের পরিচয় পাওয়া যায়?
উত্তর: পদ বা রাধা-কৃষ্ণের প্রেমভিত্তিক গান।
৬. প্রশ্ন: পদাবলী কীর্তনের প্রবক্তা বা আদি পুরুষ হিসেবে কাকে গণ্য করা হয়?
উত্তর: শ্রীচৈতন্যদেবকে।
৭. প্রশ্ন: পদাবলী কীর্তনে কয়টি অঙ্গ বা পর্যায় থাকে?
উত্তর: মূলত চৌষ্মটি অঙ্গ বা পদবিন্যাস।
৮. প্রশ্ন: পদাবলী কীর্তনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গায়ক কে ছিলেন?
উত্তর: নরোত্তম দাস ঠাকুর।
৯. প্রশ্ন: মঙ্গলকাব্যের গানগুলো মূলত কোন উৎসব বা দেব-দেবীর আরাধনায় গাওয়া হতো?
উত্তর: লৌকিক ও পৌরাণিক দেব-দেবীর পূজা উপলক্ষে।
১০. প্রশ্ন: মনসা মঙ্গল কাব্যের গানগুলো প্রধানত কী নামে পরিচিত ছিল?
উত্তর: ঝাঁপান গান বা পদ্মার গান।
১১. প্রশ্ন: চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের গানগুলোর প্রধান আকর্ষণ কী ছিল?
উত্তর: খেউড় ও লৌকিক সুরের ব্যবহার।
১২. প্রশ্ন: শাক্ত পদাবলীর মূল সুর কী ছিল?
উত্তর: ভক্তি ও বাৎসল্য রসে মাখা শ্যামাসঙ্গীত।
১৩. প্রশ্ন: শাক্ত পদাবলীর শ্রেষ্ঠ পদকর্তা কে?
উত্তর: রামপ্রসাদ সেন।
১৪. প্রশ্ন: কমলাকান্ত ভট্টাচার্য কোন ধারার বিখ্যাত পদকর্তা ছিলেন?
উত্তর: শাক্ত পদাবলী ও শ্যামাসঙ্গীত।
১৫. প্রশ্ন: বৈষ্ণব পদাবলীর আদি কবি কে?
উত্তর: বিদ্যাপতি (বা জয়দেব)।
১৬. প্রশ্ন: চণ্ডীদাস কোন যুগের বিখ্যাত পদকর্তা?
উত্তর: মধ্যযুগের প্রাক-চৈতন্য বা চৈতন্যপূর্ব যুগের।
১৭. প্রশ্ন: বাউল গান কোন অঞ্চলের লোকসঙ্গীতের প্রধান রত্ন?
উত্তর: রাঢ় বাংলা ও বীরভূম-কুষ্টিয়া অঞ্চল।
১৮. প্রশ্ন: বাউল গানের প্রধান সাধক বা কবি কে?
উত্তর: লালন সাঁই (ফকির লালন শাহ)।
১৯. প্রশ্ন: ভাটিয়ালি গান মূলত কোন অঞ্চলের গান?
উত্তর: পূর্ববঙ্গের নদীমাতৃক অঞ্চলের (বিশেষ করে ব্রহ্মপুত্র ও তার অববাহিকা)।
২০. প্রশ্ন: ভাটিয়ালি গানের মূল বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: এতে কোনো ساز বা বাদ্যযন্ত্রের বিশেষ প্রয়োজন হয় না, একতারা বা সুরের বিস্তারই মূল।
২১. সপ্রশ্ন: ঝুমুর গান প্রধানত কোন সমাজের বা সংস্কৃতির গান?
উত্তর: আদিবাসী ও রাঢ় অঞ্চলের লোকসংস্কৃতির গান।
২২. প্রশ্ন: ছৌ নাচের সঙ্গে কোন গান গাওয়া হয়?
উত্তর: ছৌ গানের পালা ও লৌকিক সুরের গান।
২৩. প্রশ্ন: গম্ভীরা গান প্রধানত কোন জেলার সঙ্গে যুক্ত?
উত্তর: মালদহ জেলা।
২৪. প্রশ্ন: আলকাপ গান কোন অঞ্চলে বেশি জনপ্রিয়?
উত্তর: মুর্শিদাবাদ, মালদহ ও বীরভূম এলাকায়।
২৫. প্রশ্ন: টপ্পা গান বাংলা গানে কে প্রথম জনপ্রিয় করেন?
উত্তর: নিধু বাবু (রামনিধি গুপ্ত)।
২৬. প্রশ্ন: টপ্পা গানের মূল উৎস বা বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: পাঞ্জাবের উটের চালের গান ও লখনউয়ের দরবারি সুরের মিশ্রণ, যেখানে প্রেমের আকুতি প্রধান।
২৭. প্রশ্ন: বাংলা গানে খেয়াল গান প্রচলনে কার অবদান রয়েছে?
উত্তর: রামনিধি গুপ্ত ও পরবর্তীকালে বিভিন্ন ধ্রুপদী সঙ্গীতজ্ঞরা।
২৮. প্রশ্ন: ব্রহ্মসঙ্গীত ধারার প্রধান প্রবর্তক কে ছিলেন?
উত্তর: রাজা রামমোহন রায়।
২৯. প্রশ্ন: আদি ব্রাহ্মসমাজ ও তত্ত্ববোধনি সভার মাধ্যমে কোন গানের জোয়ার আসে?
উত্তর: ব্রহ্মসঙ্গীত।
৩০. প্রশ্ন: দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রচেষ্টায় কোন গানগুলো বেশি জনপ্রিয় হয়?
উত্তর: উপাসনার উপযোগী ব্রহ্মসঙ্গীত।
৩১. প্রশ্ন: জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবার বাংলা গানে কোন বিপ্লব এনেছিল?
উত্তর: ভারতীয় ধ্রুপদী ও পশ্চিমা সুরের সমন্বয়ে আধুনিক গান সৃষ্টি।
৩২. প্রশ্ন: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা প্রথম গান কোনটি (বা প্রথম বয়স্ক গান)?
উত্তর: 'গগনের থালে রবি চন্দ্র দীপক জ্বলে' (অথবা শান্তিনিকেতন ও ব্রাহ্মসমাজের গান)।
৩৩. প্রশ্ন: রবীন্দ্রসঙ্গীতের ধারাকে প্রধানত কয়টি পর্যায়ে ভাগ করা হয়?
উত্তর: চারটি (পূজা, প্রেম, প্রকৃতি, স্বাদেশিকতা ও বিচিত্র)।
৩৪. প্রশ্ন: রবীন্দ্রসঙ্গীতের সুরের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: ধ্রুপদী রাগরাগিণী ও লোকসুরের অপূর্ব সমন্বয়।
৩৫. প্রশ্ন: দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের গানগুলো মূলত কী নামে পরিচিত?
উত্তর: ডি. রায়ের গান বা দেশাত্মবোধক ও হাসির গান।
৩৬. প্রশ্ন: দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের একটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গানের উদাহরণ দাও।
উত্তর: 'ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা'।
৩৭. প্রশ্ন: রজনীকান্ত সেন কোন ধরনের গানের জন্য বিখ্যাত ছিলেন?
উত্তর: ভক্তিমূলক ও দেশাত্মবোধক গান।
৩৮. প্রশ্ন: রজনীকান্ত সেনের একটি জনপ্রিয় ভক্তিগীতি কী?
উত্তর: 'তুমি নির্মল করো, মঙ্গল করে মলিন মূহূর্মুহু মুছায়ে দাও...'।
৩৯. প্রশ্ন: অতুলপ্রসাদ সেনের গানের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
উত্তর: বাংলা গানে ঠুমরি অঙ্গের সার্থক প্রয়োগ এবং ব্যথা-বেদনার সুর।
৪০. প্রশ্ন: অতুলপ্রসাদ সেনের একটি বিখ্যাত গান লেখো।
উত্তর: 'কোথায় আমার স্বর্গ, কোথায় আমার ক্বেন্দ্র?' বা 'মরি কি সুন্দর প্রভাত...'।
৪১. প্রশ্ন: কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা গানে কোন নতুন ধারা নিয়ে আসেন?
উত্তর: বিদ্রোহী গান, গজল, ইসলামী গান ও আধুনিক বাংলা গান।
৪২. প্রশ্ন: কাজী নজরুল ইসলামকে কী বলা হয়?
উত্তর: বুলবুল বা বিদ্রোহী কবি ও সুরকার।
৪৩. প্রশ্ন: নজরুলের লেখা একটি বিখ্যাত গজল কী?
উত্তর: 'বাগিচায় বুলবুল তুই ফুল শাখাতে দিসনে আজি দোল'।
৪৪. প্রশ্ন: নজরুল ইসলামের লেখা শ্যামাসঙ্গীতের একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: 'কালী তোর অঙ্গে ও কি রূপ রে মা...'।
৪৫. প্রশ্ন: বাংলা গানে আধুনিকতার সূচনা কে করেন?
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও পরবর্তীকালে অতুলপ্রসাদ-নজরুল-দ্বিজেন্দ্রলাল।
৪৬. প্রশ্ন: আধুনিক বাংলা গানের স্বর্ণযুগ কোন সময়কে বলা হয়?
উত্তর: বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগ (পঞ্চাশ ও ষাটের দশক)।
৪৭. প্রশ্ন: হেমন্ত মুখোপাধ্যায় কোন ধারার গানের জন্য কিংবদন্তী?
উত্তর: রোমান্টিক আধুনিক গান ও চলচ্চিত্রর গান।
৪৮. প্রশ্ন: মান্না দে বাংলা গানে কোন অভিনবত্ব এনেছিলেন?
উত্তর: ক্লাসিক্যাল বেসড বা ধ্রুপদী আশ্রিত আধুনিক ও লৌকিক ধারার গান।
৪৯. প্রশ্ন: মীরা দেব বর্মণ ও শচীন দেব বর্মণ বাংলা গানে কী ফুটিয়ে তুলেছিলেন?
উত্তর: ত্রিপুরার লোকসুর ও বাংলার ভাটিয়ালির অপূর্ব মিশ্রণ।
৫০. প্রশ্ন: রাহুল দেব বর্মণ (আর. ডি. বর্মণ) আধুনিক গানে কী এনেছিলেন?
উত্তর: পশ্চিমা পপ, জাজ ও রক সুরের আধুনিকীকরণ।
৫১. প্রশ্ন: লতা মঙ্গেশকর ও আশা ভোঁসলে বাংলা গানে কোন মাত্রা যোগ করেন?
উত্তর: সুরের নিখুঁত মাধুর্য ও বৈচিত্র্যময় আধুনিক গান।
৫২. প্রশ্ন: সলিল চৌধুরী বাংলা গানে কোন ধারা জনপ্রিয় করেন?
উত্তর: গণসংগীত ও পাশ্চাত্য সিম্ফনির সুরে আধুনিক গান।
৫৩. প্রশ্ন: গণসংগীত আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব কে ছিলেন?
উত্তর: হেমাঙ্গ বিশ্বাস।
৫৪. প্রশ্ন: ভুপেন হাজারিকা বাংলা গানে কোন সুরের ধারা আনেন?
উত্তর: আসামের লোকসুর ও গণচেতনার গান।
৫৫. প্রশ্ন: কবীর সুমন (সুমন চট্টোপাধ্যায়) বাংলা গানে কোন যুগান্তকারী পরিবর্তন আনেন?
উত্তর: আধুনিক জীবনমুখী গান বা বাংলা জীবনমুখী গ্ল্যামারহীন গান।
৫৬. প্রশ্ন: জীবনমুখী গানের মূল উপজীব্য কী ছিল?
উত্তর: সাধারণ মানুষের যাপিত জীবন, প্রেম, হতাশা ও শহরের অলিগলির কথা।
৫৭. প্রশ্ন: অঞ্জন দত্ত বাংলা গানে কোন ধারা নিয়ে আসেন?
উত্তর: ক্যাবারে বা টক-সংগ বা আধুনিক শহুরে গল্পভিত্তিক গান।
৫৮. প্রশ্ন: বাংলা ব্যান্ড সংগীতের সূচনা কবে হয়?
উত্তর: সত্তর-আশির দশকে (সোলস, মহীনের ঘোড়াগুলি ইত্যাদি)।
৫৯. প্রশ্ন: 'মহীনের ঘোড়াগুলি' কোন ধরনের ব্যান্ড ছিল?
উত্তর: বাংলা প্রথম বিকল্প বা অল্টারনেটিভ রক ও লোকসুর ভিত্তিক ব্যান্ড।
৬০. প্রশ্ন: বর্তমান সময়ে বাংলা গান কোন প্ল্যাটফর্মে সবচেয়ে বেশি প্রসার লাভ করেছে?
উত্তর: ডিজিটাল স্ট্রিমিং ও সোশ্যাল মিডিয়া।
৬১. প্রশ্ন: চর্যাপদের পুথি কে আবিষ্কার করেন?
উত্তর: মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী (১৯০৭ সালে)।
৬২. প্রশ্ন: চর্যাপদের গানগুলোর মূল রচিয়িতাদের কী বলা হতো?
উত্তর: সিদ্ধাচার্য।
৬৩. প্রশ্ন: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পুথি কে আবিষ্কার করেন?
উত্তর: বসন্তরঞ্জন রায় বিদদ্বলভ।
৬৪. প্রশ্ন: মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীতে রাধা ও কৃষ্ণ কার প্রতীক?
উত্তর: জীবাত্মা ও পরমাত্মার প্রতীক।
৫৬. প্রশ্ন: মঙ্গলকাব্যের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
উত্তর: দেব-দেবীর মাহাত্ম্য প্রচার ও সাধারণ মানুষকে ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট করা।
৬৬. প্রশ্ন: রামপ্রসাদ সেন কোন শতকের কবি ছিলেন?
উত্তর: অষ্টাদশ শতকের।
৬৭. প্রশ্ন: নিধু বাবু মূলত কোন ঘরানার গান বাঁধতেন?
উত্তর: বাংলা টপ্পা।
৬৮. প্রশ্ন: টপ্পা গান গাওয়ার মূল শৈলী কেমন?
উত্তর: দ্রুত তান ও কাঁপন সুরের বৈচিত্র্য।
৬৯. প্রশ্ন: ব্রাহ্মসমাজ আন্দোলনের ফলে বাংলা গানে কী ধরনের পরিবর্তন আসে?
উত্তর: ভক্তি ও উপাসনার গানে পাশ্চাত্য ও ধ্রুপদী সুরের মিশ্রণ ঘটে।
৭০. প্রশ্ন: শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রসঙ্গীত শিক্ষার জন্য কোন প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে?
উত্তর: বিশ্বভারতী ও সঙ্গীত ভবন।
৭১. প্রশ্ন: রবীন্দ্রসঙ্গীতের স্বরলিপি তৈরির ক্ষেত্রে কার অবদান সবচেয়ে বেশি?
উত্তর: জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর ও রবীন্দ্রনাথ নিজে।
৭২. প্রশ্ন: দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের ঐতিহাসিক নাটকগুলোতে কোন ধরনের গান থাকত?
উত্তর: দেশাত্মবোধক ও উদ্দীপনামূলক গান।
৭৩. প্রশ্ন: রজনীকান্ত সেনের গানে কোন সুরের প্রাধান্য ছিল?
উত্তর: করুণ রস ও ভক্তিভাব।
৭৪. প্রশ্ন: অতুলপ্রসাদ সেনের গানে কোন রাগের প্রভাব বেশি দেখা যায়?
উত্তর: কীর্তন ও ঠুমরি অঙ্গের রাগ।
৭৫. প্রশ্ন: কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত বিদ্রোহী কবিতা বা গান কোনটি?
উত্তর: 'বিদ্রোহী' কবিতা এবং গানে 'বিদ্রোহী' চেতনা।
৭৬. প্রশ্ন: নজরুল সংগীতের স্বরলিপি ও সংরক্ষণের জন্য কোন প্রতিষ্ঠান কাজ করছে?
উত্তর: নজরুল ইন্সটিটিউট।
৭৭. প্রশ্ন: আধুনিক বাংলা গানে গ্রামোফোন রেকর্ডের ভূমিকা কেমন ছিল?
উত্তর: গান মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে এবং বাণিজ্যিক রূপ দিতে এটি বিপ্লব এনেছিল।
৭৮. প্রশ্ন: প্রথম বাণিজ্যিক গ্রামোফোন রেকর্ড কবে এবং কার কন্ঠে রেকর্ড হয়?
উত্তর: ১৯০২ সালে হীরাবাই ও গওহর জানের কন্ঠে (বাংলা গানও এর সাথে যুক্ত হয়)।
৭৯. প্রশ্ন: পঙ্কজ মল্লিক বাংলা গানে কী অবদান রেখেছিলেন?
উত্তর: রবীন্দ্রসঙ্গীত ও আধুনিক গানে সুমধুর সুরারোপ এবং চলচ্চিত্রের প্লেব্যাক।
৮০. প্রশ্ন: কেদার ভট্টাচার্য বা কে. মল্লিক কোন ধারার জন্য বিখ্যাত ছিলেন?
উত্তর: ভক্তিমূলক ও আধুনিক গান।
৮১. প্রশ্ন: সলিল চৌধুরীর গানে কোন সুরের বৈচিত্র্য দেখা যায়?
উত্তর: পাশ্চাত্য অর্কেস্ট্রা ও গণসংগীতের মেলবন্ধন।
৮২. প্রশ্ন: গণনাট্য সংঘের আন্দোলনের সাথে কোন গানগুলো জড়িত ছিল?
উত্তর: গণসংগীত ও চাষী-মজুরের গান।
৮৩. প্রশ্ন: ভূপেন হাজারিকার গাওয়া একটি বিখ্যাত বাংলা গান কী?
উত্তর: 'বিস্তীর্ণ দুপারে অতুল্য অপার...' বা 'মানুষ মানুষের জন্য'।
৮৪. প্রশ্ন: কবীর সুমনের প্রথম অ্যালবামের নাম কী?
উত্তর: 'তোমাকে চাই'।
৮৫. প্রশ্ন: বাংলা ব্যান্ড সংস্কৃতিতে 'ফসিল্স' (Fossils) ব্যান্ডের ভূমিকা কী?
উত্তর: হার্ড রক ও তরুণ প্রজন্মের আবেগ নিয়ে গান পরিবেশন।
৮৬. প্রশ্ন: লোকসঙ্গীতের একটি মূল বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: এটি মৌখিকভাবে মুখে মুখে প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে পড়ে এবং এর কোনো নির্দিষ্ট রচিয়তার নাম থাকে না।
۸৭. প্রশ্ন: ভাওয়াইয়া গান কোন অঞ্চলের লোকগান?
উত্তর: উত্তরবঙ্গ ও কোচবিহার অঞ্চল।
৮৮. প্রশ্ন: গম্ভীরা গানের মূল বিষয়বস্তু কী?
উত্তর: সমাজের নানা সমস্যা, দুর্নীতি ও সমসাময়িক ঘটনা হাস্যরসের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা।
৮৯. প্রশ্ন: লেটগান কোন অঞ্চলের লোকসঙ্গীত?
উত্তর: রাঢ় বঙ্গের লোকনাট্য ও গানের ধারা।
৯০. প্রশ্ন: কীর্তনের কয়টি মূল ভাগ আছে?
উত্তর: অনাদি, গৌরাঙ্গচন্দ্রিকা, আভোগ ইত্যাদি বিভিন্ন পর্যায়।
৯১. প্রশ্ন: টপ্পার পাশাপাশি বাংলায় আরেকটি রাগপ্রধান গান কী ছিল?
উত্তর: খেয়াল ও ধ্রুপদ।
৯২. প্রশ্ন: বাংলা গানে প্রথম পিয়ানো বা হারমোনিয়ামের ব্যবহার কে জনপ্রিয় করেন?
উত্তর: ঠাকুর পরিবার ও সেকালের সঙ্গীতজ্ঞরা।
৯৩. প্রশ্ন: রবীন্দ্রসঙ্গীতের 'পর্যায়' কয়টি?
উত্তর: মূলত পাঁচটি প্রধান পর্যায়।
৯৪. প্রশ্ন: নজরুল ইসলাম কতগুলো গান রচনা করেছিলেন বলে অনুমান করা হয়?
উত্তর: প্রায় তিন হাজারের বেশি।
৯৫. প্রশ্ন: আধুনিক বাংলা গানের প্রথম যুগে আকাশবাণী বা রেডিওর ভূমিকা কেমন ছিল?
উত্তর: নতুন শিল্পী ও গান জনপ্রিয় করার সবচেয়ে বড় মাধ্যম ছিল রেডিও।
৯৬. প্রশ্ন: ফিল্মের গান বা প্লেব্যাক সিংগিং বাংলা গানে কী ধরনের পরিবর্তন আনে?
উত্তর: একে চাক্ষুষ ও সর্বগ্রাসী জনপ্রিয়তার রূপ দেয়।
৯৭. প্রশ্ন: গৌতম চট্টোপাধ্যায় কোন ব্যান্ডের সাথে যুক্ত ছিলেন?
উত্তর: মহীনের ঘোড়াগুলি।
৯৮. প্রশ্ন: লোকগানের একটি ধারা হিসেবে 'ললিত সঙ্গীত' কী?
উত্তর: যা লোকসুর ও শাস্ত্রীয় সুরের মাঝামাঝি এক ধরণের ললিত রূপ।
৯৯. প্রশ্ন: বাংলা গানের ইতিহাসে টেগোর, নজরুল ও অতুলপ্রসাদকে একত্রে কী বলা হয়?
উত্তর: বাংলা গানের ত্রয়ী বা স্বর্ণযুগের স্থপতি।
১০০. প্রশ্ন: বাংলা গানের ইতিহাস পাঠের মূল উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: ভাষার সাথে সুরের বিবর্তন, সংস্কৃতি ও বাঙালির মানসিকতার বিকাশকে জানা।
বিষয়: বাংলা (শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাস) অধ্যায়: দ্বিতীয় অধ্যায় (বাঙালির বিজ্ঞানচর্চার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি)
• ১. প্রশ্ন: আধুনিক পদ্ধতিতে বিজ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে বাঙালির অগ্রযাত্রার সূচনা হয় কোন যুগে?
উত্তর: ঊনবিংশ শতাব্দীতে (নবজাগরণের যুগে)।
২. প্রশ্ন: এশিয়াটিক সোসাইটি কে প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর: স্যার উইলিয়াম জোনস (১৭৮৪ সালে)।
৩. প্রশ্ন: ভারতে পাশ্চাত্য চিকিৎসা পদ্ধতি প্রবর্তনের ক্ষেত্রে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়? উত্তর: ক্যালকাটা মেডিক্যাল কলেজ (১৮৩৫)।
৪. প্রশ্ন: প্রথম বাঙালি হিসেবে কে শবব্যবচ্ছেদ (Dissection) করেছিলেন?
উত্তর: পণ্ডিত মধুসূদন গুপ্ত (১৮৩৬ সালে)।
৫. প্রশ্ন: 'হিন্দু কলেজ' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? উত্তর: ১৮১৭ সালে।
৬. প্রশ্ন: মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা প্রথম কে পরিমাপ করেছিলেন?
উত্তর: রাধানাভ শিকদার।
৭. প্রশ্ন: আধুনিক ভারতীয় রসায়ন শাস্ত্রের জনক কাকে বলা হয়?
উত্তর: আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়।
৮. প্রশ্ন: জগদীশচন্দ্র বসুর শ্রেষ্ঠ আবিষ্কারের মধ্যে একটির নাম লেখো।
উত্তর: উদ্ভিদের প্রাণ বা সংবেদনশীলতা নির্ণয় (ক্রেস্কোগ্রাফ যন্ত্রের সাহায্যে)।
৯. প্রশ্ন: বেতার তরঙ্গ আবিষ্কারে কোন বাঙালি বিজ্ঞানীর নাম জড়িয়ে আছে?
উত্তর: আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু।
১০. প্রশ্ন: প্রফুল্লচন্দ্র রায় কোন বিখ্যাত শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন?
উত্তর: বেঙ্গল কেমিক্যাল অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যালস।
১১. প্রশ্ন: 'আ হিস্ট্রি অফ হিন্দু কেমিস্ট্রি' (A History of Hindu Chemistry) বইটির লেখক কে?
উত্তর: আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়।
১২. প্রশ্ন: সত্যেন্দ্রনাথ বসু কোন বিষয়ের বিজ্ঞানী ছিলেন?
উত্তর: পদার্থবিজ্ঞান।
১৩. প্রশ্ন: আলবার্ট আইনস্টাইনের সাথে কোন বাঙালি বিজ্ঞানীর নাম জড়িয়ে আছে?
উত্তর: সত্যেন্দ্রনাথ বসু (বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান)।
১৪. প্রশ্ন: কোন কণাটি সত্যেন্দ্রনাথ বসুর নামানুসারে নামাঙ্কিত হয়েছে?
উত্তর: বোসন (Boson) কণা।
১৫. প্রশ্ন: মেঘনাদ সাহার বিখ্যাত তত্ত্বটির নাম কী?
উত্তর: তাপীয় আয়নন তত্ত্ব (Thermal Ionization Theory)।
১৬. প্রশ্ন: 'সাহা সমীকরণ' (Saha Equation) জ্যোতির্বিজ্ঞানের কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: নক্ষত্রের বর্ণালি বিশ্লেষণের মাধ্যমে তার তাপমাত্রা ও চাপ নির্ণয়ে।
১৭. প্রশ্ন: প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশ কোন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা?
উত্তর: ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট (ISI)।
১৮. প্রশ্ন: ভারতে পরিসংখ্যান বিজ্ঞানের জনক কাকে বলা হয়?
উত্তর: প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশ।
১৯. প্রশ্ন: নীলরতন সরকার কোন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন?
উত্তর: চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং দেশীয় ঔষধ শিল্প।
২০. প্রশ্ন: উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী কোন রোগের ওষুধ আবিষ্কার করেছিলেন?
উত্তর: কালাজ্বর (ইউরিয়া স্টিবামাইন)।
২১. প্রশ্ন: 'বসু বিজ্ঞান মন্দির' (Bose Institute) কে প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর: আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু (১৯১৭ সালে)।
২২. প্রশ্ন: প্রথম মহিলা চিকিৎসকের নাম কী?
উত্তর: কাদম্বিনী গাঙ্গুলী।
২৩. প্রশ্ন: ব্রজেন্দ্রনাথ শীল কোন বিষয়ের পণ্ডিত ছিলেন?
উত্তর: দর্শন ও বিজ্ঞান ইতিহাস।
২৪. প্রশ্ন: 'ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অফ সায়েন্স' (IACS) কে প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর: ড. মহেন্দ্রলাল সরকার (১৮৭৬ সালে)।
২৫. প্রশ্ন: সি. ভি. রমন তাঁর বিখ্যাত 'রমন এফেক্ট' কোথায় গবেষণা করে আবিষ্কার করেন?
উত্তর: আই. এ. সি. এস (IACS), কলকাতা।
২৬. প্রশ্ন: মহেন্দ্রলাল সরকার পেশায় কী ছিলেন?
উত্তর: প্রখ্যাত চিকিৎসক।
২৭. প্রশ্ন: বিধানচন্দ্র রায় কোন ক্ষেত্রের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব ছিলেন?
উত্তর: চিকিৎসাবিজ্ঞান (তিনি পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন)।
২৮. প্রশ্ন: 'বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ' (বর্তমানে শিবপুর IIEST) কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর: ১৮৫৬ সালে।
২৯. প্রশ্ন: কারিগরি শিক্ষার প্রসারে 'যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়' সৃষ্টির মূলে কোন প্রতিষ্ঠান ছিল?
উত্তর: ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ এডুকেশন।
৩০. প্রশ্ন: জ্ঞানচন্দ্র ঘোষ কোন বিষয়ের বিজ্ঞানী ছিলেন? উত্তর: রসায়ন বিজ্ঞান।
৩১. প্রশ্ন: শিশির কুমার মিত্র কোন বিষয়ের গবেষণার জন্য বিখ্যাত?
উত্তর: বেতার তরঙ্গ ও আয়নোস্ফিয়ার (বায়ুমণ্ডল)।
৩২. প্রশ্ন: 'মেঘনাদ সাহা ইনস্টিটিউট অফ নিউক্লিয়ার ফিজিক্স' কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: কলকাতা।
৩৩. প্রশ্ন: প্রথম বাঙালি ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাকে গণ্য করা হয়?
উত্তর: নীলমণি মিত্র।
৩৪. প্রশ্ন: রাধাগোবিন্দ কর কোন বিখ্যাত মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর: আর. জি. কর মেডিক্যাল কলেজ (বেলগাছিয়া মেডিক্যাল কলেজ)।
৩৫. প্রশ্ন: জ্ঞানেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের বিশেষ অবদান কোন ক্ষেত্রে?
উত্তর: মৃত্তিকা বিজ্ঞান ও রসায়ন।
৩৬. প্রশ্ন: 'দ্য নার্ভাস মেকানিজম অফ প্ল্যান্টস' বইটির লেখক কে?
উত্তর: জগদীশচন্দ্র বসু।
৩৭. প্রশ্ন: প্রফুল্লচন্দ্র রায় কোন লবণের সংকেত প্রথম আবিষ্কার করেন?
উত্তর: মারকিউরাস নাইট্রাইট।
৩৮. প্রশ্ন: পঞ্চানন মহেশ্বরী কোন বিষয়ের বিজ্ঞানী ছিলেন?
উত্তর: উদ্ভিদবিদ্যা (ভ্রূণতত্ত্ব)।
৩৯. প্রশ্ন: ভারতের প্রথম আধুনিক উদ্ভিদ উদ্যান (Botanical Garden) কোথায় এবং কে স্থাপন করেন? উত্তর: শিবপুর (হাওড়া), রবার্ট কিড (১৭৮৭ সালে)।
৪০. প্রশ্ন: অতীন্দ্রমোহন গুণ কোন বিষয়ের গবেষক ছিলেন?
উত্তর: পরিসংখ্যান বিজ্ঞান।
৪১. প্রশ্ন: 'যুগ্ম পরিসংখ্যান' বা 'বোস-আইনস্টাইন কন্ডেনসেট' কার গবেষণার ফসল?
উত্তর: সত্যেন্দ্রনাথ বসু ও আইনস্টাইন।
৪২. প্রশ্ন: 'রিভার রিসার্চ ইনস্টিটিউট' স্থাপনে কার অবদান গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: মেঘনাদ সাহা।
৪৩. প্রশ্ন: 'মহলানবিশ দূরত্ব' (Mahalanobis Distance) কোন শাস্ত্রের বিষয়?
উত্তর: পরিসংখ্যান শাস্ত্র।
৪৪. প্রশ্ন: ভারতের যোজনা কমিশন (Planning Commission) গঠনে কোন বাঙালি বিজ্ঞানীর প্রভাব ছিল? উত্তর: প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশ।
৪৫. প্রশ্ন: 'অব্যক্ত' গ্রন্থটি কার লেখা?
উত্তর: জগদীশচন্দ্র বসু।
৪৬. প্রশ্ন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির গবেষণার জন্য 'পালিত অধ্যাপক' ও 'ঘোষ অধ্যাপক' পদ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হয়?
উত্তর: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭. প্রশ্ন: স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় কেন বিখ্যাত?
উত্তর: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে আধুনিক বিজ্ঞান ও গবেষণার প্রসারের জন্য।
৪৮. প্রশ্ন: কারমাইকেল মেডিক্যাল কলেজ বর্তমানে কী নামে পরিচিত?
উত্তর: আর. জি. কর মেডিক্যাল কলেজ।
৪৯. প্রশ্ন: 'তত্ত্ববোধিনী' সভায় বিজ্ঞানের আলোচনায় কার ভূমিকা ছিল?
উত্তর: অক্ষয়কুমার দত্ত।
৫০. প্রশ্ন: বাঙালির বিজ্ঞানচর্চার ইতিহাসে প্রথম বিজ্ঞান সাময়িকী কোনটি?
উত্তর: বিজ্ঞান সেবধি।
৫১. প্রশ্ন: রাজেন্দ্রলাল মিত্র কোন বিষয়ের বিশেষজ্ঞ ছিলেন?
উত্তর: প্রত্নতত্ত্ব ও নৃতত্ত্ব।
৫২. প্রশ্ন: প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের ডাকনাম কী ছিল?
উত্তর: বিজ্ঞানের আচার্য।
৫৩. প্রশ্ন: ভারতে প্রথম ডক্টরেট ইন সায়েন্স (D.Sc) ডিগ্রি কে লাভ করেন?
উত্তর: নীলরতন সরকার।
৫৪. প্রশ্ন: উদ্ভিদ বিদ্যায় উইলিয়াম রক্সবার্গের অবদান কী?
উত্তর: তাঁকে 'ফাদার অফ ইন্ডিয়ান বোটানি' বলা হয়।
৫৫. প্রশ্ন: ড. খোরানা (Hargobind Khorana) কার সান্নিধ্যে গবেষণা করেছিলেন?
উত্তর: বিভিন্ন বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানীদের মাঝে থাকলেও বাঙালি বিজ্ঞানীদের প্রভাব তাঁর ওপর ছিল।
৫৬. প্রশ্ন: অমল কুমার রায়চৌধুরী কোন বিষয়ের বিখ্যাত বিজ্ঞানী ছিলেন?
উত্তর: বিশ্বতত্ত্ব বা কসমোলজি (রায়চৌধুরী সমীকরণ)।
৫৭. প্রশ্ন: সূর্য কুমার চক্রবর্তী কোন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখেন?
উত্তর: চিকিৎসাবিজ্ঞান (প্রথম ভারতীয় মেডিক্যাল অধ্যাপক)।
৫৮. প্রশ্ন: কে প্রথম প্রমাণ করেন যে উদ্ভিদের অনুভূতি আছে?
উত্তর: জগদীশচন্দ্র বসু।
৫৯. প্রশ্ন: 'ক্রেস্কোগ্রাফ' (Crescograph) যন্ত্রটি কী পরিমাপ করে?
উত্তর: উদ্ভিদের বৃদ্ধি।
৬০. প্রশ্ন: জগদীশচন্দ্র বসুর প্রেরিত সংকেত প্রথম কোথায় বিনা তারে গ্রহণ করা হয়েছিল?
উত্তর: কলকাতার টাউন হলে।
৬১. প্রশ্ন: মেঘনাদ সাহা কোন পত্রিকা সম্পাদনা করতেন?
উত্তর: সায়েন্স অ্যান্ড কালচার (Science and Culture)।
৬২. প্রশ্ন: প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশ কোন বিষয়ের উপর ভিত্তি করে ISI গড়েন?
উত্তর: সংখ্যাতত্ত্ব বা স্ট্যাটিস্টিক্স।
৬৩. প্রশ্ন: 'নাইট্রোজেন সংবন্ধন' গবেষণায় কার নাম উল্লেখযোগ্য?
উত্তর: নীলরতন ধর।
৬৪. প্রশ্ন: পঞ্চানন চট্টোপাধ্যায় কোন ক্ষেত্রে বিখ্যাত ছিলেন?
উত্তর: শল্য চিকিৎসা।
৬৫. প্রশ্ন: চিকিৎসাবিজ্ঞানে 'ইউরিয়া স্টিবামাইন' কোন জ্বরের মহৌষধ ছিল?
উত্তর: কালাজ্বর।
৬৬. প্রশ্ন: উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী কতবার নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন?
উত্তর: দুবার।
৬৭. প্রশ্ন: জগদীশচন্দ্র বসুর আদি বাড়ি কোথায় ছিল?
উত্তর: বাংলাদেশের বিক্রমপুর (ময়মনসিংহ)।
৬৮. প্রশ্ন: প্রফুল্লচন্দ্র রায় কোন বিদেশি বিজ্ঞানীর ছাত্র ছিলেন?
উত্তর: আলেক্সান্ডার ক্রাম ব্রাউন।
৬৯. প্রশ্ন: মেঘনাদ সাহা ভারতের কোন জাতীয় ক্যালেন্ডার সংস্কার কমিটির সভাপতি ছিলেন?
উত্তর: পঞ্জিকা সংস্কার কমিটি।
৭০. প্রশ্ন: সত্যেন্দ্রনাথ বসু কোন বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন?
উত্তর: ১৯২১ সালে। ৭১. প্রশ্ন: 'রেডিও অ্যাস্ট্রোনমি' বা বেতার জ্যোতির্বিজ্ঞানে কার অবদান আছে?
উত্তর: মেঘনাদ সাহা ও গোবিন্দ স্বরূপ।
৭২. প্রশ্ন: কে প্রথম 'বাঙালি শিল্পপতি' ও 'বিজ্ঞানী'র তকমা পান?
উত্তর: প্রফুল্লচন্দ্র রায়।
৭৩. প্রশ্ন: 'স্বদেশী বিজ্ঞানচর্চা' বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: ব্রিটিশদের সাহায্য ছাড়াই নিজেদের উদ্যোগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নতি।
৭৪. প্রশ্ন: মহেন্দ্রলাল সরকার কিসের মাধ্যমে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা প্রচার করেন?
উত্তর: ক্যালকাটা জার্নাল অফ মেডিসিন।
৭৫. প্রশ্ন: প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশ কোন বছর পদ্মবিভূষণ পান?
উত্তর: ১৯৬৮ সালে।
৭৬. প্রশ্ন: বিধানচন্দ্র রায়ের জন্মদিন (১লা জুলাই) ভারতে কী হিসেবে পালিত হয়?
উত্তর: জাতীয় চিকিৎসক দিবস (National Doctors' Day)।
৭৭. প্রশ্ন: ভারতের প্রথম বিজ্ঞান সম্মেলন (Indian Science Congress) কত সালে শুরু হয়?
উত্তর: ১৯১৪ সালে (কলকাতায়)।
৭৮. প্রশ্ন: 'অ্যাসট্রোফিজিক্স' বা জ্যোতিঃপদার্থবিদ্যার ক্ষেত্রে বিপ্লব এনেছিলেন কে?
উত্তর: মেঘনাদ সাহা।
৭৯. প্রশ্ন: 'পদ্মভূষণ' প্রাপ্ত প্রথম বাঙালি গণিতবিদ কে?
উত্তর: সি. আর. রাও (বাঙালি না হলেও বাংলার সাথে যুক্ত ছিলেন, তবে প্রশান্তচন্দ্র অন্যতম)।
৮০. প্রশ্ন: চিকিৎসাবিজ্ঞানে এম. ডি (M.D) ডিগ্রি প্রথম কোন বাঙালি পান?
উত্তর: চন্দ্রকুমার দে (১৮৬২)।
৮১. প্রশ্ন: 'বোটানিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া'র সদর দপ্তর কোথায়?
উত্তর: কলকাতা।
৮২. প্রশ্ন: সত্যেন্দ্রনাথ বসুর গবেষণাপত্রটি আইনস্টাইন কোন ভাষায় অনুবাদ করেছিলেন?
উত্তর: জার্মান ভাষায়।
৮৩. প্রশ্ন: বাঙালির বিজ্ঞানচর্চার ইতিহাসে 'পঞ্চানন কর্মকার' কেন স্মরণীয়?
উত্তর: বাংলা মুদ্রণ শিল্পের জন্য মুদ্রাক্ষর (Type) তৈরির কারিগর হিসেবে।
৮৪. প্রশ্ন: 'কেরি সাহেবের মুন্সী' কাকে বলা হয়?
উত্তর: রামরাম বসুকে (যিনি বিজ্ঞান প্রসারেও যুক্ত ছিলেন)।
৮৫. প্রশ্ন: রাধানাভ শিকদার কোন বিভাগে কাজ করতেন?
উত্তর: গ্রেট ট্রিগোনোমেট্রিক্যাল সার্ভে।
৮৬. প্রশ্ন: মেঘনাদ সাহা কত সালে রাজ্যসভার সদস্য হন?
উত্তর: ১৯৫২ সালে (নির্দলীয় প্রার্থী হিসেবে)।
৮৭. প্রশ্ন: আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের আত্মজীবনীর নাম কী?
উত্তর: আত্মচরিত।
৮৮. প্রশ্ন: রসায়নচর্চায় ড. পি. কে. রায় কেন পরিচিত?
উত্তর: প্রথম আধুনিক বাঙালি পদার্থবিজ্ঞানী ও অধ্যাপক।
৮৯. প্রশ্ন: প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশের গবেষণার শুরু কোন বিভাগ দিয়ে?
উত্তর: প্রেসিডেন্সি কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ।
৯০. প্রশ্ন: ভারতের প্রথম আণবিক চুল্লি তৈরির পরিকল্পনায় কার ভূমিকা ছিল?
উত্তর: মেঘনাদ সাহা (যদিও হোমি ভাবা প্রধান ছিলেন, মেঘনাদ সওয়াল করেছিলেন)।
৯১. প্রশ্ন: 'আইনস্টাইন ও সত্যেন্দ্রনাথ বসু'র সমীকরণটি কী নামে পরিচিত?
উত্তর: বোস-আইনস্টাইন স্ট্যাটিস্টিক্স।
৯২. প্রশ্ন: উদ্ভিদের শালোকসংশ্লেষ ও শ্বসন নিয়ে গবেষণা করেন কে?
উত্তর: জগদীশচন্দ্র বসু।
৯৩. প্রশ্ন: 'ইন্ডিয়ান সায়েন্স নিউজ অ্যাসোসিয়েশন' কে গড়ে তোলেন?
উত্তর: মেঘনাদ সাহা।
৯৪. প্রশ্ন: বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদ কে প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর: সত্যেন্দ্রনাথ বসু (১৯৪৮ সালে)।
৯৫. প্রশ্ন: সত্যেন্দ্রনাথ বসু বিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করার জন্য কোন ভাষার ওপর গুরুত্ব দেন?
উত্তর: মাতৃভাষা (বাংলা)।
৯৬. প্রশ্ন: 'ব্রহ্মচারী রিসার্চ ইনস্টিটিউট' কে স্থাপন করেন?
উত্তর: উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী।
৯৭. প্রশ্ন: বাঙালির বিজ্ঞানচর্চার ইতিহাসে চিকিৎসকদের ভূমিকা কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: কারণ নবজাগরণের শুরুতে চিকিৎসাবিজ্ঞানের হাত ধরেই আধুনিক বিজ্ঞানের প্রবেশ ঘটে।
৯৮. প্রশ্ন: শিবচন্দ্র নন্দী কেন পরিচিত?
উত্তর: ইলেকট্রিক টেলিগ্রাফ লাইনের প্রথম ভারতীয় কর্মী।
৯৯. প্রশ্ন: ভারতের প্রথম মহাকাশচারী রাকেশ শর্মা হলেও কোন বাঙালি প্রথম মহাকাশ গবেষণায় যুক্ত ছিলেন?
উত্তর: শিশির কুমার মিত্র ও পরবর্তীকালে বিজ্ঞানীরা।
১০০. প্রশ্ন: বাঙালির বিজ্ঞানচর্চার মূল প্রেরণা কী ছিল?
উত্তর: যুক্তিবাদের প্রসার, দেশপ্রেম এবং কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন।
বিষয়: বাংলা (শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাস)
অধ্যায়: তৃতীয় অধ্যায় – বাঙালির ক্রীড়াসংস্কৃতির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
**১. প্রশ্ন:** ভারতে ফুটবল খেলার প্রবর্তন করেন কারা?
**উত্তর:** ইংরেজরা।
**২. প্রশ্ন:** 'ফাদার অফ ইন্ডিয়ান ফুটবল' বা ভারতীয় ফুটবলের জনক কাকে বলা হয়?
**উত্তর:** নগেন্দ্রপ্রসাদ সর্বাধিকারী।
**৩. প্রশ্ন:** নগেন্দ্রপ্রসাদ সর্বাধিকারী কোন ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন?
**উত্তর:** বয়েজ ক্লাব (এবং পরে শোভাবাজার ক্লাব)।
**৪. প্রশ্ন:** প্রথম বাঙালি ফুটবল ক্লাবের নাম কী?
**উত্তর:** বয়েজ ক্লাব।
**৫. প্রশ্ন:** আই.এফ.এ (IFA) শিল্ড কত সালে প্রবর্তিত হয়?
**উত্তর:** ১৮৯৩ সালে।
**৬. প্রশ্ন:** প্রথম কোন ভারতীয় ক্লাব আই.এফ.এ শিল্ড জয় করেছিল?
**উত্তর:** মোহনবাগান (১৯১১ সালে)।
**৭. প্রশ্ন:** ১৯১১ সালের আই.এফ.এ শিল্ড ফাইনালে মোহনবাগান কোন দলকে হারিয়েছিল?
**উত্তর:** ইস্ট ইয়র্কশায়ার রেজিমেন্ট।
**৮. প্রশ্ন:** ১৯১১ সালে মোহনবাগান দলের অধিনায়ক কে ছিলেন?
**উত্তর:** শিবদাস ভাদুড়ী।
**৯. প্রশ্ন:** ফুটবল ইতিহাসে কাকে 'চীনের প্রাচীর' বলা হয়?
**উত্তর:** গোষ্ঠ পাল।
**১০. প্রশ্ন:** মোহনবাগান ক্লাব কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
**উত্তর:** ১৮৮৯ সালের ১৫ আগস্ট।
**১১. প্রশ্ন:** ইস্টবেঙ্গল ক্লাব কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
**উত্তর:** ১৯২০ সালে।
**১২. প্রশ্ন:** মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
**উত্তর:** ১৮৯১ সালে।
**১৩. প্রশ্ন:** প্রথম বাঙালি ফুটবলার হিসেবে কে পদ্মশ্রী খেতাব পান?
**উত্তর:** গোষ্ঠ পাল (১৯৬২ সালে)।
**১৪. প্রশ্ন:** পঙ্কজ গুপ্ত কোন খেলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন?
**উত্তর:** ফুটবল, হকি ও ক্রিকেট (তিনি একজন প্রখ্যাত ক্রীড়া প্রশাসক ছিলেন)।
**১৫. প্রশ্ন:** অলিম্পিকে ভারতীয় ফুটবল দলের প্রথম অধিনায়ক কে ছিলেন?
**উত্তর:** শৈলেন মান্না (১৯৪৮ ও ১৯৫২ অলিম্পিক)।
**১৬. প্রশ্ন:** শৈলেন মান্না কোন ক্লাবের খেলোয়াড় ছিলেন?
**উত্তর:** মোহনবাগান।
**১৭. প্রশ্ন:** ফুটবলার চুনী গোস্বামী আর কোন খেলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন?
**উত্তর:** ক্রিকেট (তিনি রঞ্জি ট্রফিতে বাংলার অধিনায়ক ছিলেন)।
**১৮. প্রশ্ন:** পি. কে. ব্যানার্জি (প্রদীপ কুমার ব্যানার্জি) ফুটবল জীবনে কোন পজিশনে খেলতেন?
**উত্তর:** রাইট উইঙ্গার।
**১৯. প্রশ্ন:** ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের প্রথম অধিনায়কের নাম কী?
**উত্তর:** রাজা মন্মথনাথ চৌধুরী।
**২০. প্রশ্ন:** 'পঞ্চপাণ্ডব' কোন ক্লাবের বিখ্যাত পাঁচজন ফুটবলারকে বলা হয়?
**উত্তর:** ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পাঁচজন বিখ্যাত ফুটবলারকে।
**২১. প্রশ্ন:** ক্রিকেটের মক্কা কাকে বলা হয়?
**উত্তর:** ইডেন গার্ডেন্স স্টেডিয়ামকে।
**২২. প্রশ্ন:** সি.এ.বি. (CAB) বা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
**উত্তর:** ১৯২৮ সালে।
**২৩. প্রশ্ন:** প্রথম বাঙালি হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে সেঞ্চুরি করেন কে?
**উত্তর:** পঙ্কজ রায় (১৯৫১ সালে)।
**২৪. প্রশ্ন:** পঙ্কজ রায় ও বিনু মাঁকড় কোন বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন?
**উত্তর:** উদ্বোধনী জুটিতে ৪১৩ রানের বিশ্বরেকর্ড (১৯৫৬ সালে)।
**২৫. প্রশ্ন:** সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় কত সালে ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হন?
**উত্তর:** ২০০০ সালে।
২৬. প্রশ্ন: সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ডাকনাম কী?
উত্তর: মহারাজ (Prince of Calcutta)।
২৭. প্রশ্ন: ঝুলন গোস্বামী কোন খেলার সঙ্গে যুক্ত?
উত্তর: ক্রিকেট।
২৮. প্রশ্ন: মহিলা ক্রিকেটে বিশ্বসেরা উইকেট শিকারি কে?
উত্তর: ঝুলন গোস্বামী।
২৯. প্রশ্ন: এশিয়ান গেমসে স্বর্ণপদক বিজয়ী প্রথম বাঙালি অ্যাথলিট কে?
উত্তর: জ্যোতির্ময়ী শিকদার (১৯৯৮ সালে)।
৩০. প্রশ্ন: 'হরিণবাড়ির কুস্তি' বাঙালির কোন ক্রীড়া ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত?
উত্তর: কুস্তি বা মল্লযুদ্ধ।
৩১. প্রশ্ন: বিশ্ববিখ্যাত মল্লবীর গোবর গুহর প্রকৃত নাম কী?
উত্তর: যতীন্দ্রচরণ গুহ।
৩২. প্রশ্ন: গোবর গুহ কত সালে বিশ্ব কুস্তি প্রতিযোগিতায় জয়ী হন?
উত্তর: ১৯২১ সালে (সান ফ্রান্সিসকোতে)।
৩৩. প্রশ্ন: প্রথম ভারতীয় হিসেবে কে 'মিস্টার ইউনিভার্স' (Mr. Universe) খেতাব পান?
উত্তর: মনতোষ রায় (১৯৫১ সালে)।
৩৪. প্রশ্ন: মনোহর আইচ কত সালে 'মিস্টার ইউনিভার্স' খেতাব জেতেন?
উত্তর: ১৯৫২ সালে।
৩৫. প্রশ্ন: মনোহর আইচকে কী বলা হতো?
উত্তর: পকেট হারকিউলিস।
৩৬. প্রশ্ন: ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী প্রথম ভারতীয় সাঁতারু কে?
উত্তর: মিহির সেন (১৯৫৮ সালে)।
৩৭. প্রশ্ন: মিহির সেন আর কোন বিশ্বরেকর্ড করেন?
উত্তর: এক বছরে পাঁচটি মহাদেশের সমুদ্রপথ পাড়ি দেওয়ার বিশ্বরেকর্ড করেন।
৩৮. প্রশ্ন: প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে ইংলিশ চ্যানেল জয় করেন কে?
উত্তর: আরতি সাহা (১৯৫৯ সালে)।
৩৯. প্রশ্ন: বুলা চৌধুরী কোন খেলার সঙ্গে যুক্ত?
উত্তর: সাঁতার।
৪০. প্রশ্ন: প্রথম মহিলা হিসেবে সাত সমুদ্র জয় করেন কে?
উত্তর: বুলা চৌধুরী।
৪১. প্রশ্ন: বাঙালি দাবাড়ু হিসেবে প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার কে?
উত্তর: দিব্যেন্দু বড়ুয়া (১৯৯১ সালে)।
৪২. প্রশ্ন: বাংলার দ্বিতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার কে?
উত্তর: সূর্যশেখর গঙ্গোপাধ্যায়।
৪৩. প্রশ্ন: লন টেনিসে প্রথম বাঙালি ডেভিস কাপার কে ছিলেন?
উত্তর: দিলীপ বসু।
৪৪. প্রশ্ন: জয়দীপ মুখার্জি কোন খেলার সঙ্গে যুক্ত?
উত্তর: টেনিস।
৪৫. প্রশ্ন: টেবিল টেনিসে প্রথম বাঙালি অর্জুন পুরস্কারপ্রাপ্ত কে?
উত্তর: ভেরোনিকা ক্যাসেলিনো।
৪৬. প্রশ্ন: হকিতে অলিম্পিকে স্বর্ণপদকজয়ী বাঙালি খেলোয়াড় কারা?
উত্তর: গুরুবক্স সিং এবং বীর বাহাদুর ছেত্রী।
৪৭. প্রশ্ন: ক্যালকাটা হকি লিগ কত সালে শুরু হয়?
উত্তর: ১৯০৫ সালে।
৪৮. প্রশ্ন: দাবা খেলার আদি নাম কী?
উত্তর: চতুরঙ্গ।
৪৯. প্রশ্ন: বাঙালির ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলার একটি জনপ্রিয় রূপ কী?
উত্তর: রায়বেঁশে।
৫০. প্রশ্ন: কবাডি খেলার আগের নাম কী ছিল?
উত্তর: হা-ডু-ডু।
৫১. প্রশ্ন: এভারেস্ট জয়ী প্রথম বাঙালি কারা?
উত্তর: বসন্ত সিংহ রায় এবং দেবাশিস বিশ্বাস (একই দিনে, ২০১০ সালে)।
৫২. প্রশ্ন: সত্যব্রত দাম কোন সাহসিক ক্রীড়ার জন্য পরিচিত?
উত্তর: পর্বতারোহণ।
৫৩. প্রশ্ন: প্রথম এভারেস্ট জয়ী শেরপা তেনজিং নোরগে কোন শহরের বাসিন্দা ছিলেন?
উত্তর: দার্জিলিং (পশ্চিমবঙ্গ)।
৫৪. প্রশ্ন: পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য খেলার নাম কী?
উত্তর: ফুটবল।
৫৫. প্রশ্ন: ডুরান্ড কাপ কোন খেলার সঙ্গে যুক্ত?
উত্তর: ফুটবল।
৫৬. প্রশ্ন: নেহরু কাপ (গোল্ড কাপ) কোন খেলার প্রতিযোগিতা?
উত্তর: ফুটবল।
৫৭. প্রশ্ন: সন্তোষ ট্রফি কোন খেলার জাতীয় প্রতিযোগিতা?
উত্তর: ফুটবল।
৫৮. প্রশ্ন: প্রথম কোন ক্লাব পরপর তিনবার আই.এফ.এ. শিল্ড জেতে?
উত্তর: মোহনবাগান (১৯৪৭–১৯৪৯)।
৫৯. প্রশ্ন: মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের স্বর্ণযুগ কোন সময়কে বলা হয়?
উত্তর: ১৯৩৪–১৯৩৮ সাল (পরপর পাঁচবার কলকাতা লিগ জয়)।
৬০. প্রশ্ন: গোষ্ঠ পালের মূর্তি (স্ট্যাচু) কলকাতার কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: ইডেন গার্ডেন্সের সামনে (ময়দান অঞ্চলে)।
৬১. প্রশ্ন: লিন্ডসে স্ট্রিটে প্রথম কোন হকি ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর: ক্যালকাটা হকি ক্লাব।
৬২. প্রশ্ন: 'খো-খো' খেলার আদি নাম কী ছিল?
উত্তর: রথেরা।
৬৩. প্রশ্ন: তিরন্দাজিতে বিশ্বখ্যাত বাঙালি খেলোয়াড় কে?
উত্তর: দোলা ব্যানার্জি।
৬৪. প্রশ্ন: রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায় কোন খেলার সঙ্গে যুক্ত?
উত্তর: তিরন্দাজি।
৬৫. প্রশ্ন: রিও অলিম্পিকে জিমন্যাস্টিকসে চতুর্থ স্থান অধিকারকারী বাঙালি কন্যা কে?
উত্তর: দীপা কর্মকার।
৬৬. প্রশ্ন: দীপা কর্মকার যে কঠিন ভল্টটি দিয়েছিলেন তার নাম কী?
উত্তর: প্রোদুনোভা ভল্ট।
৬৭. প্রশ্ন: সাঁতারু রেশমা প্যাটেল কোন বিষয়ের জন্য পরিচিত?
উত্তর: দূরপাল্লার সাঁতার।
৬৮. প্রশ্ন: বাংলার কোন ফুটবলার 'কালো চিতা' নামে পরিচিত ছিলেন?
উত্তর: মোহাম্মদ হাবিব।
৬৯. প্রশ্ন: পি. কে. ব্যানার্জি ও চুনী গোস্বামী কত সালে অর্জুন পুরস্কার পান?
উত্তর: যথাক্রমে ১৯৬১ ও ১৯৬৩ সালে।
৭০. প্রশ্ন: বাংলার কোনো ক্রীড়াবিদ কি পদ্মবিভূষণ পেয়েছেন?
উত্তর: না, এখনও কোনো বাঙালি ক্রীড়াবিদ পদ্মবিভূষণ পাননি।
৭১. প্রশ্ন: বাংলার কোন ফুটবলার জাতীয় দলের কোচ হিসেবে সবচেয়ে সফল?
উত্তর: পি. কে. ব্যানার্জি।
৭২. প্রশ্ন: হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: দার্জিলিং।
৭৩. প্রশ্ন: ক্যালকাটা ক্রিকেট ক্লাব (CCC) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর: ১৭৯২ সালে (বিশ্বের দ্বিতীয় প্রাচীনতম ক্রিকেট ক্লাব)।
৭৪. প্রশ্ন: প্রথম বাঙালি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আম্পায়ার কে?
উত্তর: বি. সত্য রাও।
৭৫. প্রশ্ন: আধুনিক কবাডি খেলায় প্রতিটি দলে কতজন খেলোয়াড় থাকে?
উত্তর: ৭ জন।
৭৬. প্রশ্ন: 'চুনী গোস্বামী ট্রফি' কোন খেলার জন্য প্রদান করা হয়?
উত্তর: ফুটবলে শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়কে।
৭৭. প্রশ্ন: ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের ডাকনাম কী?
উত্তর: লাল-হলুদ ব্রিগেড।
৭৮. প্রশ্ন: মোহনবাগান ক্লাবের ডাকনাম কী?
উত্তর: সবুজ-মেরুন ব্রিগেড।
৭৯. প্রশ্ন: মোহনবাগান ক্লাবকে কবে 'জাতীয় ক্লাব' (National Club) ঘোষণা করা হয়?
উত্তর: ১৯৮৯ সালে।
৮০. প্রশ্ন: আই-লিগ (I-League) ও আইএসএল (ISL) কোন খেলার সঙ্গে যুক্ত?
উত্তর: ফুটবল।
৮১. প্রশ্ন: কমনওয়েলথ গেমসে লন বোলিংয়ে স্বর্ণপদকজয়ী বাঙালি খেলোয়াড় কে?
উত্তর: রূপা রানী তিরকে।
৮২. প্রশ্ন: পিংকি প্রামাণিক কোন ক্রীড়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন?
উত্তর: অ্যাথলেটিক্স (দৌড়)।
৮৩. প্রশ্ন: সুস্মিতা সিংহ রায় কোন খেলার জন্য বিখ্যাত?
উত্তর: অ্যাথলেটিক্স (হেপ্টাথলন)।
৮৪. প্রশ্ন: সারদাচরণ গুহ কিসের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন?
উত্তর: কুস্তি বা মল্লযুদ্ধের।
৮৫. প্রশ্ন: 'ব্রতচারী' আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা কে?
উত্তর: গুরুসদয় দত্ত।
৮৬. প্রশ্ন: ডাব্লু. বি. পি. এল. (WBPL) কোন খেলার ঘরোয়া লিগ?
উত্তর: ক্রিকেট (বেঙ্গল প্রো টি-টোয়েন্টি লিগ)।
৮৭. প্রশ্ন: ভারতের বৃহত্তম ফুটবল স্টেডিয়াম কোনটি?
উত্তর: বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন (সল্টলেক স্টেডিয়াম)।
৮৮. প্রশ্ন: সল্টলেক স্টেডিয়াম কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর: ১৯৮৪ সালে।
৮৯. প্রশ্ন: 'বিজয় মার্চেন্ট ট্রফি' কোন খেলার সঙ্গে যুক্ত?
উত্তর: অনূর্ধ্ব-১৬ ক্রিকেট।
৯০. প্রশ্ন: রঞ্জি ট্রফিতে বাংলা সর্বশেষ কত সালে চ্যাম্পিয়ন হয়?
উত্তর: ১৯৮৯–৯০ মৌসুমে।
৯১. প্রশ্ন: লক্ষ্মীরতন শুক্লা কোন খেলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন?
উত্তর: ক্রিকেট।
৯২. প্রশ্ন: রিদ্ধিমান সাহা ক্রিকেট দলে কোন ভূমিকায় খেলেন?
উত্তর: উইকেটরক্ষক-ব্যাটার।
৯৩. প্রশ্ন: বাঙালির 'মার্বেল' খেলাকে গ্রামীণ বাংলায় কী বলা হয়?
উত্তর: গুলি।
৯৪. প্রশ্ন: পিচুটি বা কুমির-ডাঙা বাঙালির কোন ধরনের খেলা?
উত্তর: লৌকিক (লোকক্রীড়া)।
৯৫. প্রশ্ন: 'গোল্ডেন হার্ট' ফুটবলার কাকে বলা হয়?
উত্তর: শৈলেন মান্না।
৯৬. প্রশ্ন: অলিম্পিকে পদকজয়ী প্রথম ভারতীয় কে?
উত্তর: নরম্যান প্রিচার্ড (১৯০০ সালে)।
৯৭. প্রশ্ন: বিশ্বখ্যাত বাঙালি মল্লবীর কে?
উত্তর: গোবর গুহ (যতীন্দ্রচরণ গুহ)।
৯৮. প্রশ্ন: বাংলার কোথায় প্রতিবছর বিখ্যাত নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়?
উত্তর: উত্তর ২৪ পরগনার টাকি, ইছামতী নদীতে।
৯৯. প্রশ্ন: ক্রীড়া সাংবাদিকতায় ব্রজদুলাল মিত্র কোন ধারার পথিকৃৎ?
উত্তর: আধুনিক ক্রীড়া সাংবাদিকতা।
১০০. প্রশ্ন: বাঙালির ক্রীড়াসংস্কৃতির প্রধান পরিচয় কী?
উত্তর: ফুটবলপ্রীতি, ময়দানি আবেগ এবং লৌকিক ও আধুনিক খেলাধুলার সমন্বয়।
--------------------------------------END-------------------------------------------------