একাদশ শ্রেণির সংস্কৃত প্রথম সেমিস্টার
১. 'উপমন্যুকথা' আখ্যানটির রচয়িতা কে?
উত্তর: মহর্ষি কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস।
২. 'উপমন্যুকথা' মহাভারতের কোন পর্বের অন্তর্গত?
উত্তর: আদিপর্ব।
৩. আদিপর্বের কোন অধ্যায় থেকে 'উপমন্যুকথা' গৃহীত হয়েছে?
উত্তর: পৌষ্যপর্বাধ্যায় (তৃতীয় অধ্যায়)।
৪. ভারতবর্ষের প্রাচীন শিক্ষা-ব্যবস্থায় কিসের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল?
উত্তর: ব্রহ্মচর্যের।
৫. গুরুগৃহে কেন কঠোর সংযম ও নিয়মচর্চার ব্যবস্থা ছিল?
উত্তর: চরিত্র গঠনের প্রয়োজনে।
৬. সংযম গড়ে তুলতে কিসের প্রয়োজন হয়?
উত্তর: নির্মম দৃঢ়তার।
৭. ঋষি আয়োদ ধৌম্যের কতজন শিষ্য ছিলেন?
উত্তর: তিনজন।
৮. ঋষি আয়োদ ধৌম্যের শিষ্যদের নাম কী কী?
উত্তর: আরুণি, উপমন্যু এবং বেদ।
৯. 'উপমন্যুকথা' পাঠ্যাংশে প্রধানত কার গুরুভক্তি প্রদর্শিত হয়েছে?
উত্তর: উপমন্যুর।
১০. উপমন্যুর চরিত্রে কোন বিশেষ গুণটি প্রকাশিত হয়েছে?
উত্তর: ত্যাগের মহত্ত্ব ও ক্ষুধাপ্রবৃত্তির শাসন।
১১. গুরু আয়োদ উপমন্যুকে কোন কার্যে নিযুক্ত করেছিলেন?
উত্তর: গো-রক্ষণ বা গোরু চরাবার কাজে।
১২. সারাদিন গোরু চরিয়ে উপমন্যু কখন গুরুর সামনে এসে দাঁড়াতেন?
উত্তর: সন্ধ্যায়।
১৩. প্রথমবার উপমন্যুকে হৃষ্টপুষ্ট দেখে গুরু কী জিজ্ঞাসা করেছিলেন?
উত্তর: তিনি কীভাবে জীবিকা নির্বাহ করেন।
১৪. উপমন্যু প্রথমবার ক্ষুধার্ত অবস্থায় কী করে আহার জোগাড় করেছিলেন?
উত্তর: ভিক্ষা করে (ভিক্ষান্ন গ্রহণ করে)।
১৫. উপমন্যুর ভিক্ষান্ন গ্রহণের কথা শুনে গুরু কী বিধান দিলেন?
উত্তর: গুরুর অনুমতি ছাড়া ভিক্ষান্ন গ্রহণ করা উচিত নয়।
১৬. গুরুর আদেশের পর উপমন্যু তাঁর সংগৃহীত ভিক্ষান্ন কাকে অর্পণ করলেন?
উত্তর: গুরুকে।
১৭. গুরুকে সমস্ত ভিক্ষান্ন অর্পণ করার পর উপমন্যু কীভাবে দ্বিতীয়বার আহার সংস্থান করলেন?
উত্তর: তিনি দ্বিতীয়বার ভিক্ষা করে আহার করলেন।
১৮. দ্বিতীয়বার ভিক্ষা করা সম্পর্কে গুরু কী প্রতিক্রিয়া জানালেন?
উত্তর: তিনি বললেন, এতে অন্য ভিক্ষাজীবীদের বৃত্তি নষ্ট হয় এবং এটি লোভের পরিচয়।
১৯. তৃতীয় পর্যায়ে উপমন্যু ক্ষুধা নিবারণের জন্য কী পান করতে শুরু করলেন?
উত্তর: গাভীদের দুধ (গোদুগ্ধ)।
২০. উপমন্যুর দুগ্ধপানের বিষয়ে গুরুর নিষেধের কারণ কী ছিল?
উত্তর: গুরুর অনুমতি ছাড়া দুধ পান করা শাস্ত্রবিরুদ্ধ এবং অধর্ম।
২১. গুরুর নিষেধের পর উপমন্যু জীবনধারণের জন্য কী উপায় অবলম্বন করলেন?
উত্তর: বাছুরেরা দুধ পান করার পর তাদের মুখ থেকে যে ফেনা নির্গত হয়, তা পান করে।
২২. ফেনা পানের বিষয়ে গুরু কেন বাধা দিলেন?
উত্তর: গুরু বললেন, দয়াপরবশ হয়ে বাছুরেরা উপমন্যুর জন্য বেশি করে ফেনা উগরে দিচ্ছে, যা বাছুরদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে।
২৩. গুরু কেন উপমন্যুর আহারের স্বাধীনতা বারবার সংকুচিত করছিলেন?
উত্তর: তাঁর ইন্দ্রিয় সংযম ও কঠোর পরীক্ষার মাধ্যমে নিষ্ঠা যাচাই করার জন্য।
২৪. আহারের সমস্ত পথ বন্ধ হওয়ার পর ক্ষুধার জ্বালায় উপমন্যু কী ভক্ষণ করেছিলেন?
উত্তর: আকন্দ পাতা (অর্কপত্র)।
২৫. আকন্দ পাতা খাওয়ার পরিণাম কী হয়েছিল?
উত্তর: উপমন্যু দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন।
২৬. অন্ধ অবস্থায় উপমন্যু কোথায় পড়ে গিয়েছিলেন?
উত্তর: একটি গর্তে (কূপে)।
২৭. সন্ধ্যা পেরিয়ে গেলেও উপমন্যু ফিরে না আসায় গুরু কী ভাবলেন?
উত্তর: গুরু ভাবলেন, সব পথ বন্ধ করে দেওয়ায় উপমন্যু নিশ্চয়ই ক্রুদ্ধ হয়ে কোথাও চলে গিয়েছে।
২৮. উপমন্যুকে খুঁজতে গুরু কোথায় গেলেন?
উত্তর: বনের মধ্যে।
২৯. উপমন্যু গর্তের ভেতর থেকে গুরুকে কী জানালেন?
উত্তর: তিনি অন্ধ হয়ে গর্তে পড়ে গেছেন তা জানালেন।
৩০. গুরু উপমন্যুকে কাদের স্তব করার পরামর্শ দিলেন?
উত্তর: দেববৈদ্য অশ্বিনীকুমারদ্বয়ের।
৩১. অশ্বিনীকুমারদ্বয় সন্তুষ্ট হয়ে উপমন্যুকে কী খেতে দিয়েছিলেন?
উত্তর: একটি পিষ্টক (কেক সদৃশ খাদ্য)।
৩২. উপমন্যু কেন শুরুতে সেই পিষ্টক খেতে অস্বীকার করেন?
উত্তর: গুরুকে নিবেদন না করে তিনি কোনো কিছু আহার করতে চাননি।
৩৩. অশ্বিনীকুমারদ্বয় উপমন্যুকে কী বলে প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করেছিলেন?
উত্তর: তাঁরা বলেছিলেন যে, তাঁর গুরুও আগে স্তব করে না নিবেদন করেই পিষ্টক খেয়েছিলেন।
৩৪. প্রলোভন সত্ত্বেও উপমন্যুর উত্তর কী ছিল?
উত্তর: তিনি বলেছিলেন গুরুর অনাচার তাঁর আদর্শ নয়, তিনি গুরুভক্তি ত্যাগ করবেন না।
৩৫. উপমন্যুর অটল গুরুভক্তিতে তুষ্ট হয়ে অশ্বিনীকুমারদ্বয় তাঁকে কী বর দিলেন?
উত্তর: তাঁর দৃষ্টিশক্তি ফিরে আসবে এবং তিনি সর্বশাস্ত্রবিদ হবেন।
৩৬. উপমন্যুর ফিরে আসার পর গুরু তাঁকে কী আশীর্বাদ করলেন?
উত্তর: গুরু আশীর্বাদ করলেন যে তাঁর সমস্ত অভীষ্ট সিদ্ধ হবে এবং সমস্ত বেদ ও ধর্মশাস্ত্র তাঁর স্মৃতিতে প্রতিভাত হবে।
৩৭. মহাভারতের শ্লোক সংখ্যা কত?
উত্তর: প্রায় এক লক্ষ।
৩৮. মহাভারতকে কেন 'পঞ্চম বেদ' বলা হয়?
উত্তর: এর বিশালতা এবং এতে ধর্ম, অর্থ, কাম ও মোক্ষ—এই চতুর্বর্গের আলোচনা থাকায়।
৩৯. "মহত্ত্বাদ ভারবত্ত্বাচ্চ মহাভারতমুচ্যতে"—উদ্ধৃতিটির অর্থ কী?
উত্তর: মহত্ত্ব এবং গুরুত্বের কারণেই একে মহাভারত বলা হয়।
৪০. "যা নাই মহাভারতে, তা নাই ভারতে"—এই প্রবাদের অর্থ কী?
উত্তর: ভারতীয় সংস্কৃতির বা জীবনের এমন কোনো বিষয় নেই যা মহাভারতে আলোচিত হয়নি।
৪১. কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাসের পিতার নাম কী?
উত্তর: ঋষি পরাশর।
৪২. কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাসের মাতার নাম কী?
উত্তর: সত্যবতী (দাসরাজ কন্যা)।
৪৩. বেদব্যাসের জন্ম কোথায় হয়েছিল?
উত্তর: যমুনা নদীর একটি দ্বীপে।
৪৪. তাঁকে 'দ্বৈপায়ন' বলা হয় কেন?
উত্তর: দ্বীপে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বলে।
৪৫. তাঁকে 'কৃষ্ণ' বলা হয় কেন?
উত্তর: তাঁর গায়ের রঙ কালো ছিল বলে।
৪৬. তাঁকে 'বেদব্যাস' বলা হয় কেন?
উত্তর: তিনি বেদকে চার ভাগে বিভক্ত (ব্যাস) করেছিলেন বলে।
৪৭. ব্যাসদেব কি বেদ রচনা করেছিলেন?
উত্তর: না, তিনি বেদকে সংকলিত ও বিভক্ত করেছিলেন।
৪৮. মহাভারতের আঠারোটি ভাগকে কী বলা হয়?
উত্তর: পর্ব।
৪৯. মহাভারতের আদি কবির নাম কী?
উত্তর: কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস।
৫০. প্রাচীন ভারতে ছাত্ররা কোথায় থেকে পড়াশোনা করত?
উত্তর: গুরুগৃহে বা তপোবনে।
৫১. গুরুগৃহে অবস্থানের সময় ছাত্রদের কী পালন করতে হতো?
উত্তর: ব্রহ্মচর্য।
৫২. ত্যাগের আদর্শ 'উপমন্যুকথা'য় কীভাবে ফুটে উঠেছে?
উত্তর: উপমন্যুর ক্ষুধার ওপর গুরুর কঠোর শাসনের মাধ্যমে।
৫৩. উপমন্যু কোন ঋষির শিষ্য ছিলেন?
উত্তর: ঋষি আয়োদ ধৌম্য।
৫৪. আরুণি কোন কার্যে নিযুক্ত ছিলেন?
উত্তর: আল (জমির সীমানা) রক্ষার কাজে।
৫৫. উপমন্যুর আহারের স্বাধীনতা হরণ করার পেছনে গুরুর মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
উত্তর: শিষ্যের ধৈর্য ও গুরুভক্তি পরীক্ষা করা।
৫৬. 'অর্কপত্র' শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: আকন্দ গাছের পাতা।
৫৭. অর্কপত্র ভক্ষণের ফলে কী ধরনের বিষক্রিয়া হয়েছিল?
উত্তর: দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে গিয়েছিল।
৫৮. অশ্বিনীকুমারদ্বয় কারা?
উত্তর: দেবতাদের চিকিৎসক বা দেববৈদ্য।
৫৯. অশ্বিনীকুমারদ্বয় কিসে চড়ে আসতেন?
উত্তর: রথে।
৬০. ঋষি ধৌম্য কেন উপমন্যুর ওপর সন্তুষ্ট হয়েছিলেন?
উত্তর: তাঁর অটল নিষ্ঠা ও গুরুভক্তির কারণে।
৬১. আরুণি কেন জমির আলে শুয়ে পড়েছিলেন?
উত্তর: জলের তোড় আটকাতে না পেরে নিজের শরীর দিয়ে বাঁধ রক্ষা করেছিলেন।
৬২. বেদ (শিষ্য) গুরুর কাছে কোন দায়িত্ব পালন করতেন?
উত্তর: গুরুর পরিচর্যা ও তপোবনের কাজ।
৬৩. মহাভারতের প্রধান যুদ্ধটি কাদের মধ্যে হয়েছিল?
উত্তর: কৌরব ও পাণ্ডবদের মধ্যে।
৬৪. মহাভারতের রচয়িতার পুরো নাম কী?
উত্তর: মহর্ষি কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস।
৬৫. উপমন্যুর কাহিনী থেকে আমরা কী শিক্ষা পাই?
উত্তর: নিষ্ঠা, ধৈর্য এবং গুরুর প্রতি অবিচল ভক্তি।
৬৬. প্রাচীন ভারতের শিক্ষার উদ্দেশ্য কী ছিল?
উত্তর: কেবল জ্ঞান অর্জন নয়, বরং চরিত্র গঠন।
৬৭. উপমন্যু পিষ্টক না খাওয়ায় অশ্বিনীকুমাররা কী প্রতিক্রিয়া দেখান?
উত্তর: তাঁরা উপমন্যুর সততায় প্রসন্ন হন।
৬৮. উপমন্যুর দাঁতগুলো কেমন হয়ে গিয়েছিল অশ্বিনীকুমারদের বরে?
উত্তর: হিরন্ময় বা সোনার মতো উজ্জ্বল (পৌরাণিক তথ্যমতে)।
৬৯. 'ভৈক্ষ্য' শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ভিক্ষালব্ধ অন্ন।
৭০. উপমন্যু কেন দ্বিতীয়বার ভিক্ষা করেছিলেন?
উত্তর: অত্যন্ত ক্ষুধার্ত হওয়ায়।
৭১. গুরু শিষ্যকে 'লোভী' বলেছিলেন কেন?
উত্তর: কারণ তিনি গুরুর আদেশ অগ্রাহ্য করে নিজের জন্য পুনরায় ভিক্ষা করেছিলেন।
৭২. উপমন্যুর অন্ধত্ব দূর হয়েছিল কীভাবে?
উত্তর: অশ্বিনীকুমারদের দেওয়া পিষ্টক ভক্ষণ করে এবং তাঁদের কৃপায়।
৭৩. মহাভারতের যুদ্ধের স্থায়িত্ব কতদিন ছিল?
উত্তর: ১৮ দিন।
৭৪. 'পৌষ্যপর্ব' মহাভারতের কততম অধ্যায়?
উত্তর: আদিপর্বের তৃতীয় অধ্যায়।
৭৫. ঋষি আয়োদ ধৌম্য কোন বংশের ছিলেন?
উত্তর: ধৌম্য বংশীয় ঋষি।
৭৬. উপমন্যু যখন অন্ধ হয়ে গেলেন, তখন তাঁর মনের অবস্থা কেমন ছিল?
উত্তর: তিনি অবিচলিত ছিলেন এবং গুরুর নির্দেশ পালন করতে সচেষ্ট ছিলেন।
৭৭. মহাভারতকে 'ইতিহাস' বলা হয় কেন?
উত্তর: এতে প্রাচীন ভারতের কাহিনী ও ঐতিহ্য বর্ণিত আছে বলে।
৭৮. বেদব্যাসের জন্মের সময় যমুনা নদীতে কী ছিল?
উত্তর: কুয়াশার অন্ধকার (পরাশর মুনির প্রভাবে সৃষ্টি)।
৭৯. সত্যবতী কার কন্যা ছিলেন?
উত্তর: উপরিচর বসুর ঔরসে মৎস্যরূপিণী অদ্রিকার গর্ভজাত কন্যা, তবে পালিত হয়েছিলেন দাসরাজার ঘরে।
৮০. ব্যাসদেব কয়টি পুরাণ রচনা করেন?
উত্তর: ১৮টি।
৮১. ব্রহ্মচর্য পালনের মূল ভিত্তি কী?
উত্তর: সংযম।
৮২. উপমন্যু কি কোনো অভিযোগ করেছিলেন গুরুর বিরুদ্ধে?
উত্তর: না, তিনি মুখ বুজে সব নির্দেশ পালন করেছিলেন।
৮৩. গুরুভক্তি পাঠে উপমন্যুকে কার সাথে তুলনা করা যায়?
উত্তর: আদর্শ শিষ্যের সাথে।
৮৪. গুরুর কাছে বিদ্যার্জনের জন্য শিষ্যকে কী করতে হতো?
উত্তর: কঠোর পরিশ্রম ও সেবা।
৮৫. শিক্ষা শেষে শিষ্যদের কী দিতে হতো?
উত্তর: গুরুদক্ষিণা।
৮৬. উপমন্যুর ক্ষেত্রে গুরুদক্ষিণা কী ছিল?
উত্তর: তাঁর কঠোর পরীক্ষা ও আনুগত্য।
৮৭. ভারতবর্ষের চিরন্তন আত্মার জাগরণ কিসে ঘটেছে?
উত্তর: মহাভারতে।
৮৮. 'উপমন্যুকথা' কোন ভাষার সাহিত্য?
উত্তর: সংস্কৃত।
৮৯. মূল মহাভারত কোন ভাষায় রচিত?
উত্তর: সংস্কৃত।
৯০. 'উপমন্যুকথা'র মূল উপজীব্য কী?
উত্তর: গুরু-শিষ্যের সম্পর্ক।
৯১. উপমন্যু অন্ধ হওয়ার পর গুরু কীসের ভয় পেয়েছিলেন?
উত্তর: উপমন্যুর মৃত্যুর বা অমঙ্গলের।
৯২. অশ্বিনীকুমারদ্বয় কেন উপমন্যুর পরীক্ষা নিয়েছিলেন?
উত্তর: তাঁর গুরুভক্তি কতখানি গভীর তা দেখার জন্য।
৯৩. উপমন্যুর কাহিনী মহাভারতের কোন অংশে গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: তপোবন সংস্কৃতির বর্ণনায়।
৯৪. মহাভারতে কোন বংশের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে?
উত্তর: ভরত বংশ বা কুরু বংশের।
৯৫. 'ব্যাস' কথাটির আক্ষরিক অর্থ কী?
উত্তর: বিভাজনকারী বা বিস্তারকারী।
৯৬. প্রাচীন ভারতে গুরুকুল কোথায় অবস্থিত থাকত?
উত্তর: লোকালয় থেকে দূরে জনশূন্য বনে বা তপোবনে।
৯৭. উপমন্যুর দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার পর গুরু তাঁকে কী বর দেন?
উত্তর: শ্রেয় ও বিদ্যা লাভ।
৯৮. উপমন্যু কখন গুরুর চরণে প্রণাম করলেন?
উত্তর: দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেয়ে বনাঞ্চল থেকে আশ্রমে ফিরে এসে।
৯৯. 'উপমন্যুকথা' থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য শ্রেষ্ঠ বার্তা কোনটি?
উত্তর: গুরুর প্রতি শ্রদ্ধা ও কঠোর পরিশ্রমে সাফল্য নিশ্চিত।
১০০. উপমন্যুর কাহিনী কোন সময়ের সমাজচিত্র তুলে ধরে?
উত্তর: বৈদিক বা পৌরাণিক যুগের শিক্ষা-ব্যবস্থার।
‘বর্ষাবর্ণনম্’ পাঠ্যাংশভিত্তিক ১০০টি প্রশ্ন ও উত্তর
১. ‘বর্ষাবর্ণনম্’ পাঠ্যাংশটি কোন মহাকাব্যের অন্তর্গত?
উত্তর: রামায়ণ।
২. রামায়ণ মহাকাব্যের রচয়িতা কে?
উত্তর: আদিকবি বাল্মীকি।
৩. বাল্মীকি রচিত রামায়ণকে কী বলা হয়?
উত্তর: আদিকাব্য (বা কবিপ্রথমপদ্ধতিঃ)।
৪. বিষ্ণু পুরাণ অনুসারে বাল্মীকি কার বংশধর?
উত্তর: ভৃগুর বংশধর।
৫. বৈবস্বত মন্বন্তরে বাল্মীকি কততম ব্যাস ছিলেন?
উত্তর: চতুর্বিংশ ব্যাস।
৬. বাল্মীকির পিতার নাম কী ছিল?
উত্তর: মহর্ষি চ্যবন।
৭. বাল্মীকির মাতার নাম কী ছিল?
উত্তর: সুকন্যা।
৮. সুকন্যা কোন্ জাতির নারী ছিলেন?
উত্তর: শূদ্রাজতীয়া নারী।
৯. কবি বাল্মীকি প্রথম জীবনে কী করতেন?
উত্তর: দস্যুবৃত্তি।
১০. দস্যুজীবনে বাল্মীকির নাম কী ছিল?
উত্তর: রত্নাকর।
১১. কার বরে রত্নাকর কবিত্ব শক্তি লাভ করেছিলেন?
উত্তর: ব্রহ্মার বরে।
১২. সাধনার সময় রত্নাকরের শরীর কিসের স্তূপে ঢাকা পড়ে গিয়েছিল?
উত্তর: বল্মীকের স্তূপে।
১৩. কোন নদীর তীরে ক্রৌঞ্চবধের ঘটনা ঘটেছিল?
উত্তর: তমসা নদীর তীরে।
১৪. ক্রৌঞ্চ পাখির যুগলের মধ্যে কাকে ব্যাধের শরাঘাত করা হয়েছিল?
উত্তর: পুরুষ ক্রৌঞ্চটিকে (কামমোহিত ক্রৌঞ্চটিকে)।
১৫. ক্রৌঞ্চবধের পর কার করুণ ক্রন্দন বাল্মীকির হৃদয় বিদীর্ণ করেছিল?
উত্তর: ক্রৌঞ্চবধূর।
১৬. ঋষি বাল্মীকির মুখ থেকে নির্গত প্রথম অভিশাপবাণীটি কী ছিল?
উত্তর: মা নিষাদ প্রতিষ্ঠাং ত্বমগমঃ শাশ্বতীঃ সমাঃ। যৎ ক্রৌঞ্চমিথুনাদেকমবধীঃ কামমোহিতম্।।
১৭. বাল্মীকির উচ্চারিত শ্লোক শুনে কে কে স্বর্গ থেকে নেমে এসেছিলেন?
উত্তর: ব্রহ্মা ও নারদ।
১৮. কার নির্দেশে এবং কার উপদেশে অনুষ্টুপ ছন্দে ‘রামায়ণ’ মহাকাব্য রচিত হয়?
উত্তর: ব্রহ্মার নির্দেশে ও নারদের উপদেশে।
১৯. পৃথিবীতে যতদিন নদী ও পর্বত থাকবে, ততদিন রামায়ণ কথা মানুষের মধ্যে প্রচারিত থাকবে—এই কথাটি কে বলেছিলেন?
উত্তর: ব্রহ্মা।
২০. রামায়ণ মহাকাব্য কয়টি কাণ্ডে বিভক্ত?
উত্তর: সাতটি কাণ্ডে।
২১. রামায়ণের প্রথম কাণ্ডটির নাম কী?
উত্তর: বালকাণ্ড বা আদিকাণ্ড।
২২. রামায়ণের শেষ কাণ্ডটির নাম কী?
উত্তর: উত্তরকাণ্ড।
২৩. ‘বর্ষাবর্ণনম্’ পাঠ্যাংশটি রামায়ণের কোন কাণ্ডের অন্তর্গত?
উত্তর: কিষ্কিন্ধ্যাকাণ্ডের।
২৪. কিষ্কিন্ধ্যাকাণ্ডের কততম সর্গ থেকে ‘বর্ষাবর্ণনম্’ সংকলিত হয়েছে?
উত্তর: আঠাশতম সর্গ থেকে।
২৫. কিষ্কিন্ধ্যাকাণ্ডের আঠাশতম সর্গে মোট কতটি শ্লোক আছে?
উত্তর: ৬৬টি শ্লোক।
২৬. ‘বর্ষাবর্ণনম্’ পাঠ্যাংশে মোট কতটি শ্লোক চয়ন করা হয়েছে?
উত্তর: ১০টি শ্লোক।
২৭. সীতার অন্বেষণে রাম ও লক্ষ্মণ কোথায় সুগ্রীবের সঙ্গে মিত্রতাপাশে আবদ্ধ হন?
উত্তর: ঋষ্যমুক পর্বতে।
২৮. রামচন্দ্র কার অনুরোধে তাঁর অগ্রজ ভাই বালীকে বধ করেছিলেন?
উত্তর: সুগ্রীবের অনুরোধে।
২৯. বালীকে বধ করে রামচন্দ্র কাকে কিষ্কিন্ধ্যার রাজত্বে প্রতিষ্ঠিত করেন?
উত্তর: সুগ্রীবকে।
৩০. প্রতিদানে সুগ্রীব রামচন্দ্রকে কী অন্বেষণে সাহায্য করেছিলেন?
উত্তর: সীতা অন্বেষণে।
৩১. সীতা অন্বেষণের সময় রাম ও লক্ষ্মণ কোথায় অবস্থান করছিলেন?
উত্তর: মাল্যবান পর্বতে।
৩২. মাল্যবান পর্বতে অবস্থানের সময় প্রকৃতির বুকে কার আগমন ঘটেছিল?
উত্তর: বর্ষা ঋতুর।
৩৩. বর্ষাকাল সাধারণত কিসের অনুকূল নয়?
উত্তর: যুদ্ধযাত্রার অনুকূল নয়।
৩৪. যুদ্ধযাত্রার অনুকূল না হওয়ায় রামচন্দ্র কোথায় আশ্রয় নিয়েছিলেন?
উত্তর: মাল্যবান পর্বতে।
৩৫. মাল্যবান পর্বতে অবস্থানকালে রামচন্দ্র কাকে বর্ষার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য প্রত্যক্ষ করতে বলেন?
উত্তর: ভাই লক্ষ্মণকে।
৩৬. ‘বর্ষাবর্ণনম্’ পাঠ্যাংশে মূলত কার বর্ষার ঋতু বর্ণনা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে?
উত্তর: রামচন্দ্রের (লক্ষ্মণের উদ্দেশ্যে)।
৩৭. আদিকবি কাকে বলা হয়?
উত্তর: বাল্মীকিকে।
৩৮. বাল্মীকির রামায়ণকে কী নামে অভিহিত করা হয়েছে?
উত্তর: আদিকাব্য।
৩৯. ‘কবিপ্রথমপদ্ধতিঃ’ কথাটির অর্থ কী?
উত্তর: প্রথম কবির রচনা বা আদিকাব্য।
৪০. রামায়ণ মহাকাব্যটি একাধারে কী এবং কী?
উত্তর: ধর্মশাস্ত্র এবং মহাকাব্য।
৪১. কোন পুরাণে বাল্মীকির জন্ম ও বংশ পরিচয় সম্পর্কে বলা হয়েছে?
উত্তর: বিষ্ণু পুরাণে।
৪২. ‘অধ্যাত্মরামায়ন’ গ্রন্থে বাল্মীকি নিজের অতীত জীবন সম্পর্কে কোথায় বলেছেন?
উত্তর: নিজের অতীত জীবনেতিহাস নিজেই বলেছেন।
৪৩. বাল্মীকির পিতার নাম কী ছিল—মহর্ষি...?
উত্তর: চ্যবন।
৪৪. বাল্মীকির মায়ের নাম কী ছিল?
উত্তর: সুকন্যা।
৪৫. বাল্মীকির পূর্বাশ্রমের নাম কী ছিল?
উত্তর: রত্নাকর।
৪৬. রত্নাকর প্রথম জীবনে কী করতেন?
উত্তর: দস্যুবৃত্তি।
৪৭. দস্যু জীবনের সত্য উপলব্ধি করে রত্নাকর কোন নাম সাধনা করেছিলেন?
উত্তর: ‘রাম নাম’।
৪৮. সাধনার সময় রত্নাকরের শরীর কিসের আস্তরণে ঢেকে গিয়েছিল?
উত্তর: বল্মীকের স্তূপে।
৪৯. বল্মীকের স্তূপ থেকে উদ্ভূত হওয়ার কারণে তাঁর নাম কী হয়?
উত্তর: বাল্মীকি।
৫০. তমসা নদীর তীরে কে শরাঘাত করেছিল?
উত্তর: এক ব্যাধ।
৫১. ব্যাধের শরাঘাতে কে নিহত হয়েছিল?
উত্তর: ক্রৌঞ্চ পাখির যুগলের একটি (পুরুষ ক্রৌঞ্চ)।
৫২. ক্রৌঞ্চবধের দৃশ্য দেখে কার হৃদয় বিদীর্ণ হয়েছিল?
উত্তর: ঋষি বাল্মীকির।
৫৩. বাল্মীকির মুখ থেকে কোন নদীর তীরে অভিশাপ বেরিয়েছিল?
উত্তর: তমসা নদীর তীরে।
৫৪. ‘মা নিষাদ প্রতিষ্ঠাং ত্বমগমঃ...’ শ্লোকটিতে কোন পাখির কথা রয়েছে?
উত্তর: ক্রৌঞ্চ মিথুন।
৫৫. বাল্মীকির মুখ থেকে উচ্চারিত অভিশাপবাণীটি কোন ছন্দে রূপ নিয়েছিল?
উত্তর: অনুষ্টুপ ছন্দে।
৫৬. কার উপদেশে বাল্মীকি রামায়ণ রচনা করেন?
উত্তর: দেবর্ষি নারদের উপদেশে।
৫৭. কার নির্দেশে বাল্মীকি রামায়ণ রচনায় ব্রতী হন?
উত্তর: ব্রহ্মা।
৫৮. ব্রহ্মার মতে, রামায়ণ কথাটি কতদিন পৃথিবীতে প্রচারিত থাকবে?
উত্তর: যতদিন পর্বত ও নদী পৃথিবীতে থাকবে।
৫৯. রামায়ণের তৃতীয় কাণ্ডটির নাম কী?
উত্তর: অরণ্যকাণ্ড।
৬০. রামায়ণের চতুর্থ কাণ্ডটির নাম কী?
উত্তর: কিষ্কিন্ধ্যাকাণ্ড।
৬১. রামায়ণের পঞ্চম কাণ্ডটির নাম কী?
উত্তর: সুন্দরকাণ্ড।
৬২. রামায়ণের ষষ্ঠ কাণ্ডটির নাম কী?
উত্তর: যুদ্ধকাণ্ড।
৬৩. রামায়ণের দ্বিতীয় কাণ্ডটির নাম কী?
উত্তর: অযোধ্যাকাণ্ড।
৬৪. সীতা অনشেষণের মূল পর্বটি রামায়ণের কোন কোন কাণ্ডের সঙ্গে বেশি যুক্ত?
উত্তর: অরণ্য ও কিষ্কিন্ধ্যাকাণ্ড।
৬৫. সুগ্রীব কার ভাই ছিলেন?
উত্তর: বালীর।
৬৬. সুগ্রীবের সঙ্গে রামচন্দ্রের কোথায় মিত্রতা হয়েছিল?
উত্তর: ঋষ্যমুক পর্বতে।
৬৭. রামচন্দ্র কাকে বধ করে সুগ্রীবকে রাজ্য ফিরিয়ে দিয়েছিলেন?
উত্তর: বালীকে।
৬৮. রাম ও লক্ষ্মণ বর্ষাকালে কোথায় অবস্থান করছিলেন?
উত্তর: মাল্যবান পর্বতে।
৬৯. বর্ষাকালে বনাঞ্চল কেমন রূপ ধারণ করে?
উত্তর: সংজীবিত ও অনিন্দ্যসুন্দর।
৭০. বর্ষাকালে কাদের উৎফুল্লতা দেখা যায়?
উত্তর: প্রাণীকুলের।
৭১. মাল্যবান পর্বতে বসে বিরহী রামচন্দ্র কার কাছে বর্ষার বর্ণনা দেন?
উত্তর: ভাই লক্ষ্মণের কাছে।
৭২. ‘বর্ষাবর্ণনম্’ পাঠ্যাংশটি কোন শ্রেণির পাঠ্য?
উত্তর: একাদশ শ্রেণির প্রথম সেমিস্টার।
৭৩. ‘বর্ষাবর্ণনম্’ কোন ভাষা থেকে সংস্কৃত সাহিত্যের অংশ হিসেবে পঠিত?
উত্তর: সংস্কৃত মূল কাব্য (রামায়ণ) থেকে।
৭৪. রামায়ণের রচয়িতা বাল্মীকিকে কোন উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
উত্তর: আদিকবি।
৭৫. বাল্মীকির জীবনে কোন নদীর তীরবর্তী ঘটনাটি মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল?
উত্তর: তমসা নদী।
৭৬. ক্রৌঞ্চ পাখির কান্নায় বাল্মীকির মনে কি সৃষ্টি হয়েছিল?
উত্তর: গভীর শোক।
৭৭. বাল্মীকির গভীর শোক কিসে পরিণত হয়েছিল?
উত্তর: শ্লোকে।
৭৮. ‘কিমিদং ব্যাহৃতং ময়া ?’—এই কথাটি কে ভেবেছিলেন?
উত্তর: ঋষি বাল্মীকি।
৭৯. বাল্মীকির প্রথম শ্লোক শুনে কে বিস্ময়ে অভিভূত হয়েছিলেন?
উত্তর: ঋষি বাল্মীকি নিজেই।
৮০. ব্রহ্মা বাল্মীকিকে কোন ছন্দে কাব্য রচনার নির্দেশ দেন?
উত্তর: অনুষ্টুপ ছন্দে।
৮১. ‘যাবৎ স্থাস্যন্তি গিরয়ঃ...’ এই অমর বাণীটি কার উদ্দেশ্যে বলা হয়েছিল?
উত্তর: বাল্মীকির উদ্দেশ্যে ব্রহ্মার দ্বারা।
৮২. রামায়ণের মোট কাণ্ডের সংখ্যা কত?
উত্তর: সাতটি।
৮৩. কিষ্কিন্ধ্যাকাণ্ডের কত নম্বর সর্গ থেকে বর্ষার বর্ণনা নেওয়া হয়েছে?
উত্তর: ২৮তম সর্গ।
৮৪. ২৮তম সর্গে মোট শ্লোক সংখ্যা কত?
উত্তর: ৬৬টি।
৮৫. ‘বর্ষাবর্ণনম্’ পাঠ্যাংশে কতটি শ্লোক চয়ন করা হয়েছে?
উত্তর: ১০টি।
৮৬. রামচন্দ্র ও লক্ষ্মণ কার সাহায্যে সীতাকে খুঁজতে বেরিয়েছিলেন?
উত্তর: সুগ্রীব।
৮৭. সুগ্রীবের রাজ্য জয়ের পর রামচন্দ্র কোথায় দিন কাটাচ্ছিলেন?
উত্তর: মাল্যবান শিখরে বা পর্বতে।
৮৮. বর্ষার বারিধারা কাকে সঞ্জীবিত করে তোলে?
উত্তর: বনাঞ্চলকে।
৮৯. বর্ষাকালে কার মনে বিরহী ভাব জেগেছিল?
উত্তর: রামচন্দ্রের।
৯০. লক্ষ্মণের উদ্দেশ্যে বর্ষার সৌন্দর্য কে বর্ণনা করছিলেন?
উত্তর: শ্রী রামচন্দ্র।
৯১. বাল্মীকির পিতার নাম কী?
উত্তর: মহর্ষি চ্যবন।
৯২. বাল্মীকির মাতার নাম কী?
উত্তর: সুকন্যা।
৯৩. বৈবস্বত মন্বন্তরে বাল্মীকি কততম ব্যাস?
উত্তর: চতুর্বিংশ ব্যাস।
৯৪. বিষ্ণু পুরাণ অনুসারে বাল্মীকি কার বংশধর?
উত্তর: ভৃগু।
৯৫. রত্নাকর থেকে বাল্মীকি হওয়ার পেছনে কার বর যুক্ত ছিল?
উত্তর: ব্রহ্মা।
৯৬. ক্রৌঞ্চ মিথুনের ওপর কে বাণ প্রয়োগ করেছিল?
উত্তর: ব্যাধ।
৯৭. রামায়ণ কোন ছন্দে রচিত প্রধান কাব্য?
উত্তর: অনুষ্টুপ ছন্দে।
৯৮. বর্ষাবর্ণনম্ পাঠ্যাংশের মূল উৎস গ্রন্থ কী?
উত্তর: বাল্মীকি রামায়ণ।
৯৯. রাম ও লক্ষ্মণ কোন ঋতুর আগমন মাল্যবান পর্বতে প্রত্যক্ষ করেন?
উত্তর: বর্ষা ঋতু।
১০০. ‘বর্ষাবর্ণনম্’ পাঠ্যাংশের মূল বক্তা কে?
উত্তর: শ্রী রামচন্দ্র।
‘কৃপণঃ কপালী’ পাঠ্যাংশভিত্তিক ১০০টি প্রশ্ন ও উত্তর
১. ‘কৃপণঃ কপালী’ পাঠ্যাংশটি কোন শ্রেণির পাঠ্য?
উত্তর: একাদশ শ্রেণির প্রথম সেমিস্টার।
২. সংস্কৃত অলংকার শাস্ত্রে আমরা যাকে সাহিত্য বলি, তা কী নামে চিহ্নিত?
উত্তর: কাব্য।
৩. সংস্কৃত সাহিত্যে কাব্য কয় প্রকার ও কী কী?
উত্তর: দুই প্রকার—দৃশ্যকাব্য ও শ্রব্যকাব্য।
৪. দৃশ্যকাব্যের আধুনিক প্রতিশব্দ কী?
উত্তর: নাটক।
৫. দৃশ্যকাব্যের অপর নাম কী?
উত্তর: রূপক।
৬. রূপক বা দৃশ্যকাব্য কত প্রকার?
উত্তর: দশ প্রকার।
৭. দৃশ্যকাব্যের দশটি রূপকের মধ্যে একটি অন্যতম রূপক কী?
উত্তর: প্রহসন।
৮. প্রহসন শব্দের উৎপত্তিগত অর্থ কী?
উত্তর: প্রকৃষ্টং হাস্যতে ইতি প্রহসনম্ (উৎকৃষ্ট হাস্যরসাত্মক নাটক)।
৯. প্রহসনের মূল উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: হাস্যরস ও ব্যঙ্গ-বিদ্রূপের মাধ্যমে দর্শকদের আনন্দ দান করা।
১০. প্রহসনের মাধ্যমে সমাজের কোন কোন ত্রুটি চিত্রিত হয়?
উত্তর: অনৈতিকতা, অনাচার, ধর্মীয় গোঁড়ামি ও রক্ষণশীলতা।
১১. ‘কৃপণঃ কপালী’ পাঠ্যাংশটি কোন জাতীয় সাহিত্যিক রূপ?
উত্তর: প্রহসন।
১২. ‘কৃপণঃ কপালী’ পাঠ্যাংশটি কোন গ্রন্থ থেকে গৃহীত হয়েছে?
উত্তর: ‘চিপিটকচর্বণম্’ প্রহসন থেকে।
১৩. ‘চিপিটকচর্বণম্’ কোন শ্রেণির রচনা?
উত্তর: প্রহসন।
১৪. ‘কৃপণঃ কপালী’ পাঠ্যাংশের রচয়িতা কে?
উত্তর: শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ।
১৫. শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ আধুনিক সংস্কৃত সাহিত্যের কেমন সাহিত্যিক ছিলেন?
উত্তর: অবিস্মরণীয় বরেণ্য সাহিত্যিক।
১৬. শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ সংস্কৃতির কোন কোন শাখায় পাণ্ডিত্যের অধিকারী ছিলেন?
উত্তর: দর্শন, সাহিত্য ও ব্যাকরণ।
১৭. শ্রীজীব ন্যায়তীর্থের আদি নিবাস পশ্চিমবঙ্গের কোন জেলার অন্তর্গত?
উত্তর: উত্তর চব্বিশ পরগণা জেলার ভাটপাড়া।
১৮. শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ কত খ্রিস্টাব্দের কত তারিখে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: ১৮৯৪ সালের ২৬শে জানুয়ারি।
১৯. শ্রীজীব ন্যায়তীর্থের পিতার নাম কী ছিল?
উত্তর: মহামহোপাধ্যায় পঞ্চানন তর্করত্ন।
২০. শ্রীজীব ন্যায়তীর্থের পড়াশোনা কার চতুষ্পাঠিতে শুরু হয়েছিল?
উত্তর: তাঁর পিতার চতুষ্পাঠিতে।
২১. শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ কোন স্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন?
উত্তর: কলকাতার সংস্কৃত কলেজিয়েট স্কুল থেকে।
২২. শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ কোন কলেজ থেকে বি.এ. পাস করেন?
উত্তর: রিপন কলেজ (অধুনা সুরেন্দ্রনাথ কলেজ) থেকে।
২৩. শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কী ডিগ্রি লাভ করেন?
উত্তর: প্রথম বিভাগে এম.এ. ডিগ্রি ও স্বর্ণপদক।
২৪. বারাণসীতে কার কাছে শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ ন্যায়শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন?
উত্তর: মহামহোপাধ্যায় রাখালদাস ন্যায়রত্নের কাছে।
২৫. কার তত্ত্বাবধানে গবেষণা করে শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ ডক্টরেট হন?
উত্তর: পণ্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর তত্ত্বাবধানে।
২৬. পড়াশোনা সমাপ্তির পর শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ দীর্ঘকাল কোথায় অধ্যাপনা করেন?
উত্তর: কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে।
২৭. শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ কত খ্রিস্টাব্দে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার লাভ করেন?
উত্তর: ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দে।
২৮. ‘কৃপণঃ কপালী’ প্রহসনের মূল নায়ক কে?
উত্তর: কপালী।
২৯. কপালীর প্রধান চরিত্রগত বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: ধনলোভী, কৃপণ, চপল এবং বিদ্যাহীন।
৩০. কপালী সর্বদা কার কার ওপর অত্যাচার করে?
উত্তর: নিজ পত্নী এবং ভৃত্যের ওপর।
৩১. কুকুরের কামড়ে শরীরে রক্ত ঝরলেও কপালী কার ওপর বকাঝকা করে?
উত্তর: স্ত্রী রঙ্গিণীকে।
৩২. কপালীর স্ত্রীর নাম কী?
উত্তর: রঙ্গিণী।
৩৩. কপালীর স্ত্রীর বকাঝকা করার কারণ কী ছিল?
উত্তর: মাদুর নোংরা হয়ে যাওয়ার ভয়।
৩৪. জীর্ণ জুতো-জোড়ার জন্য কপালী কাকে প্রহার করতে উদ্যত হয়?
উত্তর: পঙ্গুরাম ও মন্থরাকে।
৩৫. কপালীর আচরণে কার সাথে কথাবার্তাতেও ক্রোধের প্রকাশ দেখা যায়?
উত্তর: বৈদ্যের সাথে।
৩৬. প্রহসনের অন্তিমে কোন বিশেষ ঘটনার উল্লেখ আছে?
উত্তর: চিপিটকচর্বণ বা চিঁড়ে চিবানোর ঘটনা।
৩৭. ‘কৃপণঃ কপালী’ নাট্যাংশটি মূলত কেমন রচনা?
উত্তর: নিছকই হাস্যরসাশ্রিত রচনা।
৩৮. নাট্যাংশটিতে কার বাস্তব চিত্র নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে?
উত্তর: সমাজের খণ্ড খণ্ড কিছু বাস্তব চিত্র।
৩৯. ‘চিপিটকচর্বণম্’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: চিঁড়ে চিবানো।
৪০. দৃশ্যকাব্যের প্রধান মাধ্যম কী?
উত্তর: মঞ্চে অভিনয় দর্শন।
৪১. সংস্কৃত অলংকার শাস্ত্রে কাব্যকে প্রধানত কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
উত্তর: দুই ভাগে (দৃশ্য ও শ্রব্য)।
৪২. দৃশ্যকাব্যের ওপর কিসের রূপ আরোপ করা হয়?
উত্তর: নাটকীয় চরিত্রের রূপ।
৪৩. প্রহসনে মূলত কোন রসের প্রাধান্য থাকে?
উত্তর: হাস্যরস।
৪৪. শ্রীজীব ন্যায়তীর্থের পিতার উপাধি কী ছিল?
উত্তর: তর্করত্ন।
৪৫. শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ কোন শহরের চতুষ্পাঠিতে পড়াশোনা শুরু করেন?
উত্তর: ভাটপাড়া।
৪৬. শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ কোন কলেজ থেকে এম.এ. পাস করেন?
উত্তর: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭. শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ কোন উপাধিতে ভূষিত হন যা তাঁর নামের সঙ্গে যুক্ত?
উত্তর: ন্যায়তীর্থ।
৪৮. ডক্টরেট ডিগ্রি লাভের সময় শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ কার নির্দেশ বা তত্ত্বাবধানে ছিলেন?
উত্তর: পণ্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
৪৯. শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ কত সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন?
উত্তর: ১৮৯৪ সালে।
৫০. কৃপণ কপালীর চরিত্রটি সমাজের কোন দিকটিকে তুলে ধরে?
উত্তর: মানুষের চরম লোভ ও কৃপণতা।
৫১. ‘কৃপণঃ কপালী’ পাঠ্যাংশে কপালীর ভৃত্যদের নাম কী?
উত্তর: পঙ্গুরাম ও মন্থরা।
৫২. কপালীর পায়ে বা পায়ে নয়, কিসের জন্য জীর্ণ জুতোর কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: জীর্ণ জুতো-জোড়ার জন্য পঙ্গুরাম ও মন্থরাকে প্রহার করতে উদ্যত হয়।
৫৩. কপালীর চরিত্রে কোন প্রবৃত্তি অত্যন্ত প্রবল?
উত্তর: ক্ষুধাতৃপ্তি ও ধনলোভ বা কৃপণতা।
৫৪. প্রহসন কোন ধারার সাহিত্য?
উত্তর: দৃশ্যকাব্য বা নাটক।
৫৫. সংস্কৃত নাট্যসাহিত্যে প্রহসন কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?
উত্তর: রূপক।
৫৬. শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অধ্যাপক হিসেবে যুক্ত ছিলেন?
উত্তর: কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭. শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ কোন বিশিষ্ট বাঙালি পণ্ডিতের কাছে ন্যায়শাস্ত্র পড়েন?
উত্তর: রাখালদাস ন্যায়রত্ন।
৫৮. শ্রীজীব ন্যায়তীর্থের শিক্ষাজীবন কোথায় শুরু হয়?
উত্তর: ভাটপাড়ায় পিতার চতুষ্পাঠিতে।
৫৯. শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ কোন পরীক্ষার মাধ্যমে স্কুল শিক্ষা শেষ করেন?
উত্তর: প্রবেশিকা পরীক্ষা।
৬০. শ্রীজীব ন্যায়তীর্থের পিতা কোন ক্ষেত্রে প্রসিদ্ধ ছিলেন?
উত্তর: পাণ্ডিত্য ও দর্শন শাস্ত্রে।
৬১. ‘কৃপণঃ কপালী’ প্রহসনে কপালীর স্ত্রীর নাম কী?
উত্তর: রঙ্গিণী।
৬২. রঙ্গিণী কার স্ত্রী?
উত্তর: কপালী।
৬৩. কপালীর কাণ্ডকারখানায় কোন ধরনের রস সৃষ্টি হয়?
উত্তর: হাস্যরস।
৬৪. সমাজ সচেতনতার দিক থেকে প্রহসনের কাজ কী?
উত্তর: ত্রুটি-বিচ্যুতি চিত্রিত করা।
৬৫. ‘চিপিটকচর্বণম্’ প্রহসনের লেখক কে?
উত্তর: শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ।
৬৬. কপালী চরিত্রটি কোন মানসিকতার প্রতীক?
উত্তর: কৃপণতা ও অসংযত লোভ।
৬৭. কপালীর ঘরে রক্ত ঝরার কারণ কী ছিল?
উত্তর: কুকুরের কামড়।
৬৮. কুকুরের কামড়ে রক্ত ঝরলে কপালী কাকে বকেছিল?
উত্তর: স্ত্রী রঙ্গিণীকে।
৬৯. মাদুর নোংরা হওয়ার ভয়ে কে বকাঝকা করেছিল?
উত্তর: কপালী।
৭০. পঙ্গুরাম ও মন্থরা কে ছিল?
উত্তর: কপালীর ভৃত্য।
৭১. বৈদ্যের সাথে কার কথা কাটাকাটি হয়?
উত্তর: কপালীর।
৭২. প্রহসনের শেষ অংশে কোন দ্রব্যের চর্বণ বা খাওয়ার কথা আছে?
উত্তর: চিঁড়ে (চিপিটক)।
৭৩. শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ কোন শতকের সাহিত্যিক?
উত্তর: বিংশ শতকের।
৭৪. রাষ্ট্রপতি পুরস্কার শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ কত সালে পান?
উত্তর: ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দে।
৭৫. শ্রীজীব ন্যায়তীর্থের উপাধি ‘ন্যায়তীর্থ’ তিনি কোথা থেকে লাভ করেছিলেন?
উত্তর: বারাণসী থেকে।
৭৬. সংস্কৃত নাট্যশাস্ত্রে রূপক কয় প্রকার বলা হয়েছে?
উত্তর: দশ প্রকার।
৭৭. দৃশ্যকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: অভিনয় প্রদর্শন।
৭৮. ‘প্রকরণ’ কোন জাতীয় কাব্যের অন্তর্গত?
উত্তর: দৃশ্যকাব্য।
৭৯. ‘ভাণ’ বা ‘ব্যায়োগ’ কোন সাহিত্যের রূপ?
উত্তর: দৃশ্যকাব্য বা রূপক।
৮০. ‘সমবকার’ ও ‘ডিম’ কোন শ্রেণীর নাটক?
উত্তর: দৃশ্যকাব্য।
৮১. ‘ঈহামৃগ’, ‘বীথী’ এবং ‘প্রহসন’ কিসের প্রকারভেদ?
উত্তর: দৃশ্যকাব্য বা রূপকের।
৮২. প্রহসনের মূল লক্ষ্য কী হওয়া উচিত?
উত্তর: বিনোদনের মাধ্যমে সমাজ সংস্কার বা ত্রুটি প্রদর্শন।
৮৩. শ্রীজীব ন্যায়তীর্থের এম.এ পাসের বিশেষ কীর্তি কী ছিল?
উত্তর: স্বর্ণপদক লাভ।
৮৪. শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ কোন কলেজ থেকে বি.এ পাস করেন?
উত্তর: সুরেন্দ্রনাথ কলেজ (তৎকালীন রিপন কলেজ)।
৮৫. সংস্কৃত কলেজিয়েট স্কুল কোথায় অবস্থিত ছিল?
উত্তর: কলকাতায়।
৮৬. শ্রীজীব ন্যায়তীর্থের গবেষণার বিষয় কার অধীনে পরিচালিত হয়?
উত্তর: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
৮৭. ভাটপাড়া কোন জেলায় অবস্থিত?
উত্তর: উত্তর চব্বিশ পরগণা।
৮৮. কপালীর প্রধান দোষ কী ছিল?
উত্তর: কৃপণতা ও ধনলোভ।
৮৯. কপালী কি শিক্ষিত না মূর্খ?
উত্তর: বিদ্যাহীন।
৯০. কপালীর চরিত্রে কোন মানসিকতা প্রকট?
উত্তর: চপলতা ও নিষ্ঠুরতা।
৯১. ভৃত্যদের প্রতি কপালীর মনোভাব কেমন ছিল?
উত্তর: অত্যাচারী।
৯২. কপালীর রাগ কার কার ওপর প্রকাশ পেত?
উত্তর: স্ত্রী ও ভৃত্যদের ওপর।
৯৩. কৃপণতার চরম নিদর্শন কপালীর কোন আচরণে প্রকাশ পায়?
উত্তর: মাদুর নোংরা হওয়ার ভয়ে স্ত্রীর রক্তপাত নিয়ে উদাসীনতা ও রাগ দেখানো।
৯৪. ‘চিপিটকচর্বণম্’ কোন নাট্যরীতির রচনা?
উত্তর: প্রহসন।
৯৫. শ্রীজীব ন্যায়তীর্থের জন্মতারিখ কত?
উত্তর: ২৬শে জানুয়ারি, ১৮৯৪।
৯৬. বাংলা সাহিত্যের কোন অঞ্চলের সঙ্গে শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ যুক্ত ছিলেন?
উত্তর: ভাটপাড়া, পশ্চিমবঙ্গ।
৯৭. সংস্কৃত অলংকার শাস্ত্রে ‘কাব্যং দ্বিবিধং...’ এর পরবর্তী অংশ কী?
উত্তর: দৃশ্যং শ্রব্যং চ।
৯৮. নাটক মঞ্চস্থ হওয়ার জন্য কোন কাব্যের সাহায্য নেয়?
উত্তর: দৃশ্যকাব্য।
৯৯. কপালীর সাথে ঝগড়া বা কথা হয় কার?
উত্তর: বৈদ্যের।
১০০. ‘কৃপণঃ কপালী’ পাঠ্যাংশের মূল ভিত্তি কোন প্রহসন?
উত্তর: ‘চিপিটকচর্বণম্’।
প্রত্যয় (ক্ত, ক্তবতু, ক্ত্বা, ল্যপ্, ক্তিন্) ভিত্তিক ১০০টি প্রশ্ন ও উত্তর
১. ‘ক্ত’ প্রত্যয়টি সাধারণত কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: অতীত অর্থে (বা ভূতকালে কর্মবাচ্যে ও ভাববাচ্যে)।
২. ‘ক্তবতু’ প্রত্যয়টি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: অতীত অর্থে (কর্তৃবাচ্যে)।
৩. ‘ক্ত্বা’ প্রত্যয়টি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: ‘করিয়া’ বা পূর্বকাল বোঝাতে (পূর্বকালিক ক্রিয়া গঠনে)।
৪. ‘ল্যপ্’ প্রত্যয়টি কখন ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: ধাতুর পূর্বে উপসর্গ থাকলে এবং পূর্বকাল বোঝালে ‘ক্ত্বা’-র পরিবর্তে ‘ল্যপ্’ হয়।
৫. ‘ক্তিন্’ প্রত্যয়টি কোন অর্থে এবং কিসের সঙ্গে যুক্ত হয়?
উত্তর: ভাব বা সংজ্ঞার্থে এবং ধাতু থেকে বিশেষ্য পদ গঠনে।
৬. ‘কৃ + ক্ত’ যুক্ত হয়ে কী পদ গঠিত হয়?
উত্তর: কೃತ (বা কৃতঃ)।
৭. ‘গম্ + ক্ত’ যুক্ত হয়ে কী পদ গঠিত হয়?
উত্তর: গত (বা গতঃ)।
৮. ‘জ্ঞ্বা (জ্ঞ)। + ক্ত’ যুক্ত হয়ে কী পদ গঠিত হয়?
উত্তর: জ্ঞাত।
৯. ‘ভূ + ক্ত’ যুক্ত হয়ে কী পদ গঠিত হয়?
উত্তর: ভূত্ব বা ভূত (প্রয়োগভেদে)।
১০. ‘পচ্ + ক্ত’ যুক্ত হয়ে কী পদ গঠিত হয়?
উত্তর: পক্ব।
১১. ‘দৃশ্ + ক্ত’ যুক্ত হয়ে কী পদ গঠিত হয়?
উত্তর: দৃষ্ট।
১২. ‘শ্রু + ক্ত’ যুক্ত হয়ে কী পদ গঠিত হয়?
উত্তর: শ্ৰুত।
১৩. ‘পঠ্ + ক্ত’ যুক্ত হয়ে কী পদ গঠিত হয়?
উত্তর: পঠিত।
১৪. ‘লিখ্ + ক্ত’ যুক্ত হয়ে কী পদ গঠিত হয়?
উত্তর: লিখিত।
১৫. ‘স্থা + ক্ত’ যুক্ত হয়ে কী পদ গঠিত হয়?
উত্তর: স্থিত।
১৬. ‘গম্ + ক্তবতু’ যুক্ত হয়ে পুংলগ্জে প্রথমার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: গতবান্।
১৭. ‘কৃ + ক্তবতু’ যুক্ত হয়ে পুংলঙ্গে প্রথমার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: কৃতবান্।
১৮. ‘ভূ + ক্তবতু’ যুক্ত হয়ে পুংলঙ্গে প্রথমার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভূতবান্।
১৯. ‘জ্ঞ্ + ক্তবতু’ যুক্ত হয়ে পুংলঙ্গে প্রথমার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: জ্ঞাতবান্।
২০. ‘পঠ্ + ক্তবতু’ যুক্ত হয়ে পুংলঙ্গে প্রথমার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: পঠিতবান্।
২১. ‘দৃশ্ + ক্তবতু’ যুক্ত হয়ে পুংলঙ্গে প্রথমার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: দৃষ্টবান্।
২২. ‘শ্রু + ক্তবতু’ যুক্ত হয়ে পুংলঙ্গে প্রথমার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: শ্রুতবান্।
২৩. ‘নৃত্ + ক্তবতু’ যুক্ত হয়ে পুংলঙ্গে প্রথমার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নৃত্তবান্ (বা নর্তিতবান্)।
২৪. ‘পচ্ + ক্তবতু’ যুক্ত হয়ে পুংলঙ্গে প্রথমার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: পক্তবান্।
২৫. ‘হন্ + ক্তবতু’ যুক্ত হয়ে পুংলঙ্গে প্রথমার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: হত্বান্ (বা হতবান্)।
২৬. ‘গম্ + ক্ত্বা’ যুক্ত হয়ে কী রূপ গঠিত হয়?
উত্তর: গত্বা।
২৭. ‘কৃ + ক্ত্বা’ যুক্ত হয়ে কী রূপ গঠিত হয়?
উত্তর: কৃত্বা।
২৮. ‘ভূ + ক্ত্বা’ যুক্ত হয়ে কী রূপ গঠিত হয়?
উত্তর: ভূত্বা।
২৯. ‘পঠ্ + ক্ত্বা’ যুক্ত হয়ে কী রূপ গঠিত হয়?
উত্তর: পঠিত্বা।
৩০. ‘দৃশ্ + ক্ত্বা’ যুক্ত হয়ে কী রূপ গঠিত হয়?
উত্তর: দৃষ্ট্বা।
৩১. ‘শ্রু + ক্ত্বা’ যুক্ত হয়ে কী রূপ গঠিত হয়?
উত্তর: শ্ৰুত্বা।
৩২. ‘জ্ঞ্বা + ক্ত্বা’ যুক্ত হয়ে কী রূপ গঠিত হয়?
উত্তর: জ্ঞাত্বা।
৩৩. ‘পচ্ + ক্ত্বা’ যুক্ত হয়ে কী রূপ গঠিত হয়?
উত্তর: পক্ত্বা।
৩৪. ‘মুচ + ক্ত্বা’ যুক্ত হয়ে কী রূপ গঠিত হয়?
উত্তর: মুক্ত্বা।
৩৫. ‘ত্যজ্ + ক্ত্বা’ যুক্ত হয়ে কী রূপ গঠিত হয়?
উত্তর: ত্যক্ত্বা।
৩৬. ধাতুর পূর্বে উপসর্গ থাকলে ‘ক্ত্বা’ প্রত্যয়ের স্থানে কোন প্রত্যয় হয়?
উত্তর: ল্যপ্ প্রত্যয়।
৩৭. ‘আ + গম্ + ল্যপ্’ যুক্ত হয়ে কী রূপ গঠিত হয়?
উত্তর: আগম্য।
৩৮. ‘প্র + বিশ্ + ল্যপ্’ যুক্ত হয়ে কী রূপ গঠিত হয়?
উত্তর: প্রবিশ্যের (বা প্রবিশ্য)।
৩৯. ‘সম্ + গুম্ (গম্) + ল্যপ্’ যুক্ত হয়ে কী রূপ গঠিত হয়?
উত্তর: সংগম্য।
৪০. ‘উদ্ব + স্থা + ল্যপ্’ বা ‘উৎ + স্থা + ল্যপ্’ যুক্ত হয়ে কী রূপ গঠিত হয়?
উত্তর: উত্থায়।
৪১. ‘অনু + ভূ + ল্যপ্’ যুক্ত হয়ে কী রূপ গঠিত হয়?
উত্তর: অনুভূয়।
৪২. ‘আ + নী + ল্যপ্’ যুক্ত হয়ে কী রূপ গঠিত হয়?
উত্তর: আনীয়।
৪৩. ‘প্র + দা + ল্যপ্’ যুক্ত হয়ে কী রূপ গঠিত হয়?
উত্তর: প্রদায়।
৪৪. ‘সম্ + আ + দা + ল্যপ্’ যুক্ত হয়ে কী রূপ গঠিত হয়?
উত্তর: সমাদায়।
৪৫. ‘বি + জ্ঞ্বা + ল্যপ্’ যুক্ত হয়ে কী রূপ গঠিত হয়?
উত্তর: বিজ্ঞায়।
৪৬. ‘প্র + নম্ + ল্যপ্’ যুক্ত হয়ে কী রূপ গঠিত হয়?
উত্তর: প্রণম্য।
৪৭. ‘ক্তিন্’ প্রত্যয়ান্ত পদগুলি সাধারণত কোন লিঙ্গ হয়?
উত্তর: স্ত্রীলিঙ্গ। ‘ক্তিন্’ প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলির শেষে সাধারণত কী অবশিষ্ট থাকে?
উত্তর: ‘তি’ (কিংবা ‘ত্’ লুপ্ত হয়ে ‘তি’ রূপ নেয়)।
৪৯. ‘গম্ + ক্তিন্’ যুক্ত হয়ে কী পদ গঠিত হয়?
উত্তর: গতিঃ (বা গতি)।
৫০. ‘মতি’ শব্দে কোন ধাতু ও কোন প্রত্যয় রয়েছে?
উত্তর: মন্ব্ (বা মন্) + ক্তিন্।
৫১. ‘স্থির’ বা ‘স্থিতি’ শব্দে ক্তিন্ প্রত্যয় করলে কী হয়?
উত্তর: স্থিতিঃ।
৫২. ‘কৃ + ক্তিন্’ যুক্ত হয়ে কী রূপ হয়?
উত্তর: কৃতিঃ।
৫৩. ‘স্মৃ + ক্তিন্’ যুক্ত হয়ে কী রূপ হয়?
উত্তর: স্মৃতিঃ।
৫৪. ‘জ্ঞ্বা + ক্তিন্’ যুক্ত হয়ে কী রূপ হয়?
উত্তর: জ্ঞাতিঃ (বা জ্ঞান অর্থে নীতি/জ্যোতি ইত্যাদি)।
৫৫. ‘ভী + ক্তিন্’ যুক্ত হয়ে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভীতিঃ।
৫৬. ‘শক্তি’ শব্দে কোন ধাতু ও প্রত্যয় যুক্ত আছে?
উত্তর: শক্ + ক্তিন্।
৫৭. ‘ভুক্তি’ শব্দে কোন ধাতু ও প্রত্যয় আছে?
উত্তর: ভুজ্ + ক্তিন্।
৫৮. ‘উক্তি’ শব্দে কোন ধাতু ও প্রত্যয় আছে?
উত্তর: বচ্ত্ (বচ্) + ক্তিন্।
৫৯. ‘পত্তি’ বা ‘পতি’ (প্রাপ্তি অর্থে) সাধনে কোন প্রত্যয় বসে?
উত্তর: ক্তিন্।
৬০. ‘প্রাপ্তি’ শব্দে কোন ধাতু ও প্রত্যয় আছে?
উত্তর: প্র + আপ্ + ক্তিন্।
৬১. ‘ক্ত’ প্রত্যয়ান্ত শব্দ বিশেষণের ক্ষেত্রে কয়টি লিঙ্গে রূপ নেয়?
উত্তর: তিনটি লিঙ্গেই (ত্রিভঙ্গী/ত্রিলিঙ্গ)।
৬২. ‘গম্ + ক্ত’ স্ত্রীলিঙ্গে প্রথমার একবচনে কী হয়?
উত্তর: গতা।
৬৩. ‘কৃ + ক্ত’ স্ত্রীলিঙ্গে কী হয়?
উত্তর: কৃতা।
৬৪. ‘পঠ্ + ক্ত’ ক্লীবলিঙ্গে প্রথমার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: পঠিতম্।
৬৫. ‘গম্ + ক্ত’ ক্লীবলিঙ্গে প্রথমার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: গতম্।
৬৬. ‘ক্তবতু’ প্রত্যয়ান্ত শব্দের পুংলিঙ্গ প্রথমার একবচনে কী প্রত্যয়াবয়ব থাকে?
উত্তর: ‘বৎ’ (যা প্রথমার একবচনে ‘বান্’ হয়)।
৬৭. ‘ক্তবতু’ প্রত্যয়ান্ত শব্দ স্ত্রীলিঙ্গে কী হয়?
উত্তর: নদী শব্দের মতো ‘বতী’ যোগে (যেমন- গতবতী)।
৬৮. ‘ক্তবতু’ প্রত্যয়ান্ত শব্দ ক্লীবলিঙ্গে কী হয়?
উত্তর: ‘বৎ’ (যেমন- গতবৎ)।
৬৯. ‘ক্ত্বা’ প্রত্যয়ান্ত পদগুলি বাক্যে কি হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: অব্যয় পদ।
৭০. ‘ল্যপ্’ প্রত্যয়ান্ত পদগুলি বাক্যে কি হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: অব্যয় পদ।
৭১. ‘দ্ৰুহ্ + ক্ত্বা’ যুক্ত হয়ে কী রূপ হয়?
উত্তর: দ্রুদ্ভ্বা (বা দুগ্ধ্বা)।
৭২. ‘লুভ্ + ক্ত্বা’ যুক্ত হয়ে কী রূপ হয়?
উত্তর: লুব্ধ্বা।
৭৩. ‘পচ্ + ক্ত্বা’ যুক্ত হয়ে বিকল্পে কী হয়?
উত্তর: পক্ত্বা বা পক্বত্বা।
৭৪. ‘অদ্ + ক্ত্বা’ যুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: জগ্ধ্বা।
৭৫. ‘হান্’ বা ‘হন্ + ক্ত্বা’ যুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: হত্বা।
৭৬. ‘দম্ + ক্ত’ যুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: শান্ত (দম্ ধাতুর দাস্ত বা শান্ত)।
৭৭. ‘চ্ছিদ্ + ক্ত’ যুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: ছিন্ন।
৭৮. ‘ভিদ্ + ক্ত’ যুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: ভিন্ন।
৭৯. ‘যুয্ + ক্ত’ (যুজ্ + ক্ত) যুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: যুক্ত।
৮০. ‘রুধ্ + ক্ত’ যুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: রুদ্ধ।
৮১. ‘নি + গম্ + ল্যপ্’ যুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: নিগম্য।
৮২. ‘উপ + বিশ্ + ল্যপ্’ যুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: উপবিশিয় বা উপবিশ্য।
৮৩. ‘পরি + ত্যজ্ + ল্যপ্’ যুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: পরিত্যজ্য।
৮৪. ‘আ + নী + ল্যপ্’ যুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: আনীয়।
৮৫. ‘সম্ + পূজ্ + ল্যপ্’ যুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: সংপূজ্য।
৮৬. ‘অব + গম্ + ল্যপ্’ যুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: অবগম্য।
৮৭. ‘প্র + আদ্ + ল্যপ্’ (প্র + আপ্ + ল্যপ্) যুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: প্রাপ্য।
৮৮. ‘বি + ডু (হা) + ল্যপ্’ যুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: বিহায়।
৮৯. ‘উপ + স্থা + ল্যপ্’ যুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: উপস্থায়।
৯০. ‘আ + রুহ্ + ল্যপ্’ যুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: আরুহ্য।
৯১. ‘ক্তি’ বা ‘তি’ প্রত্যয়ান্ত ভাববাচক শব্দ ‘উৎপত্তি’ তে কোন ধাতু ও প্রত্যয় আছে?
উত্তর: উত্ + পদ + ক্তিন্।
৯২. ‘শক্তি’ শব্দের ধাতু মূল কী?
উত্তর: শক্।
৯৩. ‘বৃত্তি’ শব্দে কোন ধাতু ও প্রত্যয় রয়েছে?
উত্তর: বৃত্ত্ + ক্তিন্।
৯৪. ‘জ্যোতিঃ’ বা ‘দ্যুতি’ শব্দে কোন ধাতু ও প্রত্যয় আছে?
উত্তর: দ্যুত্ব্ (দ্যুত্) + ক্তিন্।
৯৫. ‘রীতি’ শব্দে কোন ধাতু ও প্রত্যয় আছে?
উত্তর: রি + ক্তিন্।
৯৬. ‘সৃষ্টি’ শব্দে কোন ধাতু ও প্রত্যয় আছে?
উত্তর: সৃজ্ + ক্তিন্ (সৃষ্টিঃ)।
৯৭. ‘বৃত্তি’ শব্দের মতো ‘দৃপ্তি’ শব্দে কোন ধাতু ও প্রত্যয় আছে?
উত্তর: দৃপ + ক্তিন্।
৯৮. ‘শুচি’ বা ‘শুদ্ধি’ শব্দে কোন ধাতু ও প্রত্যয় আছে?
উত্তর: শুদ্ + ক্তিন্ (শুদ্ধিঃ)।
৯৯. ‘হান্’ ধাতুর সঙ্গে ‘ক্তিন্’ প্রত্যয় যুক্ত হলে কী রূপ হয়?
উত্তর: হতিঃ।
১০০. ক্ত, ক্তবতু, ক্ত্বা, ল্যপ্ ও ক্তিন্—এই পাঁচটি প্রত্যয় মূলত কোন পদের ব্যাকরণগত অধ্যায়ের অন্তর্গত?
উত্তর: কৃৎ প্রত্যয় (তদ্ধিত নয়)।
সংস্কৃত ব্যাকরণের ধাতুরূপ (লট্, লোট্, লঙ্ত্, বিধিলিঙ্ত্ ও লৃট্ লকার) থেকে অপশন ছাড়া সরাসরি ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো:
ধাতুরূপ ভিত্তিক ১০০টি প্রশ্ন ও উত্তর
১. ‘ভূ’ ধাতুর লট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভবতি।
২. ‘ভূ’ ধাতুর লট্ লকার প্রথম পুরুষের দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভবতঃ।
৩. ‘ভূ’ ধাতুর লট্ লকার প্রথম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভবন্তি।
৪. ‘ভূ’ ধাতুর লট্ লকার মধ্যম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভবসি।
৫. ‘ভূ’ ধাতুর লট্ লকার মধ্যম পুরুষের দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভবধঃ।
৬. ‘ভূ’ ধাতুর লট্ লকার মধ্যম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভবথ।
৭. ‘ভূ’ ধাতুর লট্ লকার উত্তম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভবামি।
৮. ‘ভূ’ ধাতুর লট্ লকার উত্তম পুরুষের দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভবাবঃ।
৯. ‘ভূ’ ধাতুর লট্ লকার উত্তম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভবামঃ।
১০. ‘গম্’ (গচ্ছ) ধাতুর লট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: গচ্ছতি।
১১. ‘গম্’ ধাতুর লট্ লকার প্রথম পুরুষের দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: গচ্ছতঃ।
১২. ‘গম্’ ধাতুর লট্ লকার প্রথম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: গচ্ছন্তি।
১৩. ‘গম্’ ধাতুর লট্ লকার উত্তম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: গচ্ছামি।
১৪. ‘গম্’ ধাতুর লট্ লকার উত্তম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: গচ্ছামঃ।
১৫. ‘পঠ্’ ধাতুর লট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: পঠতি।
১৬. ‘পঠ্’ ধাতুর লট্ লকার মধ্যম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: পঠসি।
১৭. ‘পঠ্’ ধাতুর লট্ লকার উত্তম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: পঠামি।
১৮. ‘লিখ্’ ধাতুর লট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: লিখতি।
১৯. ‘লিখ্’ ধাতুর লট্ লকার উত্তম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: লিখামঃ।
২০. ‘অস্’ ধাতুর লট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: অস্তি।
২১. ‘অস্’ ধাতুর লট্ লকার প্রথম পুরুষের দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: স্তঃ।
২২. ‘অস্’ ধাতুর লট্ লকার প্রথম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: সন্তি।
২৩. ‘অস্’ ধাতুর লট্ লকার মধ্যম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: অসি।
২৪. ‘অস্’ ধাতুর লট্ লকার মধ্যম পুরুষের দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: স্থঃ।
২৫. ‘অস্’ ধাতুর লট্ লকার মধ্যম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: স্থ।
২৬. ‘অস্’ ধাতুর লট্ লকার উত্তম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: স্বি (বা অস্মি)।
২৭. ‘অস্’ ধাতুর লট্ লকার উত্তম পুরুষের দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: স্বঃ।
২৮. ‘অস্’ ধাতুর লট্ লকার উত্তম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: স্মঃ।
২৯. ‘কৃ’ (করো) ধাতুর লট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: করোতি।
৩০. ‘কৃ’ ধাতুর লট্ লকার প্রথম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: কুৰ্বন্তি।
৩১. ‘কৃ’ ধাতুর লট্ লকার উত্তম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: করবাণি বা করবাণি রূপটি লোট লকারে হয়, লট লকারে করবাণি হয় না (লট-এ করবাণি হয় না, করবাণি লোট লকারের রূপ)। লট লকারে ‘করোমি’ হয়।
৩২. ‘পা’ (পিব) ধাতুর লট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: পিৱতি।
৩৩. ‘দৃশ্’ (পশ্য) ধাতুর লট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: পশ্যতি।
৩৪. ‘স্থা’ (তিষ্ঠ) ধাতুর লট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: তিষ্ঠতি।
৩৫. ‘শ্রু’ (শৃণু) ধাতুর লট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: শৃণোতি।
৩৬. ‘জ্ঞ্বা’ (জানা) ধাতুর লট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: জানাতি।
৩৭. ‘দা’ (যচ্ছ) ধাতুর লট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: যচ্ছতি।
৩৮. ‘হন্’ ধাতুর লট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: হন্তি।
৩৯. ‘হন্’ ধাতুর লট্ লকার প্রথম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ঘ্নন্তি।
৪০. ‘ভী’ ধাতুর লট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: বিভেতি।
লোট্ লকার (অনুজ্ঞা বা আদেশ সূচক)
৪১. ‘ভূ’ ধাতুর লোট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভবতু।
৪২. ‘ভূ’ ধাতুর লোট্ লকার প্রথম পুরুষের দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভবাস্তাম্।
৪৩. ‘ভূ’ ধাতুর লোট্ লকার প্রথম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভবন্তু।
৪৪. ‘ভূ’ ধাতুর লোট্ লকার মধ্যম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভব (বা ভবত্)।
৪৫. ‘ভূ’ ধাতুর লোট্ লকার মধ্যম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভবত।
৪৬. ‘ভূ’ ধাতুর লোট্ লকার উত্তম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভবাণি।
৪৭. ‘ভূ’ ধাতুর লোট্ লকার উত্তম পুরুষের দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভাবাৱ।
৪৮. ‘ভূ’ ধাতুর লোট্ লকার উত্তম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভবাম।
৪৯. ‘গম্’ ধাতুর লোট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: গচ্ছতু।
৫০. ‘গম্’ ধাতুর লোট্ লকার প্রথম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: গচ্ছন্তু।
৫১. ‘পঠ্’ ধাতুর লোট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: পঠতু।
৫২. ‘পঠ্’ ধাতুর লোট্ লকার মধ্যম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: পঠ।
৫৩. ‘অস্’ ধাতুর লোট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: অস্ত্রু (বা অস্তু)।
৫৪. ‘অস্’ ধাতুর লোট্ লকার প্রথম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: সন্তু।
৫৫. ‘কৃ’ ধাতুর লোট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: করোতু।
৫৬. ‘কৃ’ ধাতুর লোট্ লকার প্রথম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: কুর্বন্তু।
৫৭. ‘পা’ ধাতুর লোট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: পিৱতু।
৫৮. ‘দৃশ্’ ধাতুর লোট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: পশ্যতু।
লঙ্ত্ লকার (অতীত কাল / Imperfect)
৫৯. ‘ভূ’ ধাতুর লঙ্ত্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: অভবৎ।
৬০. ‘ভূ’ ধাতুর লঙ্ত্ লকার প্রথম পুরুষের দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: অভবতাম্।
৬১. ‘ভূ’ ধাতুর লঙ্ত্ লকার প্রথম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: অভবন্।
৬২. ‘ভূ’ ধাতুর লঙ্ত্ লকার মধ্যম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: অভবঃ।
৬৩. ‘ভূ’ ধাতুর লঙ্ত্ লকার মধ্যম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: অভবত।
৬৪. ‘ভূ’ ধাতুর লঙ্ত্ লকার উত্তম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: অভবম্।
৬৫. ‘ভূ’ ধাতুর লঙ্ত্ লকার উত্তম পুরুষের দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: অভবাব।
৬৬. ‘ভূ’ ধাতুর লঙ্ত্ লকার উত্তম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: অভবাম।
৬৭. ‘গম্’ ধাতুর লঙ্ত্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: অগচ্ছত্।
৬৮. ‘গম্’ ধাতুর লঙ্ত্ লকার প্রথম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: অগচ্ছন্।
৬৯. ‘পঠ্’ ধাতুর লঙ্ত্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: অপঠত্।
৭০. ‘পঠ্’ ধাতুর লঙ্ত্ লকার মধ্যম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: অপঠঃ।
৭১. ‘লিখ্’ ধাতুর লঙ্ত্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: অলিখত্।
৭২. ‘অস্’ ধাতুর লঙ্ত্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: আসীৎ।
৭৩. ‘অস্’ ধাতুর লঙ্ত্ লকার প্রথম পুরুষের দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: আস্তাম্।
৭৪. ‘অস্’ ধাতুর লঙ্ত্ লকার প্রথম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: আসন্।
৭৫. ‘অস্’ ধাতুর লঙ্ত্ লকার মধ্যম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: আসীঃ।
৭৬. ‘কৃ’ ধাতুর লঙ্ত্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: অকরোৎ।
৭৭. ‘কৃ’ ধাতুর লঙ্ত্ লকার প্রথম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: অকুর্বন্।
৭৮. ‘পা’ ধাতুর লঙ্ত্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: অপিবত্।
বিধিলিঙ্ত্ লকার (সম্ভাবনা বা উচিত অর্থে / Potential)
৭৯. ‘ভূ’ ধাতুর বিধিলিঙ্ত্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভবেৎ।
৮০. ‘ভূ’ ধাতুর বিধিলিঙ্ত্ লকার প্রথম পুরুষের দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভবেতাম্।
৮১. ‘ভূ’ ধাতুর বিধিলিঙ্ত্ লকার প্রথম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভবেয়ুঃ।
৮২. ‘ভূ’ ধাতুর বিধিলিঙ্ত্ লকার মধ্যম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভবেঃ।
৮৩. ‘ভূ’ ধাতুর বিধিলিঙ্ত্ লকার মধ্যম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভবেত।
৮৪. ‘ভূ’ ধাতুর বিধিলিঙ্ত্ লকার উত্তম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তরেষু না, ভবেয়ম্।
৮৫. ‘ভূ’ ধাতুর বিধিলিঙ্ত্ লকার উত্তম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভবেম।
৮৬. ‘গম্’ ধাতুর বিধিলিঙ্ত্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: গচ্ছেত্ (বা গচ্ছেৎ)।
৮৭. ‘পঠ্’ ধাতুর বিধিলিঙ্ত্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: পঠেত্ (বা পঠেৎ)।
৮৮. ‘অস্’ ধাতুর বিধিলিঙ্ত্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: স্যাৎ।
৮৯. ‘অস্’ ধাতুর বিধিলিঙ্ত্ লকার প্রথম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: স্যূঃ।
৯০. ‘কৃ’ ধাতুর বিধিলিঙ্ত্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: কুৰ্যাৎ।
লৃট্ লকার (ভবিষ্যৎ কাল) ও সাধারণ ধাতুরূপ
৯১. ‘ভূ’ ধাতুর লৃট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভবিষ্কতি (বা ভবিষ্যতি)।
৯২. ‘ভূ’ ধাতুর লৃট্ লকার প্রথম পুরুষের বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভবিষ্যন্তি।
৯৩. ‘গম্’ ধাতুর লৃট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: গমিষ্যতি।
৯৪. ‘পঠ্’ ধাতুর লৃট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: পঠিষ্যতি।
৯৫. ‘অস্’ ধাতুর লৃট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ভবিষ্যতি।
৯৬. ‘কৃ’ ধাতুর লৃট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: করিষ্যতি।
৯৭. ‘দৃশ্’ ধাতুর লৃট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: দ্রক্ষ্যতি।
৯৮. ‘পা’ ধাতুর লৃট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: পাষ্যতি (বা পাস্যতি)।
৯৯. ‘জ্ঞ্বা’ ধাতুর লৃট্ লকার প্রথম পুরুষের একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: জ্ঞাস্যতি।
১০০. সংস্কৃত ব্যাকরণে মোট কয়টি লকার বা কাল ও ভাব নির্দেশক বিভ বিভাগ রয়েছে?
উত্তর: দশটি (সাধারণত পাঠ্যপুস্তকে ৫টি প্রধান লকার পঠিত হয়)।
সংস্কৃত ব্যাকরণের শব্দরূপ (অকারান্ত পুংলিঙ্গ, আকারান্ত স্ত্রীলিঙ্গ, ইকারান্ত, উকারান্ত এবং নদী/নৃপ ইত্যাদি শব্দ) থেকে অপশন ছাড়া সরাসরি ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো:
শব্দরূপ ভিত্তিক ১০০টি প্রশ্ন ও উত্তর
১. ‘নর’ শব্দের প্রথমার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নরঃ।
২. ‘নর’ শব্দের প্রথমার দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নরৌ।
৩. ‘নর’ শব্দের প্রথমার বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নরাঃ।
৪. ‘নর’ শব্দের দ্বিতীয়ার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নরস্ (বা নরিম্/নরম্)।
৫. ‘নর’ শব্দের দ্বিতীয়ার দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নরৌ।
৬. ‘নর’ শব্দের দ্বিতীয়ার বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নরান।
৭. ‘নর’ শব্দের তৃতীয়ার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নরেণ।
৮. ‘নর’ শব্দের তৃতীয়ার দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নরাভ্যাম্।
৯. ‘নর’ শব্দের তৃতীয়ার বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নরৈঃ।
১০. ‘নর’ শব্দের চতুর্থীর একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নরায়।
১১. ‘নর’ শব্দের চতুর্থীর বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নরেভ্যঃ।
১২. ‘নর’ শব্দের পঞ্চমীর একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নরাত্।
১৯. ‘নর’ শব্দের পঞ্চমীর বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নরেভ্যঃ।
১৪. ‘নর’ শব্দের ষষ্ঠীর একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নরস্য।
১৫. ‘নর’ শব্দের ষষ্ঠীর দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নরয়োঃ।
১৬. ‘নর’ শব্দের ষষ্ঠীর বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নরাম্।
১৭. ‘নর’ শব্দের সপ্তমীর একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নরে।
১৮. ‘নর’ শব্দের সপ্তমীর বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নরেষু।
১৯. ‘নর’ শব্দের সম্বোধনে একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: হে নর।
২০. ‘নর’ শব্দের সম্বোধনে বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: হে নরাঃ।
২১. ‘লতা’ (আকারান্ত স্ত্রীলিঙ্গ) শব্দের প্রথমার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: লতা।
২২. ‘লতা’ শব্দের প্রথমার দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: লতে।
২৩. ‘লতা’ শব্দের প্রথমার বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: লতাঃ।
২৪. ‘লতা’ শব্দের দ্বিতীয়ার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: লতাম্।
২৫. ‘লতা’ শব্দের দ্বিতীয়ার বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: লতাঃ।
২৬. ‘লতা’ শব্দের তৃতীয়ার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: লতয়া।
২৭. ‘লতা’ শব্দের তৃতীয়ার দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: লতাভ্যাম্।
২৮. ‘লতা’ শব্দের তৃতীয়ার বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: লতানি (বা লতাতঃ/লতাভিঃ)।
২৯. ‘লতা’ শব্দের চতুর্থীর একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: লতায়ৈ।
৩০. ‘লতা’ শব্দের পঞ্চমীর একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: লতায়াঃ।
৩১. ‘লতা’ শব্দের ষষ্ঠীর একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: লতায়াঃ।
৩২. ‘লতা’ শব্দের ষষ্ঠীর বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: লতানাং (লতাতঃ/লতানাং)।
৩৩. ‘লতা’ শব্দের সপ্তমীর একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: লতায়াম্।
৩৪. ‘লতা’ শব্দের সপ্তমীর বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: লতাস্থ।
৩৫. ‘ফল’ (অকারান্ত ক্লীবলিঙ্গ) শব্দের প্রথমার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ফলম্।
৩৬. ‘ফল’ শব্দের প্রথমার দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ফলে।
৩৭. ‘ফল’ শব্দের প্রথমার বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ফলানি।
৩৮. ‘ফল’ শব্দের দ্বিতীয়ার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ফলম্।
৩৯. ‘ফল’ শব্দের দ্বিতীয়ার দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ফলে।
৪০. ‘ফল’ শব্দের দ্বিতীয়ার বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ফলানি।
৪১. ‘মুনী’ বা ‘মুনি’ (ইকারান্ত পুংলিঙ্গ) শব্দের প্রথমার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: মুনিঃ।
৪২. ‘মুনি’ শব্দের প্রথমার দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: মুনী।
৪৩. ‘মুনি’ শব্দের প্রথমার বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: মুনয়ঃ।
৪৪. ‘মুনি’ শব্দের দ্বিতীয়ার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: মুনিম্।
৪৫. ‘মুনি’ শব্দের দ্বিতীয়ার বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: মুনীন।
৪৬. ‘মুনি’ শব্দের তৃতীয়ার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: মুনিনা।
৪৭. ‘মুনি’ শব্দের চতুর্থীর একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: মুনয়ে।
৪৮. ‘মুনি’ শব্দের পঞ্চমীর একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: মুনেঃ।
৪৯. ‘মুনি’ শব্দের ষষ্ঠীর একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: মুনেঃ।
৫০. ‘মুনি’ শব্দের সপ্তমীর একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: মুনৌ।
৫১. ‘কবি’ শব্দের সপ্তমীর একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: কবৌ।
৫২. ‘কবি’ শব্দের প্রথমার বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: কবয়ঃ।
৫৩. ‘সাধু’ (উকারান্ত পুংলিঙ্গ) শব্দের প্রথমার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: সাধুঃ।
৫৪. ‘সাধু’ শব্দের প্রথমার দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: সাধূ।
৫৫. ‘সাধু’ শব্দের প্রথমার বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: সাধবঃ।
৫৬. ‘সাধু’ শব্দের দ্বিতীয়ার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: সাধুম্।
৫৭. ‘সাধু’ শব্দের দ্বিতীয়ার বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: সাধূন্।
৫৮. ‘সাধু’ শব্দের তৃতীয়ার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: সাধুনা।
৫৯. ‘সাধু’ শব্দের চতুর্থীর একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: সাধবে।
৬০. ‘সাধু’ শব্দের পঞ্চমীর একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: সাধোঃ।
৬১. ‘সাধু’ শব্দের ষষ্ঠীর একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: সাধোঃ।
৬২. ‘সাধু’ শব্দের সপ্তমীর একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: সাধৌ।
৬৩. ‘নদী’ (ঈকারান্ত স্ত্রীলিঙ্গ) শব্দের প্রথমার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নদী।
৬৪. ‘নদী’ শব্দের প্রথমার দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নদ্যৌ।
৬৫. ‘নদী’ শব্দের প্রথমার বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নদ্যঃ।
৬৬. ‘নদী’ শব্দের দ্বিতীয়ার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নদীম্।
৬৭. ‘নদী’ শব্দের দ্বিতীয়ার বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নদীঃ।
৬৮. ‘নদী’ শব্দের তৃতীয়ার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নদ্যা।
৬৯. ‘নদী’ শব্দের চতুর্থীর একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নদ্যৈ।
৭০. ‘নদী’ শব্দের পঞ্চমীর একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নদ্যাঃ।
৭১. ‘নদী’ শব্দের ষষ্ঠীর একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নদ্যাঃ।
৭২. ‘নদী’ শব্দের ষষ্ঠীর বহুবচনাম্ কী হয়?
উত্তর: নদীনাং।
৭৩. ‘নদী’ শব্দের সপ্তমীর একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নদ্যাম্।
৭৪. ‘নদী’ শব্দের সপ্তমীর বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: নদীষু।
৭৫. ‘মাতৃ’ (ঋকারান্ত স্ত্রীলিঙ্গ) শব্দের প্রথমার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: মাতা।
৭৬. ‘মাতৃ’ শব্দের প্রথমার দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: মাতরৌ।
৭৭. ‘মাতৃ’ শব্দের প্রথমার বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: মাতরঃ।
৭৮. ‘মাতৃ’ শব্দের দ্বিতীয়ার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: মাতরম্।
৭৯. ‘মাতৃ’ শব্দের দ্বিতীয়ার বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: মাতৄঃ।
৮০. ‘মাতৃ’ শব্দের তৃতীয়ার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: মাত্ৰা।
৮১. ‘পিতৃ’ (ঋকারান্ত পুংলিঙ্গ) শব্দের প্রথমার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: পিতা।
৮২. ‘পিতৃ’ শব্দের প্রথমার বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: পিতরঃ।
৮৩. ‘পিতৃ’ শব্দের দ্বিতীয়ার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: পিতরম্।
৮৪. ‘পিতৃ’ শব্দের তৃতীয়ার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: পিত্রা।
৮৫. ‘পিতৃ’ শব্দের চতুর্থীর একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: পত্রে (বা পিত্রে)।
৮৬. ‘স্মৃত বা অস্মদ্’ (সর্বনাম) শব্দের প্রথমার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: অহম্।
৮৭. ‘অস্মদ্’ শব্দের প্রথমার দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: আবাম্।
৮৮. ‘অস্মদ্’ শব্দের প্রথমার বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: বয়ম্।
৮৯. ‘অস্মদ্’ শব্দের দ্বিতীয়ার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: মাম্ (বা মা)।
৯০. ‘অস্মদ্’ শব্দের দ্বিতীয়ার বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: অসম্মান্ (বা নঃ)।
৯১. ‘যুষ্মদ্’ (সর্বনাম) শব্দের প্রথমার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ত্বম্।
৯২. ‘যুষ্মদ্’ শব্দের প্রথমার দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: যুবাম্।
৯৩. ‘যুষ্মদ্’ শব্দের প্রথমার বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ইউয়ম্ (বা ইউয়ম্-এর পরিবর্তে ইউয়ম্/ইউয়ম্ না, ‘যূয়ম্’)।
৯৪. ‘যুষ্মদ্’ শব্দের দ্বিতীয়ার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: ত্বাম্ (বা ত্বা)।
৯৫. ‘তদ্’ (পুংলিঙ্গ) শব্দের প্রথমার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: সঃ (বা স)।
৯৬. ‘তদ্’ (পুংলিঙ্গ) শব্দের প্রথমার দ্বিবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: তৌ।
৯৭. ‘তদ্’ (পুংলিঙ্গ) শব্দের প্রথমার বহুবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: তে।
৯৮. ‘কিং’ (প্রশ্নবাচক, পুংলিঙ্গ) শব্দের প্রথমার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: কঃ।
৯৯. ‘কিং’ (ক্লীবলিঙ্গ) শব্দের প্রথমার একবচনে কী রূপ হয়?
উত্তর: কিম্।
১০০. সংস্কৃত ব্যাকরণে শব্দরূপ মূলত কোন পদের রূপ পরিবর্তনকে নির্দেশ করে?
উত্তর: সুব্ত্ত বা নামপদের (বিশেষ্য ও সর্বনাম)।
সংস্কৃত ব্যাকরণের স্বরসন্ধি থেকে অপশন ছাড়া সরাসরি ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো:
স্বরসন্ধি ভিত্তিক ১০০টি প্রশ্ন ও উত্তর
১. ‘বিদ্যালয়’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: বিদ্যা + আলয়।
২. অ বা আ-এর পর অ বা আ থাকলে উভয়ে মিলে কী হয়?
উত্তর: আ।
৩. ‘হিমালয়’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: হিম + আলয়।
৪. ‘রবীন্দ্র’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: রবি + ইন্দ্র।
৫. ই বা ঈ-এর পর ই বা ঈ থাকলে উভয়ে মিলে কী হয়?
উত্তর: ঈ।
৬. ‘পরীক্ষা’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: পরি + ঈক্ষা।
৭. ‘মহীশ’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: মহী + ঈশ।
৮. ‘ভানুপ্রতাপ’ বা ‘ভানুদয়’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: ভানু + উদয়।
৯. উ বা ঊ-এর পর উ বা ঊ থাকলে উভয়ে মিলে কী হয়?
উত্তর: ঊ।
১০. ‘বধূৎসব’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: বধূ + উৎসব।
১১. অ বা আ-এর পর ই বা ঈ থাকলে উভয়ে মিলে কী হয়?
উত্তর: এ।
১২. ‘নরেন্দ্র’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: নর + ইন্দ্র।
১৩. ‘রমারীশ’ বা ‘রমেীশ’ (রমেশ) শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: রমা + ঈশ।
১৪. ‘মহেন্দ্র’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: মহা + ইন্দ্র।
১৫. অ বা আ-এর পর উ বা ঊ থাকলে উভয়ে মিলে কী হয়?
উত্তর: ও।
১৬. ‘সূর্যোদয়’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: সূর্য + উদয়।
১৭. ‘মহোৎসব’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: মহা + উৎসব।
১৮. অ বা আ-এর পর ঋ থাকলে উভয়ে মিলে কী হয়?
উত্তর: অর্।
১৯. ‘দেবর্ষি’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: দেব + ঋষি।
২০. ‘মহর্ষি’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: মহা + ঋষি।
২১. অ বা আ-এর পর লৃ থাকলে উভয়ে মিলে কী হয়?
উত্তর: অল্।
২২. ‘তবলকার’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: তৰ + লকার (তব + লকার)।
২৩. অ বা আ-এর পর এ বা ঐ থাকলে উভয়ে মিলে কী হয়?
উত্তর: ঐ।
২৪. ‘জনৈক’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: জন + এক।
২৫. ‘মতেরৈক্য’ বা ‘মতৈক্য’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: মত + ঐক্য।
২৬. অ বা আ-এর পর ও বা ঔ থাকলে উভয়ে মিলে কী হয়?
উত্তর: ঔ।
২৭. ‘বনৌষধী’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: বন + ওষধী।
২৮. ‘মহৌষধ’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: মহা + ঔষধ।
২৯. ই বা ঈ-এর পর ভিন্ন স্বরবর্ণ থাকলে ই বা ঈ-এর স্থানে কী হয়?
উত্তর: য্ (য-ফলা)।
৩০. ‘যদি + অপি’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: যদ্যপি।
৩১. ‘অত্যধিক’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: অতি + অধিক।
৩২. ‘প্রত্ + এক’ বা প্রতি + এক সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: প্রত্যেক।
৩৩. ‘নদী + অম্বু’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: নদ্যম্বু।
৩৪. উ বা ঊ-এর পর ভিন্ন স্বরবর্ণ থাকলে উ বা ঊ-এর স্থানে কী হয়?
উত্তর: ব্ (ব-ফলা)।
৩৫. ‘সু + আগত’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: স্বাগত।
৩৬. ‘অন্বেয়’ বা ‘অন্বেষণ’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: অনু + এষণ (বা অেষণ)।
৩৭. ‘গুরু + আদেশ’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: গুর্বাদেশ।
৩৮. ঋ-এর পর ভিন্ন স্বরবর্ণ থাকলে ঋ-এর স্থানে কী হয়?
উত্তর: রূ্ বা র্ (র-ফলা)।
৩৯. ‘পিতৃ + আদেশ’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: পিত্রাদেশ।
৪০. ‘মাতৃ + আজ্ঞা’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: মাত্রাজ্ঞা।
৪১. এ-এর পর ভিন্ন স্বরবর্ণ থাকলে এ-এর স্থানে কী হয়?
উত্তর: অয়্।
৪২. ‘নে + অন’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: নয়ন।
৪৩. ‘শেন’ বা ‘শে + অন’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: শয়ন।
৪৪. ঐ-এর পর ভিন্ন স্বরবর্ণ থাকলে ঐ-এর স্থানে কী হয়?
উত্তর: আয়্।
৪৫. ‘নৈ + অক’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: নায়ক।
৪৬. ‘গৈ + অক’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: গায়ক।
৪৭. ও-এর পর ভিন্ন স্বরবর্ণ থাকলে ও-এর স্থানে কী হয়?
উত্তর: অব্।
৪৮. ‘পো + অন’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: পবন।
৪৯. ‘ভো + অন’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: ভবন।
৫০. ঔ-এর পর ভিন্ন স্বরবর্ণ থাকলে ঔ-এর স্থানে কী হয়?
উত্তর: আব্।
৫১. ‘পৌ + অক’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: পাবক।
৫২. ‘নৌ + ইক’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: নাভিক (বা নাবিক)।
৫৩. ‘কথা + অমৃত’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: কথামৃত।
৫৪. ‘বিদ্যা + আলয়’ কোন সন্ধির উদাহরণ?
উত্তর: দীর্ঘ স্বরসন্ধি।
৫৫. ‘মহাশয়’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: মহা + আশয়।
৫৬. ‘রত্নাকর’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: রত্ন + আকর।
৫৭. ‘পরীক্ষা’ কোন সন্ধির নিয়ম মেনে সাধিত?
উত্তর: দীর্ঘ স্বরসন্ধি (ঈ + ঈ = ঈ)।
৫={`মহীশ’ শব্দের বিচ্ছেদে কোন সূত্র কাজ করে?
উত্তর: মহী + ঈশ।
৫৯. ‘গিরীশ’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: গিরি + ঈশ।
৬০. ‘মুনিন্দ্র’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: মুনি + ইন্দ্র।
৬১. ‘বিন্দুমাত্র’ বা ‘সিন্ধুরঙ্গ’—‘সিন্ধূর্মি’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: সিন্ধু + ঊর্মি।
৬২. ‘ভূর্ধ্ব’ বা ‘ভূর্ধ্ব’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: ভূ + ঊর্ধ্ব।
৬৩. ‘মহোদয়’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: মহা + উদয়।
৬৪. ‘হিতোপদেশ’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: হিত + উপদেশ।
৬৫. ‘গঙ্গোদক’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: গঙ্গা + উদক।
৬৬. ‘মহর্ষি’ কোন সন্ধির অন্তর্গত?
উত্তর: গুণ স্বরসন্ধি।
৬৭. ‘ব্রহ্মর্ষি’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: ব্রহ্ম + ঋষি।
৬৮. ‘রাজর্ষি’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: রাজ + ঋষি।
৬৯. ‘সদৈব’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: সদা + এবং (সদা + এব)।
৭০. ‘বনৌষধি’ কোন সন্ধির উদাহরণ?
উত্তর: বৃদ্ধি স্বরসন্ধি।
৭১. ‘প্রত্যেক’ কোন সন্ধির উদাহরণ?
উত্তর: যণ স্বরসন্ধি।
৭২. ‘অন্বয়’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: অনু + অয়।
৭৩. ‘মাতৃচ্ছায়া’ বা ‘মাত্রাদেশ’ কোন সন্ধির উদাহরণ?
উত্তর: যণ স্বরসন্ধি।
৭৪. ‘পাবন’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: পো + অন।
৭৫. ‘পাবক’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: পৌ + অক।
৭৬. ‘গায়ক’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: গৈ + অক।
৭৭. ‘নাভিক’ বা ‘নাবিক’ কোন সন্ধির উদাহরণ?
উত্তর: আদি বা অনাদি অয়াতি আদি স্বরসন্ধি (অযাদি সন্ধি)।
৭৮. স্বরবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণের মিলনকে কী বলা হয়?
উত্তর: স্বরসন্ধি (বা অচসন্ধি)।
৭৯. ‘কথোপকথন’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: কথা + উপকথন।
৮০. ‘পরোপকার’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: পর + উপকার।
৮১. ‘সর্বোত্তম’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: সর্ব + উত্তম।
৮২. ‘যথাচিত’ বা ‘যথেচ্ছ’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: যথা + ইচ্ছা।
৮৩. ‘মহেশ’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: মহা + ঈশ।
৮৪. ‘সুরেশ’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: সুর + ঈশ।
৮৫. ‘জলৌকা’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: জল + ওকা।
৮৬. ‘মহাঔষধ’ বা ‘মহৌষধী’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: মহা + ওষধী।
৮৭. ‘ইতি + আদি’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: ইত্যাদি।
৮৮. ‘ত্যক্ত + এষণা’—‘ত্যজৈষণা’ বা ‘অন্বেষণ’—‘অনু + এষণ’ কোন সন্ধি?
উত্তর: যণ সন্ধি।
৮৯. ‘প্রতি + উত্তর’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: প্রত্যুত্তর।
৯০. ‘মধু + অরি’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: মধ্বরী।
৯১. ‘ভানু + উদয়’ কোন সন্ধির উদাহরণ?
উত্তর: দীর্ঘ স্বরসন্ধি।
৯২. ‘স্বল্প’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: সু + অল্প।
৯৩. ‘অত্যুত্তম’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: অতি + উত্তম।
৯৪. ‘বিখ্যাত’ বা ‘অধি + ঈক্ষণ’—‘অধীক্ষণ’ কোন সন্ধি?
উত্তর: দীর্ঘ স্বরসন্ধি।
৯৫. ‘বিষম’ বা ‘অধি + আয়’—‘অধ্যায়’ কোন সন্ধি?
উত্তর: যণ সন্ধি।
৯৬. ‘গো + অক্ষ’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: গবাক্স (বা গভাক্ষ)।
৯৭. ‘ভো + অনিয়’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: ভবনীয়।
৯৮. ‘সম্পদ’ বা ‘রম্য’—সংস্কৃত ব্যাকরণে স্বরসন্ধির অপর নাম কী?
উত্তর: অচ সন্ধি।
৯৯. ‘মহেন্দ্র’ শব্দের সঠিক সন্ধি কোন নিয়মে হয়?
উত্তর: আ + ই = এ (গুণ সন্ধি)।
১০০. সংস্কৃত ব্যাকরণে প্রধানত স্বরসন্ধি কয়টি ভাগে বা নিয়মে প্রধানত আলোচিত হয়?
উত্তর: পাঁচটি প্রধান ভাগে (দীর্ঘ, গুণ, বৃদ্ধি, যণ ও অয়া্দি)।
সংস্কৃত ব্যাকরণের ব্যঞ্জনসন্ধি (হালসন্ধি) থেকে অপশন ছাড়া সরাসরি ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো:
ব্যঞ্জনসন্ধি ভিত্তিক ১০০টি প্রশ্ন ও উত্তর
১. ‘দিগ্বিজয়’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: দিক্ + বিজয়।
২. বর্গের প্রথম বর্ণের পর স্বরবর্ণ বা বর্গের তৃতীয়/চতুর্থ বর্ণ কিংবা অন্তস্থ বর্ণ (য, র, ল, ব, হ) থাকলে প্রথম বর্ণটি কী হয়?
উত্তর: নিজ বর্গের তৃতীয় বর্ণ হয়।
৩. ‘বাগীশ’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: বাক্ + ঈশ।
৪. ‘অজন্ত’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: অচ্ + অন্ত।
৫. ‘সুখান্ত’ বা ‘সুবন্ত’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: সুপ্ + অন্ত।
৬. ‘জগদীশ’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: জগৎ + ঈশ।
৭. ‘সদুপদেশ’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: সৎ + উপদেশ।
৮. বর্গের প্রথম বর্ণের পর অনুনাশিক বা পঞ্চম বর্ণ (ঙ, ঞ, ণ, ন, ম) থাকলে প্রথম বর্ণটির স্থানে কী হয়?
উত্তর: নিজ বর্গের পঞ্চম বর্ণ হয়।
৯. ‘ময়্ময়’ বা ‘চিণ্ময়’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: চিত্ + ময়।
১০. ‘বাঙময়’ বা ‘বাঙ্ময়’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: বাক্ + ময়।
১১. ‘জগন্নাথ’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: জগৎ + নাথ।
১২. ‘উন্নতি’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: উৎ + নতি।
১৩. ‘তৎনিয়ম’ বা ‘তন্নিয়ম’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: তৎ + নিয়ম।
১৪. ম্-এর পর বর্গের যেকোনো বর্ণ (ক থেকে ম পর্যন্ত) থাকলে ম্-এর স্থানে কী হয়?
উত্তর: পরবর্তী বর্গের পঞ্চম বর্ণ (অনুস্বার বা সেই বর্গের অনুনাশিক বর্ণ) হয়।
১৫. ‘সম্ + মান’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: সম্মান।
১৬. ‘সম্ + গীত’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: সঙ্গীত (বা সংগীত)।
১৭. ‘সম্ + চয়’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: সঞ্চয়।
১৮. ‘সম্ + দেশ’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: সন্দেশ।
১৯. ‘সম্ + পূর্ণ’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: সম্পূর্ণ।
২০. ম্-এর পর অন্তস্থ (য, র, ল, ব) বা উষ্ম (শ, ষ, স, হ) বর্ণ থাকলে ম্-এর স্থানে কী হয়?
উত্তর: অনুস্বার (ং) হয়।
২১. ‘সম্ + বাদ’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: সংবাদ।
২২. ‘সম্ + সার’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: সংসার।
২৩. ‘সম্ + যোগ’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: সংযোগ।
২৪. ‘সম্ + রক্ষক’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: সংরক্ষক।
২৫. ‘সম্ + হার’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: সংহার।
২৬. ত্ বা দ্-এর পর চ বা ছ থাকলে ত্ বা দ്-এর স্থানে কী হয়?
উত্তর: চ্ (চ্চ)।
২৭. ‘উচ্ছ্বাস’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: উৎ + শ্বাস।
২৮. ‘সচ্চরিত্র’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: সৎ + চরিত্র।
২৯. ‘বিপদ + ছায়া’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: বিপদচ্ছায়া।
৩০. ত্ বা দ্-এর পর জ বা ঝ থাকলে ত্ বা দ്-এর স্থানে কী হয়?
উত্তর: জ্ (জ্জ)।
৩১. ‘সজ্জন’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: সৎ + জন।
৩২. ‘উজ্জ্বল’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: উৎ + জ্বল।
৩৩. ‘বিপদ + জাল’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: বিপদজাল।
৩৪. ত্ বা দ্-এর পর ট বা ঠ থাকলে ত্ বা দ്-এর স্থানে কী হয়?
উত্তর: ট্ (ট্ট)।
৩৫. ‘বৃহৎ + টীকা’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: বৃহৎটীকা।
৩৬. ত্ বা দ্-এর পর ড বা ঢ থাকলে ত্ বা দ്-এর স্থানে কী হয়?
উত্তর: ড্ (ড্ড)।
৩৭. ‘উড্ডীন’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: উৎ + ডীন।
৩৮. ত্ বা দ্-এর পর ল থাকলে ত্ বা দ്-এর স্থানে কী হয়?
উত্তর: ল্ (ল্ল)।
৩৯. ‘উল্লাস’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: উৎ + ল্লাস।
৪০. ‘তৎ + লীন’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: তল্পীন (বা তল্লীন)।
৪১. ত্ বা দ্-এর পর শ থাকলে ত্ বা দ്-এর স্থানে কী হয় এবং শ-এর স্থানে কী হয়?
উত্তর: ত্-এর স্থানে ‘চ’ এবং শ-এর স্থানে ‘ছ’ হয়।
৪২. ‘উচ্ছৃঙ্খল’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: উৎ + শৃঙ্খলা (বা উৎ + খল/শৃঙ্খলা)।
৪৩. ‘সৎ + শাস্ত্র’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: সচশাস্ত্র (বা সচ্ছাস্র/সচ্ছাস্ত্র)।
৪৪. ত্ বা দ্-এর পর হ থাকলে ত্ বা দ്-এর স্থানে কী হয় এবং হ-এর স্থানে কী হয়?
উত্তর: ত্-এর স্থানে ‘দ্’ এবং হ-এর স্থানে ‘ধ্’ হয়।
৪৫. ‘পদ্ধতি’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: পদ্ + হতি (বা পত্ + হতি)।
৪৬. ‘তদ্ধিত’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: তৎ + হিত।
৪৭. ‘উদ্ধার’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: উৎ + হার।
৪৮. হ্রস্ব স্বরের পর ‘ছ’ থাকলে ছ-এর পূর্বে কোন বর্ণ আগম হয়?
উত্তর: চ্ (চ-ফলা বা চ্-এর আগমন ঘটে)।
৪৯. ‘পরিচ্ছেদ’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: পরি + ছেদ।
৫০. ‘তরুচ্ছায়া’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: তরু + ছায়া।
৫১. ‘শিবচ্ছায়া’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: শিব + ছায়া।
৫২. ‘অনুচ্ছেদ’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: অনু + ছেদ।
৫৩. দ্-এর পর ক, খ, প, ফ কিংবা শ, ষ, স থাকলে দ্-এর স্থানে কী হয়?
উত্তর: বর্গের প্রথম বর্ণ (ত্) হয়।
৫৪. ‘বিপদ + কাল’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: বিপত্কাল।
৫৫. ‘সৎ + পাত্র’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: সত্পাত্র।
৫৬. ম্-এর পর ম্ থাকলে কী হয়?
উত্তর: কোনো পরিবর্তন হয় না বা দ্বিত্ব ম্ থাকে (যেমন- কিম + ময় = কিম্ময়/কিন্ময়)।
৫৭. দ্-এর পর হ থাকলে দ্-এর স্থানে কী হয়?
উত্তর: ধ্ হয়।
৫৮. ‘তৎ + হিত’ সন্ধির নিয়মে কী রূপ নেয়?
উত্তর: তদ্ধিত।
৫৯. ‘মহৎ + হাশয়’ বা ‘মহৎ + হিত’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: মহদ্ধিত।
৬০. দ্-এর পর ন থাকলে দ্-এর স্থানে কী হয়?
উত্তর: ন্ হয়।
৬১. ‘চিদ্ + ময়’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: চিন্ময়।
৬২. ‘ষড়ানন’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: ষট্ + আনন।
৬৩. ‘ষண்முக’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: ষট্ + মুখ।
৬৪. ‘দিক্কাল’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: দিক্ + কাল।
৬৫. ‘বিপদূর্মি’ বা ‘বিপদজনক’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: বিপদ + জনক।
৬৬. ‘বাক্যম্ + চ’ বা ‘বাক্ + জাল’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: বাক্জাল।
৬৭. ‘বৃহৎ + রথ’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: বৃহদ্রথ।
৬৮. ‘অচ্ত্ত’ বা ‘অচিরাৎ + এব’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: অচিরাদেব।
৬৯. ‘জগজ্জননী’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: জগৎ + জননী।
৭০. ‘মহিষী’ বা ‘তত্ + অধিক’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: তদধিক।
৭১. ‘বাগ্দেবী’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: বাক্ + দেবী।
৭২. ‘সুহৃদ + বর্ধন’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: সুহৃদ্বর্ধন।
৭৩. ‘তত্ + রূপ’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: তদ্রূপ।
৭৪. ‘সদাচার’ বা ‘সদাচার’ (সত্ + আচার) সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: সদাচার (সত্ + আচার)।
৭৫. ‘উদ্বোধন’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: উৎ + বোধন।
৭৬. ‘উদ্যোগ’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: উৎ + যোগ।
৭৭. ‘উদ্ঘাটন’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: উৎ + ঘাটন।
৭৮. ‘তদীয়’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: তৎ +ীয়।
৭৯. ‘জগন্মাতা’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: জগৎ + মাতা।
৮০. ‘মৃন্ময়’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: মৃৎ + ময়।
৮১. ‘চিন্ময়’ কোন নিয়মে সাধিত ব্যঞ্জনসন্ধি?
উত্তর: ত্/দ্-এর পর পঞ্চম বর্ণ থাকলে প্রথম বর্ণ পঞ্চম বর্ণে রূপান্তরিত হয়।
৮২. ‘উন্নতি’ শব্দের সন্ধিতে কোন সূত্র কাজ করে?
উত্তর: উৎ + নতি (ত্ + ন = ন্ন)।
৮৩. ‘সংবাদ’ শব্দের সন্ধিতে ম্-এর পরে কোন বর্ণ থাকায় অনুস্বার হয়েছে?
উত্তর: ব (অন্তস্থ বর্ণ)।
৮৪. ‘সংহার’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: সম্ + হার।
৮৫. ‘সঞ্চয়’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: সম্ + চয়।
৮৬. ‘সংসার’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: সম্ + সার।
৮৭. ‘উচ্ছ্বাস’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: উৎ + শ্বাস।
৮৮. ‘সজ্জন’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: সৎ + জন।
৮৯. ‘উজ্জ্বল’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: উৎ + জ্বল।
৯০. ‘উল্লাস’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: উৎ + ল্লাস।
৯১. ‘উদ্ধার’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: উৎ + হার।
৯২. ‘পরিচ্ছেদ’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: পরি + ছেদ।
৯৩. ‘ষড়ানন’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: ষট্ + আনন।
৯৪. ‘দিগ্বিজয়’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: দিক্ + বিজয়।
৯৫. ‘বাগীশ’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: বাক্ + ঈশ।
৯৬. সংস্কৃত ব্যাকরণে ব্যঞ্জনসন্ধির অপর নাম কী?
উত্তর: হল্ সন্ধি।
৯৭. ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনকে কী বলা হয়?
উত্তর: ব্যঞ্জনসন্ধি।
৯৮. ‘তদ্ + রূপ’ সন্ধিযুক্ত হয়ে কী হয়?
উত্তর: তদ্রূপ।
৯৯. ‘সত্পাত্র’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: সৎ + পাত্র।
১০০. ‘মহোত্তম’ বা ‘সদ্ভাব’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
উত্তর: সৎ + ভাব।
সংস্কৃত সাহিত্যের ইতিহাস ও পাঠ্যসূচির ওপর ভিত্তি করে প্রদত্ত বিষয়গুলো থেকে অপশন ছাড়া সরাসরি ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো:
১. বৈদিক সাহিত্য (ঋগ্বেদ ও সামবেদ)
১. ভারতীয় সংস্কৃতির প্রাচীনতম ও মূল ভিত্তি হিসেবে কোন সাহিত্যকে গণ্য করা হয়?
উত্তর: বৈদিক সাহিত্য।
২. ‘বেদ’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: জ্ঞান।
৩. কোন ধাতু থেকে ‘বেদ’ শব্দটি এসেছে?
উত্তর: ‘বিদ’ ধাতু থেকে।
৪. বেদকে অপৌরুষেয় বলা হয় কেন?
উত্তর: কারণ বেদ কোনো মানুষের রচিত নয়, ঋষিদের দ্বারা শ্রুতি বা লব্ধ।
৫. বেদের অপর নাম কী?
উত্তর: শ্রুতি।
৬. বেদকে প্রধানত কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
উত্তর: চারটি ভাগে (ঋগ্বেদ, সামবেদ, যজুর্বেদ, অথর্ববেদ)।
৭. প্রাচীনতম বেদ কোনটি?
উত্তর: ঋগ্বেদ।
৮. ঋগ্বেদের প্রধান বিষয়বস্তু বা মূল উপাদান কী?
উত্তর: স্তোত্র বা সূক্ত।
৯. ঋগ্বেদে মোট কতটি মন্ডল বা অধ্যায় আছে?
উত্তর: ১০টি মন্ডল।
১০. ঋগ্বেদে মোট সূক্তের সংখ্যা কত?
উত্তর: ১০২৮টি (খিলসূক্ত সহ)।
১১. ঋগ্বেদে মোট ঋক্ বা মন্ত্রের সংখ্যা প্রায় কত?
উত্তর: প্রায় ১০,৫৮০টি।
১২. ঋগ্বেদের পাঠ বা গান যিনি করেন, তাঁকে কী বলা হয়?
উত্তর: হোতা (বা হোতৃ)।
১৩. ঋগ্বেদের প্রসিদ্ধ গায়ত্রী মন্ত্রটি কোন মন্ডলে অবস্থিত?
উত্তর: তৃতীয় মন্ডলে।
১৪. গায়ত্রী মন্ত্রের দ্রষ্টা ঋষি কে?
উত্তর: বিশ্বামিত্র।
১৫. গায়ত্রী মন্ত্রটি কোন দেবতার উদ্দেশ্যে নিবেদিত?
উত্তর: সবিতৃ (সূর্য) দেবতার উদ্দেশ্যে।
১৬. ঋগ্বেদের পুরুষসূক্তটি কততম মন্ডলে আছে?
উত্তর: দশম মন্ডলে।
১৭. ঋগ্বেদের নদীসূক্তে কতটি নদীর বর্ণনা আছে?
উত্তর: ১৯টি নদী।
১৮. প্রাচীনতম ভারতীয় ভাষা ও সাহিত্যের নিদর্শন কোন গ্রন্থ?
উত্তর: ঋগ্বেদ সংহিতা।
১৯. সামবেদ প্রধানত কিসের বেদ বা কোন বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত?
উত্তর: গান ও সুরের বেদ।
২০. ‘সামন্’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: গান বা গীত।
২১. সামবেদের মন্ত্রগুলি প্রধানত কোন বেদ থেকে সংগৃহীত?
উত্তর: ঋগ্বেদ থেকে।
২২. যজ্ঞের সময় সুর করে যে ঋত্বিক সামবেদের গান করেন, তাঁকে কী বলা হয়?
উত্তর: উদগাতা।
২৩. ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের উৎস কোন বেদকে বলা হয়?
উত্তর: সামবেদকে।
২৪. সামবেদে মূলত কোন দেবতার উপাসনার গান বেশি রয়েছে?
উত্তর: সোম ও অগ্নি দেবতা।
২৫. বেদের রচনাকাল আনুমানিক কত বছর পূর্বে ধরা হয়?
উত্তর: খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ অব্দ থেকে ১০০০ অব্দের মধ্যে।
২. বাল্মীকি রামায়ণ (রচয়িতা ও বিষয়বস্তু)
২৬. ‘রামায়ণ’ মহাকাব্যের রচয়িতা কে?
উত্তর: মহর্ষি বাল্মীকি।
২৭. বাল্মীকি রচিত রামায়ণকে সংস্কৃত সাহিত্যে কী বলা হয়?
উত্তর: আদিকাব্য।
২৮. বাল্মীকিকে সংস্কৃত সাহিত্যে কী উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
উত্তর: আদিকবি।
২৯. বাল্মীকি রামায়ণকে ‘কবিপ্রথমপদ্ধতিঃ’ বলার কারণ কী?
উত্তর: এটি সংস্কৃত সাহিত্যের প্রথম ছন্দোবদ্ধ মহাকাব্য।
৩০. রামায়ণ মহাকাব্যটি মোট কয়টি কাণ্ডে বিভক্ত?
উত্তর: সাতটি কাণ্ডে।
৩১. রামায়ণের প্রথম কাণ্ডটির নাম কী?
উত্তর: বালকাণ্ড বা আদিকাণ্ড।
৩২. রামায়ণের দ্বিতীয় কাণ্ডটির নাম কী?
উত্তর: অযোধ্যাকাণ্ড।
৩৩. রামায়ণের তৃতীয় কাণ্ডটির নাম কী?
উত্তর: অরণ্যকাণ্ড।
৩৪. রামায়ণের চতুর্থ কাণ্ডটির নাম কী?
উত্তর: কিষ্কিন্ধ্যাকাণ্ড।
৩৫. রামায়ণের পঞ্চম কাণ্ডটির নাম কী?
উত্তর: সুন্দরকাণ্ড।
৩৬. রামায়ণের ষষ্ঠ কাণ্ডটির নাম কী?
উত্তর: যুদ্ধকাণ্ড (বা লঙ্কাকাণ্ড)।
৩৭. রামায়ণের সপ্তম বা শেষ কাণ্ডটির নাম কী?
উত্তর: উত্তরকাণ্ড।
৩৮. রামায়ণের মূল উপজীব্য বিষয় কী?
উত্তর: অযোধ্যার রাজপুত্র রামচন্দ্রের জীবনচরিত এবং সীতা উদ্ধার।
৩৯. বাল্মীকি রামায়ণে মূলত কয়টি শ্লোক আছে বলে ধরা হয়?
উত্তর: চব্বিশ হাজার শ্লোক (২৪,০০০ শ্লোক)।
৪০. রামায়ণের প্রধান চরিত্র কে?
উত্তর: শ্রী রামচন্দ্র।
৪১. রামায়ণের খলনায়ক বা লঙ্কার রাজা কে ছিলেন?
উত্তর: রাবণ।
৪২. কোন নদীর তীরে ক্রৌঞ্চবধের দৃশ্য দেখে বাল্মীকির মনে প্রথম শ্লোক স্ফুরিত হয়েছিল?
উত্তর: তমসা নদীর তীরে।
৪৩. বাল্মীকির মুখ থেকে নির্গত প্রথম শ্লোকটি কোন ছন্দে রচিত হয়েছিল?
উত্তর: অনুষ্টুপ ছন্দে।
৪৪. রামচন্দ্রের বিশ্বস্ত বানর সেনাপতি কে ছিলেন?
উত্তর: হনুমান।
৪৫. রামের প্রতি ভাই লক্ষ্মণের আনুগত্য ও সীতার ত্যাগের মহিমা কোন মহাকাব্যে বর্ণিত?
উত্তর: রামায়ণে।
৪৬. রামায়ণ মহাকাব্যটি একাধারে কাব্য এবং কী হিসেবে পরিচিত?
উত্তর: ধর্মশাস্ত্র ও ইতিহাস।
৪৭. সীতা উদ্ধারের জন্য রামচন্দ্র কার সঙ্গে মিত্রতা করেছিলেন?
উত্তর: সুগ্রীব।
৪৮. রামায়ণ মহাকাব্যের প্রধান রস কী?
উত্তর: করুণ রস ও বীর রস।
৪৯. ব্রহ্মার আশীর্বাদে রামায়ণ কথাটি পৃথিবীতে কতদিন প্রচারিত থাকবে বলে ঘোষণা করা হয়েছিল?
উত্তর: যতদিন পর্বত ও নদী পৃথিবীতে থাকবে।
৫০. ভারতীয় সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র এবং নৈতিক আদর্শ গঠনের আদি গ্রন্থ কোনটি?
উত্তর: রামায়ণ।
৩. গল্পসাহিত্য (পঞ্চতন্ত্র, হিতোপদেশ ও কথাসরিৎসাগর)
৫১. সংস্কৃত গল্পসাহিত্যের প্রাচীনতম ও শ্রেষ্ঠ নিদর্শন কোনটি?
উত্তর: পঞ্চতন্ত্র।
৫২. ‘পঞ্চতন্ত্র’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উত্তর: বিষ্ণুশর্মণ (বা বিষ্ণুশর্মা)।
৫৩. পঞ্চতন্ত্রে মূলত কী ধরনের গল্প স্থান পেয়েছে?
উত্তর: নীতিশিক্ষা ও পশুপাখির রূপক গল্প।
৫৪. পঞ্চতন্ত্রকে কয়টি তন্ত্র বা অংশে ভাগ করা হয়েছে?
উত্তর: পাঁচটি তন্ত্রে।
৫৫. পঞ্চতন্ত্রের প্রথম তন্ত্রটির নাম কী?
উত্তর: মিত্রভেদ।
৫৬. পঞ্চতন্ত্রের দ্বিতীয় তন্ত্রটির নাম কী?
উত্তর: মিত্রপ্রাপ্তি (বা মিত্রসম্পাপ্তি)।
৫৭. পঞ্চতন্ত্রের তৃতীয় তন্ত্রটির নাম কী?
উত্তর: কাকলূকীয (বা কাকলূকীয়া / বিগ্রহ ও সন্ধি)।
৫৮. পঞ্চতন্ত্রের চতুর্থ তন্ত্রটির নাম কী?
উত্তর: লব্ধনাশ।
৫৯. পঞ্চতন্ত্রের পঞ্চম বা শেষ তন্ত্রটির নাম কী?
উত্তর: অপরীক্ষিত কারক।
৬০. মূর্খ রাজপুত্রদের সহজে নীতিশিক্ষা দেওয়ার জন্য কোন গ্রন্থ রচিত হয়েছিল?
উত্তর: পঞ্চতন্ত্র।
৬১. ‘হিতোপদেশ’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উত্তর: পন্ডিত নারায়ণ।
৬২. ‘হিতোপদেশ’ মূলত কোন গ্রন্থের আদলে রচিত?
উত্তর: পঞ্চতন্ত্রের আদলে।
৬৩. হিতোপদেশে কয়টি পরিচ্ছেদ বা বিভাগ আছে?
উত্তর: চারটি পরিচ্ছেদ।
৬৪. হিতোপদেশের চারটি পরিচ্ছেদের নাম কী কী?
উত্তর: মিত্রলাভ, সুহৃদ্ভেদ, বিগ্রহ ও সন্ধি।
৬৫. হিতোপদেশের মূল উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: রাজনীতি, নীতিশাস্ত্র ও ব্যবহারিক জ্ঞান শিক্ষা দেওয়া।
৬৬. সংস্কৃত গল্পসাহিত্যে হিতোপদেশের ভাষা কেমন?
উত্তর: সহজ, সাবলীল ও প্রাঞ্জল।
৬৭. ‘কথাসরিৎসাগর’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উত্তর: কথাসরিৎসাগরের রচয়িতা কবি সোমদেব ভট্ট।
৬৮. কথাসরিৎসাগর গ্রন্থটি কোন শতকে রচিত হয়েছিল?
উত্তর: একাদশ শতকে (খ্রিষ্টীয় ১১ শতক)।
৬৯. সোমদেব কার মনোরঞ্জনের জন্য কথাসরিৎসাগর রচনা করেছিলেন?
উত্তর: কাশ্মীরের রাজা অনন্তর পত্নী সূর্যবতী (বা রাজকুমারী সূৰ্যবতীর)।
৭০. কথাসরিৎসাগর গ্রন্থটি কোন মূল বৃহৎ গ্রন্থের ওপর ভিত্তি করে রচিত?
উত্তর: গুণাঢ্যের ‘বৃহৎকথা’ (পৈশাচী ভাষায় রচিত)।
৭১. ‘কথাসরিৎসাগর’ নামের অর্থ কী?
উত্তর: গল্পের নদীর মহাসমুদ্র।
৭২. কথাসরিৎসাগরে মোট কয়টি তরঙ্গ বা অধ্যায় আছে?
উত্তর: ১২৪টি তরঙ্গ।
৭৩. কথাসরিৎসাগরে মূলত কোন ধরনের আখ্যান বেশি রয়েছে?
উত্তর: রূপকথা, লোককথা ও রোমাঞ্চকর কল্পকাহিনি।
৭৪. পঞ্চতন্ত্রের ভাষা প্রধানত কোন শৈলীর?
উত্তর: গদ্য ও পদ্য মিশ্রিত (চম্পূকাব্য শৈলী)।
৭৫. হিতোপদেশের শুরুতে কার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে?
উত্তর: ধবল নামক রাজার প্রতি।
৭৬. সংস্কৃত গল্পসাহিত্যের প্রধান বাহন বা বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: মনোরঞ্জনের মাধ্যমে নৈতিক শিক্ষা প্রদান।
৭৭. পঞ্চতন্ত্রের গল্পগুলিতে মানুষের চরিত্রের রূপকার হিসেবে কাদের ব্যবহার করা হয়েছে?
উত্তর: পশুপাখি ও ইতর প্রাণীদের।
৭৮. ‘মিত্রভেদ’ অংশে কার কার ভাঙনের গল্প আছে?
উত্তর: বন্ধুত্বের মধ্যে বিভেদ ও চক্রান্তের গল্প।
৭৯. ‘অপরীক্ষিত কারক’ তন্ত্রের মূল শিক্ষা কী?
উত্তর: না বুঝে বা পরীক্ষা না করে কোনো কাজ করতে নেই।
৮০. হিতোপদেশের বিখ্যাত নীতিবাক্যগুলি সাধারণত কোন উৎস থেকে নেওয়া?
উত্তর: প্রাচীন বেদ, পুরাণ ও স্মৃতিশাস্ত্র থেকে।
৮১. সোমদেবের ‘কথাসরিৎসাগর’ কোন ছন্দে মূলত রচিত?
উত্তর: শ্লোক বা অনুষ্টুপ ছন্দে।
৮২. বৃহৎকথার রচয়িতা গুণাঢ্য কোন ভাষায় গ্রন্থটি লিখেছিলেন?
উত্তর: পৈশাচী প্রাকৃত ভাষায়।
৮৩. পৈশাচী ভাষায় রচিত বৃহৎকথাকে সংস্কৃতে রূপান্তর করেন কে?
উত্তর: সোমদেব ভট্ট (এবং ক্ষেমেঞ্জ ‘বৃহৎকথামঞ্জরী’ লেখেন)।
৮৪. কথাসরিৎসাগরের মূল চরিত্র কে?
উত্তর: উজ্জয়িনীর রাজা উদয়নারায়ণের পুত্র নরবাহনদত্ত।
৮৫. নরবাহনদত্তের বিদ্যামাধুরী লাভের কাহিনী কোন গ্রন্থে প্রধানত বিস্তৃত?
উত্তর: কথাসরিৎসাগরে।
৮৬. সংস্কৃত গল্পসাহিত্যে পশুপাখির গল্পের প্রবক্তা কাকে বলা হয়?
উত্তর: বিষ্ণুশর্মা (পঞ্চতন্ত্রের মাধ্যমে)।
৮৭. বিষ্ণুশর্মার কয়টি ছাত্র বা রাজকুমার ছিল?
উত্তর: তিনজন অলস ও মূর্খ রাজকুমার।
৮৮. রাজকুমারদের ছয় মাসে নীতিশাস্ত্র শিক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব কে নিয়েছিলেন?
উত্তর: বিষ্ণুশর্মা।
৮৯. হিতোপদেশের ভূমিকাংশে কোন রাজার নাম পাওয়া যায়?
উত্তর: ধবলচন্দ্র রাজা।
৯০. সংস্কৃত সাহিত্যে নীতিগর্ভ আখ্যানের ভাণ্ডার হিসেবে কোনটি বিখ্যাত?
উত্তর: পঞ্চতন্ত্র ও হিতোপদেশ।
৯১. কথাসরিৎসাগরে কোন রাজ্যের ভৌগোলিক ও সামাজিক পরিবেশের চিত্র আছে?
উত্তর: কাশ্মীর ও প্রাচীন ভারতের বিভিন্ন রাজ্য।
৯২. বৈদিক সাহিত্যের প্রধান ছন্দের নাম কী?
উত্তর: গায়ত্রী, ত্রিষ্টুপ, জগতী ইত্যাদি।
৯৩. রামায়ণের রচয়িতা বাল্মীকিকে পূর্বে কী নামে ডাকা হতো?
উত্তর: রত্নাকর (দস্যু রত্নাকর)।
৯৪. সংস্কৃত গল্পসাহিত্যের চরিত্রগুলোতে কিসের প্রাধান্য থাকে?
উত্তর: বুদ্ধিমত্তা, নীতি ও চাতুর্য।
৯৫. পঞ্চতন্ত্রের অনুকরণে ফার্সি ভাষায় রচিত গ্রন্থটির নাম কী?
উত্তর: কলীলহ ও দমনা (বা আনওয়ার-ই-সুহেইলি)।
৯৬. হিতোপদেশের নীতিবাক্যগুলি ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে কেন জনপ্রিয়?
উত্তর: সহজবোধ্যতা ও গভীর জীবনের দর্শনের জন্য।
৯৭. কথাসরিৎসাগরে জাদুকরী বিদ্যা, অপ্সরা ও রাক্ষসের গল্প কোন ধারার পরিচয় দেয়?
উত্তর: লোককথা ও রূপকথা ধারা।
৯৮. বেদ কয়টি ভাগে বিভক্ত এবং সংহিতা অংশ কয়টি?
উত্তর: বেদ চারটি ভাগে বিভক্ত।
৯৯. বাল্মীকি রামায়ণ কোন যুগের সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধের শ্রেষ্ঠ দলিল?
উত্তর: পৌরাণিক ও রামায়ণ যুগের (ত্রেতা যুগের)।
১০০. সংস্কৃত গল্পসাহিত্য ও মহাকাব্য সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ কীসের প্রকাশ ঘটায়?
উত্তর: ভারতীয় সনাতন জীবনদর্শন ও নৈতিকতার চিরন্তন ধারা।
সংস্কৃত সাহিত্যের ইতিহাস ও পাঠ্যসূচির ওপর ভিত্তি করে প্রদত্ত বিষয়গুলো থেকে ২ থেকে ১০০ পর্যন্ত (অর্থাৎ ৯৯টি) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো:
১. বৈদিক সাহিত্য (ঋগ্বেদ ও সামবেদ)
২. ‘বেদ’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: জ্ঞান।
৩. কোন ধাতু থেকে ‘বেদ’ শব্দটি এসেছে?
উত্তর: ‘বিদ’ ধাতু থেকে।
৪. বেদকে অপৌরুষেয় বলা হয় কেন?
উত্তর: কারণ বেদ কোনো মানুষের রচিত নয়, ঋষিদের দ্বারা শ্রুতি বা লব্ধ।
৫. বেদের অপর নাম কী?
উত্তর: শ্রুতি।
৬. বেদকে প্রধানত কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
উত্তর: চারটি ভাগে (ঋগ্বেদ, সামবেদ, যজুর্বেদ, অথর্ববেদ)।
৭. প্রাচীনতম বেদ কোনটি?
উত্তর: ঋগ্বেদ।
৮. ঋগ্বেদের প্রধান বিষয়বস্তু বা মূল উপাদান কী?
উত্তর: স্তোত্র বা সূক্ত।
৯. ঋগ্বেদে মোট কতটি মন্ডল বা অধ্যায় আছে?
উত্তর: ১০টি মন্ডল।
১০. ঋগ্বেদে মোট সূক্তের সংখ্যা কত?
উত্তর: ১০২৮টি (খিলসূক্ত সহ)।
১১. ঋগ্বেদে মোট ঋক্ বা মন্ত্রের সংখ্যা প্রায় কত?
উত্তর: প্রায় ১০,৫৮০টি।
১২. ঋগ্বেদের পাঠ বা গান যিনি করেন, তাঁকে কী বলা হয়?
উত্তর: হোতা (বা হোতৃ)।
১৩. ঋগ্বেদের প্রসিদ্ধ গায়ত্রী মন্ত্রটি কোন মন্ডলে অবস্থিত?
উত্তর: তৃতীয় মন্ডলে।
১৪. গায়ত্রী মন্ত্রের দ্রষ্টা ঋষি কে?
উত্তর: বিশ্বামিত্র।
১৫. গায়ত্রী মন্ত্রটি কোন দেবতার উদ্দেশ্যে নিবেদিত?
উত্তর: সবিতৃ (সূর্য) দেবতার উদ্দেশ্যে।
১৬. ঋগ্বেদের পুরুষসূক্তটি কততম মন্ডলে আছে?
উত্তর: দশম মন্ডলে।
১৭. ঋগ্বেদের নদীসূক্তে কতটি নদীর বর্ণনা আছে?
উত্তর: ১৯টি নদী।
১৮. প্রাচীনতম ভারতীয় ভাষা ও সাহিত্যের নিদর্শন কোন গ্রন্থ?
উত্তর: ঋগ্বেদ সংহিতা।
১৯. সামবেদ প্রধানত কিসের বেদ বা কোন বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত?
উত্তর: গান ও সুরের বেদ।
২০. ‘সামন্’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: গান বা গীত।
২১. সামবেদের মন্ত্রগুলি প্রধানত কোন বেদ থেকে সংগৃহীত?
উত্তর: ঋগ্বেদ থেকে।
২২. যজ্ঞের সময় সুর করে যে ঋত্বিক সামবেদের গান করেন, তাঁকে কী বলা হয়?
উত্তর: উদগাতা।
২৩. ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের উৎস কোন বেদকে বলা হয়?
উত্তর: সামবেদকে।
২৪. সামবেদে মূলত কোন দেবতার উপাসনার গান বেশি রয়েছে?
উত্তর: সোম ও অগ্নি দেবতা।
২৫. বেদের রচনাকাল আনুমানিক কত বছর পূর্বে ধরা হয়?
উত্তর: খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ অব্দ থেকে ১০০০ অব্দের মধ্যে।
২. বাল্মীকি রামায়ণ (রচয়িতা ও বিষয়বস্তু)
২৬. ‘রামায়ণ’ মহাকাব্যের রচয়িতা কে?
উত্তর: মহর্ষি বাল্মীকি।
২৭. বাল্মীকি রচিত রামায়ণকে সংস্কৃত সাহিত্যে কী বলা হয়?
উত্তর: আদিকাব্য।
২৮. বাল্মীকিকে সংস্কৃত সাহিত্যে কী উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
উত্তর: আদিকবি।
২৯. বাল্মীকি রামায়ণকে ‘কবিপ্রথমপদ্ধতিঃ’ বলার কারণ কী?
উত্তর: এটি সংস্কৃত সাহিত্যের প্রথম ছন্দোবদ্ধ মহাকাব্য।
৩০. রামায়ণ মহাকাব্যটি মোট কয়টি কাণ্ডে বিভক্ত?
উত্তর: সাতটি কাণ্ডে।
৩১. রামায়ণের প্রথম কাণ্ডটির নাম কী?
উত্তর: বালকাণ্ড বা আদিকাণ্ড।
৩২. রামায়ণের দ্বিতীয় কাণ্ডটির নাম কী?
উত্তর: অযোধ্যাকাণ্ড।
৩৩. রামায়ণের তৃতীয় কাণ্ডটির নাম কী?
উত্তর: অরণ্যকাণ্ড।
৩৪. রামায়ণের চতুর্থ কাণ্ডটির নাম কী?
উত্তর: কিষ্কিন্ধ্যাকাণ্ড।
৩৫. রামায়ণের পঞ্চম কাণ্ডটির নাম কী?
উত্তর: সুন্দরকাণ্ড।
৩৬. রামায়ণের ষষ্ঠ কাণ্ডটির নাম কী?
উত্তর: যুদ্ধকাণ্ড (বা লঙ্কাকাণ্ড)।
৩৭. রামায়ণের সপ্তম বা শেষ কাণ্ডটির নাম কী?
উত্তর: উত্তরকাণ্ড।
৩৮. রামায়ণের মূল উপজীব্য বিষয় কী?
উত্তর: অযোধ্যার রাজপুত্র রামচন্দ্রের জীবনচরিত এবং সীতা উদ্ধার।
৩৯. বাল্মীকি রামায়ণে মূলত কয়টি শ্লোক আছে বলে ধরা হয়?
উত্তর: চব্বিশ হাজার শ্লোক (২৪,০০০ শ্লোক)।
৪০. রামায়ণের প্রধান চরিত্র কে?
উত্তর: শ্রী রামচন্দ্র।
৪১. রামায়ণের খলনায়ক বা লঙ্কার রাজা কে ছিলেন?
উত্তর: রাবণ।
৪২. কোন নদীর তীরে ক্রৌঞ্চবধের দৃশ্য দেখে বাল্মীকির মনে প্রথম শ্লোক স্ফুরিত হয়েছিল?
উত্তর: তমসা নদীর তীরে।
৪৩. বাল্মীকির মুখ থেকে নির্গত প্রথম শ্লোকটি কোন ছন্দে রচিত হয়েছিল?
উত্তর: অনুষ্টুপ ছন্দে।
৪৪. রামচন্দ্রের বিশ্বস্ত বানর সেনাপতি কে ছিলেন?
উত্তর: হনুমান।
৪৫. রামের প্রতি ভাই লক্ষ্মণের আনুগত্য ও সীতার ত্যাগের মহিমা কোন মহাকাব্যে বর্ণিত?
উত্তর: রামায়ণে।
৪৬. রামায়ণ মহাকাব্যটি একাধারে কাব্য এবং কী হিসেবে পরিচিত?
উত্তর: ধর্মশাস্ত্র ও ইতিহাস।
৪৭. সীতা উদ্ধারের জন্য রামচন্দ্র কার সঙ্গে মিত্রতা করেছিলেন?
উত্তর: সুগ্রীব।
৪৮. রামায়ণ মহাকাব্যের প্রধান রস কী?
উত্তর: করুণ রস ও বীর রস।
৪৯. ব্রহ্মার আশীর্বাদে রামায়ণ কথাটি পৃথিবীতে কতদিন প্রচারিত থাকবে বলে ঘোষণা করা হয়েছিল?
উত্তর: যতদিন পর্বত ও নদী পৃথিবীতে থাকবে।
৫০. ভারতীয় সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র এবং নৈতিক আদর্শ গঠনের আদি গ্রন্থ কোনটি?
উত্তর: রামায়ণ।
৩. গল্পসাহিত্য (পঞ্চতন্ত্র, হিতোপদেশ ও কথাসরিৎসাগর)
৫১. সংস্কৃত গল্পসাহিত্যের প্রাচীনতম ও শ্রেষ্ঠ নিদর্শন কোনটি?
উত্তর: পঞ্চতন্ত্র।
৫২. ‘পঞ্চতন্ত্র’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উত্তর: বিষ্ণুশর্মণ (বা বিষ্ণুশর্মা)।
৫৩. পঞ্চতন্ত্রে মূলত কী ধরনের গল্প স্থান পেয়েছে?
উত্তর: নীতিশিক্ষা ও পশুপাখির রূপক গল্প।
৫৪. পঞ্চতন্ত্রকে কয়টি তন্ত্র বা অংশে ভাগ করা হয়েছে?
উত্তর: পাঁচটি তন্ত্রে।
৫৫. পঞ্চতন্ত্রের প্রথম তন্ত্রটির নাম কী?
উত্তর: মিত্রভেদ।
৫৬. পঞ্চতন্ত্রের দ্বিতীয় তন্ত্রটির নাম কী?
উত্তর: মিত্রপ্রাপ্তি (বা মিত্রসম্পাপ্তি)।
৫৭. পঞ্চতন্ত্রের তৃতীয় তন্ত্রটির নাম কী?
উত্তর: কাকলূকীয (বা কাকলূকীয়া / বিগ্রহ ও সন্ধি)।
৫৮. পঞ্চতন্ত্রের চতুর্থ তন্ত্রটির নাম কী?
উত্তর: লব্ধনাশ।
৫৯. পঞ্চতন্ত্রের পঞ্চম বা শেষ তন্ত্রটির নাম কী?
উত্তর: অপরীক্ষিত কারক।
৬০. মূর্খ রাজপুত্রদের সহজে নীতিশিক্ষা দেওয়ার জন্য কোন গ্রন্থ রচিত হয়েছিল?
উত্তর: পঞ্চতন্ত্র।
৬১. ‘হিতোপদেশ’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উত্তর: পন্ডিত নারায়ণ।
৬২. ‘হিতোপদেশ’ মূলত কোন গ্রন্থের আদলে রচিত?
উত্তর: পঞ্চতন্ত্রের আদলে।
৬৩. হিতোপদেশে কয়টি পরিচ্ছেদ বা বিভাগ আছে?
উত্তর: চারটি পরিচ্ছেদ।
৬৪. হিতোপদেশের চারটি পরিচ্ছেদের নাম কী কী?
উত্তর: মিত্রলাভ, সুহৃদ্ভেদ, বিগ্রহ ও সন্ধি।
৬৫. হিতোপদেশের মূল উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: রাজনীতি, নীতিশাস্ত্র ও ব্যবহারিক জ্ঞান শিক্ষা দেওয়া।
৬৬. সংস্কৃত গল্পসাহিত্যে হিতোপদেশের ভাষা কেমন?
উত্তর: সহজ, সাবলীল ও প্রাঞ্জল।
৬৭. ‘কথাসরিৎসাগর’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উত্তর: কথাসরিৎসাগরের রচয়িতা কবি সোমদেব ভট্ট।
৬৮. কথাসরিৎসাগর গ্রন্থটি কোন শতকে রচিত হয়েছিল?
উত্তর: একাদশ শতকে (খ্রিষ্টীয় ১১ শতক)।
৬৯. সোমদেব কার মনোরঞ্জনের জন্য কথাসরিৎসাগর রচনা করেছিলেন?
উত্তর: কাশ্মীরের রাজা অনন্তর পত্নী সূর্যবতী (বা রাজকুমারী সূৰ্যবতীর)।
৭০. কথাসরিৎসাগর গ্রন্থটি কোন মূল বৃহৎ গ্রন্থের ওপর ভিত্তি করে রচিত?
উত্তর: গুণাঢ্যের ‘বৃহৎকথা’ (পৈশাচী ভাষায় রচিত)।
৭১. ‘কথাসরিৎসাগর’ নামের অর্থ কী?
উত্তর: গল্পের নদীর মহাসমুদ্র।
৭২. কথাসরিৎসাগরে মোট কয়টি তরঙ্গ বা অধ্যায় আছে?
উত্তর: ১২৪টি তরঙ্গ।
৭৩. কথাসরিৎসাগরে মূলত কোন ধরনের আখ্যান বেশি রয়েছে?
উত্তর: রূপকথা, লোককথা ও রোমাঞ্চকর কল্পকাহিনি।
৭৪. পঞ্চতন্ত্রের ভাষা প্রধানত কোন শৈলীর?
উত্তর: গদ্য ও পদ্য মিশ্রিত (চম্পূকাব্য শৈলী)।
৭৫. হিতোপদেশের শুরুতে কার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে?
উত্তর: ধবল নামক রাজার প্রতি।
৭৬. সংস্কৃত গল্পসাহিত্যের প্রধান বাহন বা বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: মনোরঞ্জনের মাধ্যমে নৈতিক শিক্ষা প্রদান।
৭৭. পঞ্চতন্ত্রের গল্পগুলিতে মানুষের চরিত্রের রূপকার হিসেবে কাদের ব্যবহার করা হয়েছে?
উত্তর: পশুপাখি ও ইতর প্রাণীদের।
৭৮. ‘মিত্রভেদ’ অংশে কার কার ভাঙনের গল্প আছে?
উত্তর: বন্ধুত্বের মধ্যে বিভেদ ও চক্রান্তের গল্প।
৭৯. ‘অপরীক্ষিত কারক’ তন্ত্রের মূল শিক্ষা কী?
উত্তর: না বুঝে বা পরীক্ষা না করে কোনো কাজ করতে নেই।
৮০. হিতোপদেশের বিখ্যাত নীতিবাক্যগুলি সাধারণত কোন উৎস থেকে নেওয়া?
উত্তর: প্রাচীন বেদ, পুরাণ ও স্মৃতিশাস্ত্র থেকে।
৮১. সোমদেবের ‘কথাসরিৎসাগর’ কোন ছন্দে মূলত রচিত?
উত্তর: শ্লোক বা অনুষ্টুপ ছন্দে।
৮২. বৃহৎকথার রচয়িতা গুণাঢ্য কোন ভাষায় গ্রন্থটি লিখেছিলেন?
উত্তর: পৈশাচী প্রাকৃত ভাষায়।
৮৩. পৈশাচী ভাষায় রচিত বৃহৎকথাকে সংস্কৃতে রূপান্তর করেন কে?
উত্তর: সোমদেব ভট্ট (এবং ক্ষেমেঞ্জ ‘বৃহৎকথামঞ্জরী’ লেখেন)।
৮৪. কথাসরিৎসাগরের মূল চরিত্র কে?
উত্তর: উজ্জয়িনীর রাজা উদয়নারায়ণের পুত্র নরবাহনদত্ত।
৮৫. নরবাহনদত্তের বিদ্যামাধুরী লাভের কাহিনী কোন গ্রন্থে প্রধানত বিস্তৃত?
উত্তর: কথাসরিৎসাগরে।
৮৬. সংস্কৃত গল্পসাহিত্যে পশুপাখির গল্পের প্রবক্তা কাকে বলা হয়?
উত্তর: বিষ্ণুশর্মা (পঞ্চতন্ত্রের মাধ্যমে)।
৮৭. বিষ্ণুশর্মার কয়টি ছাত্র বা রাজকুমার ছিল?
উত্তর: তিনজন অলস ও মূর্খ রাজকুমার।
৮৮. রাজকুমারদের ছয় মাসে নীতিশাস্ত্র শিক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব কে নিয়েছিলেন?
উত্তর: বিষ্ণুশর্মা।
৮৯. হিতোপদেশের ভূমিকাংশে কোন রাজার নাম পাওয়া যায়?
উত্তর: ধবলচন্দ্র রাজা।
৯০. সংস্কৃত সাহিত্যে নীতিগর্ভ আখ্যানের ভাণ্ডার হিসেবে কোনটি বিখ্যাত?
উত্তর: পঞ্চতন্ত্র ও হিতোপদেশ।
৯১. কথাসরিৎসাগরে কোন রাজ্যের ভৌগোলিক ও সামাজিক পরিবেশের চিত্র আছে?
উত্তর: কাশ্মীর ও প্রাচীন ভারতের বিভিন্ন রাজ্য।
৯২. বৈদিক সাহিত্যের প্রধান ছন্দের নাম কী?
উত্তর: গায়ত্রী, ত্রিষ্টুপ, জগতী ইত্যাদি।
৯৩. রামায়ণের রচয়িতা বাল্মীকিকে পূর্বে কী নামে ডাকা হতো?
উত্তর: রত্নাকর (দস্যু রত্নাকর)।
৯৪. সংস্কৃত গল্পসাহিত্যের চরিত্রগুলোতে কিসের প্রাধান্য থাকে?
উত্তর: বুদ্ধিমত্তা, নীতি ও চাতুর্য।
৯৫. পঞ্চতন্ত্রের অনুকরণে ফার্সি ভাষায় রচিত গ্রন্থটির নাম কী?
উত্তর: কলীলহ ও দমনা (বা আনওয়ার-ই-সুহেইলি)।
৯৬. হিতোপদেশের নীতিবাক্যগুলি ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে কেন জনপ্রিয়?
উত্তর: সহজবোধ্যতা ও গভীর জীবনের দর্শনের জন্য।
৯৭. কথাসরিৎসাগরে জাদুকরী বিদ্যা, অপ্সরা ও রাক্ষসের গল্প কোন ধারার পরিচয় দেয়?
উত্তর: লোককথা ও রূপকথা ধারা।
৯৮. বেদ কয়টি ভাগে বিভক্ত এবং সংহিতা অংশ কয়টি?
উত্তর: বেদ চারটি ভাগে বিভক্ত।
৯৯. বাল্মীকি রামায়ণ কোন যুগের সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধের শ্রেষ্ঠ দলিল?
উত্তর: পৌরাণিক ও রামায়ণ যুগের (ত্রেতা যুগের)।
১০০. সংস্কৃত গল্পসাহিত্য ও মহাকাব্য সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ কীসের প্রকাশ ঘটায়?
উত্তর: ভারতীয় সনাতন জীবনদর্শন ও নৈতিকতার চিরন্তন ধারা।
সংস্কৃত গল্পসাহিত্যের ইতিহাস (পঞ্চতন্ত্র, হিতোপদেশ ও কথাসরিৎসাগর) থেকে ৩ থেকে ১০০ পর্যন্ত (অর্থাৎ ৯৮টি) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো:
গল্পসাহিত্য (পঞ্চতন্ত্র, হিতোপদেশ ও কথাসরিৎসাগর) ভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর
৩. সংস্কৃত গল্পসাহিত্যের প্রাচীনতম ও শ্রেষ্ঠ নিদর্শন কোনটি?
উত্তর: পঞ্চতন্ত্র।
৪. ‘পঞ্চতন্ত্র’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উত্তর: বিষ্ণুশর্মণ (বা বিষ্ণুশর্মা)।
৫. পঞ্চতন্ত্রে মূলত কী ধরনের গল্প স্থান পেয়েছে?
উত্তর: নীতিশিক্ষা ও পশুপাখির রূপক গল্প।
৬. পঞ্চতন্ত্রকে কয়টি তন্ত্র বা অংশে ভাগ করা হয়েছে?
উত্তর: পাঁচটি তন্ত্রে।
৭. পঞ্চতন্ত্রের প্রথম তন্ত্রটির নাম কী?
উত্তর: মিত্রভেদ।
৮. পঞ্চতন্ত্রের দ্বিতীয় তন্ত্রটির নাম কী?
উত্তর: মিত্রপ্রাপ্তি (বা মিত্রসম্পাপ্তি)।
৯. পঞ্চতন্ত্রের তৃতীয় তন্ত্রটির নাম কী?
উত্তর: কাকলূকীয (বা কাকলূকীয়া / বিগ্রহ ও সন্ধি)।
১০. পঞ্চতন্ত্রের চতুর্থ তন্ত্রটির নাম কী?
উত্তর: লব্ধনাশ।
১১. পঞ্চতন্ত্রের পঞ্চম বা শেষ তন্ত্রটির নাম কী?
উত্তর: অপরীক্ষিত কারক।
১২. মূর্খ রাজপুত্রদের সহজে নীতিশিক্ষা দেওয়ার জন্য কোন গ্রন্থ রচিত হয়েছিল?
উত্তর: পঞ্চতন্ত্র।
১৩. ‘হিতোপদেশ’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উত্তর: পন্ডিত নারায়ণ।
১৪. ‘হিতোপদেশ’ মূলত কোন গ্রন্থের আদলে রচিত?
উত্তর: পঞ্চতন্ত্রের আদলে।
১৫. হিতোপদেশে কয়টি পরিচ্ছেদ বা বিভাগ আছে?
উত্তর: চারটি পরিচ্ছেদ।
১৬. হিতোপদেশের চারটি পরিচ্ছেদের নাম কী কী?
উত্তর: মিত্রলাভ, সুহৃদ্ভেদ, বিগ্রহ ও সন্ধি।
১৭. হিতোপদেশের মূল উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: রাজনীতি, নীতিশাস্ত্র ও ব্যবহারিক জ্ঞান শিক্ষা দেওয়া।
১৮. সংস্কৃত গল্পসাহিত্যে হিতোপদেশের ভাষা কেমন?
উত্তর: সহজ, সাবলীল ও প্রাঞ্জল।
১৯. ‘কথাসরিৎসাগর’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উত্তর: কথাসরিৎসাগরের রচয়িতা কবি সোমদেব ভট্ট।
২০. কথাসরিৎসাগর গ্রন্থটি কোন শতকে রচিত হয়েছিল?
উত্তর: একাদশ শতকে (খ্রিষ্টীয় ১১ শতক)।
২১. সোমদেব কার মনোরঞ্জনের জন্য কথাসরিৎসাগর রচনা করেছিলেন?
উত্তর: কাশ্মীরের রাজা অনন্তর পত্নী সূর্যবতী (বা রাজকুমারী সূৰ্যবতীর)।
২২. কথাসরিৎসাগর গ্রন্থটি কোন মূল বৃহৎ গ্রন্থের ওপর ভিত্তি করে রচিত?
উত্তর: গুণাঢ্যের ‘বৃহৎকথা’ (পৈশাচী ভাষায় রচিত)।
২৩. ‘কথাসরিৎসাগর’ নামের অর্থ কী?
উত্তর: গল্পের নদীর মহাসমুদ্র।
২৪. কথাসরিৎসাগরে মোট কয়টি তরঙ্গ বা অধ্যায় আছে?
উত্তর: ১২৪টি তরঙ্গ।
২৫. কথাসরিৎসাগরে মূলত কোন ধরনের আখ্যান বেশি রয়েছে?
উত্তর: রূপকথা, লোককথা ও রোমাঞ্চকর কল্পকাহিনি।
২৬. পঞ্চতন্ত্রের ভাষা প্রধানত কোন শৈলীর?
উত্তর: গদ্য ও পদ্য মিশ্রিত (চম্পূকাব্য শৈলী)।
২৭. হিতোপদেশের শুরুতে কার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে?
উত্তর: ধবল নামক রাজার প্রতি।
২৮. সংস্কৃত গল্পসাহিত্যের প্রধান বাহন বা বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: মনোরঞ্জনের মাধ্যমে নৈতিক শিক্ষা প্রদান।
২৯. পঞ্চতন্ত্রের গল্পগুলিতে মানুষের চরিত্রের রূপকার হিসেবে কাদের ব্যবহার করা হয়েছে?
উত্তর: পশুপাখি ও ইতর প্রাণীদের।
৩০. ‘মিত্রভেদ’ অংশে কার কার ভাঙনের গল্প আছে?
উত্তর: বন্ধুত্বের মধ্যে বিভেদ ও চক্রান্তের গল্প।
৩১. ‘অপরীক্ষিত কারক’ তন্ত্রের মূল শিক্ষা কী?
উত্তর: না বুঝে বা পরীক্ষা না করে কোনো কাজ করতে নেই।
৩২. হিতোপদেশের বিখ্যাত নীতিবাক্যগুলি সাধারণত কোন উৎস থেকে নেওয়া?
উত্তর: প্রাচীন বেদ, পুরাণ ও স্মৃতিশাস্ত্র থেকে।
৩৩. সোমদেবের ‘কথাসরিৎসাগর’ কোন ছন্দে মূলত রচিত?
উত্তর: শ্লোক বা অনুষ্টুপ ছন্দে।
৩৪. বৃহৎকথার রচয়িতা গুণাঢ্য কোন ভাষায় গ্রন্থটি লিখেছিলেন?
উত্তর: পৈশাচী প্রাকৃত ভাষায়।
৩৫. পৈশাচী ভাষায় রচিত বৃহৎকথাকে সংস্কৃতে রূপান্তর করেন কে?
উত্তর: সোমদেব ভট্ট (এবং ক্ষেমেঞ্জ ‘বৃহৎকথামঞ্জরী’ লেখেন)।
৩৬. কথাসরিৎসাগরের মূল চরিত্র কে?
উত্তর: উজ্জয়িনীর রাজা উদয়নারায়ণের পুত্র নরবাহনদত্ত।
৩৭. নরবাহনদত্তের বিদ্যামাধুরী লাভের কাহিনী কোন গ্রন্থে প্রধানত বিস্তৃত?
উত্তর: কথাসরিৎসাগরে।
৩৮. সংস্কৃত গল্পসাহিত্যে পশুপাখির গল্পের প্রবক্তা কাকে বলা হয়?
উত্তর: বিষ্ণুশর্মা (পঞ্চতন্ত্রের মাধ্যমে)।
৩৯. বিষ্ণুশর্মার কয়টি ছাত্র বা রাজকুমার ছিল?
উত্তর: তিনজন অলস ও মূর্খ রাজকুমার।
৪০. রাজকুমারদের ছয় মাসে নীতিশাস্ত্র শিক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব কে নিয়েছিলেন?
উত্তর: বিষ্ণুশর্মা।
৪১. হিতোপদেশের ভূমিকাংশে কোন রাজার নাম পাওয়া যায়?
উত্তর: ধবলচন্দ্র রাজা।
৪২. সংস্কৃত সাহিত্যে নীতিগর্ভ আখ্যানের ভাণ্ডার হিসেবে কোনটি বিখ্যাত?
উত্তর: পঞ্চতন্ত্র ও হিতোপদেশ।
৪৩. কথাসরিৎসাগরে কোন রাজ্যের ভৌগোলিক ও সামাজিক পরিবেশের চিত্র আছে?
উত্তর: কাশ্মীর ও প্রাচীন ভারতের বিভিন্ন রাজ্য।
৪৪. সংস্কৃত গল্পসাহিত্যের চরিত্রগুলোতে কিসের প্রাধান্য থাকে?
উত্তর: বুদ্ধিমত্তা, নীতি ও চাতুর্য।
৪৫. পঞ্চতন্ত্রের অনুকরণে ফার্সি ভাষায় রচিত গ্রন্থটির নাম কী?
উত্তর: কলীলহ ও দমনা (বা আনওয়ার-ই-সুহেইলি)।
৪৬. হিতোপদেশের নীতিবাক্যগুলি ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে কেন জনপ্রিয়?
উত্তর: সহজবোধ্যতা ও গভীর জীবনের দর্শনের জন্য।
৪৭. কথাসরিৎসাগরে জাদুকরী বিদ্যা, অপ্সরা ও রাক্ষসের গল্প কোন ধারার পরিচয় দেয়?
উত্তর: লোককথা ও রূপকথা ধারা।
৪৮. সংস্কৃত গল্পসাহিত্য সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ কীসের প্রকাশ ঘটায়?
উত্তর: ভারতীয় সনাতন জীবনদর্শন ও নৈতিকতার চিরন্তন ধারা।
৪৯. বিষ্ণুশর্মা কোন রাজার মূর্খ পুত্রদের শিক্ষা দিতে পঞ্চতন্ত্র রচনা করেছিলেন?
উত্তর: অমরশক্তি নামক রাজার পুত্রদের।
৫০. পঞ্চতন্ত্রের কোন তন্ত্রে সন্ধি ও বিগ্রহের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: তৃতীয় তন্ত্রে (কাকলূকীয়ে)।
৫১. হিতোপদেশের নীতিশিক্ষা প্রধানত কোন শাস্ত্রের অনুসারী?
উত্তর: অর্থশাস্ত্র ও নীতিশাস্ত্র।
৫২. ‘মিত্রলাভ’ পরিচ্ছেদে কার কার যোগদানের কথা আছে?
উত্তর: নতুন বন্ধু তৈরির উপায় ও সুফল।
৫৩. ‘সুহৃদ্ভেদ’ পরিচ্ছেদে কী আলোচনা করা হয়েছে?
উত্তর: বন্ধু বিচ্ছেদ বা শত্রুতার কারণ।
৫৪. কথাসরিৎসাগরের মূল আখ্যানটি কোন রাজপুত্রের জীবনকেন্দ্রিক?
উত্তর: নরবাহনদত্ত।
৫৫. গুণাঢ্যের বৃহৎকথা কোন ছন্দে রচিত হয়েছিল বলে মনে করা হয়?
উত্তর: অর্যা ছন্দে।
৫৬. সোমদেব ভট্ট কোন রাজবংশের সভাপণ্ডিত বা সমসাময়িক ছিলেন?
উত্তর: কাশ্মীরের রাজবংশের।
৫৭. পঞ্চতন্ত্রের গল্পগুলি মূলত কোন সাহিত্যের অন্তর্গত?
উত্তর: নীতিশাস্ত্র ও কথাসাহিত্য।
৫৮. হিতোপদেশের রচয়িতা পণ্ডিত নারায়ণ কার আশ্রিত ছিলেন?
উত্তর: ধবলচন্দ্রের।
৫৯. সংস্কৃত গল্পসাহিত্যের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: শিক্ষণীয় উপাখ্যান বা নীতিকথা।
৬০. পঞ্চতন্ত্রের দ্বিতীয় তন্ত্র ‘মিত্রপ্রাপ্তি’-তে কার কার বন্ধুত্বের গল্প আছে?
উত্তর: কাক, ইঁদুর, কচ্ছপ ও হরিণের।
৬১. পঞ্চতন্ত্রের কোন অংশে শিয়াল ও বল্লুকের কূটকৌশলের গল্প রয়েছে?
উত্তর: মিত্রভেদ অংশে।
৬২. হিতোপদেশের কতগুলি উপদেশ শ্লোক আকারে রয়েছে?
উত্তর: বেশিরভাগ নীতিবাক্য বা সুভাষিত শ্লোক আকারে।
৬৩. কথাসরিৎসাগর গ্রন্থে মোট কয়টি লম্বক বা বিভাগ আছে?
উত্তর: ১৮টি লম্বক।
৬৪. কথাসরিৎসাগরের প্রথম লম্বকটির নাম কী?
উত্তর: কথাপীঠ লম্বক।
৬৫. কথাসরিৎসাগরের শেষ লম্বকটির নাম কী?
উত্তর: অভিষেক লম্বক।
৬৬. বৃহৎকথার মূল রচয়িতা গুণাঢ্য কোন ভাষায় এটি লিখেছিলেন?
উত্তর: পৈশাচী।
৬৭. পৈশাচী ভাষা কোন প্রাকৃতির একটি রূপ?
উত্তর: পিশাচ দেশের প্রাকৃত ভাষা।
৬৮. সংস্কৃত গল্পসাহিত্যে মানব চরিত্র ও পশুর চরিত্রের সংমিশ্রণ কোথায় দেখা যায়?
উত্তর: পঞ্চতন্ত্র ও হিতোপদেশে।
৬৯. পঞ্চতন্ত্রের প্রতিটি গল্পের শেষে কী থাকে?
উত্তর: একটি করে নীতিবাক্য বা উপসংহার।
৭০. হিতোপদেশের সংকলক পণ্ডিত নারায়ণ কোন ধর্মাবলম্বী পন্ডিত ছিলেন?
উত্তর: বৈষ্ণব বা সনাতন ধর্মাবলম্বী।
৭১. কথাসরিৎসাগরে কোন নদীর তীরে বিভিন্ন ঘটনার অবতারণা হয়েছে?
উত্তর: বিভিন্ন নদীর কথা থাকলেও প্রধানত কাল্পনিক ও ভৌগোলিক স্থান ও নদীর উল্লেখ আছে।
৭২. সংস্কৃত গল্পসাহিত্যের ধারাটি পরবর্তীকালে কোন সাহিত্যকে প্রভাবিত করেছিল?
উত্তর: আরবীয় হেসাবে ‘আরব্য রজনী’ ও ইউরোপীয় রূপকথাকে।
৭৩. পঞ্চতন্ত্রের ইংরেজি অনুবাদ কে করেছিলেন?
উত্তর: আর্থার ডব্লিউ রাইডার (বা আলেকজান্ডার)।
৭৪. হিতোপদেশের ইংরেজি অনুবাদ কে করেছিলেন?
উত্তর: স্যার এডউইন আর্নল্ড।
৭৫. সংস্কৃত গল্পসাহিত্যের মূল লক্ষ্য কী?
উত্তর: আনন্দদানের ছলে জীবন শিক্ষা দেওয়া।
৭৬. পঞ্চতন্ত্রের গল্পগুলো বিশ্বসাহিত্যে কী নামে পরিচিত?
উত্তর: ফবলস্ (Fables) বা উপকথা।
৭৭. হিতোপদেশের প্রথম বিভাগ বা অধ্যায়ের নাম কী?
উত্তর: মিত্রলাভ।
৭৮. হিতোপদেশের দ্বিতীয় বিভাগ বা অধ্যায়ের নাম কী?
উত্তর: সুহৃদ্ভেদ।
৭৯. হিতোপদেশের তৃতীয় বিভাগ বা অধ্যায়ের নাম কী?
উত্তর: বিগ্রহ।
৮০. হিতোপদেশের চতুর্থ বিভাগ বা অধ্যায়ের নাম কী?
উত্তর: সন্ধি।
৮১. কথাসরিৎসাগরে কোন দেবতার বরপুত্রের গল্প আছে?
উত্তর: বিদ্যাধর ও শিবের বরপ্রাপ্ত চরিত্র।
৮২. সোমদেব ভট্টের পিতার নাম কী ছিল?
উত্তর: রামাভট্ট।
৮৩. কথাসরিৎসাগর কোন ছন্দের মাধুর্যে পূর্ণ?
উত্তর: শ্লোক বা অনুষ্টুপ ছন্দ।
৮৪. সংস্কৃত গল্পসাহিত্যের ইতিহাসে বিষ্ণুশর্মার নাম কীভাবে অমর হয়ে আছে?
উত্তর: নীতিশাস্ত্র রচয়িতা ও শিক্ষকরূপে।
৮৫. পঞ্চতন্ত্রে কয়টি প্রধান নীতিগর্ভ গল্প বা উপাখ্যান রয়েছে?
উত্তর: অসংখ্য ছোট-বড় উপাখ্যান।
৮৬. হিতোপদেশের ভাষা কেমন হওয়া এটি শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয়?
উত্তর: প্রাঞ্জল ও সহজবোধ্য।
৮৭. কথাসরিৎসাগর গ্রন্থে কোন রাজার রাজ্যশাসনের উল্লেখ আছে?
উত্তর: উদয়নাচার্য ও নরবাহনদত্তের রাজ্য।
৮৮. সংস্কৃত গল্পসাহিত্যে কোন গ্রন্থটিকে বৃহত্তম গল্পের সংগ্রহ বলা হয়?
উত্তর: কথাসরিৎসাগরকে।
৮৯. পঞ্চতন্ত্রের মূল চরিত্রগুলোর মাধ্যমে কার মানসিকতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে?
উত্তর: মানুষের বিভিন্ন স্বভাব ও প্রবৃত্তি।
৯০. হিতোপদেশের নীতিবাক্যগুলি জীবনের কোন ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি উপযোগী?
উত্তর: ব্যবহারিক জীবন ও রাজনীতিতে।
৯১. কথাসরিৎসাগরের আখ্যানগুলির মূল উৎস কী ছিল?
উত্তর: লোকমুখের প্রচলিত গাথা ও বৃহৎকথা।
৯২. সংস্কৃত গল্পসাহিত্যের বিকাশে কোন শতকটিকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ধরা হয়?
উত্তর: গুপ্ত ও পরবর্তী গুপ্ত যুগ থেকে মধ্যযুগ পর্যন্ত।
৯৩. পঞ্চতন্ত্রের তৃতীয় তন্ত্রের মূল বিষয়বস্তু কী?
উত্তর: যুদ্ধ ও সন্ধির নীতি (কাক ও উলূকের শত্রুতা)।
৯৪. হিতোপদেশের রচয়িতা নারায়ণ পণ্ডিত কোন রাজার পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেন?
উত্তর: ধবলচন্দ্র।
৯৫. কথাসরিৎসাগরের গল্পগুলিতে কিসের আধিক্য লক্ষ্য করা যায়?
উত্তর: কল্পনা ও চমত্কারিত্বের।
৯৬. সংস্কৃত গল্পসাহিত্যের ঐতিহ্য অনুযায়ী ‘নীতি’ শব্দটির অর্থ কী?
উত্তর: সঠিক পথে চলার নির্দেশ বা চালচলন।
৯৭. পঞ্চতন্ত্রের উপদেশগুলি মূলত কাদের উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল?
উত্তর: রাজকুমারদের।
৯৮. হিতোপদেশের উপদেশগুলো বর্তমান যুগেও কেন প্রাসঙ্গিক?
উত্তর: নৈতিক মূল্যবোধের জন্য।
৯৯. কথাসরিৎসাগর কোন সাহিত্যের অমূল্য রত্নভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত?
উত্তর: সংস্কৃত কথাসাহিত্য।
১০০. সংস্কৃত গল্পসাহিত্যের এই তিনটি প্রধান গ্রন্থ ভারতীয় সংস্কৃতিতে কিসের প্রতীক?
উত্তর: জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও বিনোদনের চিরন্তন সমন্বয়।