মেনু ও পেজসমূহ

একাদশ শ্রেণির বাংলা প্রথম সেমিস্টার

 -----------গল্প ----------

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত 'পুঁইমাচা' গল্পের ১০০টি প্রশ্নোত্তর:

​১. প্রশ্ন: 'পুঁইমাচা' গল্পের লেখকের নাম কী?

উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

​২. প্রশ্ন: গল্পের প্রধান নারী চরিত্রটির নাম কী?

উত্তর: ক্ষেন্তি।

​৩. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির বাবার নাম কী?

উত্তর: সহায়হরি চট্টোপাধ্যায়।

​৪. প্রশ্ন: সহায়হরির বড় মেয়ের নাম কী?

উত্তর: ক্ষেন্তি।

​৫. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির মায়ের নাম কী?

উত্তর: অন্নপূর্ণা।

​৬. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির গায়ের রঙ কেমন ছিল?

উত্তর: কালো।

​৭. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির বয়স কত ছিল?

উত্তর: সতেরো-আঠেরো বছর।

​৮. প্রশ্ন: ক্ষেন্তি কী খেতে খুব ভালোবাসত?

উত্তর: পুঁইশাকের চচ্চড়ি।

​৯. প্রশ্ন: সহায়হরির মোট কটি সন্তান ছিল?

উত্তর: চারজন (ক্ষেন্তি, রাধা, পুঁটি এবং একটি ছোট ছেলে)।

​১০. প্রশ্ন: সহায়হরি পেশায় কী ছিলেন?

উত্তর: তিনি কোনো স্থায়ী কাজ করতেন না, কিছুটা ছন্নছাড়া স্বভাবের ছিলেন।

​১১. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির বিবাহের জন্য কত টাকা পণ স্থির হয়েছিল?

উত্তর: ২৫০ টাকা।

​১২. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির বরের বয়স কত ছিল?

উত্তর: চল্লিশের উপরে।

​১৩. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির স্বামী আগে কটি বিয়ে করেছিলেন?

উত্তর: দুটি (ক্ষেন্তি ছিল তাঁর তৃতীয় স্ত্রী)।

​১৪. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির বিবাহের সময় সহায়হরি কী বিক্রি করেছিলেন?

উত্তর: বাড়ির কিছু গাছ এবং সামান্য জমি।

​১৫. প্রশ্ন: ক্ষেন্তি বিয়ের পর কোথায় চলে গিয়েছিল?

উত্তর: শ্বশুরবাড়িতে (অন্য গ্রামে)।

​১৬. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির শ্বশুরবাড়ির লোকেরা তার সাথে কেমন ব্যবহার করত?

উত্তর: অত্যন্ত নিষ্ঠুর এবং অমানবিক।

​১৭. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির মা অন্নপূর্ণা কেন সবসময় দুশ্চিন্তায় থাকতেন?

উত্তর: অভাবের সংসার এবং মেয়ের বিয়ে নিয়ে।

​১৮. প্রশ্ন: সহায়হরি কার বাড়ি থেকে মাছ চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েছিলেন?

উত্তর: মুখুজ্যেদের পুকুর থেকে।

​১৯. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির ছোট বোনদের নাম কী?

উত্তর: রাধা ও পুঁটি।

​২০. প্রশ্ন: ক্ষেন্তি যখন বাপের বাড়ি ফিরে এসেছিল, তখন তার অবস্থা কেমন ছিল?

উত্তর: খুব রোগা এবং জীর্ণ শীর্ণ।

​২১. প্রশ্ন: ক্ষেন্তি বাপের বাড়ি থেকে যাওয়ার সময় কী নিয়ে গিয়েছিল?

উত্তর: এক পুঁটলি পুঁই বীজ।

​২২. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির বাবা তার জন্য কী কিনে এনেছিলেন যা দেখে সে খুব খুশি হয়েছিল?

উত্তর: সস্তা কাঁচের চুড়ি।

​২৩. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির প্রিয় খাবার কোনটি ছিল?

উত্তর: পুঁইশাকের ডগা।

​২৪. প্রশ্ন: গল্পের শেষে ক্ষেন্তির ভাগ্যে কী ঘটেছিল?

উত্তর: সে বসন্ত রোগে (Small Pox) মারা গিয়েছিল।

​২৫. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির মৃত্যুর পর তার লাগানো পুঁই গাছটির কী হয়েছিল?

উত্তর: সেটি লকলক করে বেড়ে উঠে পুরো মাচা ঢেকে ফেলেছিল।

​২৬. প্রশ্ন: সহায়হরিকে গ্রামের লোক কী বলে ডাকত?

উত্তর: সহায়হরি চাটুজ্যে।

​২৭. প্রশ্ন: অন্নপূর্ণা কেন ক্ষেন্তিকে বকাবকি করতেন?

উত্তর: ক্ষেন্তির অতিরিক্ত খাওয়ার অভ্যাসের জন্য।

​২৮. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির বিয়ের সময় খাবারে কী বিশেষ পদ ছিল?

উত্তর: তেমন বিশেষ কিছু নয়, অত্যন্ত সাধারণ আয়োজন ছিল।

​২৯. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির শ্বশুরবাড়িতে তাকে কেন কষ্ট দেওয়া হতো?

উত্তর: পণের টাকা পুরোপুরি না দেওয়ার কারণে।

​৩০. প্রশ্ন: ক্ষেন্তি কোন তিথিতে মারা গিয়েছিল?

উত্তর: অঘ্রাণ মাসের সংক্রান্তির সময়।

​৩১. প্রশ্ন: গল্পের শুরুতে সহায়হরি কোথা থেকে ফিরছিলেন?

উত্তর: মাঠ থেকে মাছ ধরে।

​৩২. প্রশ্ন: সহায়হরির বাড়ির অবস্থা কেমন ছিল?

উত্তর: ভাঙাচোরা এবং অত্যন্ত দরিদ্র।

​৩৩. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির চেহারার প্রধান বৈশিষ্ট্য কী ছিল?

উত্তর: সে খুব লম্বা এবং বলিষ্ঠ গড়নের ছিল।

​৩৪. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির বিয়ের সম্বন্ধ কে এনেছিলেন?

উত্তর: পাড়ার এক ঘটক।

​৩৫. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির বাবার স্বভাব কেমন ছিল?

উত্তর: অলস এবং কিছুটা দায়িত্বজ্ঞানহীন।

​৩৬. প্রশ্ন: ক্ষেন্তি যখন প্রথম শ্বশুরবাড়ি যায়, সে কী জন্য কেঁদেছিল?

উত্তর: মা-বাবাকে ছেড়ে যাওয়ার দুঃখে।

​৩৭. প্রশ্ন: 'পুঁইমাচা' গল্পটি কোন শ্রেণির গল্প?

উত্তর: পল্লী প্রকৃতির ও দারিদ্র্যের করুণ আখ্যান।

​৩৮. প্রশ্ন: ক্ষেন্তি মারা যাওয়ার খবর কে দিয়েছিল?

উত্তর: শ্বশুরবাড়ি থেকে আসা এক লোক।

​৩৯. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির মা কেন শেষ পর্যন্ত পুঁই গাছটি কাটতে দেননি?

উত্তর: কারণ গাছটি ক্ষেন্তির স্মৃতির সাথে জড়িয়ে ছিল।

​৪০. প্রশ্ন: সহায়হরির ছোট ছেলের নাম কী?

উত্তর: গোকুল।

​৪১. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির মা রান্না করার সময় কী দিয়ে ফোড়ন দিতেন?

উত্তর: শুকনো লঙ্কা ও কালো জিরে।

​৪২. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির বিয়ের কতদিন পর সে মারা গিয়েছিল?

উত্তর: বিয়ের প্রায় এক বছরের মাথায়।

​৪৩. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির চরিত্রের অন্যতম গুণ কী ছিল?

উত্তর: সে খুব সহনশীল এবং শান্ত ছিল।

​৪৪. প্রশ্ন: বিভূতিভূষণের এই গল্পে কোন ঋতুর বর্ণনা আছে?

উত্তর: বর্ষা ও শীতকাল।

​৪৫. প্রশ্ন: পুঁইমাচা গল্পে গ্রামের নাম কী ছিল?

উত্তর: নির্দিষ্ট কোনো নাম নেই, তবে এটি একটি প্রত্যন্ত গ্রাম।

​৪৬. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির বাবা কেন সবসময় অপরাধবোধে ভুগতেন?

উত্তর: পণের টাকা জোগাড় করতে না পারার জন্য।

​৪৭. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির বিয়ের তত্ত্ব কী কী ছিল?

উত্তর: যৎসামান্য কিছু মিষ্টি ও কাপড়।

​৪৮. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির স্বামীর গায়ের রঙ কেমন ছিল?

উত্তর: হলদেটে বা ফ্যাকাশে।

​৪৯. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির বিয়েতে কোনো বাদ্যযন্ত্র বেজেছিল?

উত্তর: না, খুব সাদামাটা বিয়ে ছিল।

​৫০. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির মা কার কাছে দুঃখ প্রকাশ করতেন?

উত্তর: পাড়ার প্রতিবেশীদের কাছে।

​৫১. প্রশ্ন: ক্ষেন্তি খাবারের জন্য কার কাছে আবদার করত?

উত্তর: তার মায়ের কাছে।

​৫২. প্রশ্ন: সহায়হরি কেন জমি বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছিলেন?

উত্তর: ধার শোধ এবং পণের টাকা জোগাড় করতে।

​৫৩. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির শাশুড়ি কেমন মানুষ ছিলেন?

উত্তর: খুবই কঠোর ও নির্দয়।

​৫৪. প্রশ্ন: ক্ষেন্তি কেন চুপি চুপি খাবার খেত?

উত্তর: লজ্জায় এবং মায়ের বকুনির ভয়ে।

​৫৫. প্রশ্ন: গল্পের শেষে পুঁইমাচাটি কিসের প্রতীক হয়ে ওঠে?

উত্তর: ক্ষেন্তির অতৃপ্ত আকাঙ্ক্ষা এবং চিরস্থায়ী অস্তিত্বের।

​৫৬. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির ছোট বোন পুঁটি কী করতে ভালোবাসত?

উত্তর: ক্ষেন্তির সাথে ঝগড়া ও খেলাধুলা করতে।

​৫৭. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির মৃত্যুর পর সহায়হরির মনের অবস্থা কেমন ছিল?

উত্তর: তিনি স্তব্ধ ও বিমর্ষ হয়ে পড়েছিলেন।

​৫৮. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির প্রিয় শাক কোনটি?

উত্তর: পুঁইশাক।

​৫৯. প্রশ্ন: অন্নপূর্ণা কেন ক্ষেন্তিকে রাক্ষসী বলতেন?

উত্তর: সে প্রচুর পরিমাণে খেতে পারত বলে।

​৬০. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির স্বামী কিসের ব্যবসা করতেন?

উত্তর: মুদি দোকান বা ছোটখাটো ব্যবসা।

​৬১. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির বাবার প্রিয় নেশা কী ছিল?

উত্তর: তামাক খাওয়া।

​৬২. প্রশ্ন: সহায়হরি কার থেকে ঋণ নিয়েছিলেন?

উত্তর: গ্রামের মহাজনের থেকে।

​৬৩. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির বিয়ের সময় আকাশ কেমন ছিল?

উত্তর: মেঘলা বা দুর্যোগপূর্ণ।

​৬৪. প্রশ্ন: ক্ষেন্তি বাপের বাড়ি ফিরে এসে কী খেতে চেয়েছিল?

উত্তর: কচি পুঁইশাকের চচ্চড়ি।

​৬৫. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির বড় চিবুক ও চওড়া কপাল কিসের লক্ষণ ছিল?

উত্তর: সরলতা ও বলিষ্ঠতার।

​৬৬. প্রশ্ন: গল্পের কথক কে?

উত্তর: লেখক নিজে (তৃতীয় পুরুষে বর্ণিত)।

​৬৭. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির ছোটবেলা কেমন কেটেছিল?

উত্তর: চরম দারিদ্র্যের মধ্যে।

​৬৮. প্রশ্ন: সহায়হরি কেন প্রতিবেশীদের কাছে হাসির পাত্র ছিলেন?

উত্তর: তার অদ্ভুত আচার-আচরণের জন্য।

​৬৯. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির বিয়ের গয়নাগুলো কেমন ছিল?

উত্তর: খুবই সস্তা এবং পিতলের পালিশ করা।

​৭০. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির মৃত্যু সংবাদ শুনে অন্নপূর্ণা কী করেছিলেন?

উত্তর: কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন।

​৭১. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির লাগানো পুঁই গাছটি কোথায় ছিল?

উত্তর: রান্নাঘরের ঠিক পেছনে।

​৭২. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির শেষ ইচ্ছা কী ছিল?

উত্তর: একবার পেট ভরে পুঁইশাক খাওয়া।

​৭৩. প্রশ্ন: সহায়হরির জীবনদর্শন কী ছিল?

উত্তর: কোনোমতে দিন গুজরান করা।

​৭৪. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির মৃত্যুর জন্য পরোক্ষভাবে কে দায়ী?

উত্তর: তৎকালীন সমাজব্যবস্থা এবং দারিদ্র্য।

​৭৫. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির স্বামী কতবার সহায়হরির বাড়িতে এসেছিলেন?

উত্তর: মাত্র একবার, বিয়ের সময়।

​৭৬. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির ছোট ভাইবোনরা তাকে কী বলে ডাকত?

উত্তর: দিদি।

​৭৭. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির বিয়ের জন্য তার বাবা কার সাহায্য চেয়েছিলেন?

উত্তর: কারো সাহায্য পাননি, একাই চেষ্টা করেছিলেন।

​৭৮. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির বিয়ের সময় কে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল?

উত্তর: অর্থাভাব।

​৭৯. প্রশ্ন: পুঁইমাচা গল্পে কোন মানবিক গুণের অভাব দেখা যায়?

উত্তর: সহমর্মিতা ও দয়া।

​৮০. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির গায়ের কাপড় কেমন ছিল?

উত্তর: তালি মারা এবং পুরনো।

​৮১. প্রশ্ন: সহায়হরি কোন জাতের মানুষ ছিলেন?

উত্তর: ব্রাহ্মণ (চট্টোপাধ্যায়)।

​৮২. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির মায়ের প্রধান গুণ কী ছিল?

উত্তর: ধৈর্যের সাথে সংসার সামলানো।

​৮৩. প্রশ্ন: ক্ষেন্তি কখন মারা গিয়েছিল?

উত্তর: গভীর রাতে।

​৮৪. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির শ্বশুরবাড়ি থেকে কেন চিঠি আসত না?

উত্তর: অবহেলার কারণে।

​৮৫. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির বিয়েতে যৌতুক হিসেবে কী দেওয়া হয়েছিল?

উত্তর: সামান্য কিছু বাসনপত্র।

​৮৬. প্রশ্ন: ক্ষেন্তি কেন সবসময় ক্ষুধার্ত থাকত?

উত্তর: অভাবের কারণে পেট ভরে খাবার জুটত না।

​৮৭. প্রশ্ন: সহায়হরি কেন সবসময় বাইরে বাইরে ঘুরতেন?

উত্তর: সংসারের অভাবের জ্বালা সহ্য করতে পারতেন না বলে।

​৮৮. প্রশ্ন: পুঁই গাছটি কীভাবে বেড়েছিল?

উত্তর: অবহেলার মধ্যেও প্রবল প্রাণের টানে।

​৮৯. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির স্বভাব কেমন ছিল?

উত্তর: মুখচোরা ও লাজুক।

​৯০. প্রশ্ন: গল্পের শেষ বাক্যটি কীসের ওপর আলোকপাত করে?

উত্তর: পুঁইমাচার সজীবতার ওপর।

​৯১. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির বাবা কি শিক্ষিত ছিলেন?

উত্তর: না, সামান্য অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন।

​৯২. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির বিয়ের সময় পাড়ার মহিলারা কী বলেছিল?

উত্তর: মেয়ের বয়স অনেক হয়ে গেছে বলে সমালোচনা করেছিল।

​৯৩. প্রশ্ন: অন্নপূর্ণা কেন ক্ষেন্তিকে শ্বশুরবাড়ি পাঠাতে চাননি?

উত্তর: মেয়েটির কষ্টের কথা ভেবে।

​৯৪. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির শ্বশুরবাড়ির গ্রামে যাওয়ার পথ কেমন ছিল?

উত্তর: খুব দুর্গম ও কর্দমাক্ত।

​৯৫. প্রশ্ন: ক্ষেন্তি কি পড়াশোনা জানত?

উত্তর: না, সে নিরক্ষর ছিল।

​৯৬. প্রশ্ন: সহায়হরির একমাত্র সম্বল কী ছিল?

উত্তর: তার পুরনো পৈতৃক ভিটে।

​৯৭. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির জীবনে সুখের মুহূর্ত কোনটি ছিল?

উত্তর: যখন সে বাপের বাড়িতে পুঁইশাক খেত।

​৯৮. প্রশ্ন: 'পুঁইমাচা' গল্পের মূল উপজীব্য কী?

উত্তর: বাংলার এক গ্রামীণ কিশোরীর করুণ জীবন ও মৃত্যু।

​৯৯. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির মৃত্যুর পর তার মা কাকে জড়িয়ে ধরে কেঁদেছিলেন?

উত্তর: পুঁটি ও রাধাকে।

​১০০. প্রশ্ন: ক্ষেন্তির লাগানো পুঁই গাছটি কী প্রমাণ করে?

উত্তর: মানুষের মৃত্যু হলেও তার কর্ম ও ভালোবাসা বেঁচে থাকে।




---প্রবন্ধ ------

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'বিড়াল' প্রবন্ধের ১০০টি প্রশ্নোত্তর:

​১. প্রশ্ন: 'বিড়াল' প্রবন্ধটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোন গ্রন্থের অন্তর্গত?

উত্তর: কমলাকান্তের দপ্তর।

​২. প্রশ্ন: প্রবন্ধের শুরুতে কমলাকান্ত কী করছিলেন?

উত্তর: ঝিমুচ্ছিলেন।

​৩. প্রশ্ন: কমলাকান্ত কিসের নেশা করেছিলেন?

উত্তর: আফিম।

​৪. প্রশ্ন: ঝিমুনির সময় কমলাকান্ত কার কথা ভাবছিলেন?

উত্তর: ওয়াটার্লু যুদ্ধের নেপোলিয়ন বোনাপার্টের কথা।

​৫. প্রশ্ন: কমলাকান্ত নিজেকে কোন বীরের সাথে তুলনা করতে চেয়েছিলেন?

উত্তর: নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।

​৬. প্রশ্ন: বিড়ালটি কমলাকান্তের জন্য রাখা কী খেয়ে ফেলেছিল?

উত্তর: দুধ।

​৭. প্রশ্ন: দুধটুকু কে দিয়ে গিয়েছিল?

উত্তর: প্রসন্ন গোয়ালিনী।

​৮. প্রশ্ন: বিড়ালটি দুধ খেয়ে কী শব্দ করেছিল?

উত্তর: মেও।

​৯. প্রশ্ন: কমলাকান্তের মতে বিড়ালের 'মেও' শব্দের অর্থ কী ছিল?

উত্তর: "আমিই খাইয়াছি।"

​১০. প্রশ্ন: বিড়ালটিকে মারার জন্য কমলাকান্ত কী খুঁজছিলেন?

উত্তর: একটি ভগ্ন যষ্টি (ভাঙা লাঠি)।

​১১. প্রশ্ন: বিড়ালটি দুধ খাওয়ার পর কোথায় গিয়ে বসেছিল?

উত্তর: চারপায়োর উপর (খাটের উপর)।

​১২. প্রশ্ন: বিড়ালের কণ্ঠস্বর কমলাকান্তের কাছে কেমন মনে হয়েছিল?

উত্তর: অত্যন্ত মধুর।

​১৩. প্রশ্ন: বিড়ালটি নিজেকে কী বলে পরিচয় দিয়েছে?

উত্তর: মার্জার।

​১৪. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে পৃথিবীতে যার পেট ভরা আছে তার কাছে কী ভালো লাগে না?

উত্তর: ক্ষুধা তৃষ্ণা।

​১৫. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে চোর অপেক্ষা কে শতগুণে দোষী?

উত্তর: কৃপণ।

​১৬. প্রশ্ন: "ক্ষুধার জ্বালা তোমরা জান না" - উক্তিটি কার?

উত্তর: বিড়ালের।

​১৭. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে ধার্মিক ব্যক্তি কে?

উত্তর: যে পরোপকারী।

​১৮. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে অধর্ম কোনটি?

উত্তর: পরের আহার হরণ করা নয়, বরং ক্ষুধার্তকে অন্ন না দেওয়া।

​১৯. প্রশ্ন: বিড়ালটি কমলাকান্তকে কোন শাস্ত্র পড়ার পরামর্শ দিয়েছে?

উত্তর: সমাজশাস্ত্র।

​২০. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে কার বিচারের জন্য চোরকে দণ্ড দেওয়া উচিত নয়?

উত্তর: ক্ষুধার্ত চোরকে।

​২১. প্রশ্ন: বিড়ালের যুক্তি শুনে কমলাকান্তের অবস্থা কেমন হয়েছিল?

উত্তর: তিনি হতবুদ্ধি হয়ে গিয়েছিলেন।

​২২. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে ধনীদের উচ্ছিষ্ট খাবার খেলে কার পুণ্য হয়?

উত্তর: ধনীদের।

​২৩. প্রশ্ন: বিড়াল কমলাকান্তকে কোন বিচারপতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে?

উত্তর: যারা চুরি বিচার করে।

​২৪. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে বিজ্ঞ লোকের কর্তব্য কী?

উত্তর: অন্যের ক্ষুধা নিবারণ করা।

​২৫. প্রশ্ন: কমলাকান্ত বিড়ালের দার্শনিক কথাকে কী বলেছেন?

উত্তর: সোশ্যালিজম (সাম্যবাদ)।

​২৬. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে অধর্মের জন্য কে দায়ী?

উত্তর: ধনী বা কৃপণ ব্যক্তি।

​২৭. প্রশ্ন: "আমি চোর বটে, কিন্তু তুমি কি?" - বিড়াল কাকে এই প্রশ্ন করেছে?

উত্তর: কমলাকান্তকে।

​২৮. প্রশ্ন: বিড়ালটি কার ওকালতি করছিল?

উত্তর: পৃথিবীর সকল ক্ষুধার্ত ও বঞ্চিত প্রাণীদের।

​২৯. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে বড়ো মানুষের বাড়িতে কী উপচে পড়ে?

উত্তর: দুধ-মাখন।

​৩০. প্রশ্ন: বিড়াল কমলাকান্তকে কী দান করতে বলেছিল?

উত্তর: তিল তুলসী।

​৩১. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে কার জন্য জেলের ব্যবস্থা আছে?

উত্তর: চোরের জন্য।

​৩২. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে কেন চোরেরা চুরি করে?

উত্তর: পেটের জ্বালায়।

​৩৩. প্রশ্ন: বিড়াল প্রবন্ধের মূল সুর কী?

উত্তর: সাম্যবাদ ও সামাজিক ন্যায়বিচার।

​৩৪. প্রশ্ন: কমলাকান্ত বিড়ালকে কী খেতে দিতে চেয়েছিলেন?

উত্তর: আফিম (তামাশা করে)।

​৩৫. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে কার হাসি দেখে তার রাগ হয়?

উত্তর: যার পেট ভরা আছে।

​৩৬. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে কে যমের বাড়ি গেলেও তার নাম হবে না?

উত্তর: চোর।

​৩৭. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে কার জন্য দণ্ডবিধানের ব্যবস্থা থাকা উচিত?

উত্তর: কৃপণের জন্য।

​৩৮. প্রশ্ন: কমলাকান্ত বিড়ালকে কীসের ভয় দেখিয়েছিলেন?

উত্তর: লাঠির।

​৩৯. প্রশ্ন: বিড়ালটি কমলাকান্তকে কী বলে সম্বোধন করেছিল?

উত্তর: পণ্ডিত মশাই (ব্যঙ্গার্থে)।

​৪০. প্রশ্ন: কমলাকান্ত বিড়ালকে কী খেতে ডাকলে বিড়াল আবার আসবে বলেছিল?

উত্তর: মাছের কাঁটা ও দুধ।

​৪১. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে কে পরম ধার্মিক?

উত্তর: যে অন্যকে দান করে।

​৪২. প্রশ্ন: বিড়াল প্রবন্ধে কোন ঐতিহাসিক যুদ্ধের উল্লেখ আছে?

উত্তর: ওয়াটার্লু যুদ্ধ।

​৪৩. প্রশ্ন: কমলাকান্তের মতে বিড়ালটি কেমন ছিল?

উত্তর: মহাপণ্ডিত এবং দার্শনিক।

​৪৪. প্রশ্ন: "অধর্ম চোরের নহে - অধর্ম কৃপণ ধনীর" - এটি কার দর্শন?

উত্তর: বিড়ালের।

​৪৫. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে চোরকে শাসন করার আগে কাকে শাসন করা উচিত?

উত্তর: সমাজকে।

​৪৬. প্রশ্ন: বিড়ালটি কোথায় লাঙ্গুল নাড়ছিল?

উত্তর: চারপায়োর উপর বসে।

​৪৭. প্রশ্ন: কমলাকান্ত কোন নেশার ঘোরে দিব্যচক্ষু লাভ করেছিলেন?

উত্তর: আফিমের।

​৪৮. প্রশ্ন: প্রসন্ন গোয়ালিনীর দেওয়া দুধটুকুর পরিমাণ কত ছিল?

উত্তর: আধসের।

​৪৯. প্রশ্ন: বিড়ালটি দুধ খাওয়ার পর ভয় পায়নি কেন?

উত্তর: সে জানত কমলাকান্ত দয়ালু।

​৫০. প্রশ্ন: বিড়াল প্রবন্ধে কার মাধ্যমে সমাজের বৈষম্য তুলে ধরা হয়েছে?

উত্তর: একটি বিড়ালের মাধ্যমে।

​৫১. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে উপবাসের সময় কী চিন্তা করা উচিত?

উত্তর: ঈশ্বরের নাম।

​৫২. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে কার বিচার করা সহজ কাজ নয়?

উত্তর: চোরের।

​৫৩. প্রশ্ন: বিড়াল কমলাকান্তকে কোন পাঠশালায় যাওয়ার কথা বলেছে?

উত্তর: জ্ঞানের পাঠশালায়।

​৫৪. প্রশ্ন: কমলাকান্তের হাতে থাকা লাঠিটি কেমন ছিল?

উত্তর: জীর্ণ এবং ভাঙা।

​৫৫. প্রশ্ন: বিড়ালটি কমলাকান্তের কোন ভাবনাকে বাধা দিয়েছিল?

উত্তর: রণক্ষেত্রের ভাবনাকে।

​৫৬. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে কার জন্য পৃথিবীটা স্বর্গ?

উত্তর: যার অভাব নেই।

​৫৭. প্রশ্ন: "মেও" শব্দটিকে কমলাকান্ত কিসের সঙ্গে তুলনা করেছেন?

উত্তর: সঙ্গীতের সুরের সঙ্গে।

​৫৮. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে চোর হলে কার ক্ষতি হয় না?

উত্তর: সমাজের প্রকৃত মানুষের।

​৫৯. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে কার স্বভাব কুকুরের মতো?

উত্তর: যারা অন্যায্য শাসন করে।

​৬০. প্রশ্ন: বিড়াল প্রবন্ধের রস কেমন?

উত্তর: শ্লেষাত্মক ও বুদ্ধিদীপ্ত।

​৬১. প্রশ্ন: কমলাকান্ত বিড়ালকে কীসের উপদেশ দিতে চেয়েছিলেন?

উত্তর: নীতিশাস্ত্রের।

​৬২. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে কে চোরকে ঘৃণা করার যোগ্য নয়?

উত্তর: যে নিজে ভোগী।

​৬৩. প্রশ্ন: বিড়াল প্রবন্ধে কোন চরিত্রের মাধ্যমে লেখকের নিজের মত প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর: কমলাকান্ত ও বিড়াল উভয়ের কথোপকথনে।

​৬৪. প্রশ্ন: বিড়াল কমলাকান্তকে কোন কথা মনে করিয়ে দিয়েছিল?

উত্তর: সাম্যের কথা।

​৬৫. প্রশ্ন: প্রবন্ধের শেষে কমলাকান্ত বিড়ালকে কী বলেছিলেন?

উত্তর: "তুমি পরম পণ্ডিত।"

​৬৬. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে কার বড়ো গলা থাকা উচিত নয়?

উত্তর: ধনীদের।

​৬৭. প্রশ্ন: বিড়ালটি নিজেকে কার প্রতিনিধি মনে করেছে?

উত্তর: সর্বহারা শ্রেণির।

​৬৮. প্রশ্ন: কমলাকান্তের নেশা ছুটে যাওয়ার পর কী হয়েছিল?

উত্তর: বিড়ালের তত্ত্বজ্ঞান মনে গেঁথে গিয়েছিল।

​৬৯. প্রশ্ন: বিড়াল প্রবন্ধটি প্রথম কোথায় প্রকাশিত হয়েছিল?

উত্তর: বঙ্গদর্শন পত্রিকায়।

​৭০. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে চোর দণ্ডিত হলে আর কার দণ্ড হওয়া উচিত?

উত্তর: বিচারকের (যদি সে সহমর্মী না হয়)।

​৭১. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে চোর হওয়াটা কী?

উত্তর: সামাজিক অভিশাপের ফল।

​৭২. প্রশ্ন: কমলাকান্তের বিড়ালটি কি সাধারণ বিড়াল ছিল?

উত্তর: না, রূপকধর্মী।

​৭৩. প্রশ্ন: বিড়াল প্রবন্ধের প্রধান অলংকার কী?

উত্তর: শ্লেষ (Satire)।

​৭৪. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে কৃপণ ব্যক্তি আসলে কী?

উত্তর: সমাজের শত্রু।

​৭৫. প্রশ্ন: বিড়াল কমলাকান্তকে কীসে দীক্ষিত করতে চেয়েছিল?

উত্তর: মানবতাবাদে।

​৭৬. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে কার মনে দয়া নেই?

উত্তর: উদরপূর্তি করা মানুষের।

​৭৭. প্রশ্ন: কমলাকান্তের দপ্তর গ্রন্থে মোট কতটি প্রবন্ধ আছে?

উত্তর: ১৪টি (প্রথম সংস্করণে)।

​৭৮. প্রশ্ন: বঙ্কিমচন্দ্র বিড়াল প্রবন্ধে কোন বিদেশি দর্শনের ইঙ্গিত দিয়েছেন?

উত্তর: সাম্যবাদ (Communism/Socialism)।

​৭৯. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে চোরের কান্না কে শোনে না?

উত্তর: আইন।

​৮০. প্রশ্ন: কমলাকান্ত বিড়ালের কাছে কেন হেরে গিয়েছিলেন?

উত্তর: যুক্তির কাছে।

৮১. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে কে চুরি করতে বাধ্য হয়?

উত্তর: যার অন্ন নেই।

​৮২. প্রশ্ন: "চোরের উপর রাগ করিও না" - উক্তিটি কার?

উত্তর: বিড়ালের।

​৮৩. প্রশ্ন: বিড়াল কমলাকান্তকে কার নাম স্মরণ করতে বলেছে?

উত্তর: শ্রীদুর্গা বা ঈশ্বরের।

​৮৪. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে জীবনের সার্থকতা কীসে?

উত্তর: উদর শান্তিতে।

​৮৫. প্রশ্ন: বিড়াল প্রবন্ধে কোন প্রাণীর মাধ্যমে মানুষের চরিত্রের তুলনা করা হয়েছে?

উত্তর: বিড়াল ও কুকুর।

​৮৬. প্রশ্ন: কমলাকান্ত নিজেকে নেপোলিয়ন ভাবার সময় বিড়ালটি কী করছিল?

উত্তর: দুধ চুরি করে খাচ্ছিল।

​৮৭. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে কার জন্য পরকাল নেই?

উত্তর: নিষ্ঠুর ধনীদের।

​৮৮. প্রশ্ন: বিড়ালটি কমলাকান্তকে কীসের ভয় না পেতে বলেছে?

উত্তর: সত্য বলার।

​৮৯. প্রশ্ন: বিড়ালের কথা শুনে কমলাকান্তের হৃদয়ে কী জেগেছিল?

উত্তর: সমবেদনা।

​৯০. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে কার বিচার করা অন্যায়?

উত্তর: উপবাসে মৃতপ্রায় মানুষের।

​৯১. প্রশ্ন: কমলাকান্ত বিড়ালকে কীসের মর্যাদা দিয়েছেন?

উত্তর: বন্ধুর।

​৯২. প্রশ্ন: বিড়াল প্রবন্ধের ভাষা কেমন?

উত্তর: সাধু ভাষা।

​৯৩. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে কে আসল অপরাধী?

উত্তর: যে সমাজ ব্যবস্থায় বৈষম্য তৈরি করে।

​৯৪. প্রশ্ন: কমলাকান্তের দপ্তরের বিড়ালটি কোন রঙের ছিল?

উত্তর: প্রসন্নর দেওয়া কালো বিড়াল (প্রবন্ধে রঙ স্পষ্টভাবে বলা নেই, তবে বর্ণনা অনুসারে কালো মনে হয়)।

​৯৫. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে চোর কার কাছে ঋণী থাকে?

উত্তর: কারো কাছেই নয়।

​৯৬. প্রশ্ন: কমলাকান্ত বিড়ালকে কী উপাধি দিয়েছিলেন?

উত্তর: সামাজিক দার্শনিক।

​৯৭. প্রশ্ন: বিড়ালের মতে চোরের দণ্ড হলে কৃপণের কী হওয়া উচিত?

উত্তর: আরও কঠোর দণ্ড।

​৯৮. প্রশ্ন: বিড়ালটি প্রবন্ধের শেষে কোথায় চলে গিয়েছিল?

উত্তর: অন্ধকারে মিশে গিয়েছিল (বা প্রস্থান করেছিল)।

​৯৯. প্রশ্ন: কমলাকান্তের দপ্তর কোন ছদ্মনামে লেখা?

উত্তর: কমলাকান্ত চক্রবর্তী।

​১০০. প্রশ্ন: 'বিড়াল' প্রবন্ধটি আমাদের কী শিক্ষা দেয়?

উত্তর: দরিদ্র ও ক্ষুধার্ত মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া এবং সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠা করা।


--------------------------------

মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত 'ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর' কবিতার ১০০টি প্রশ্নোত্তর:

​১. প্রশ্ন: 'ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর' কবিতাটির রচয়িতা কে?

উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

​২. প্রশ্ন: কবিতাটি কবির কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?

উত্তর: চতুরদশপদী কবিতাবলী।

​৩. প্রশ্ন: এই কবিতাটি রচনার মূল উদ্দেশ্য কী?

উত্তর: বিদ্যাসাগরের প্রতি কবির ব্যক্তিগত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ।

​৪. প্রশ্ন: কবি বিদ্যাসাগরকে কীসের সাথে তুলনা করেছেন?

উত্তর: বিদ্যার সাগরের সাথে।

​৫. প্রশ্ন: কবিতায় বিদ্যাসাগরকে আর কী বলে সম্বোধন করা হয়েছে?

উত্তর: করুণার সিন্ধু।

​৬. প্রশ্ন: "বিদ্যার সাগর তুমি বিখ্যাত ভারতে"—এখানে 'তুমি' কে?

উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

​৭. প্রশ্ন: কবি বিদ্যাসাগরকে কেন 'করুণার সিন্ধু' বলেছেন?

উত্তর: তাঁর অগাধ দয়া ও পরোপকারী স্বভাবের জন্য।

​৮. প্রশ্ন: মধুসূদন যখন ফ্রান্সে অর্থকষ্টে ছিলেন, তখন তাঁকে কে সাহায্য করেছিলেন?

উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

​৯. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরকে 'সাগর' বলার সার্থকতা কী?

উত্তর: তাঁর জ্ঞান ও দয়া সাগরের মতোই গভীর ও সীমাহীন।

​১০. প্রশ্ন: "যে জন অলসভাবে বসে থাকে তীরে"—তীর বলতে এখানে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: নিশ্চিন্ত বা নিরাপদ জীবন।

​১১. প্রশ্ন: কবিতায় 'নদনদী' বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: সাধারণ মানুষ বা সাহায্যপ্রার্থীদের।

​১২. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগর কীভাবে সাধারণ মানুষকে সাহায্য করেন?

উত্তর: তিনি জ্ঞানের আলো দিয়ে এবং অর্থ দিয়ে সাহায্য করেন।

​১৩. প্রশ্ন: "পূজয়ে চরণে"—কার চরণে পূজা করা হয়?

উত্তর: বিদ্যাসাগরের চরণে।

​১৪. প্রশ্ন: কবি বিদ্যাসাগরকে কীসের 'হিমাচল' বা হিমালয় বলতে চেয়েছেন?

উত্তর: জ্ঞানের পর্বত বা অটল ব্যক্তিত্ব।

​১৫. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরের দানশীলতাকে কবি কীসের সাথে তুলনা করেছেন?

উত্তর: বৃষ্টির জল বা অক্ষয় ভাণ্ডারের সাথে।

​১৬. প্রশ্ন: মধুসূদন কবিতাটি কোথায় বসে লিখেছিলেন?

উত্তর: ফ্রান্সের ভার্সাই নগরে।

​১৭. প্রশ্ন: 'বিদ্যার সাগর' শব্দটির অলংকার কী?

উত্তর: রূপক অলংকার।

​১৮. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরকে কবি কোন গুণের জন্য 'বড়ো মানুষ' বলেছেন?

উত্তর: তাঁর উদারতা ও মনুষ্যত্বের জন্য।

​১৯. প্রশ্ন: "নমি আমি চরণে তোমার"—কবি কেন প্রণাম করছেন?

উত্তর: ভক্তি ও কৃতজ্ঞতা থেকে।

​২০. প্রশ্ন: কবি কেন নিজেকে 'দীন' বা দরিদ্র মনে করেছেন?

উত্তর: বিদ্যাসাগরের মহত্ত্বের কাছে নিজের অসহায় অবস্থার কারণে।

​২১. প্রশ্ন: কবিতায় 'সাগর' শব্দটি কতবার এসেছে?

উত্তর: একাধিকবার (বিদ্যার সাগর, করুণার সিন্ধু অর্থে)।

​২২. প্রশ্ন: মধুসূদন দত্তের এই কবিতাটি কোন ছন্দে লেখা?

উত্তর: পয়ার বা চতুর্দশপদী ছন্দে (Sonnet)।

​২৩. প্রশ্ন: এই কবিতার কয়টি স্তবক আছে?

উত্তর: দুটি (অষ্টক ও ষটক)।

​২৪. প্রশ্ন: অষ্টকে (প্রথম ৮ চরণে) কবি কী বর্ণনা করেছেন?

উত্তর: বিদ্যাসাগরের গুণের স্তুতি।

​২৫. প্রশ্ন: ষটকে (শেষ ৬ চরণে) কবি কী বলেছেন?

উত্তর: নিজের ব্যক্তিগত কৃতজ্ঞতা ও প্রণাম।

​২৬. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরের জ্ঞানকে কীসের সাথে তুলনা করা হয়েছে?

উত্তর: অতল জলের সাথে।

​২৭. প্রশ্ন: "বিশ্বের বিস্ময় তুমি"—বিদ্যাসাগর কেন বিশ্বের বিস্ময়?

উত্তর: তাঁর পাণ্ডিত্য ও দয়ার বিরল সমন্বয়ের জন্য।

​২৮. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরকে কেন 'উদারচরিতা' বলা হয়?

উত্তর: তাঁর হৃদয় অত্যন্ত প্রশস্ত ছিল বলে।

​২৯. প্রশ্ন: মধুসূদন যখন বিপদে পড়েন, তখন বিদ্যাসাগর তাঁকে কত টাকা পাঠিয়েছিলেন?

উত্তর: বিপুল পরিমাণ অর্থ (যা কবিকে ঋণমুক্ত করেছিল)।

​৩০. প্রশ্ন: এই কবিতার মূল সুর কী?

উত্তর: ভক্তি ও কৃতজ্ঞতা।

​৩১. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরের কোন কাজটি কবিকে মুগ্ধ করেছিল?

উত্তর: অকাতরে পরকে সাহায্য করা।

​৩২. প্রশ্ন: "যথা নদ নদী"—উপমাটি কার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়েছে?

উত্তর: সাধারণ মানুষের ভক্তি ও বিদ্যাসাগরের মহত্ত্ব প্রকাশে।

​৩৩. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরের জন্মস্থান কোথায়?

উত্তর: মেদিনীপুরের বীরসিংহ গ্রামে।

​৩৪. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরকে 'সিংহ' বলার কারণ কী?

উত্তর: তাঁর নির্ভীকতা ও তেজস্বিতা।

​৩৫. প্রশ্ন: কবিতায় 'করুণা' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: দয়া বা মমতা।

​৩৬. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগর কোন সমাজ সংস্কারের জন্য বিখ্যাত?

উত্তর: বিধবা বিবাহ প্রচলন।

​৩৭. প্রশ্ন: মধুসূদন কেন বিদ্যাসাগরকে 'বাঙালি' হিসেবে গর্বের বিষয় মনে করেন?

উত্তর: কারণ বিদ্যাসাগর প্রকৃত অর্থেই মানুষ ছিলেন।

​৩৮. প্রশ্ন: "দরিদ্রের বন্ধু তুমি"—এখানে কবির কোন অভিজ্ঞতা প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর: নিজের দারিদ্র্যের সময় বিদ্যাসাগরের সাহায্যের স্মৃতি।

​৩৯. প্রশ্ন: কবি বিদ্যাসাগরকে কীসের 'সূর্য' বলেছেন?

উত্তর: জ্ঞানালোকের সূর্য।

​৪০. প্রশ্ন: "পবিত্র ও পুণ্যবতী জননী তোমার"—এখানে কার জননীর কথা বলা হয়েছে?

উত্তর: বিদ্যাসাগরের মা ভগবতী দেবীর।

​৪১. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরের বাবার নাম কী?

উত্তর: ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।

​৪২. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগর উপাধিটি তিনি কোথা থেকে পেয়েছিলেন?

উত্তর: সংস্কৃত কলেজ থেকে।

​৪৩. প্রশ্ন: মধুসূদন কেন বিদ্যাসাগরকে 'অক্ষয় বট' বলতে চেয়েছেন?

উত্তর: কারণ তিনি অনেকের আশ্রয়স্থল।

​৪৪. প্রশ্ন: "সদা মুক্ত হস্ত যার"—মুক্ত হস্ত বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: দানশীলতা।

​৪৫. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরকে কেন 'দয়ার সাগর' বলা হয়?

উত্তর: অসহায় মানুষের প্রতি তাঁর অসীম মমতার জন্য।

​৪৬. প্রশ্ন: কবিতায় 'ভারতে' শব্দটির অর্থ কী?

উত্তর: ভারতবর্ষ জুড়ে।

​৪৭. প্রশ্ন: মধুসূদনের ভাষায় বিদ্যাসাগর কেমন মানুষ?

উত্তর: অনন্য ও দেবতুল্য।

​৪৮. প্রশ্ন: কবির এই কবিতাটি পড়ার সময় পাঠক কী অনুভব করেন?

উত্তর: একজন মহান মানুষের প্রতি অন্য একজন মহৎ কবির শ্রদ্ধা।

​৪৯. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরের পাণ্ডিত্য কোন কোন বিষয়ে ছিল?

উত্তর: সংস্কৃত, ইংরেজি ও বাংলা সাহিত্যে।

​৫০. প্রশ্ন: মধুসূদন দত্ত কেন বিদ্যাসাগরের ঋণ শোধ করতে পারবেন না বলেছেন?

উত্তর: কারণ বিদ্যাসাগরের সাহায্য ছিল নিঃস্বার্থ ও অসীম।

​৫১. প্রশ্ন: "ধন্য ভূমি মেদিনীপুর"—মেদিনীপুর কেন ধন্য?

উত্তর: সেখানে বিদ্যাসাগর জন্মগ্রহণ করেছেন বলে।

​৫২. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরকে কবি কীসের 'রতন' (রত্ন) বলেছেন?

উত্তর: বঙ্গমাতার রত্ন।

​৫৩. প্রশ্ন: কবিতায় কবির ভাষা কেমন?

উত্তর: গম্ভীর ও মার্জিত।

​৫৪. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরের পোশাক-আশাক কেমন ছিল?

উত্তর: অত্যন্ত সাদা-সিধে (ধুতি ও চাদর)।

​৫৫. প্রশ্ন: কবির মতে বিদ্যাসাগরের চরিত্রে কোনটি প্রধান?

উত্তর: করুণা বা দয়া।

​৫৬. প্রশ্ন: "অমর নাম তব"—বিদ্যাসাগরের নাম কেন অমর?

উত্তর: তাঁর মহৎ কর্মের জন্য।

​৫৭. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগর কোন সালে জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তর: ১৮২০ সালে।

​৫৮. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগর কোন সালে পরলোকগমন করেন?

উত্তর: ১৮৯১ সালে।

​৫৯. প্রশ্ন: মধুসূদন কেন বিদ্যাসাগরকে 'ভারত-রত্ন' বলতে চেয়েছেন?

উত্তর: তিনি সমগ্র ভারতের গৌরব বলে।

​৬০. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগর কীসের প্রতীক?

উত্তর: জ্ঞান ও মানবতার।

​৬১. প্রশ্ন: "তব গুণ গান করি"—কে গুণ গান করছেন?

উত্তর: কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

​৬২. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরকে কবি কীসের 'তীর' বা কূল বলেছেন?

উত্তর: বিপদের কূল।

​৬৩. প্রশ্ন: মধুসূদন দত্ত কেন বিদ্যাসাগরের কাছে কৃতজ্ঞ?

উত্তর: বিদ্যাসাগর তাঁকে বিদেশে অনাহারে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন।

​৬৪. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরকে কবি কীসের 'মুকুট' বলেছেন?

উত্তর: বিদ্যার মুকুট।

​৬৫. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগর চরিত্রে 'পাণ্ডিত্য' ও 'মানবিকতা'র অনুপাত কেমন?

উত্তর: দুটিই সমানভাবে গভীর।

​৬৬. প্রশ্ন: কবির ভাষায় বিদ্যাসাগরের হৃদয় কেমন?

উত্তর: মাখনের মতো কোমল।

​৬৭. প্রশ্ন: "যাঁর দানে বাঁচে কত দীন"—দীন বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: অসহায় দরিদ্র মানুষদের।

​৬৮. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরকে কবি কীসের 'প্রদীপ' বলেছেন?

উত্তর: অন্ধকার দূর করার প্রদীপ।

​৬৯. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগর কি কেবল শিক্ষিতদের সাহায্য করতেন?

উত্তর: না, তিনি সর্বস্তরের মানুষকে সাহায্য করতেন।

​৭০. প্রশ্ন: কবির এই কবিতাটি কোন রসের?

উত্তর: ভক্তিরস ও শান্ত রসের।

​৭১. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরের মহত্ত্ব প্রকাশে কোন শব্দটি বারবার ব্যবহৃত হয়েছে?

উত্তর: সাগর বা সিন্ধু।

​৭২. প্রশ্ন: মধুসূদন কেন বিদ্যাসাগরকে 'স্বর্ণলতা'র আশ্রয় বা বৃক্ষ বলতে চেয়েছেন?

উত্তর: কারণ তিনি ছিলেন বিপদগ্রস্তের আশ্রয়।

​৭৩. প্রশ্ন: "ভুলিব না তব দান"—কবি কোন দানের কথা বলেছেন?

উত্তর: জীবনের কঠিনতম সময়ে বিদ্যাসাগরের দেওয়া আর্থিক ও মানসিক সাহায্যের কথা।

​৭৪. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরকে কবি কীসের 'মণি' বলেছেন?

উত্তর: বঙ্গদেশের মণি।

​৭৫. প্রশ্ন: এই কবিতাটির প্রেক্ষাপট কী?

উত্তর: মধুসূদনের চরম অর্থকষ্ট ও বিদ্যাসাগরের অসামান্য বদান্যতা।

​৭৬. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরের চারিত্রিক দৃঢ়তাকে কীসের সাথে তুলনা করা যায়?

উত্তর: বজ্রের মতো কঠিন।

​৭৭. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরের দয়াকে কীসের সাথে তুলনা করা যায়?

উত্তর: কুসুমের মতো কোমল।

​৭৮. প্রশ্ন: মধুসূদন ও বিদ্যাসাগরের সম্পর্ক কেমন ছিল?

উত্তর: পরম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার।

​৭৯. প্রশ্ন: কবি বিদ্যাসাগরকে কীসের 'ক্ষীরোদ সাগর' বলেছেন?

উত্তর: জ্ঞানের দুধের সাগর।

​৮০. প্রশ্ন: "সাষ্টাঙ্গে প্রণমি"—কবি কীভাবে প্রণাম করছেন?

উত্তর: সর্বোচ্চ ভক্তি সহকারে।

​৮১. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরকে কবি কীসের 'পারাবার' বলেছেন?

উত্তর: দয়ার পারাবার।

​৮২. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরের শিক্ষাজীবন কোথায় কেটেছিল?

উত্তর: কলকাতায়।

​৮৩. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরকে কবি কীসের 'শান্তিনিকেতন' বলতে চেয়েছেন?

উত্তর: আর্তের শান্তির স্থান।

​৮৪. প্রশ্ন: "বিদ্যার সাগর তুমি"—এখানে কার পাণ্ডিত্যের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে?

উত্তর: বিদ্যাসাগরের।

​৮৫. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগর কি শুধু হিন্দুদের সাহায্য করতেন?

উত্তর: না, তাঁর দয়া ছিল জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে।

​৮৬. প্রশ্ন: মধুসূদন দত্ত এই কবিতাটি কখন প্রকাশ করেন?

উত্তর: ১৮৬৬ সালে।

​৮৭. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরকে কেন 'ট্রেডিশনাল মডার্নাইজার' বলা হয়?

উত্তর: ঐতিহ্যের সাথে আধুনিকতার মিল ঘটিয়েছিলেন বলে।

​৮৮. প্রশ্ন: কবিতার শেষে কবির প্রার্থনা কী?

উত্তর: বিদ্যাসাগরের দীর্ঘায়ু ও কল্যাণ কামনা।

​৮৯. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরের দয়া কার মতো ছিল?

উত্তর: মায়ের মতো।

​৯০. প্রশ্ন: "যে পায় তোমার দেখা ধন্য সে হয়"—কবির এই অনুভূতির কারণ কী?

উত্তর: বিদ্যাসাগরের সান্নিধ্য ছিল পবিত্র।

​৯১. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরকে কবি কীসের 'কল্পতরু' বলেছেন?

উত্তর: অভাবীদের ইচ্ছাপূরণকারী গাছ।

​৯২. প্রশ্ন: মধুসূদনের এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের কী হিসেবে পরিচিত?

উত্তর: অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি শ্রদ্ধা-কবিতা।

​৯৩. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরের কোন গুণটি কবিকে বারবার আপ্লুত করেছে?

উত্তর: তাঁর নিরহংকার স্বভাব।

​৯৪. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরকে কবি কীসের 'ধ্রুবতারা' বলতে চেয়েছেন?

উত্তর: পথভ্রান্ত মানুষের দিশারী।

​৯৫. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরকে কবি কীসের 'নন্দনকানন' বলেছেন?

উত্তর: আনন্দের বাগান।

​৯৬. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগর চরিত্রে 'তেজ' ও 'ভক্তি'র সংমিশ্রণ কেমন?

উত্তর: অনন্যসাধারণ।

​৯৭. প্রশ্ন: মধুসূদন দত্ত কেন বিদ্যাসাগরকে 'দেবতা' বলেছেন?

উত্তর: মানুষের বেশে তিনি দেবতার মতো কাজ করতেন বলে।

​৯৮. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরকে কবি কীসের 'সুধা' বা অমৃত বলেছেন?

উত্তর: জ্ঞানের অমৃত।

​৯৯. প্রশ্ন: বিদ্যাসাগর কীসের নামান্তর?

উত্তর: মানবতার।

​১০০. প্রশ্ন: 'ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর' কবিতাটি পাঠ করলে আমাদের মনে কোন ভাবের উদয় হয়?

উত্তর: মহানুভবতার প্রতি শ্রদ্ধা এবং কৃতজ্ঞতাবোধের শিক্ষা।

------------------------------

কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'সাম্যবাদী' কবিতার ১০০টি প্রশ্নোত্তর:

​১. প্রশ্ন: 'সাম্যবাদী' কবিতাটি কার লেখা?

উত্তর: কাজী নজরুল ইসলাম।

​২. প্রশ্ন: এটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?

উত্তর: সাম্যবাদী।

​৩. প্রশ্ন: 'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

উত্তর: ১৯২৫ সালে।

​৪. প্রশ্ন: কবিতার প্রথম পঙক্তি কী?

উত্তর: গাহি সাম্যের গান।

​৫. প্রশ্ন: কবি কিসের গান গাইতে চেয়েছেন?

উত্তর: সাম্যের বা সমতার।

​৬. প্রশ্ন: কবির মতে মানুষের চেয়ে বড় কিছু আছে কি?

উত্তর: না, মানুষের চেয়ে বড় বা মহীয়ান আর কিছুই নেই।

​৭. প্রশ্ন: "যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা-ব্যবধান"—সেই জায়গাটি কী?

উত্তর: মানুষের অন্তর বা হৃদয়।

​৮. প্রশ্ন: কবিতায় 'এক হয়ে গেছে বাধা-ব্যবধান' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: জাতি, ধর্ম ও বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে যাওয়া।

​৯. প্রশ্ন: হিন্দু, বৌদ্ধ, মুসলিম ও খ্রিস্টানরা যেখানে এক হয়, কবি তাকে কী বলেছেন?

উত্তর: সাম্যের গান।

​১০. প্রশ্ন: "হৃদয়ের চেয়ে বড় কোনো মন্দির-কা’বা নাই"—এটি কোন কবিতার উক্তি?

উত্তর: সাম্যবাদী।

​১১. প্রশ্ন: কবি কাদের জিজ্ঞাসা করছেন তারা কেন শাখা-প্রশাখা খুঁজছে?

উত্তর: যারা মানুষের পরিচয় বাদ দিয়ে ধর্ম বা বর্ণের পরিচয় খোঁজে।

​১২. প্রশ্ন: 'পার্সি' বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: পারস্যের বা ইরানীয় বংশোদ্ভূতদের।

​১৩. প্রশ্ন: 'জৈন' ও 'ইহুদি' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: নির্দিষ্ট দুটি ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়।

​১৪. প্রশ্ন: 'সাঁওতাল' ও 'ভীল' কারা?

উত্তর: ভারতের দুটি প্রাচীন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।

​১৫. প্রশ্ন: 'গারো' ও 'কনফুসিয়াস' বলতে কাদের ইঙ্গিত করা হয়েছে?

উত্তর: একটি নৃগোষ্ঠী এবং একজন চীনা দার্শনিকের অনুসারীদের।

​১৬. প্রশ্ন: চার্বাক চেলা কারা?

উত্তর: প্রাচীন ভারতের বস্তুবাদী দার্শনিক চার্বাকের অনুসারী।

​১৭. প্রশ্ন: কবি কেন মানুষকে 'বোঝা' বহন করতে বারণ করেছেন?

উত্তর: কারণ সব সত্য মানুষের হৃদয়ের ভেতরেই আছে।

​১৮. প্রশ্ন: কবিতায় 'কিতাব' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: পবিত্র ধর্মগ্রন্থসমূহ।

​১৯. প্রশ্ন: কোরান, পুরাণ, বেদ ও বেদান্ত কোথায় অবস্থিত বলে কবি মনে করেন?

উত্তর: মানুষের হৃদয়ে।

​২০. প্রশ্ন: 'বাইবেল' ও 'ত্রিপিটক' কীসের নাম?

উত্তর: যথাক্রমে খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ।

​২১. প্রশ্ন: 'জেন্দ-আবেস্তা' কাদের ধর্মগ্রন্থ?

উত্তর: পারসিক বা অগ্নিউপাসকদের।

​২২. প্রশ্ন: 'গ্রন্থ সাহেব' কোন ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ?

উত্তর: শিখ ধর্মের।

​২৩. প্রশ্ন: কবি কেন গ্রন্থাগারে দৌড়াতে নিষেধ করেছেন?

উত্তর: কারণ হৃদয়ের কপাট খুললেই পরম সত্য পাওয়া যায়।

​২৪. প্রশ্ন: "হৃদয়-তপোবনে"—এখানে হৃদয়কে কিসের সাথে তুলনা করা হয়েছে?

উত্তর: তপোবন বা সাধনার স্থানের সাথে।

​২৫. প্রশ্ন: সকল অবতার ও মহাপুরুষ কোথায় অবস্থান করেন?

উত্তর: মানুষের হৃদয়ে।

​২৬. প্রশ্ন: "এই হৃদয়েই আরব-দুলাল শুনিতেন আহ্বান"—আরব-দুলাল কে?

উত্তর: হযরত মুহাম্মদ (সা.)।

​২৭. প্রশ্ন: হযরত মুহাম্মদ (সা.) কোথায় বসে আহ্বান শুনতেন?

উত্তর: হৃদয়-তপোবনে।

​২৮. প্রশ্ন: "এই হৃদয়ের ধ্যান-গুহা-মাঝে বসিয়া শাক্যমুনি"—শাক্যমুনি কে?

উত্তর: গৌতম বুদ্ধ।

​২৯. প্রশ্ন: গৌতম বুদ্ধ কোথায় বসে মানুষের দুঃখের ডাক শুনেছিলেন?

উত্তর: নিজের হৃদয়ের ধ্যান-গুহায়।

​৩০. প্রশ্ন: গৌতম বুদ্ধ কী ত্যাগ করেছিলেন?

উত্তর: রাজত্ব বা রাজ্যপাট।

​৩১. প্রশ্ন: "এই কন্দরে আরব-নন্দী গাহিতেন সাম-গান"—আরব-নন্দী কে?

উত্তর: এখানে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে বোঝানো হয়েছে।

​৩২. প্রশ্ন: 'সাম-গান' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: সাম্যের গান বা পবিত্র সংগীত।

​৩৩. প্রশ্ন: "এই হৃদয়েই বাঁশির কিশোর গাহিলেন মহাগীতা"—বাঁশির কিশোর কে?

উত্তর: শ্রীকৃষ্ণ।

​৩৪. প্রশ্ন: 'মহাগীতা' বলতে কোন গ্রন্থের কথা বলা হয়েছে?

উত্তর: শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা।

​৩৫. প্রশ্ন: শ্রীকৃষ্ণ কাকে গীতাপদেশ দিয়েছিলেন?

উত্তর: অর্জুনকে।

​৩৬. প্রশ্ন: রাখাল বলতে কবিতায় কাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে?

উত্তর: শ্রীকৃষ্ণকে (যিনি বৃন্দাবনে রাখাল রূপে ছিলেন)।

​৩৭. প্রশ্ন: শ্রীকৃষ্ণকে 'সত্যের দূত' বলা হয়েছে কেন?

উত্তর: তিনি কুরুক্ষেত্রের ময়দানে সত্য ও ন্যায়ের পথ দেখিয়েছিলেন।

​৩৮. প্রশ্ন: "এই হৃদয়েই দ্রোহ-বেণু বাজালেন সেই বীর"—এখানে বেণু বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: বাঁশি।

​৩৯. প্রশ্ন: কবিতায় 'দ্রোহ' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বা বিদ্রোহ।

​৪০. প্রশ্ন: "এই হিয়া-মাঝে সকল তীর্থ"—হিয়া শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: হৃদয়।

​৪১. প্রশ্ন: কবি কেন মানুষকে 'দেউল' বা মন্দিরে খুঁজতে বারণ করেছেন?

উত্তর: কারণ মানুষের আপন হৃদয়ই শ্রেষ্ঠ মন্দির।

​৪২. প্রশ্ন: 'কাশী' ও 'মথুরা' কোথায় অবস্থিত?

উত্তর: উত্তরপ্রদেশ, ভারত।

​৪৩. প্রশ্ন: 'বৃন্দাবন' ও 'গয়া' কীসের জন্য বিখ্যাত?

উত্তর: যথাক্রমে শ্রীকৃষ্ণের লীলাভূমি এবং বুদ্ধের সিদ্ধিলাভের স্থান।

​৪৪. প্রশ্ন: 'জেরুজালেম' কোন ধর্মের পবিত্র স্থান?

উত্তর: ইহুদি, খ্রিস্টান ও মুসলিম ধর্মের।

​৪৫. প্রশ্ন: 'মদিনা' ও 'কাবা ভবন' কোথায় অবস্থিত?

উত্তর: সৌদি আরবে।

​৪৬. প্রশ্ন: কবির মতে শ্রেষ্ঠ মসজিদ কোনটি?

উত্তর: মানুষের হৃদয়।

​৪৭. প্রশ্ন: "মসজিদ এই, মন্দির এই, গির্জা এই হৃদয়"—এখানে কবির কোন মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর: অসাম্প্রদায়িকতা।

​৪৮. প্রশ্ন: কেন কবি হৃদয়কে 'নীলাচল' বলেছেন?

উত্তর: কারণ এখানে জগন্নাথ বা পরমেশ্বরের বাস।

​৪৯. প্রশ্ন: 'নীলাচল' ভারতের কোথায় অবস্থিত?

উত্তর: পুরী, ওড়িশা।

​৫০. প্রশ্ন: কবিতায় 'দেবতা' কোথায় থাকেন বলে বলা হয়েছে?

উত্তর: মানুষের অন্তরে।

​৫১. প্রশ্ন: "কেন খুঁজে ফেরো দেবতা ও ঠাকুর মৃত পুঁথি-কঙ্কালে?"—পুঁথি-কঙ্কাল কী?

উত্তর: প্রাণহীন বা পুরাতন শাস্ত্রের জটিলতা।

​৫২. প্রশ্ন: দেবতার আসনে কাকে বসাতে বলা হয়েছে?

উত্তর: মানুষকে।

​৫৩. প্রশ্ন: কবি নিজেকে কী বলে পরিচয় দিয়েছেন?

উত্তর: সাম্যবাদী।

​৫৪. প্রশ্ন: নজরুল ইসলামকে কোন কবি বলা হয়?

উত্তর: বিদ্রোহী কবি।

​৫৫. প্রশ্ন: 'সাম্যবাদী' কবিতার মূল সুর কী?

উত্তর: মানবতাবাদ।

​৫৬. প্রশ্ন: "বন্ধু, তোমার হৃদয়-আরশি পরিষ্কার করো আগে"—আরশি শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: আয়না।

​৫৭. প্রশ্ন: হৃদয়-আরশি পরিষ্কার করার অর্থ কী?

উত্তর: মন থেকে ঘৃণা ও কুসংস্কার দূর করা।

​৫৮. প্রশ্ন: 'চন্ডাল' বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: নিম্নবর্ণের হিন্দু সম্প্রদায়কে।

​৫৯. প্রশ্ন: কবির মতে কে পবিত্র?

উত্তর: প্রতিটি মানুষই তার সত্তায় পবিত্র।

​৬০. প্রশ্ন: "মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই"—এই দর্শনের উৎস কী?

উত্তর: বৈষ্ণব কবি চন্ডীদাসের বাণী।

​৬১. প্রশ্ন: 'সাম্যবাদী' কবিতায় মোট কয়টি ধর্মের উল্লেখ আছে?

উত্তর: প্রায় সব প্রধান ধর্মের (হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, জৈন, শিখ ইত্যাদি)।

​৬২. প্রশ্ন: কবি কি ধার্মিক হওয়ার বিরোধী ছিলেন?

উত্তর: না, তিনি ধর্মের নামে ভণ্ডামির বিরোধী ছিলেন।

​৬৩. প্রশ্ন: কবিতায় 'মিথ্যে' বলা হয়েছে কাকে?

উত্তর: কেবল শাস্ত্রের ওপর নির্ভর করাকে।

​৬৪. প্রশ্ন: "মানুষের মনেই সকল সত্য"—এটি কার বিশ্বাস?

উত্তর: কবির।

​৬৫. প্রশ্ন: 'কনফুসিয়াস' কে ছিলেন?

উত্তর: একজন চীনা সমাজসংস্কারক ও দার্শনিক।

​৬৬. প্রশ্ন: 'বেদান্ত' কী?

উত্তর: উপনিষদের সারবস্তু বা হিন্দু দর্শনের একটি শাখা।

​৬৭. প্রশ্ন: 'অগ্নি-উপাসক' বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: পারসিকদের।

​৬৮. প্রশ্ন: 'সাম্যবাদী' কবিতায় নজরুল কোন ছন্দের ব্যবহার করেছেন?

উত্তর: স্বরবৃত্ত বা মাত্রাবৃত্তের মিশ্রণ (প্রধানত অক্ষরবৃত্তের চলন)।

​৬৯. প্রশ্ন: কবির মতে সব পথের শেষ কোথায়?

উত্তর: মানুষের হৃদয়ে।

​৭০. প্রশ্ন: "তোমার মাঝেই সকল কিতাব সকল কালের জ্ঞান"—এখানে 'তোমার' কে?

উত্তর: যে কোনো সাধারণ মানুষ।

​৭১. প্রশ্ন: 'ধ্যান-গুহা' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: গভীর চিন্তার জগত।

​৭২. প্রশ্ন: মানুষের কপালকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়েছে?

উত্তর: ভাগ্যের লিখন বা জয়টিকার সাথে।

​৭৩. প্রশ্ন: 'শাক্যমুনি' শব্দের আক্ষরিক অর্থ কী?

উত্তর: শাক্য বংশের ঋষি (গৌতম বুদ্ধ)।

​৭৪. প্রশ্ন: নজরুল কেন সাম্যের গান গাইতে চেয়েছেন?

উত্তর: সমাজ থেকে বৈষম্য দূর করার জন্য।

​৭৫. প্রশ্ন: 'সাম্যবাদী' কবিতাটি পাঠ করলে আমাদের মনে কীসের সঞ্চার হয়?

উত্তর: ভ্রাতৃত্ববোধ ও সহনশীলতার।

​৭৬. প্রশ্ন: 'হৃদয়-তপোবন' কথাটি দ্বারা কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?

উত্তর: হৃদয়ই সাধনার শ্রেষ্ঠ স্থান।

​৭৭. প্রশ্ন: 'চৈত্য' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: বৌদ্ধ উপাসনালয় বা স্তম্ভ।

​৭৮. প্রশ্ন: 'পাগল' বলে কাদের সম্বোধন করা হয়েছে?

উত্তর: যারা সত্যকে বাইরে খুঁজে বেড়ায়।

​৭৯. প্রশ্ন: মানুষের আত্মা কিসের অংশ?

উত্তর: পরমাত্মা বা সত্যের।

​৮০. প্রশ্ন: "মিথ্যে শুনিনি ভাই"—কবি কোন সত্যের কথা বলছেন?

উত্তর: মানুষের শ্রেষ্ঠত্বের কথা।

​৮১. প্রশ্ন: নজরুলের সাম্যবাদ কি রাজনৈতিক সাম্যবাদ?

উত্তর: এটি মূলত আধ্যাত্মিক ও সামাজিক মানবতাবাদ।

​৮২. প্রশ্ন: কবিতায় 'মুমিন' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: বিশ্বাসী বা ধর্মপ্রাণ মুসলমান।

​৮৩. প্রশ্ন: "হৃদয়-মাঝে সকল শাস্ত্র"—এ কথার তাৎপর্য কী?

উত্তর: অন্তরের পবিত্রতা থাকলেই সব শাস্ত্র বোঝা যায়।

​৮৪. প্রশ্ন: 'আরশি' পরিষ্কার থাকলে কী দেখা যায়?

উত্তর: নিজের আসল রূপ বা সত্য।

​৮৫. প্রশ্ন: 'সাম্যবাদী' কবিতার আবেদন কেমন?

উত্তর: বিশ্বজনীন বা সর্বজনীন।

​৮৬. প্রশ্ন: কেন কবি গ্রন্থাগারকে 'শৃঙ্খল' বলতে চেয়েছেন?

উত্তর: কারণ এটি অনেক সময় প্রকৃত সত্যকে আড়াল করে।

​৮৭. প্রশ্ন: মানুষের জয়গান গাওয়ার জন্য কবি কোন শক্তি ব্যবহার করেছেন?

উত্তর: কলম বা কবিতার শক্তি।

​৮৮. প্রশ্ন: 'সাম্যবাদী' কবিতায় বিদ্রোহী নজরুলের রূপটি কেমন?

উত্তর: এখানে তিনি শান্ত কিন্তু বলিষ্ঠ মানবতাবাদী।

​৮৯. প্রশ্ন: 'চন্ডাল' ও 'মুচি'র মাঝে কবি কী দেখেছেন?

উত্তর: মহান মানুষকে।

​৯০. প্রশ্ন: "মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই"—এই কথাটি কবিতায় কতবার এসেছে?

উত্তর: কবিতার মূল ভাব এটিই।

​৯১. প্রশ্ন: 'তীর্থ' বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?

উত্তর: পবিত্র স্থান।

​৯২. প্রশ্ন: কেন হৃদয়কে 'মদিনা' বলা হয়েছে?

উত্তর: কারণ এখানে প্রিয়জনের বা পবিত্রতার বাস।

​৯৩. প্রশ্ন: নজরুলের সাম্যবাদে কি নাস্তিকতা আছে?

উত্তর: না, এটি আস্তিক্যবাদী মানবতাবাদ।

​৯৪. প্রশ্ন: "কে তোমার চেনে?"—কার পরিচয় নিয়ে কবি সংশয় প্রকাশ করেছেন?

উত্তর: যারা কেবল বাহ্যিক পোশাকে ধার্মিক।

​৯৫. প্রশ্ন: 'সাম্যবাদী' কবিতায় কোন দেশের মহাপুরুষদের উল্লেখ বেশি?

উত্তর: আরব ও ভারতের।

​৯৬. প্রশ্ন: কবি কেন নিজেকে 'ক্ষ্যাপা' বলতে পারেন?

উত্তর: কারণ তিনি প্রচলিত প্রথা ভেঙে সত্য বলতে চেয়েছেন।

​৯৭. প্রশ্ন: হৃদয়ের কপাট খুললে কী পাওয়া যায়?

উত্তর: শান্তি ও মুক্তি।

​৯৮. প্রশ্ন: 'সাম্যবাদী' কবিতাটি কোন শ্রেণির মানুষের জন্য লেখা?

উত্তর: ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের জন্য।

​৯৯. প্রশ্ন: কবিতার সমাপ্তি কোন অনুভবে হয়?

উত্তর: গভীর আত্মবিশ্বাস ও সাম্যের জয়গানে।

​১০০. প্রশ্ন: 'সাম্যবাদী' কবিতাটির প্রধান শিক্ষা কী?

উত্তর: সকল মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা রাখা এবং হৃদয়কে পবিত্র রাখা।

--------------------------------------------

গ্যাব্রিয়াল গারসিয়া মার্কেজ রচিত 'বিশাল ডানাওয়ালা এক থুথুরে বুড়ো' গল্পের ১০০টি প্রশ্নোত্তর:

​১. প্রশ্ন: 'বিশাল ডানাওয়ালা এক থুথুরে বুড়ো' গল্পের মূল লেখকের নাম কী?

উত্তর: গ্যাব্রিয়াল গারসিয়া মার্কেজ।

​২. প্রশ্ন: গল্পটির অনুবাদক কে?

উত্তর: মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়।

​৩. প্রশ্ন: গল্পের শুরুতে আবহাওয়া কেমন ছিল?

উত্তর: টানা তিন দিন বৃষ্টির কারণে আবহাওয়া ছিল বিষণ্ণ ও অন্ধকার।

​৪. প্রশ্ন: পেলাইও উঠোন থেকে কী পরিষ্কার করছিল?

উত্তর: মরা কাঁকড়া।

​৫. প্রশ্ন: পেলাইওর বাড়িতে কেন কাঁকড়ার উপদ্রব হয়েছিল?

উত্তর: টানা বৃষ্টির কারণে সমুদ্রের জল বেড়ে যাওয়ায়।

​৬. প্রশ্ন: পেলাইওর বাচ্চার তখন কী হয়েছিল?

উত্তর: সারারাত জ্বরে ভুগছিল।

​৭. প্রশ্ন: পেলাইও বাড়ির উঠোনে কাকে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখেন?

উত্তর: এক বিশাল ডানাওয়ালা থুথুরে বুড়োকে।

​৮. প্রশ্ন: বুড়োটির ডানার অবস্থা কেমন ছিল?

উত্তর: বিশাল গডর ডানা, যা ছিল কাদায় মাখা এবং অর্ধেক পালক ঝরা।

​৯. প্রশ্ন: বুড়োটি কোন ভাষায় কথা বলছিল?

উত্তর: একটি অবোধগম্য উপভাষায়।

​১০. প্রশ্ন: পেলাইও ও এলিসেন্দা প্রথম বুড়োটিকে দেখে কী ভেবেছিলেন?

উত্তর: তারা ভেবেছিলেন সে হয়তো কোনো জাহাজডুবির নিঃসঙ্গ নাবিক।

​১১. প্রশ্ন: প্রতিবেশী মহিলা বুড়োটিকে দেখে কী বলেছিলেন?

উত্তর: তিনি বলেছিলেন এটি একটি দেবদূত (Angel)।

​১২. প্রশ্ন: প্রতিবেশী মহিলার মতে দেবদূতটি কেন এসেছিল?

উত্তর: অসুস্থ বাচ্চাটিকে নিতে এসেছিল।

​১৩. প্রশ্ন: দেবদূতটি কেন পড়ে গিয়েছিল বলে প্রতিবেশী মহিলার ধারণা ছিল?

উত্তর: বার্ধক্যের কারণে সে খুব দুর্বল হয়ে পড়েছিল।

​১৪. প্রশ্ন: পেলাইও বুড়োটিকে কোথায় আটকে রেখেছিলেন?

উত্তর: মুরগির খাঁচায় (Chicken Coop)।

​১৫. প্রশ্ন: পেলাইওর বাচ্চার জ্বর কখন সেরে গিয়েছিল?

উত্তর: পরদিন সকালে।

​১৬. প্রশ্ন: বাচ্চার জ্বর সারার পর পেলাইও বুড়োটির সাথে কী করার কথা ভেবেছিলেন?

উত্তর: তাকে একটি ভেলায় চড়িয়ে মাঝসমুদ্রে ভাসিয়ে দেওয়ার কথা।

​১৭. প্রশ্ন: পাড়ার লোক কেন পেলাইওর বাড়িতে ভিড় করেছিল?

উত্তর: খাঁচাবন্দি দেবদূতকে দেখার জন্য।

​১৮. প্রশ্ন: ফাদার গোঞ্জাগা কে ছিলেন?

উত্তর: স্থানীয় গির্জার যাজক।

​১৯. প্রশ্ন: ফাদার গোঞ্জাগা বুড়োটিকে দেখে কেন সন্দেহ করেছিলেন?

উত্তর: কারণ বুড়োটি ল্যাটিন ভাষা জানত না এবং তার মধ্যে কোনো দেবসুলভ গাম্ভীর্য ছিল না।

​২০. প্রশ্ন: ফাদার গোঞ্জাগার মতে দেবদূতদের প্রধান ভাষা কী?

উত্তর: ল্যাটিন।

​২১. প্রশ্ন: এলিসেন্দা দর্শকদের কাছ থেকে কত টাকা করে ফি নিতেন?

উত্তর: মাথা পিছু পাঁচ সেন্ট।

​২২. প্রশ্ন: দেবদূতকে দেখার জন্য আসা ভিড়ের কারণে পেলাইওর বাড়ি কেমন হয়ে গিয়েছিল?

উত্তর: গঞ্জ বা মেলার মতো ঘিঞ্জি।

​২৩. প্রশ্ন: দেবদূতটি কী খাবার খেত?

উত্তর: সে বেগুন-বাটা বা ওই জাতীয় নরম খাবার ছাড়া কিছুই খেতে চাইত না।

​২৪. প্রশ্ন: দেবদূতটি কি অমর ছিল?

উত্তর: মানুষের ধারণা ছিল সে অমর, কিন্তু আসলে সে ছিল জীর্ণ ও মরণশীল।

​২৫. প্রশ্ন: মানুষ দেবদূতটির পালক দিয়ে কী করতে চেয়েছিল?

উত্তর: কেউ কেউ পালক দিয়ে অসুস্থ রোগ সারাতে চেয়েছিল।

​২৬. প্রশ্ন: দেবদূতটি কি কোনো অলৌকিক কাজ করেছিল?

উত্তর: তার উপস্থিতিতে কিছু অদ্ভুত ঘটনা ঘটলেও সেগুলো প্রত্যাশিত অলৌকিকতা ছিল না।

​২৭. প্রশ্ন: এক অন্ধ মানুষ দেবদূতটির কাছে এসে কী ফল পেয়েছিল?

উত্তর: তার চোখ ভালো হয়নি, কিন্তু তিনটি নতুন দাঁত গজিয়েছিল।

​২৮. প্রশ্ন: এক পক্ষাঘাতগ্রস্ত ব্যক্তি দেবদূতটির কাছে এসে কী ফল পেয়েছিল?

উত্তর: সে হাঁটতে পারেনি, কিন্তু লটারিতে পুরস্কার জিতেছিল।

​২৯. প্রশ্ন: কুষ্ঠ রোগীর ক্ষতের জায়গায় কী হয়েছিল?

উত্তর: ক্ষত থেকে সূর্যমুখী ফুল ফুটেছিল।

​৩০. প্রশ্ন: দেবদূতটি খাঁচার ভেতরে কেন অধৈর্য হয়ে উঠেছিল?

উত্তর: দর্শকরা তাকে লোহার রড দিয়ে খুঁচিয়ে উত্ত্যক্ত করত বলে।

​৩১. প্রশ্ন: একবার দেবদূতটি কেন চিৎকার করে ডানা ঝাপটেছিল?

উত্তর: কেউ একজন তার পাশে গরম লোহা দিয়ে ছ্যাঁকা দিয়েছিল বলে।

​৩২. প্রশ্ন: কেন মানুষ হঠাৎ করে দেবদূতের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল?

উত্তর: মেলায় এক মাকড়সা-মানবীর আগমন ঘটায়।

​৩৩. প্রশ্ন: মাকড়সা-মানবী কে ছিল?

উত্তর: এক মেয়ে যে তার বাবা-মার অবাধ্য হওয়ায় অভিশাপে মাকড়সা হয়ে গিয়েছিল।

​৩৪. প্রশ্ন: মাকড়সা-মানবীকে দেখার জন্য মানুষ কেন বেশি আগ্রহী ছিল?

উত্তর: কারণ তার দুঃখের কাহিনী সে নিজে মুখে বলতে পারত এবং তার ফি ছিল কম।

​৩৫. প্রশ্ন: মাকড়সা-মানবী আসার পর পেলাইওর বাড়ির অবস্থা কেমন হলো?

উত্তর: বাড়িটি আবার নির্জন ও শান্ত হয়ে গেল।

​৩৬. প্রশ্ন: দেবদূতকে দেখিয়ে পেলাইওরা কত টাকা জমিয়েছিলেন?

উত্তর: প্রচুর টাকা, যা দিয়ে তারা একটি দোতলা প্রাসাদ তৈরি করেছিলেন।

​৩৭. প্রশ্ন: পেলাইও তার নতুন বাড়িতে কী ব্যবস্থা করেছিলেন?

উত্তর: জানালাগুলোতে লোহার গরাদ দিয়েছিলেন যাতে কাঁকড়া ঢুকতে না পারে।

​৩৮. প্রশ্ন: এলিসেন্দা নতুন বাড়িতে কী পরে ঘুরে বেড়াতেন?

উত্তর: দামী সিল্কের গাউন এবং উঁচু হিল জুতো।

​৩৯. প্রশ্ন: দেবদূতটিকে মুরগির খাঁচা থেকে বের করে কোথায় রাখা হয়েছিল?

উত্তর: সে নিজেই বারান্দায় বা রান্নাঘরের কোণে ঘুরে বেড়াত।

​৪০. প্রশ্ন: বাচ্চার সাথে দেবদূতটির সম্পর্ক কেমন ছিল?

উত্তর: বাচ্চাটি যখন বড় হলো, সে দেবদূতটির সাথে মুরগির খাঁচায় খেলা করত।

​৪১. প্রশ্ন: বাচ্চার ও দেবদূতটির একবার একই সাথে কী রোগ হয়েছিল?

উত্তর: জলবসন্ত (Chicken-pox)।

​৪২. প্রশ্ন: ডাক্তার দেবদূতটির হৃৎপিণ্ড পরীক্ষা করে কী শুনেছিলেন?

উত্তর: তিনি শোঁ শোঁ শব্দ শুনতে পেয়েছিলেন এবং অবাক হয়েছিলেন সে বেঁচে আছে কীভাবে।

​৪৩. প্রশ্ন: শীতকালে দেবদূতটির অবস্থা কেমন ছিল?

উত্তর: অত্যন্ত খারাপ, সে প্রায় মরো মরো হয়ে গিয়েছিল।

​৪৪. প্রশ্ন: বসন্তকালে দেবদূতটির শরীরে কী পরিবর্তন দেখা গেল?

উত্তর: তার ডানায় নতুন শক্ত পালক গজাতে শুরু করল।

​৪৫. প্রশ্ন: পালক গজানোর সময় দেবদূতটি কী করত?

উত্তর: সে আপনমনে সমুদ্রের নাবিকদের গান গুণগুণ করত।

​৪৬. প্রশ্ন: গল্পের শেষে দেবদূতটি কী করেছিল?

উত্তর: সে ডানা ঝাপটে দিগন্তের দিকে উড়ে গিয়েছিল।

​৪৭. প্রশ্ন: দেবদূতটিকে উড়ে যেতে দেখে এলিসেন্দার কেমন লেগেছিল?

উত্তর: তিনি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিলেন।

​৪৮. প্রশ্ন: এলিসেন্দা দেবদূতটিকে উড়ে যেতে দেখে কেন স্বস্তি পেলেন?

উত্তর: কারণ দেবদূতটি তার জীবনের জন্য একটি আপদ বা উপদ্রব হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

​৪৯. প্রশ্ন: দেবদূতটি কি আসলেই কোনো স্বর্গীয় দূত ছিল?

উত্তর: গল্পের বর্ণনায় তাকে এক জীর্ণ, অসুস্থ বৃদ্ধ হিসেবেই দেখা হয়েছে, যার অলৌকিকতা নিয়ে সন্দেহ ছিল।

​৫০. প্রশ্ন: মার্কেজের এই গল্পটি কোন সাহিত্যরীতির অন্তর্গত?

উত্তর: জাদুবাস্তববাদ (Magic Realism)।

​৫১. প্রশ্ন: গল্পের শুরুতে বৃষ্টির জল কেন সমুদ্রের রঙ বদলে দিয়েছিল?

উত্তর: ছাইয়ের মতো হয়ে গিয়েছিল।

​৫২. প্রশ্ন: পেলাইওকে উঠোনে কিসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হচ্ছিল?

উত্তর: কর্দমাক্ত অবস্থা এবং কাঁকড়ার আক্রমণ।

​৫৩. প্রশ্ন: বুড়োটির ডানা কিসের মতো বড় ছিল?

উত্তর: শকুন বা বিশাল কোনো পাখির মতো।

​৫৪. প্রশ্ন: প্রতিবেশী মহিলার ডাকনাম কী ছিল?

উত্তর: তাকে 'সবজান্তা' প্রতিবেশী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

​৫৫. প্রশ্ন: কেন পেলাইওরা বুড়োটিকে মারতে সাহস করেননি?

উত্তর: তার প্রতি দয়া জন্মেছিল বলে।

​৫৬. প্রশ্ন: ফাদার গোঞ্জাগা আগে কী ছিলেন?

উত্তর: একজন কাঠুরে বা কাঠকাটা মজুর।

​৫৭. প্রশ্ন: খাঁচার চারদিকে কিসের বেড়া দেওয়া হয়েছিল?

উত্তর: তারের জাল দিয়ে।

​৫৮. প্রশ্ন: মানুষ কেন খাঁচায় খাবার ছুঁড়ে দিত?

উত্তর: দেবদূতকে খাওয়ানোর জন্য নয়, বরং দেখার জন্য।

​৫৯. প্রশ্ন: দেবদূতটি কেন সারাক্ষণ চোখ বুজে থাকত?

উত্তর: বাইরের জগৎ ও মানুষের কোলাহল থেকে নিজেকে আড়াল করতে।

​৬০. প্রশ্ন: এলিসেন্দার বাড়ির গেটে কেন টাকা আদায় করা হতো?

উত্তর: দেবদূতকে দেখার প্রবেশমূল্য হিসেবে।

​৬১. প্রশ্ন: দেবদূতটি ডানা ঝাপটালে কেমন বাতাস তৈরি হতো?

উত্তর: দুর্গন্ধযুক্ত তপ্ত বাতাস।

​৬২. প্রশ্ন: গল্পের অন্যতম প্রধান থিম বা বিষয়বস্তু কী?

উত্তর: মানুষের স্বার্থপরতা ও অজানার প্রতি অসহিষ্ণুতা।

​৬৩. প্রশ্ন: দেবদূতটি ওড়ার চেষ্টা করার সময় প্রথম দিকে কেন পারছিল না?

উত্তর: তার ডানাগুলো জীর্ণ ছিল এবং সেগুলো দেওয়ালে ধাক্কা খাচ্ছিল।

​৬৪. প্রশ্ন: দেবদূতটি উড়ে যাওয়ার সময় তাকে কেমন দেখাচ্ছিল?

উত্তর: একটা কাল্পনিক বড় পাখির মতো।

​৬৫. প্রশ্ন: 'বিশাল ডানাওয়ালা এক থুথুরে বুড়ো' গল্পের প্রেক্ষাপট কী?

উত্তর: একটি কাল্পনিক উপকূলীয় গ্রাম।

​৬৬. প্রশ্ন: ফাদার গোঞ্জাগা রোম থেকে আসা চিঠিতে কী নির্দেশ পেয়েছিলেন?

উত্তর: তার ডানা আছে কি না, বা সে ল্যাটিন জানে কি না তা খতিয়ে দেখতে।

​৬৭. প্রশ্ন: দেবদূতটির পিঠে কিসের পরজীবী বা পোকা ছিল?

উত্তর: উকুনের মতো পরজীবী।

​৬৮. প্রশ্ন: মাকড়সা-মানবীর গল্প মানুষকে কী শিক্ষা দিত?

উত্তর: বাবা-মার কথা না শুনলে কেমন দশা হয়।

​৬৯. প্রশ্ন: পেলাইও তার নতুন বাড়িতে দেবদূতকে আর কেন খাঁচায় রাখতেন না?

উত্তর: কারণ তখন তারা অনেক ধনী হয়ে গিয়েছিলেন এবং খাঁচার দরকার ছিল না।

​৭০. প্রশ্ন: বুড়োটির গায়ের চামড়া কেমন ছিল?

উত্তর: কোঁচকানো এবং কচ্ছপের মতো।

​৭১. প্রশ্ন: গল্পের সবচেয়ে করুণ চরিত্র কোনটি?

উত্তর: বিশাল ডানাওয়ালা বুড়োটি।

​৭২. প্রশ্ন: এলিসেন্দা দেবদূতটিকে ওড়ার সময় কিসের আড়াল থেকে দেখছিলেন?

উত্তর: পেঁয়াজ কাটার সময় জানালার আড়াল থেকে।

​৭৩. প্রশ্ন: দেবদূতটির ওড়ার ভঙ্গি কেমন ছিল?

উত্তর: অনেকটা আনাড়ি ও বিশৃঙ্খল।

​৭৪. প্রশ্ন: দেবদূতটি যখন উড়ে চলে গেল, তখন তাকে এলিসেন্দার চোখে কেমন লাগছিল?

উত্তর: একটা বিন্দুর মতো।

​৭৫. প্রশ্ন: গল্পটিতে মানুষের নিষ্ঠুরতা কীভাবে প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর: দেবদূতকে খাঁচাবন্দি করা এবং তাকে গরম লোহা দিয়ে ছ্যাঁকা দেওয়ার মাধ্যমে।

​৭৬. প্রশ্ন: এলিসেন্দা দেবদূতকে কী বলে গালি দিতেন?

উত্তর: 'নরকের উপদ্রব' বা এই জাতীয় শব্দে।

​৭৭. প্রশ্ন: মাকড়সা-মানবীর ডানা ছিল কি?

উত্তর: না, তার শরীর ছিল মাকড়সার আর মাথা ছিল তরুণীর।

​৭৮. প্রশ্ন: ফাদার গোঞ্জাগা কেন ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খাচ্ছিলেন?

উত্তর: মানুষ দেবদূতকে অলৌকিক মনে করে ঝাঁপিয়ে পড়ছিল।

​৭৯. প্রশ্ন: দেবদূতটিকে দেখার জন্য মানুষের ভিড় কতদিন স্থায়ী ছিল?

উত্তর: মাকড়সা-মানবী আসার আগ পর্যন্ত কয়েক মাস।

​৮০. প্রশ্ন: পেলাইওর স্ত্রী এলিসেন্দার চরিত্রে কোন দিকটি প্রধান?

উত্তর: ব্যবসায়িক বুদ্ধি ও স্বার্থপরতা।

​৮১. প্রশ্ন: দেবদূতটি কি কোনো গান গাইত?

উত্তর: হ্যাঁ, ওড়ার শক্তি ফিরে পাওয়ার সময় সে নাবিকদের গান গাইত।

​৮২. প্রশ্ন: গল্পের শেষে বুড়োটি কোথায় চলে গেল?

উত্তর: নীল দিগন্তের ওপারে।

​৮৩. প্রশ্ন: দেবদূতটির ডানাগুলো কিসের মতো নোংরা ছিল?

উত্তর: ঝাঁটার মতো।

​৮৪. প্রশ্ন: কেন প্রতিবেশী মহিলা বুড়োটিকে 'ধুরন্ধর' বলেছিলেন?

উত্তর: কারণ দেবদূতদের সাধারণত অনেক তেজ থাকার কথা কিন্তু এই বুড়োটি ছিল শান্ত।

​৮৫. প্রশ্ন: দেবদূতটি মানুষের কোনো ক্ষতি করেছিল কি?

উত্তর: না, সে ছিল সম্পূর্ণ শান্ত ও নির্বিরোধী।

​৮৬. প্রশ্ন: ডাক্তার কেন বুড়োটির ডানার হাড় দেখে অবাক হয়েছিলেন?

উত্তর: কারণ সেগুলো পাখির মতো হালকা ছিল কিন্তু মানুষের গঠনের মতো মজবুত।

​৮৭. প্রশ্ন: এলিসেন্দার জুতো কেন নষ্ট হয়ে গিয়েছিল?

উত্তর: মানুষের ভিড় সামলাতে গিয়ে ধুলোবালি ও কাদার কারণে।

​৮৮. প্রশ্ন: মাকড়সা-মানবী তার খাবার হিসেবে কী খেত?

উত্তর: মানুষের দেওয়া মাংসের কিমা।

​৮৯. প্রশ্ন: দেবদূতটি কেন কোনো প্রতিবাদ করত না?

উত্তর: সম্ভবত সে মানুষের ভাষা ও আচরণকে গুরুত্বহীন মনে করত।

​৯০. প্রশ্ন: এলিসেন্দা ও পেলাইও দেবদূত থেকে পাওয়া অর্থ দিয়ে কী করেছিলেন?

উত্তর: বড় ব্যবসা ও আভিজাত্যের জীবন শুরু করেছিলেন।

​৯১. প্রশ্ন: গল্পের নামকরণের সার্থকতা কী?

উত্তর: বুড়োটির রহস্যময় বিশাল ডানা যা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে।

​৯২. প্রশ্ন: দেবদূতটির শারীরিক অবস্থা কিসের প্রতীক?

উত্তর: দেবত্বের অবক্ষয় বা জরাজীর্ণ বাস্তবতার।

​৯৩. প্রশ্ন: বুড়োটিকে দেবদূত হিসেবে মেনে নিতে গির্জার বাধা কোথায় ছিল?

উত্তর: তার ডানায় কোনো আভিজাত্য ছিল না এবং সে ধার্মিক আচার পালন করত না।

​৯৪. প্রশ্ন: পেলাইও কখন বুড়োটিকে প্রথম নড়াচড়া করতে দেখেন?

উত্তর: যখন সে কাদা থেকে ওঠার আপ্রাণ চেষ্টা করছিল।

​৯৫. প্রশ্ন: দেবদূতটি কি কোনো স্বর্গীয় বার্তা এনেছিল?

উত্তর: না, সে ছিল ভাষাহীন এবং জরাজীর্ণ।

​৯৬. প্রশ্ন: মার্কেজ এই গল্পে কোন বিষয়কে উপহাস করেছেন?

উত্তর: ধর্মীয় গোঁড়ামি ও অলৌকিকতার প্রতি মানুষের অন্ধ লোভকে।

​৯৭. প্রশ্ন: এলিসেন্দা কেন রান্নাঘর থেকে দেবদূতকে তাড়িয়ে দিতেন?

উত্তর: তার অস্বাস্থ্যকর উপস্থিতির জন্য।

​৯৮. প্রশ্ন: বুড়োটি যখন আকাশ থেকে পড়েছিল, তখন তার বয়স কেমন মনে হয়েছিল?

উত্তর: শতাব্দী প্রাচীন।

​৯৯. প্রশ্ন: দেবদূতটি কি শেষ পর্যন্ত বেঁচে ছিল?

উত্তর: হ্যাঁ, সে নতুন পালক নিয়ে উড়ে গিয়েছিল।

​১০০. প্রশ্ন: গল্পটির শেষ অনুভবে কী প্রকাশ পায়?

উত্তর: এক অদ্ভুত শূন্যতা এবং অলৌকিকতার প্রস্থান।

--------------------------------------------------

ভারভারা রাও রচিত ও শঙ্খ ঘোষ অনূদিত 'চারণ কবি' কবিতার ১০০টি প্রশ্নোত্তর:

​১. প্রশ্ন: 'চারণ কবি' কবিতাটির মূল রচয়িতা কে?

উত্তর: ভারভারা রাও।

​২. প্রশ্ন: কবিতাটি কোন ভাষা থেকে অনূদিত?

উত্তর: তেলুগু।

​৩. প্রশ্ন: 'চারণ কবি' কবিতাটির অনুবাদক কে?

উত্তর: শঙ্খ ঘোষ।

​৪. প্রশ্ন: ভারভারা রাও কোন ধরনের কবি হিসেবে পরিচিত?

উত্তর: বিপ্লবী বা প্রতিবাদী কবি।

​৫. প্রশ্ন: 'চারণ' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: যে কবি ঘুরে ঘুরে গান গেয়ে বেড়ান বা লোককবি।

​৬. প্রশ্ন: কবিতাটির মূল সুর কী?

উত্তর: শোষণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ।

​৭. প্রশ্ন: "বন্দি চারণের গান"— চারণ কেন বন্দি?

উত্তর: তার বিপ্লবী আদর্শ ও সত্য বলার অপরাধে শাসকের দ্বারা বন্দি।

​৮. প্রশ্ন: কবিতার শুরুতে চারণ কবিকে কোথায় দেখা যায়?

উত্তর: জেলখানায় বা বন্দিশালায়।

​৯. প্রশ্ন: চারণ কবির গান কোথায় প্রতিধ্বনিত হয়?

উত্তর: সাধারণ মানুষের মুখে ও গ্রাম-গঞ্জে।

​১০. প্রশ্ন: "লোহার গরাদ দিয়ে কি কণ্ঠ রোধ করা যায়?"— এখানে কবির কোন বিশ্বাস প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর: কণ্ঠস্বর বা আদর্শকে শারীরিকভাবে বন্দি করা সম্ভব নয়।

​১১. প্রশ্ন: কবিতায় 'শৃঙ্খল' কিসের প্রতীক?

উত্তর: পরাধীনতা ও শোষণের।

​১২. প্রশ্ন: চারণ কবি কাদের প্রতিনিধি?

উত্তর: বঞ্চিত ও শোষিত শ্রমজীবী মানুষের।

​১৩. প্রশ্ন: কবির গান কাদের মনে সাহস জোগায়?

উত্তর: মুক্তিপ্রত্যাশী মানুষের মনে।

​১৪. প্রশ্ন: "মাটির কাছাকাছি মানুষ"— চারণ কবির গানের বিষয়বস্তু কী?

উত্তর: সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম ও লড়াই।

​১৫. প্রশ্ন: ভারভারা রাও কোন আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন?

উত্তর: ভারতের বিপ্লবী বামপন্থী আন্দোলনের সাথে।

​১৬. প্রশ্ন: শঙ্খ ঘোষ কেন এই কবিতাটি অনুবাদ করেছেন?

উত্তর: এর প্রতিবাদী চেতনা ও সর্বজনীন আবেদনের জন্য।

​১৭. প্রশ্ন: 'চারণ কবি' কবিতায় কবির ভূমিকা কী?

উত্তর: সমাজের জাগ্রত বিবেক হিসেবে।

​১৮. প্রশ্ন: শাসকগোষ্ঠী কবিকে কেন ভয় পায়?

উত্তর: কারণ কবির গান মানুষকে জাগিয়ে তোলে।

​১৯. প্রশ্ন: "রক্তে ভেজা মাটি"— এই চিত্রকল্প কী নির্দেশ করে?

উত্তর: সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের ইতিহাস।

​২০. প্রশ্ন: কবিতায় 'মুক্ত আকাশ' কিসের প্রতীক?

উত্তর: স্বাধীনতার।

​২১. প্রশ্ন: চারণ কবির গান কেন লোকমুখে ছড়িয়ে পড়ে?

উত্তর: কারণ তাতে সাধারণ মানুষের যন্ত্রণার কথা থাকে।

​২২. প্রশ্ন: "অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বসিয়া"— চারণ কবি কী করেন?

উত্তর: মুক্তির স্বপ্ন দেখেন এবং গান বাঁধেন।

​২৩. প্রশ্ন: কবির লেখনীকে কিসের সাথে তুলনা করা যায়?

উত্তর: শাণিত অস্ত্রের সাথে।

​২৪. প্রশ্ন: 'চারণ কবি' কবিতায় প্রকৃতির ভূমিকা কী?

উত্তর: প্রকৃতি এখানে সংগ্রামের সাক্ষী।

​২৫. প্রশ্ন: "পাহাড় আর জঙ্গল"— এই স্থানগুলো কেন গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তর: এগুলো প্রতিরোধের কেন্দ্রস্থল হিসেবে বর্ণিত।

​২৬. প্রশ্ন: শাসকের রক্তচক্ষু কবিকে কেন দমাতে পারে না?

উত্তর: কবির আদর্শ হিমালয়ের মতো অটল বলে।

​২৭. প্রশ্ন: চারণ কবির কণ্ঠে কোন সুর ধ্বনিত হয়?

উত্তর: বিদ্রোহের সুর।

​২৮. প্রশ্ন: "ঘুমন্ত মানুষকে জাগিয়ে তোলা"— এটি কার কাজ?

উত্তর: চারণ কবির।

​২৯. প্রশ্ন: কবিতায় 'সূর্যোদয়' কীসের ইঙ্গিত দেয়?

উত্তর: বিপ্লব বা নতুন ভোরের।

​৩০. প্রশ্ন: ভারভারা রাও-এর জন্ম কোথায়?

উত্তর: বর্তমান তেলঙ্গানা রাজ্যে।

​৩১. প্রশ্ন: চারণ কবি কি কখনও একা?

উত্তর: না, শোষিত জনতা তার সাথে থাকে।

​৩২. প্রশ্ন: শৃঙ্খলিত হাত দিয়ে কবি কী করতে পারেন?

উত্তর: কবিতার মাধ্যমে শৃঙ্খল ভাঙার গান গাইতে পারেন।

​৩৩. প্রশ্ন: "মায়ের চোখের জল"— কবিতায় এটি কী বোঝায়?

উত্তর: দেশের মানুষের দীর্ঘদিনের কষ্ট।

​৩৪. প্রশ্ন: চারণ কবির গান কীভাবে অমর হয়ে থাকে?

উত্তর: মানুষের হৃদয়ে এবং মুখে মুখে ফেরার মাধ্যমে।

​৩৫. প্রশ্ন: কবিতায় 'বজ্রকণ্ঠ' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: কবির আপসহীন ও জোরালো কণ্ঠস্বর।

​৩৬. প্রশ্ন: শাসকের কারাগার কেন ক্ষুদ্র কবির কাছে?

উত্তর: কারণ কবির চিন্তা ও আদর্শ সীমানাহীন।

​৩৭. প্রশ্ন: "অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই"— এটিই কি কবিতার মূল লক্ষ্য?

উত্তর: হ্যাঁ, এটিই কবিতার প্রধান শিক্ষা।

​৩৮. প্রশ্ন: চারণ কবি কবিতায় 'পাখি' কিসের প্রতীক?

উত্তর: মুক্ত প্রাণের।

​৩৯. প্রশ্ন: কবি কেন নিজেকে 'চারণ' বলেছেন?

উত্তর: কারণ তিনি মানুষের দ্বারে দ্বারে মুক্তির বার্তা পৌঁছে দিতে চান।

​৪০. প্রশ্ন: "ক্লান্তিহীন পদযাত্রা"— কবির এই যাত্রা কিসের দিকে?

উত্তর: ন্যায়ের প্রতিষ্ঠার দিকে।

​৪১. প্রশ্ন: শঙ্খ ঘোষের অনুবাদে কবিতাটি কেমন প্রাণ পেয়েছে?

উত্তর: এটি মূলের আবেগ ও জেদকে অক্ষুণ্ণ রেখেছে।

​৪২. প্রশ্ন: 'চারণ কবি' কবিতায় সময়ের ব্যাপ্তি কেমন?

উত্তর: এটি কালোত্তীর্ণ ও চিরন্তন সংগ্রামের কথা বলে।

​৪৩. প্রশ্ন: "বুলেটের চেয়েও শক্তিশালী"— কবির মতে কোনটি বেশি শক্তিশালী?

উত্তর: কবির গান বা আদর্শ।

​৪৪. প্রশ্ন: চারণ কবি কেন মৃত্যুকে ভয় পান না?

উত্তর: কারণ তিনি জানেন তার গান বেঁচে থাকবে।

​৪৫. প্রশ্ন: কবিতার ছন্দে কোন আবেগ কাজ করে?

উত্তর: তীব্র ক্ষোভ ও প্রত্যয়।

​৪৬. প্রশ্ন: "জনগণের কবি"— চারণ কবিকে কেন এই নামে ডাকা যায়?

উত্তর: তিনি জনগণের কথাই বলেন বলে।

​৪৭. প্রশ্ন: শোষকের প্রাসাদ কেন টলমল করে?

উত্তর: চারণ কবির গানের আঘাতে।

​৪৮. প্রশ্ন: "মাটি ছিঁড়ে বের হওয়া অঙ্কুর"— এটি কিসের প্রতীক?

উত্তর: নবজাগরণ বা নতুন প্রজন্মের লড়াই।

​৪৯. প্রশ্ন: চারণ কবি কি শেষ পর্যন্ত বন্দি থাকেন?

উত্তর: শারীরিকভাবে থাকলেও মানসিকভাবে তিনি স্বাধীন।

​৫০. প্রশ্ন: কবিতাটি পাঠ করলে আমাদের মনে কোন ভাবের উদয় হয়?

উত্তর: দেশপ্রেম ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর প্রেরণা।

​৫১. প্রশ্ন: ভারভারা রাও কোন দশকের কবি?

উত্তর: বিংশ শতাব্দীর ষাট ও সত্তর দশকের প্রতিবাদী ধারা।

​৫২. প্রশ্ন: চারণ কবির অলঙ্কার কোনটি?

উত্তর: তার সাহস এবং সত্যনিষ্ঠা।

​৫৩. প্রশ্ন: "মিথ্যা স্তুতি গায় না যে কবি"— তাকে কী বলা হয়?

উত্তর: প্রকৃত চারণ কবি।

​৫৪. প্রশ্ন: কবিতার পটভূমি মূলত কী?

উত্তর: রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শোষণ।

​৫৫. প্রশ্ন: কবির গান কেন নিষিদ্ধ করা হয়?

উত্তর: গানটি শাসকের ভয়ের কারণ বলে।

​৫৬. প্রশ্ন: "নিষিদ্ধ গান"— এটি মানুষের কাছে কেমন?

উত্তর: অনেক বেশি প্রিয় ও আগ্রহের।

​৫৭. প্রশ্ন: চারণ কবি কাকে সালাম জানান?

উত্তর: মেহনতি মানুষকে।

​৫৮. প্রশ্ন: "অশ্রু নয়, আগুন"— কবির গান কিসের মতো?

উত্তর: আগুনের মতো উত্তপ্ত।

​৫৯. প্রশ্ন: পাহাড়ের প্রতিধ্বনি কী বলে?

উত্তর: মুক্তির কথা।

​৬০. প্রশ্ন: চারণ কবির ঝুলি বা ব্যাগে কী থাকে?

উত্তর: অসংখ্য মানুষের যন্ত্রণার কাহিনী ও গান।

​৬১. প্রশ্ন: "বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে"— এই অবস্থাকে কবি কী করতে চান?

উত্তর: গানের মাধ্যমে সোচ্চার করতে চান।

​৬২. প্রশ্ন: কবির চোখে শৃঙ্খল কী দিয়ে তৈরি?

উত্তর: লোভ ও ক্ষমতার দম্ভ দিয়ে।

​৬৩. প্রশ্ন: "পাথরের বুকে ঘাস"— এই চিত্রকল্প কী বোঝায়?

উত্তর: অসম্ভব পরিস্থিতিতেও বেঁচে থাকার লড়াই।

​৬৪. প্রশ্ন: চারণ কবির কণ্ঠস্বর কাদের ভয় ধরায়?

উত্তর: যারা সাধারণ মানুষের রক্ত চোষে।

​৬৫. প্রশ্ন: "একতাই বল"— কবির গানে কি এই সুর আছে?

উত্তর: হ্যাঁ, গণজাগরণের কথাই এখানে বলা হয়েছে।

​৬৬. প্রশ্ন: চারণ কবি কি কখনও নীরব থাকেন?

উত্তর: না, তার রক্ত কথা বলে।

​৬৭. প্রশ্ন: "মশাল হাতে চলা"— চারণ কবিকে কেন মশালের সাথে তুলনা করা হয়?

উত্তর: তিনি অন্ধকারের মধ্যে আলো দেখান বলে।

​৬৮. প্রশ্ন: কবিতার ভাষা কেমন?

উত্তর: সরাসরি, ওজস্বী এবং বলিষ্ঠ।

​৬৯. প্রশ্ন: চারণ কবির হার না মানা মনোভাবের উৎস কী?

উত্তর: মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা।

​৭০. প্রশ্ন: "কারাগারের দেওয়াল ভেঙে ফেলা"— এটি কিসের ইঙ্গিত?

উত্তর: শোষণের অবসান।

​৭১. প্রশ্ন: ভারভারা রাও কেন বারবার কারাবরণ করেছেন?

উত্তর: তার বিপ্লবী চিন্তাধারার জন্য।

​৭২. প্রশ্ন: 'চারণ কবি' কবিতায় কবির দৃষ্টি কোথায় নিবদ্ধ?

উত্তর: ভবিষ্যতের এক মুক্ত পৃথিবীর দিকে।

​৭৩. প্রশ্ন: "শোষিতের জয়গান"— এটিই কি কবিতার সার্থকতা?

উত্তর: হ্যাঁ, এটিই পরম সত্য।

​৭৪. প্রশ্ন: চারণ কবির হাতে কোনো বাদ্যযন্ত্র আছে কি?

উত্তর: প্রতীকী অর্থে তার কণ্ঠই প্রধান বাদ্যযন্ত্র।

​৭৫. প্রশ্ন: "শিকল পরানো হাত"— হাত শৃঙ্খলিত হলেও কী স্বাধীন?

উত্তর: কবির মন এবং গান।

​৭৬. প্রশ্ন: কবির স্বপ্ন কী?

উত্তর: যেখানে কেউ কাউকে শোষণ করবে না।

​৭৭. প্রশ্ন: 'চারণ কবি' কোন ধরনের কাব্যশৈলীর উদাহরণ?

উত্তর: রাজনৈতিক ও সামাজিক সচেতনতামূলক কবিতা।

​৭৮. প্রশ্ন: কবিতার ছন্দ কি খুব জটিল?

উত্তর: না, সাধারণ মানুষের বোধগম্য এবং সোজাসাপ্টা।

​৭৯. প্রশ্ন: "ইতিহাস সাক্ষী"— কিসের সাক্ষী?

উত্তর: ন্যায়ের জয়ের।

​৮০. প্রশ্ন: চারণ কবি কাদের উদ্বুদ্ধ করেন?

উত্তর: তরুণ প্রজন্মকে।

​৮১. প্রশ্ন: "রক্তের আখরে লেখা"— কবির গান কিসের পরিচয় দেয়?

উত্তর: ত্যাগের।

​৮২. প্রশ্ন: শৃঙ্খল ভাঙার শব্দ কবি কীভাবে শোনেন?

উত্তর: গণ-আন্দোলনের পদধ্বনিতে।

​৮৩. প্রশ্ন: কবির কাছে কবিতা কী?

উত্তর: জীবনের যুদ্ধের একটি অংশ।

​৮৪. প্রশ্ন: "শান্তি নয়, বিপ্লব"— চারণ কবি কেন বিপ্লব চান?

উত্তর: কারণ বর্তমান শান্তি হলো শোষণের অন্য নাম।

​৮৫. প্রশ্ন: চারণ কবির গান কেন সীমানা মানে না?

উত্তর: কারণ শোষণ বিশ্বজুড়ে একই রকম।

​৮৬. প্রশ্ন: "মুখোশ খুলে দেওয়া"— কবি কার মুখোশ খোলেন?

উত্তর: ভণ্ড শাসকের।

​৮৭. প্রশ্ন: চারণ কবি কি একজন ব্যক্তি মাত্র?

উত্তর: না, তিনি একটি চেতনা।

​৮৮. প্রশ্ন: "পথ চলাই জীবন"— কবির এই পথচলা কিসের?

উত্তর: সত্যের সন্ধানে।

​৮৯. প্রশ্ন: চারণ কবির গানে কোন প্রাকৃতিক উপাদানের আধিক্য থাকে?

উত্তর: মাটি, আকাশ, ধুলোবালি ও রক্ত।

​৯০. প্রশ্ন: "শেষ কথা বলে কিছু নেই"— সংগ্রামের ক্ষেত্রে এর অর্থ কী?

উত্তর: লড়াই চলতেই থাকবে।

​৯১. প্রশ্ন: শঙ্খ ঘোষ এই কবিতার মাধ্যমে বাঙালির মনে কী জাগাতে চেয়েছেন?

উত্তর: অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার মানসিকতা।

​৯২. প্রশ্ন: চারণ কবি কি কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের?

উত্তর: তিনি মূলত মানবতার ও অধিকারের পক্ষে।

​৯৩. প্রশ্ন: "লোহার খাঁচা"— খাঁচায় কে বন্দি থাকে?

উত্তর: কবির দেহ, কিন্তু আদর্শ নয়।

​৯৪. প্রশ্ন: কবির কলম কি বুলেটের বিকল্প?

উত্তর: হ্যাঁ, শব্দের শক্তি বুলেটের চেয়েও ধারালো।

​৯৫. প্রশ্ন: 'চারণ কবি' কবিতাটি পড়ার পর আমাদের দায়িত্ব কী?

উত্তর: সত্যের পথে অবিচল থাকা।

​৯৬. প্রশ্ন: চারণ কবির গানের মূল উৎস কী?

উত্তর: মানুষের চোখের জল।

​৯৭. প্রশ্ন: "বিজয় নিশ্চিত"— এই বিশ্বাস কবিকে কী দেয়?

উত্তর: অপরিসীম ধৈর্য।

​৯৮. প্রশ্ন: চারণ কবি কি সময়ের সাথে হারিয়ে যান?

উত্তর: না, তিনি যুগে যুগে নতুন চারণ হয়ে ফিরে আসেন।

​৯৯. প্রশ্ন: কবিতার মূল আবেদনটি কী?

উত্তর: ভয়হীনভাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো।

​১০০. প্রশ্ন: 'চারণ কবি' কবিতাটির শেষ অনুভব কী?

উত্তর: বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক এবং সত্যের জয় হোক।

---------------------------------------------------------------------------------

ভাষা 


বাংলা ভাষার উদ্ভব, ক্রমবিকাশ এবং উপভাষা সংক্রান্ত ১০০টি প্রশ্নোত্তর:


১. প্রশ্ন: বাংলা ভাষা কোন মূল ভাষা বংশের অন্তর্গত?

উত্তর: ইন্দো-ইউরোপীয়।


২. প্রশ্ন: ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা বংশের প্রধান দুটি শাখা কী কী?

উত্তর: কেন্তুম ও শতম।


৩. প্রশ্ন: 'শতম' শাখা থেকে বিবর্তিত হয়ে কোন প্রাচীন ভারতীয় ভাষার উদ্ভব হয়?

উত্তর: আর্য ভাষা।


৪. প্রশ্ন: ভারতীয় আর্য ভাষার প্রাচীনতম রূপটির নাম কী?

উত্তর: বৈদিক সংস্কৃত।


৫. প্রশ্ন: ভারতীয় আর্য ভাষার বিবর্তনের কটি স্তর?

উত্তর: তিনটি (প্রাচীন, মধ্য ও নব্য)।


৬. প্রশ্ন: প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার সময়কাল কত?

উত্তর: আনুমানিক ১৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকে ৬০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ।


৭. প্রশ্ন: মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষার আনুমানিক সময়কাল কত?

উত্তর: ৬০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকে ৯০০ খ্রিষ্টাব্দ।


৮. প্রশ্ন: প্রাকৃত ভাষা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: প্রাচীন ভারতের সাধারণ মানুষের মুখের সহজবোধ্য ভাষা।


৯. প্রশ্ন: প্রাকৃত ভাষার অন্তিম স্তরের নাম কী?

উত্তর: অপভ্রংশ।


১০. প্রশ্ন: ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষার উদ্ভব কোন অপভ্রংশ থেকে?

উত্তর: মাগধী অপভ্রংশ।


১১. প্রশ্ন: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার জন্ম কোন প্রাকৃত থেকে?

উত্তর: গৌড়ী প্রাকৃত।


১২. প্রশ্ন: মাগধী অপভ্রংশের কোন শাখা থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে?

উত্তর: পূর্বী শাখা।


১৩. প্রশ্ন: বাংলা ভাষার জন্মকাল নিয়ে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের অভিমত কী?

উত্তর: দশম শতাব্দী (৯৫০ খ্রিষ্টাব্দ)।


১৪. প্রশ্ন: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার জন্মকাল কত?

উত্তর: সপ্তম শতাব্দী (৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ)।


১৫. প্রশ্ন: বাংলা ভাষার আদি স্তরের নিদর্শন কোনটি?

উত্তর: চর্যাপদ।


১৬. প্রশ্ন: প্রাচীন বাংলা ভাষার সময়কাল কত?

উত্তর: ৯০০/৯৫০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দ।


১৭. প্রশ্ন: মধ্যযুগের বাংলা ভাষার সময়কাল কত?

উত্তর: ১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ।


১৮. প্রশ্ন: আধুনিক বাংলা ভাষার সময়কাল কত?

উত্তর: ১৮০১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে বর্তমান কাল।


১৯. প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শন কোনটি?

উত্তর: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য।


২০. প্রশ্ন: 'মাগধী প্রাকৃত' কোন অঞ্চলের ভাষা ছিল?

উত্তর: মগধ বা বিহার অঞ্চলের।


২১. প্রশ্ন: আর্যরা ভারতে আসার পর তাদের কথ্য ভাষা কী নামে পরিচিত ছিল?

উত্তর: আদিম প্রাকৃত।


২২. প্রশ্ন: বৈদিক ভাষা থেকে কোন ভাষার সৃষ্টি হয়েছে?

উত্তর: সংস্কৃত।


২৩. প্রশ্ন: অপভ্রংশ থেকে উৎপন্ন আধুনিক ভারতীয় ভাষাগুলোকে কী বলা হয়?

উত্তর: নব্য ভারতীয় আর্য ভাষা।


২৪. প্রশ্ন: বাংলা ভাষার সাথে অতি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে এমন দুটি ভাষার নাম কী?

উত্তর: অসমীয়া ও ওড়িয়া।


২৫. প্রশ্ন: বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অন্ধকার যুগ বলা হয় কোন সময়কে?

উত্তর: ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দ।


২৬. প্রশ্ন: চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় কত সালে?

উত্তর: ১৯০৭ সালে।


২৭. প্রশ্ন: চর্যাপদ কোথা থেকে আবিষ্কৃত হয়েছিল?

উত্তর: নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে।


২৮. প্রশ্ন: চর্যাপদের ভাষা কী নামে পরিচিত?

উত্তর: সান্ধ্য ভাষা (বা আলো-আঁধারি ভাষা)।


২৯. প্রশ্ন: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তর: ১৮০০ সালে।


৩০. প্রশ্ন: আধুনিক বাংলা গদ্যের জনক কাকে বলা হয়?

উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।


৩১. প্রশ্ন: উপভাষা (Dialect) কাকে বলে?

উত্তর: একই মূল ভাষার অন্তর্গত অঞ্চলভেদে ভিন্ন ভিন্ন রূপকে।


৩২. প্রশ্ন: বাংলা ভাষার প্রধান উপভাষা কয়টি?

উত্তর: পাঁচটি।


৩৩. প্রশ্ন: বাংলা ভাষার পাঁচটি উপভাষার নাম কী কী?

উত্তর: রাঢ়ী, বঙ্গালী, কামরূপী, বরেন্দ্রী এবং ঝাড়খন্ডী।


৩৪. প্রশ্ন: রাঢ়ী উপভাষা কোন কোন অঞ্চলে প্রচলিত?

উত্তর: কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, বর্ধমান, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদ।


৩৫. প্রশ্ন: রাঢ়ী উপভাষার একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?

উত্তর: ও-কারান্ত শব্দের আধিক্য এবং অভিশ্রুতির প্রভাব।


৩৬. প্রশ্ন: বঙ্গালী উপভাষা কোন অঞ্চলে দেখা যায়?

উত্তর: পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ববঙ্গ (ঢাকা, বরিশাল, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ইত্যাদি)।


৩৭. প্রশ্ন: বঙ্গালী উপভাষার প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?

উত্তর: অপিনিহিতির প্রবল ব্যবহার এবং 'শ' ধ্বনির উচ্চারণ 'হ'-এর মতো হওয়া।


৩৮. প্রশ্ন: কামরূপী উপভাষা কোন অঞ্চলে প্রচলিত?

উত্তর: উত্তরবঙ্গ (জলপাইগুড়ি, কোচবিহার) এবং অসমের কাছাড় অঞ্চল।


৩৯. প্রশ্ন: বরেন্দ্রী উপভাষা কোন অঞ্চলের ভাষা?

উত্তর: মালদহ, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং বাংলাদেশের রাজশাহী ও পাবনা।


৪০. প্রশ্ন: ঝাড়খন্ডী উপভাষা কোন কোন অঞ্চলে দেখা যায়?

উত্তর: মানভূম, সিংভূম, ধলভূম এবং বাঁকুড়া ও মেদিনীপুরের পশ্চিম অংশ।


৪১. প্রশ্ন: 'অভিশ্রুতি' কোন উপভাষার প্রধান লক্ষণ?

উত্তর: রাঢ়ী উপভাষা।


৪২. প্রশ্ন: 'অপিনিহিতি' কোন উপভাষার প্রধান লক্ষণ?

উত্তর: বঙ্গালী উপভাষা।


৪৩. প্রশ্ন: কামরূপী উপভাষাকে অন্য কী নামে ডাকা হয়?

উত্তর: রাজবংশী ভাষা।


৪৪. প্রশ্ন: 'করিল' শব্দটিকে রাঢ়ী উপভাষায় কী বলা হয়?

উত্তর: করলে।


৪৫. প্রশ্ন: 'দেশি' শব্দটির বঙ্গালী রূপ কী হতে পারে?

উত্তর: দিশি (অপিনিহিতির প্রভাবে)।


৪৬. প্রশ্ন: ঝাড়খন্ডী উপভাষায় ক্রিয়াপদে কোন বিভক্তির আধিক্য থাকে?

উত্তর: 'লেক' বা 'লক' বিভক্তি।


৪৭. প্রশ্ন: মান্য চলিত বাংলা কোন উপভাষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে?

উত্তর: রাঢ়ী উপভাষা।


৪৮. প্রশ্ন: ওড়িশার সীমান্তবর্তী অঞ্চলের বাংলায় কোন উপভাষার প্রভাব দেখা যায়?

উত্তর: ঝাড়খন্ডী।


৪৯. প্রশ্ন: 'গিয়া' > 'গিয়ে'—এটি কোন ভাষাতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ার উদাহরণ?

উত্তর: অভিশ্রুতি।


৫০. প্রশ্ন: 'কড়িকা' > 'কইড়কা'—এটি কোন উপভাষার লক্ষণ?

উত্তর: বঙ্গালী।


৫১. প্রশ্ন: সমাজভাষা বিজ্ঞান অনুসারে 'আঞ্চলিক উপভাষা' ছাড়াও আর কী ধরনের ভাষাভেদ হতে পারে?

উত্তর: সামাজিক উপভাষা (Sociolect)।


৫২. প্রশ্ন: কোনো বিশেষ পেশার মানুষের ভাষাকে কী বলা হয়?

উত্তর: পরিভাষা বা পেশাগত ভাষা।


৫৩. প্রশ্ন: সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার প্রধান পার্থক্য কোথায়?

উত্তর: সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপে।


৫৪. প্রশ্ন: সাধু ভাষার জনক কাকে মনে করা হয়?

উত্তর: রাজা রামমোহন রায় বা বিদ্যাসাগর (সুষ্ঠু প্রয়োগের জন্য)।


৫৫. প্রশ্ন: চলিত ভাষাকে সাহিত্যিক মর্যাদা দিয়েছিলেন কে?

উত্তর: প্রমথ চৌধুরী।


৫৬. প্রশ্ন: প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত কোন পত্রিকা চলিত ভাষার প্রসারে সাহায্য করে?

উত্তর: সবুজপত্র।


৫৭. প্রশ্ন: 'কোড বদল' বা Code Switching কী?

উত্তর: কথা বলার সময় এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় দ্রুত চলে যাওয়া।


৫৮. প্রশ্ন: শ্ল্যাং (Slang) বা অপভাষা কী?

উত্তর: মার্জিত সমাজে অচলিত এবং কুরুচিপূর্ণ বা নিম্নমানের শব্দ।


৫৯. প্রশ্ন: মিশ্র ভাষা বা পিজিন (Pidgin) কী?

উত্তর: প্রয়োজনের খাতিরে দুটি ভিন্ন ভাষার মিলনে তৈরি হওয়া অসম্পূর্ণ ভাষা।


৬০. প্রশ্ন: ক্রেওল (Creole) বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: পিজিন যখন কোনো জনসমষ্টির মাতৃভাষায় পরিণত হয়।


৬১. প্রশ্ন: 'পেত্নি' শব্দটি কোন শব্দ থেকে এসেছে?

উত্তর: প্রেতিনী।


৬২. প্রশ্ন: বরেন্দ্রী উপভাষায় কোন স্বরধ্বনির আধিক্য থাকে?

উত্তর: অ-কার।


৬৩. প্রশ্ন: 'মুই' শব্দের ব্যবহার কোন উপভাষায় বেশি দেখা যায়?

উত্তর: কামরূপী বা রাজবংশী।


৬৪. প্রশ্ন: 'ছেলে' শব্দটিকে ঝাড়খন্ডী উপভাষায় কী বলা হয়?

উত্তর: ছা বা ছাওয়াল।


৬৫. প্রশ্ন: বাংলায় আগত প্রথম অভারতীয় আর্য ভাষা কোনটি?

উত্তর: ফারসি (ততকালীন রাজভাষা হিসেবে)।


৬৬. প্রশ্ন: বাংলা শব্দভাণ্ডারে 'তৎসম' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: সংস্কৃতের সমান।


৬৭. প্রশ্ন: 'তদ্ভব' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: যা সংস্কৃত থেকে উৎপন্ন।


৬৮. প্রশ্ন: 'দেশি শব্দ' বলতে কোন ভাষার শব্দগুলোকে বোঝানো হয়?

উত্তর: অনার্য বা দ্রাবিড়-অস্ট্রিক গোষ্ঠীর ভাষা।


৬৯. প্রশ্ন: পর্তুগিজ ভাষা থেকে আসা দুটি বাংলা শব্দের উদাহরণ দাও।

উত্তর: আলমারি, পাউরুটি।


৭০. প্রশ্ন: ফারসি ভাষা থেকে আসা দুটি শব্দের উদাহরণ দাও।

উত্তর: চশমা, আদালত।


৭১. প্রশ্ন: কামরূপী উপভাষায় শ্বাসাঘাত কোথায় পড়ে?

উত্তর: শব্দের শুরুতে।


৭২. প্রশ্ন: 'খাইয়াছি' (সাধু) শব্দটির চলিত রূপ কী?

উত্তর: খেয়েছি।


৭৩. প্রশ্ন: 'উহারা' (সাধু) শব্দটির চলিত রূপ কী?

উত্তর: ওরা।


৭৪. প্রশ্ন: উপভাষা বিজ্ঞানের ইংরেজি প্রতিশব্দ কী?

উত্তর: Dialectology.


৭৫. প্রশ্ন: ভাষা ও উপভাষার মধ্যে কোনটি আগে সৃষ্টি হয়েছে?

উত্তর: উপভাষা।


৭৬. প্রশ্ন: আইসোলেক্স (Isogloss) কী?

উত্তর: উপভাষার সীমারেখা নির্দেশকারী মানচিত্রের রেখা।


৭৭. প্রশ্ন: মধ্যযুগের শেষ কবি কে ছিলেন?

উত্তর: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।


৭৮. প্রশ্ন: প্রাচীন বাংলার সমাজ ও সাহিত্যের প্রধান অবলম্বন কী ছিল?

উত্তর: ধর্ম ও কৃষি।


৭৯. প্রশ্ন: শ্রীরামপুর মিশন কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তর: ১৮০০ সালে।


৮০. প্রশ্ন: শ্রীরামপুর মিশনারিদের মধ্যে প্রধান কে ছিলেন?

উত্তর: উইলিয়াম কেরি।


৮১. প্রশ্ন: বাংলা হরফ বা লিপি কোন লিপি থেকে উদ্ভূত?

উত্তর: কুটিল লিপি (ব্রাহ্মী লিপির বিবর্তিত রূপ)।


৮২. প্রশ্ন: কৃত্তিবাসী রামায়ন কোন যুগে রচিত?

উত্তর: মধ্যযুগে।


৮৩. প্রশ্ন: ওড়িয়া ও অসমীয়া ভাষার সাথে বাংলার মিলের কারণ কী?

উত্তর: তিনটি ভাষাই মাগধী অপভ্রংশ থেকে উৎপন্ন।


৮৪. প্রশ্ন: 'যদাপি' কোন ভাষার শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়?

উত্তর: সাধু ভাষা।


৮৫. প্রশ্ন: উপভাষার ভৌগোলিক পার্থক্যের কারণ কী?

উত্তর: প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধকতা ও যোগাযোগের অভাব।


৮৬. প্রশ্ন: 'বৌদি' শব্দটির চলিত রূপ আসলে কীসের উদাহরণ?

উত্তর: সংক্ষেপণ বা ক্লিপিং।


৮৭. প্রশ্ন: কামরূপী উপভাষায় 'ন' ও 'ল' এর মধ্যে কী ঘটে?

উত্তর: পারস্পরিক পরিবর্তন দেখা যায়।


৮৮. প্রশ্ন: 'লুকাইয়া' > 'লুকিয়ে'—এটি কোন উপভাষার রূপ?

উত্তর: রাঢ়ী।


৮৯. প্রশ্ন: বরেন্দ্রী উপভাষা কোন নদীর অববাহিকায় দেখা যায়?

উত্তর: মহানন্দা ও গঙ্গা।


৯০. প্রশ্ন: ঝাড়খন্ডী উপভাষায় নাসিক্যভবন কী ধরনের?

উত্তর: অত্যন্ত প্রবল।


৯১. প্রশ্ন: 'বাঙালি' শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ কী?

উত্তর: বঙ অঞ্চলের অধিবাসী।


৯২. প্রশ্ন: ভাষার রূপান্তরের প্রধান কারণ কী?

উত্তর: সময় এবং ভৌগোলিক অবস্থান।


৯৩. প্রশ্ন: রাঢ়ী উপভাষার অঞ্চলকে ঐতিহাসিকভাবে কী বলা হতো?

উত্তর: পশ্চিমবঙ্গ বা গৌড়।


৯৪. প্রশ্ন: আদিম জনজাতির ভাষা বাংলার কোন শব্দভাণ্ডারে জমা আছে?

উত্তর: দেশি শব্দভাণ্ডারে।


৯৫. প্রশ্ন: 'খিদে' শব্দটি কোন উপভাষা থেকে মান্য বাংলায় এসেছে?

উত্তর: রাঢ়ী।


৯৬. প্রশ্ন: 'জল' শব্দটির বদলে 'পানি' ব্যবহার করা কোন উপভাষার অন্যতম বৈশিষ্ট্য?

উত্তর: বঙ্গালী।


৯৭. প্রশ্ন: কোন ভাষা থেকে 'প্রাকৃত' নামটির উদ্ভব?

উত্তর: প্রকৃতি (জনগণ) থেকে।


৯৮. প্রশ্ন: ভাষা পরিবর্তনের অভ্যন্তরীণ কারণ কী?

উত্তর: সহজবোধ্য করার প্রবণতা বা মুখসুখ।


৯৯. প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগ শুরু হয় কোন সালের পর থেকে?

উত্তর: ১৮০০ সালের পর।


১০০. প্রশ্ন: বাংলা ভাষার বৈচিত্র্যের প্রধান কারণ কী?

উত্তর: বিচিত্র জাতিগোষ্ঠীর মিলন ও মিশ্রণ।

============================

একাদশ শ্রেণির প্রথম সেমিস্টারের 'প্রাচীন বাংলা — সমাজ ও সাহিত্য' (পর্ব ১) এবং 'মধ্যযুগের বাংলা সমাজ ও সাহিত্যের প্রধান ধারা' (পর্ব ২) থেকে ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো। এগুলো পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য খুবই সহায়ক হবে।

```text

১. প্রশ্ন: আদি-অস্ট্রাল ও দ্রাবিড় জাতিগোষ্ঠী বাংলার কোন সংস্কৃতির মূল ভিত্তি গড়ে তুলেছিল?

উত্তর: অনার্য লোকসংস্কৃতি ও আদিম জনজীবন।


২. প্রশ্ন: প্রাচীন বাংলার সমাজজীবন মূলত কোন ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল?

উত্তর: গ্রামীণ কৃষিভিত্তিক সমাজ ও বর্ণাশ্রম ব্যবস্থা।


৩. প্রশ্ন: পাল ও সেন যুগে বাংলার রাজনীতিতে প্রধান রাজশক্তি হিসেবে কাদের নাম উল্লেখযোগ্য?

উত্তর: পাল বংশ ও সেন বংশ।


৪. প্রশ্ন: প্রাচীন বাংলার সংস্কৃতিতে কোন ধর্মের প্রভাব বিশেষভাবে লক্ষ করা যায়?

উত্তর: বৌদ্ধ ও ব্রাক্ষ্মণ্য বা হিন্দু ধর্ম।


৫. প্রশ্ন: চর্যাপদ কে আবিষ্কার করেন?

উত্তর: মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।


৬. প্রশ্ন: চর্যাপদ কত সালে আবিষ্কৃত হয়?

উত্তর: ১৯০৭ সালে।


৭. প্রশ্ন: চর্যাপদ কোথা থেকে আবিষ্কৃত হয়েছিল?

উত্তর: নেপালের রাজদরবারের গ্রামীণ রয়্যাল লাইব্রেরি থেকে।


৮. প্রশ্ন: চর্যাপদ কোন প্রকাশনা সংস্থা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়?

উত্তর: বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ।


৯. প্রশ্ন: চর্যাপদের পুথির আসল নাম কী ছিল?

উত্তর: চর্যাচর্যবিনিশ্চয়।


১০. প্রশ্ন: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী সম্পাদিত চর্যাপদ গ্রন্থের নাম কী ছিল?

উত্তর: হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা।


১১. প্রশ্ন: চর্যাপদে মোট কতটি পদ পাওয়া গেছে?

উত্তর: সাড়ে ছেচল্লিশটি (সাড়ে ৪৬ টি)।


১২. প্রশ্ন: চর্যাপদের প্রধান পদকর্তা কে?

উত্তর: কাহ্নপা বা কান্নপা।


১৩. প্রশ্ন: চর্যাপদে সর্বাধিক পদ কার রচিত?

উত্তর: কাহ্নপার (১৩টি পদ)।


১৪. প্রশ্ন: চর্যাপদের ভাষাকে কে 'সন্ধ্যা ভাষা' বা 'আলো-আঁধারি ভাষা' বলেছেন?

উত্তর: মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।


৫. প্রশ্ন: ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে চর্যাপদের ভাষা কোন ভাষার আদি রূপ?

উত্তর: বাংলা ভাষা।


১৬. প্রশ্ন: চর্যাপদের ধর্মমত মূলত কোন ধর্মের সঙ্গে যুক্ত?

উত্তর: মহাযান ও সহজিয়া বৌদ্ধ ধর্ম।


১৭. প্রশ্ন: চর্যাপদের পদগুলিতে কোন সমাজের ছবি ফুটে উঠেছে?

উত্তর: নিম্নবর্গ ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা।


১৮. প্রশ্ন: 'শবর পা' চর্যাপদের কত নম্বর পদের রচয়িতা?

উত্তর: ২৮ ও ৫০ নম্বর পদ।


১৯. প্রশ্ন: চর্যাপদের পুথিতে কোন হরফ বা লিপি ব্যবহৃত হয়েছিল?

উত্তর: প্রাকৃত বা পূর্বী বাংলা লিপি (কুটিল লিপি)।


২০. প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন কোনটি?

উত্তর: চর্যাপদ।


২১. প্রশ্ন: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন কোনটি?

উত্তর: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য।


২২. প্রশ্ন: 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যটি কে আবিষ্কার করেন?

উত্তর: বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বতবল্লভ।


২৩. প্রশ্ন: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পুথিটি কোথায় পাওয়া গিয়েছিল?

উত্তর: বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের কাঁকড়িয়া গ্রামের দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের গোয়ালঘর থেকে।


২৪. প্রশ্ন: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি কত সালে আবিষ্কৃত হয়?

উত্তর: ১৯০9 সালে।


২৫. প্রশ্ন: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা কে?

উত্তর: বড়ু চণ্ডীদাস।


২৬. প্রশ্ন: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি কয়টি খণ্ডে বিভক্ত?

উত্তর: আটটি খণ্ডে।


২৭. প্রশ্ন: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের খণ্ডগুলির নাম কী কী?

উত্তর: জন্মখণ্ড, তাম্বুলখণ্ড, দানখণ্ড, নৌকাখণ্ড, ভারখণ্ড, ছত্ৰখণ্ড, কালীয়দমন ও বংশীখণ্ড।


২৮. প্রশ্ন: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের প্রধান চরিত্র তিনজন—তারা কারা?

উত্তর: রাধা, কৃষ্ণ ও বড়ায়ি।


২৯. প্রশ্ন: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন মূলত কী জাতীয় কাব্য?

উত্তর: নাট্যধর্মী বা সংলাপপ্রধান গীতকাব্য।


৩০. প্রশ্ন: বৈষ্ণব পদাবলি সাহিত্য ধারার প্রথম কবি কে?

উত্তর: বিদ্যাপতি।


৩১. প্রশ্ন: বিদ্যাপতি মূলত কোন ভাষার কবি ছিলেন?

উত্তর: মৈথিলি ভাষা।


৩২. প্রশ্ন: মিথিলার কবি হয়েও কে বাংলায় বৈষ্ণব পদাবলির জন্য জনপ্রিয় হন?

উত্তর: বিদ্যাপতি।


৩৩. প্রশ্ন: পদাবলিতে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের কোন রূপ প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর: পরকীয়া প্রেম ও আত্মিক মিলন।


৩৪. প্রশ্ন: মধ্যযুগের পদাবলি সাহিত্যে 'পদাকল্পতরু' সংকলনটি কার তৈরি?

উত্তর: বৈষ্ণবদাস।


৩৫. প্রশ্ন: চণ্ডীদাস রচিত পদাবলিতে কোন রাগের প্রাধান্য দেখা যায়?

উত্তর: গান্ধার ও ধানশ্রী।


৩৬. প্রশ্ন: জ্ঞানদাস কার ভাবশিষ্য বা অনুগামী ছিলেন?

উত্তর: চণ্ডীদাসের।


৩৭. প্রশ্ন: ব্রজবুলি ভাষাটি মূলত কোন ভাষার সংমিশ্রণে তৈরি কৃত্রিম ভাষা?

উত্তর: মৈথিলি ও বাংলা ভাষার সংমিশ্রণ।


৩৮. প্রশ্ন: গোবিন্দদাস কবিরাজ কোন রাজসভার কবি ছিলেন?

উত্তর: মল্লভূম বা বিষ্ণুপুরের রাজসভা।


৩৯. প্রশ্ন: গোবিন্দদাসকে কে 'কবিকণ্ঠহার' উপাধি দিয়েছিলেন?

উত্তর: শ্রীল জীব গোস্বামী।


৪০. প্রশ্ন: শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনকাল কত ছিল?

উত্তর: ১৪৮৬ থেকে ১৫৩৩ খ্রিষ্টাব্দ।


৪১. প্রশ্ন: শ্রীচৈতন্যদেবের জন্মস্থান কোথায়?

উত্তর: নবদ্বীপ, পশ্চিমবঙ্গ।


৪২. প্রশ্ন: শ্রীচৈতন্যদেব প্রবর্তিত প্রধান ধর্ম আন্দোলনটির নাম কী?

উত্তর: ভক্তি আন্দোলন ও গৌরীয় বৈষ্ণব ধর্ম।


৪৩. প্রশ্ন: শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনভিত্তিক প্রথম প্রামাণ্য গ্রন্থ কোনটি?

উত্তর: চৈতন্যমঙ্গল (লোচন দাস বা জয়ানন্দ রচিত) / শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য চরিতামৃত।


৪৪. প্রশ্ন: বৃন্দাবনদাস ঠাকুর রচিত শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনীগ্রন্থটির নাম কী?

উত্তর: চৈতন্যভাগবত।


৪৫. প্রশ্ন: কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী রচিত সর্বশ্রেষ্ঠ চৈতন্য জীবনীগ্রন্থ কোনটি?

উত্তর: শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত।


৪৬. প্রশ্ন: চৈতন্যচরিতামৃত গ্রন্থটি কয়টি পরিচ্ছেদে বিভক্ত?

উত্তর: আদি, মধ্য ও অন্ত—এই তিনটি লীলায় বিভক্ত।


৪৭. প্রশ্ন: মঙ্গলকাব্যের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?

উত্তর: কোনো দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচার করা।


৪৮. প্রশ্ন: মঙ্গলকাব্যের আদিকবি বা প্রথম প্রবক্তা হিসেবে কার নাম করা হয়?

উত্তর: কানাই দত্ত বা মানিক দত্ত (মনসামঙ্গলের ক্ষেত্রে)।


৪৯. প্রশ্ন: মনসামঙ্গল কাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি কে?

উত্তর: কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ বা বিজয় গুপ্ত।


৫০. প্রশ্ন: মনসামঙ্গল কাব্যে কোন দেবীর পূজার প্রচার করা হয়েছে?

উত্তর: সর্পদেবী মনসার পূজা।


৫১. প্রশ্ন: মনসামঙ্গল কাব্যের লখাই ও বেহুলার উপাখ্যান কার সৃষ্টি?

উত্তর: মীনকেতন বা বিজয় গুপ্তের কাব্যে সবিশেষ রূপ পায়।


৫২. প্রশ্ন: চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের দুই বিখ্যাত কবির নাম লেখো।

উত্তর: মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ও দ্বিজ মাধব।


৫৩. প্রশ্ন: কবিকঙ্কণ উপাধি কার প্রাপ্ত হয়েছিল?

উত্তর: মুকুন্দরাম চক্রবর্তী।


৫৪. প্রশ্ন: মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের অপর নাম কী?

উত্তর: অভিক্রমঙ্গল বা কালকেতু-ফুল্লরার উপাখ্যান।


৫৫. প্রশ্ন: চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আখেটিক খণ্ডের মূল চরিত্র কারা?

উত্তর: কালকেতু ও ফুল্লরা।


৫৬. প্রশ্ন: মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের একটি প্রধান ধারা কী ছিল?

উত্তর: রামায়ণ ও মহাভারত অনুবাদ।


৫৭. প্রশ্ন: বাংলায় রামায়ণ অনুবাদের আদি রচয়িতা কে?

উত্তর: কৃত্তিবাস ওঝা।


৫৮. প্রশ্ন: কৃত্তিবাসী রামায়ণ কোন ছন্দে রচিত?

উত্তর: পয়ার ছন্দে।


৫৯. প্রশ্ন: মালাধর বসু শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্য রচনার জন্য কোন উপাধি পেয়েছিলেন?

উত্তর: গুণরাজ খাঁ।


৬০. প্রশ্ন: শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্যটি কোন গ্রন্থের বাংলা পদানুবাদ?

উত্তর: শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা ও ভাগবত পুরাণ (দশম ও একাদশ স্কন্ধ)।


৬১. প্রশ্ন: বাংলায় মহাভারত অনুবাদের জন্য কে সবচেয়ে বেশি খ্যাতি অর্জন করেন?

উত্তর: কাশীরাম দাস।


৬২. প্রশ্ন: কাশীরাম দাসের মহাভারত অনুবাদ কোন শতকে সম্পন্ন হয়?

উত্তর: সপ্তদশ শতাব্দী।


৬৩. প্রশ্ন: মধ্যযুগের সাহিত্যে 'ইসলামীয় ধারা' বা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রধান পৃষ্ঠপোষক অঞ্চল কোনটি ছিল?

উত্তর: আরাকান রাজসভা (রোহিং বা মায়ানমার)।


৬৪. প্রশ্ন: আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি কে?

উত্তর: সৈয়দ আলাওল।


৬৫. প্রশ্ন: সৈয়দ আলাওল কোন কাব্যগ্রন্থের জন্য অমর হয়ে আছেন?

উত্তর: পদ্মাবতী।


৬৬. প্রশ্ন: 'পদ্মাবতী' কাব্যটি কার মূল রচনার বাংলা অনুবাদ?

উত্তর: মালিক মুহম্মদ জায়সির 'পদুমাবত'।


৬৭. প্রশ্ন: দৌলত কাজী রচিত বিখ্যাত কাব্যটির নাম কী?

উত্তর: লোরচন্দ্রাণী বা সতী ময়না।


৬৮. প্রশ্ন: সৈয়দ আলাওল রচিত আরেকটি উল্লেখযোগ্য কাব্যের নাম লেখো।

উত্তর: সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামান।


৬৯. প্রশ্ন: শাক্ত পদাবলি সাহিত্যের মূল উপজীব্য বিষয় কী?

উত্তর: শাক্ত বা কালী সাধনা ও মাতৃরূপী ঈশ্বরের বন্দনা।


৭০. প্রশ্ন: শাক্ত পদাবলির আদি বা প্রাতঃস্মরণীয় কবি কে?

উত্তর: রামপ্রসাদ সেন।


৭১. প্রশ্ন: রামপ্রসাদ সেন কোন সাধক হিসেবে বেশি পরিচিত?

উত্তর: সাধক রামপ্রসাদ।


৭২. প্রশ্ন: রামপ্রসাদী গানগুলির মূল সুর কীসের প্রকাশ?

উত্তর: ভক্তি ও মায়ের প্রতি সন্তানের আকুলতা।


৭৩. প্রশ্ন: কমলাকান্ত ভট্টাচার্য কোন রাজার সভাকবি বা আশ্রিত ছিলেন?

উত্তর: বর্ধমানের মহারাজা তেজচন্দ্রের সভা।


৭৪. প্রশ্ন: কমলাকান্ত ভট্টাচার্যের পদগুলিতে কোন রসের প্রাধান্য রয়েছে?

উত্তর: বাৎসল্য ও করুণ রস।


৭৫. প্রশ্ন: চর্যাপদের পুথি আবিষ্কারের সাথে কোন বিখ্যাত পণ্ডিতের নাম জড়িত?

উত্তর: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।


৭৬. প্রশ্ন: চর্যাপদের পুথি কোন লিপিতে লেখা হয়েছিল?

উত্তর: প্রাচীন বাংলা লিপি।


৭৭. প্রশ্ন: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের পুথির শেষ খণ্ডটির নাম কী?

উত্তর: বংশীখণ্ড।


৭৮. প্রশ্ন: বিদ্যাপতির পদগুলি মূলত কোন ভাষায় রচিত হওয়ায় ব্রজবুলি নামে পরিচিত হয়?

উত্তর: মৈথিলি ও বাংলার মিশ্রণে।


৭৯. প্রশ্ন: চৈতন্যচরিতামৃত গ্রন্থের রচয়িতা কে?

উত্তর: কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী।


৮০. প্রশ্ন: মনসামঙ্গল কাব্যে কোন লৌকিক চরিত্রের পতিভক্তি অমর হয়ে আছে?

উত্তর: বেহুলা।


৮১. প্রশ্ন: চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের দেবী চণ্ডী কার ঘরোয়া রূপ ধারণ করেছিলেন?

উত্তর: অভয়া বা ঘরের গৃহকর্ত্রী।


৮২. প্রশ্ন: কৃত্তিবাসী রামায়ণে বাংলা সমাজের কোন রূপ প্রতিফলিত হয়েছে?

উত্তর: বাঙালি ঘরের পারিবারিক রূপ ও রীতিনীতি।


৮৩. প্রশ্ন: গুণরাজ খাঁ উপাধিধারী মালাধর বসু কোন গ্রন্থের রচয়িতা?

উত্তর: শ্রীকৃষ্ণবিজয়।


৮৪. প্রশ্ন: কাশীরাম দাসের মহাভারত মূলত কোন পর্বের জনপ্রিয় রূপ?

উত্তর: সভার ও আদি পর্বের সহজ বাংলা রূপ।


৮৫. প্রশ্ন: আরাকান রাজসভার উজির কে ছিলেন যিনি আলাওলকে কাব্য রচনায় উৎসাহিত করেছিলেন?

উত্তর: মাগন ঠাকুর।


৮৬. প্রশ্ন: দৌলত কাজীর অসমাপ্ত কাব্য কে সম্পূর্ণ করেছিলেন?

উত্তর: সৈয়দ আলাওল।


৮৭. প্রশ্ন: সাধক রামপ্রসাদ সেনের একটি বিখ্যাত পদ ধারার নাম বল।

উত্তর: আগমনী ও বিজয়া গান।


৮৮. প্রশ্ন: কমলাকান্ত ভট্টাচার্যকে বাংলার মানুষ কী নামে স্মরণ করে?

উত্তর: সাধক কমলাকান্ত।


৮৯. প্রশ্ন: প্রাচীন বাংলার সমাজ ব্যবস্থায় কোন নদীর অববাহিকা কেন্দ্র করে সভ্যতা গড়ে উঠেছিল?

উত্তর: গঙ্গা ও ভাগীরথী নদী।


৯০. প্রশ্ন: পাল যুগে বৌদ্ধ ধর্মের কোন শাখাটি বাংলায় বেশি প্রাধান্য পেয়েছিল?

উত্তর: তান্ত্রিক বা বজ্রযান শাখা।


৯১. প্রশ্ন: সেন রাজারা মূলত কোন ধর্মের অনুসারী ছিলেন?

উত্তর: ব্রাহ্মণ্য বা সনাতন ধর্ম।


৯২. প্রশ্ন: চর্যাপদে কোন পশুপাখির রূপক বেশি ব্যবহৃত হয়েছে?

উত্তর: দাঁড় কাক, হরিণ ও সাপ।


৯৩. প্রশ্ন: বড়ু চণ্ডীদাস কোন দেবতার উপাসক ছিলেন?

উত্তর: বাসুলী দেবী (বা মনসা/চণ্ডী রূপী শক্তি)।


৯৪. প্রশ্ন: জ্ঞানদাসের শ্রেষ্ঠ পদগুলি কোন বিষয়ের ওপর আবর্তিত?

উত্তর: রাধা-কৃষ্ণের প্রেম ও অভিমান।


৯৫. প্রশ্ন: গোবিন্দদাস মূলত কোন বৈষ্ণব ধারার শেষ উজ্জ্বল নক্ষত্র?

উত্তর: পদকর্তা বা পদাবলি সাহিত্য।


৯৬. প্রশ্ন: চৈতন্যদেবের পার্ষদ বা প্রধান ভক্তদের মধ্যে কার নাম সর্বাগ্রে আসে?

উত্তর: নিত্যানন্দ প্রভু ও অদ্বৈত আচার্য।


৯৭. প্রশ্ন: মঙ্গলকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?

উত্তর: স্বপ্ন বা দেবতার আদেশে কাব্য রচনা।


৯৮. প্রশ্ন: মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর কাব্যে কোন যুগের সামন্ততান্ত্রিক শোষণের ছবি পাওয়া যায়?

উত্তর: মধ্যযুগের শেষভাগের সামন্ত সমাজ।


৯৯. প্রশ্ন: সৈয়দ আলাওলের পৃষ্ঠপোষক রোহিং বা আরাকান রাজার নাম কী ছিল?

উত্তর: শ্রীধর্মরাজ বা থাথাম্য।


১০০. প্রশ্ন: শাক্ত পদাবলিতে কোন দার্শনিক তত্ত্বের প্রভাব রয়েছে?

উত্তর: তন্ত্রসাধনা ও শাক্ত দর্শন।

END

```